• ঢাকা
  • |
  • শনিবার ১২ই অগ্রহায়ণ ১৪২৯ দুপুর ০২:৪৮:৫৪ (26-Nov-2022)
  • - ৩৩° সে:
এশিয়ান রেডিও

জাতীয়

রামগড় স্থলবন্দর- আপাতত আমদানি–রপ্তানি নয়

২৮শে আগস্ট ২০২২ দুপুর ০২:০৪:১৫

স্থলবন্দর। ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় উদ্বোধনের লক্ষ্যে দ্রুতবেগে চলছে রামগড় স্থলবন্দরসহ অন্যান্য অবকাঠামোর নির্মাণকাজ। আপাতত যাত্রী পারাপারের মধ্য দিয়ে এই সীমান্ত চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে ভারতের অনাপত্তিপত্র না পাওয়ায় স্থলবন্দরের প্রশাসনিক ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনার নির্মাণকাজ ঝুলে আছে। তাই আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হতে সময় লাগবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায় তিন বছর পর ৫ সেপ্টেম্বর ভারত সফরে যাবেন। পরদিন তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর দিন ৭ সেপ্টেম্বর ভারতের চেম্বার অব কমার্সের ব্যবসায়ীদের বৈঠকে বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সফরে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি সই হওয়ার কথা। একই সময়ে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে রামগড় স্থলবন্দর প্রাথমিকভাবে উদ্বোধনের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। তার আগে আগামীকাল সোমবার নৌসচিব, প্রকল্প পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রামগড় স্থলবন্দর এলাকা পরিদর্শন করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ রিজিওনাল কানেকটিভিটি প্রকল্প–১–এর আওতায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ১২৫ কোটি টাকা। প্রকল্পটির জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মনিকো লিমিটেডের সঙ্গে গত বছরের ২৮ অক্টোবর নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি হয়। এরপর ওই বছরের ডিসেম্বরে কাজ শুরু হয়েছিল। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা।

জানতে চাইলে প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী রুহুল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, টার্মিনাল ভবনের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এই টার্মিনাল ভবনের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে যাত্রী পারাপারের কাজ শুরুর চিন্তাভাবনা চলছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় উদ্বোধন করা যায় কি না প্রকল্প পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শন করে সেই সিদ্ধান্ত নেবেন।

প্রকল্প–সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আপাতত ১০ একর জমিতে এই স্থলবন্দর বাস্তবায়িত হচ্ছে। আরও ১৬ একর জায়গা অধিগ্রহণের অপেক্ষায় রয়েছে। স্থলবন্দরের জন্য যাত্রী টার্মিনালের পাশাপাশি, কাস্টমস, ইমিগ্রেশনসহ আরও কিছু দপ্তর এবং প্রশাসনিক ভবন দরকার। সীমান্তের ১৫০ গজের ভেতর হওয়ায় এসব স্থাপনা নির্মাণের জন্য ভারতের অনাপত্তিপত্র দরকার হচ্ছে। ভারতের অনাপত্তি না পাওয়ায় নির্মাণকাজ নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। অনাপত্তিপত্রের জন্য চিঠি চালাচালি চলছে। তার আগে যাত্রী টার্মিনালের মধ্যে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন দপ্তর বসিয়ে আপাতত যাত্রী পারাপারের ব্যবস্থা করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

রামগড়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগেই যাত্রী পারাপারের কাজ শুরুর কথা ছিল। এখন নৌ মন্ত্রণালয়ের সচিব সোমবার পরিদর্শন করে সিদ্ধান্ত নেবেন সফরের সময় এটি চালু করা যায় কি না।

সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর পাশে রামগড় অংশে টার্মিনালের জন্য মাটি ভরাটকাজ শেষ হয়েছে। স্টিলের স্থাপনার ওপর নির্মিত হচ্ছে একতলা টার্মিনালটি। ইতিমধ্যে স্থাপনাটির ওপর ছাউনিও দেওয়া হয়েছে। সেতুর ওপর পাহারায় রয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি। এই স্থলবন্দর চালুর লক্ষ্যে ফেনী নদীর ওপর ভারত একটি চার লেনের সেতু নির্মাণ করেছে। এ ছাড়া ভারতের দিকে সব রকম স্থাপনা নির্মাণ শেষ হয়েছে বলে প্রকল্প–সংশ্লিষ্টরা জানান। ওপারে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য। এই সেতুটি দুই দেশের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে।

জানতে চাইলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মনিকোর ব্যবস্থাপক মফিজুর রহমান বলেন, ‘যাত্রী টার্মিনাল নির্মাণ প্রায় শেষ পর্যায়ে। কিন্তু ভারত সরকার এখনো সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কিছু ভবন নির্মাণে আমাদের অনুমতি দেয়নি।’

স্থলবন্দরটি চালু হলে যাত্রী পারাপারের পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য সম্ভাবনা বাড়বে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী নেতারা। খাগড়াছড়ি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সহসভাপতি মোহাম্মদ কাশেম প্রথম আলোকে বলেন, এই সীমান্ত দিয়ে দুই দেশে যাত্রী পারাপার সহজতর হবে। এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করা যাবে। পার্বত্য এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও তাতে বাড়বে।

সর্বশেষ সংবাদ



নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের উপর হামলা
২৪শে নভেম্বর ২০২২ দুপুর ১২:০৭:০৩


খেজুরের রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা
২৩শে নভেম্বর ২০২২ দুপুর ০২:০২:১৫




নিশি শ্রাবণীর নতুন গান ‘ভালোবাসার রঙ মাখো’
২০শে নভেম্বর ২০২২ বিকাল ০৪:৩১:১৩


ASIAN TV