• ঢাকা
  • |
  • শনিবার ১২ই অগ্রহায়ণ ১৪২৯ দুপুর ০২:১৩:৩৭ (26-Nov-2022)
  • - ৩৩° সে:
এশিয়ান রেডিও

রাজনীতি

৬০ নং ওয়ার্ড আ'লীগ সভাপতি  হতে যাচ্ছেন হাসমত

২২শে অক্টোবর ২০২২ সকাল ১১:০৬:১২

৬০ নং ওয়ার্ড আ'লীগ সভাপতি  হতে যাচ্ছেন হাসমত

ফিরোজ রানা :  যারা রাজপথে থেকে জামায়াত-বিএনপির নির্মম নির্যাতন সহ্য করেও  শেখ হাসিনাকে ভালোবেসে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে যাচ্ছেন তাদেরকেই ঢাকা মহানগর দক্ষিণের প্রতিটি থানা এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কাউন্সিল সমাবেশে তৃণমূল পর্যায়ে মূল্যায়ন করা হবে।

সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ্ব আবু আহমেদ মন্নাফি, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের প্রতিটি ওয়ার্ডে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কদমতলী থানা ত্রিবার্ষিক সম্মেলন ২৬ই সেপ্টেম্বর সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ৬০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী অনেক। ৬০ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল কর্মীদের মাধ্যমে জানা যায়, ত্যাগ এবং মানদণ্ডের বিচারে রাজনৈতিক ভাবে ৬০ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে এগিয়ে গোলাম মোস্তফা হাসমত।

৬০ নং ওয়ার্ডের  আওয়ামী লীগ সভাপতি পদপ্রার্থী গোলাম মোস্তফা হাসমত তাঁর রাজনৈতিক জীবনের গল্প নিয়ে বিশেষ সাক্ষাৎকার বিনিময়ে প্রতিবেদককে বলেন,

আমি মোঃ গোলাম মোস্তফা হাসমত। ১৭ই মে ১৯৮১ ইং সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন কিশোর বয়সের ছাত্রলীগের এক বড় ভাইয়ের সাথে তেজগাঁও বিমানবন্দরে উপস্থিত হই। এরপর ১৯৮৮ ইং সালের বন্যার সময় নুরপুর ইউনিট আওয়ামী লীগের সাথে ত্রাণ বিতরণের মাধ্যমে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করি।  ১৯৯০ ইং সালে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করি। ১৯৯১ ইং সালে জাতীয় নির্বাচনে সাইফুদ্দিন মানিকের পক্ষে নির্বাচন কর্মকাণ্ড চালাই। ১৯৯২ ইং সালে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সদস্য হিসেবে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করি। ১৯৯৩ ইং সালে বৃহত্তর দনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করি ২০০১ সাল পর্যন্ত এবং সে সময় দনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সৈয়দ আহমেদ এবং আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য ইউনিট কমিটির অনুমোদন দিয়েছিলাম। উক্ত সময় আমার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দ আহমেদ যিনি বর্তমান ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী যুবলীগ দক্ষিণের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে আছেন। আমি যখন যুবলীগে যোগদান করি তখন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ছিলেন, শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এডভোকেট কাজী ইকবাল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ছিলেন মির্জা আজম এমপি। সে সময় ঢাকা মহানগর আওয়ামী যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি ছিলেন আবুল কাশেম মন্টু সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আমির হোসেন গাজী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন আইয়ুব আলী, যিনি বর্তমানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের অন্যতম কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০১ ইং সালে দনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ দুই ভাগে বিভক্ত হয়। ১৯৯৩ ইং সালে আমার সহধর্মিনী মর্জিনা মোস্তফা দনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের মহিলা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন ২০০১ ইং সাল পর্যন্ত। ১৯৯৬ ইং সালে বিএনপি জামাতের ১৫ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন প্রতিহত ও অসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করার সময় শনির আখড়া বিশ্বরোড হইতে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করি। তৎকালীন মেয়র মোঃ হানিফ ভাইয়ের নেতৃত্বে জনতার মঞ্চ আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করি। ১৯৯৬ ইং সালে ঢাকা-০৪ ও ঢাকা-০৫ আসনে তৎকালীন বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান মোল্লা সাহেবের পক্ষে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে বিজয়ী করি। সেই সময় দনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্বে ছিলাম।

১৯৯৮ ইং সালের বন্যার সময় দনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় নেতা আমির হোসেন আমু, মোজাফফর হোসেন পল্টু, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আক্তারুল আলম, ঢাকা-০৪ ও ঢাকা-০৫ আসনের তৎকালীন এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব হাবিবুর রহমান মোল্লা, সাবেক ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী মনিরুল ইসলাম মনু, সাধারণ সম্পাদক হারুনর রশীদ মুন্নার উপস্থিতিতে দনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ করি। ২০০১ ইং সালে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে ০২ (দুই) মাস কারাবরণ করি। সেই সময় দনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগ (দঃ) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক এর দায়িত্বে ছিলাম। 

১/১১ এর সময় জননেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করি।

২০০৮ ইনসালে সেনাবাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আমার ঘর হইতে রাজনৈতিক সকল নথিপত্র এবং ছবিসহ বাড়ির দলিল পত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়।

২০০৮ ইং সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান মোল্লার পক্ষে কাজ করে বিজয়ী করি। সেই সময় দনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগ (দঃ) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ন আহবায়ক এর দায়িত্বে ছিলাম এবং বর্ণমালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের কেন্দ্রভিত্তিক কমিটির আহ্বায়ক ছিলাম। ২০১৪ ইং সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান মোল্লার পক্ষে কাজ করে বিজয়ী করি। সেই সময় দনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগ (দঃ) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক, যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং বর্ণমালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের কেন্দ্রভিত্তিক কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলাম। 

২০০১ ইন সাল হইতে বৃহত্তর ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক শফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মোসলে উদ্দিন ও দনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মোক্তার হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দীক বাকের ভাইদের  নেতৃত্বে সকল রাজনৈতিক আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছি।

পরবর্তীতে ২০০৪ সাল থেকে সরাসরি দনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে প্রয়াত সভাপতি নুরুল আলম সনু এবং সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দীক বাকেরের নেতৃত্বে সকল রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছি এবং সে সময় আমাদের যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সভাপতি হিসেবে ছিলেন ঢাকা-৫ বর্তমান এমপি কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এবং সাধারণ সম্পাদক হারুনর রশিদ মুন্না। তাদের নেতৃত্বে আমরা দনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মী সক্রিয়ভাবে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছি। তৎকালীন দনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আলম সনু গত হওয়ার পর সভাপতি নির্বাচিত হন আবু বকর সিদ্দিক বাকের এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আহমেদুল করিম জয়। তাদের সাথে অদ্যবধি দনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করে আসছি।

২০১৪ ইং সাল হইতে যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের ও দনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাথে রাজনীতি করে আসছি। ২০১৪ এবং ২০১৮ ইং সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা  আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান মোল্লার পক্ষে কাজ করে বিজয়ী করি। সেই সময়, যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং বর্ণমালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের কেন্দ্রভিত্তিক কমিটির আহ্বায়ক ছিলাম। এরপর, ২০২০ ইং সালে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার  শেখ ফজলে নূর তাপসের পক্ষে কাজ করে বিজয়ী করি। এ সময় আমি যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং বর্ণমালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের কেন্দ্রভিত্তিক কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলাম। ২০২০ ইং সালে আমার শ্রদ্ধেয় প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুর কারণে ২০২০ ইং সালে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী মনিরুল ইসলাম মনু ভাইয়ের পক্ষে কাজ করে বিজয়ী করি। এ সময় আমি যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য,৬০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব এবং বর্ণমালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ কেন্দ্রভিত্তিক কমিটির আহ্বায়ক ছিলাম। যুদ্ধাপরাধীদের সুষ্ঠু বিচারের লক্ষ্যে জামায়াত-শিবিরের নৈরাজ্য প্রতিহত করতে আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করি। আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় আমার মোট ১৩ টি মামলা হয় এবং আমি কারাবরণ করি (১৯৯১-১৯৯৬) ও (২০০১-২০০৬) ইং সাল পর্যন্ত।

 ৬০ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত সকল ইউনিট আওয়ামী লীগ ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির আহবায়ক দায়িত্ব পালন করেছি এবং ২০২২ ইং সালে প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহের জন্য নিয়োজিত সার্চ কমিটির সদস্য ছিলাম।

 এখনো জামায়াত-বিএনপির হেফাজত অপশক্তিরা যখন দেশটাকে অশান্তিতে পরিণত করতে চায় তখনই রাজপথে আমি থাকি সব সময়।

এছাড়াও আমি বর্তমানে, নুরপুর পঞ্চায়েত ও সমাজ উন্নয়ন কমিটি এবং বাইতুন নুর জামে মসজিদ কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্বে রয়েছি। পাশাপাশি দনিয়া পাঠাগার এবং গন ছায়া, সংস্কৃতি ও নাট্যগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে দায়িত্বরত আছি।

আমি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি কালীন সময় আমার নেতা কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এমপি এবং হারুনর রশীদ মুন্না ভাইয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ৬০ নং ওয়ার্ডের অসহায় কর্মহীন মানুষের মাঝে খাবার পৌঁছে দিতে চেষ্টা করেছি, রাতের আধারে মানুষের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়েছি। শীত কালীন সময়ে শীত বস্ত্র বিতরণ করেছি এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও পালন করেছি। আমি আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে যথোপযুক্ত মূল্যায়ন করবে‌।

সর্বশেষ সংবাদ



নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের উপর হামলা
২৪শে নভেম্বর ২০২২ দুপুর ১২:০৭:০৩


খেজুরের রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা
২৩শে নভেম্বর ২০২২ দুপুর ০২:০২:১৫




নিশি শ্রাবণীর নতুন গান ‘ভালোবাসার রঙ মাখো’
২০শে নভেম্বর ২০২২ বিকাল ০৪:৩১:১৩


ASIAN TV