• ঢাকা
  • |
  • বৃহঃস্পতিবার ২৪শে অগ্রহায়ণ ১৪২৯ সন্ধ্যা ০৬:৩২:০৪ (08-Dec-2022)
  • - ৩৩° সে:
এশিয়ান রেডিও

চট্রগ্রাম

বন্দর থেকে যেভাবে খালাস হয় আমদানিপণ্য

১৪ই আগস্ট ২০২২ সকাল ০৯:০৭:৩৯

ফাইল ছবি

দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সিংহভাগই হয় সমুদ্রপথে। এরমধ্যে ৯২ শতাংশই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রধান এ সমুদ্রবন্দরে বাড়ছে ব্যস্ততা। জরিপ বলছে, ২০১৮ থেকে ২০৪৩ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং প্রতিবছর ১০ থেকে ১২ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি ঘটবে। ২০৩০ সাল নাগাদ এ বন্দর দিয়ে হ্যান্ডলিং হবে ৪০ লাখ টিইইউস (টুয়েন্টি ফুট ইক্যুয়েভেলেন্ট ইউনিট) কনটেইনার। ২০৪৩ সালে তা উন্নীত হবে ৫৬ লাখ টিইইউসে। তবে বন্দরে চাপ ও ব্যস্ততা বাড়ার পাশাপাশি সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা আমদানিপণ্য খালাসে ফাঁকফোকরের ইঙ্গিত দিচ্ছে। অনুসন্ধানে মিলেছে নানা অসঙ্গতি ও অনিয়ম।

সদ্যবিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দর ৩২ লাখ ৫৫ হাজার টিইইউস কনটেইনার এবং ১১ কোটি ৮১ লাখ ৭৪ হাজার মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং করেছে। সাধারণত, আমদানি পণ্য বন্দর থেকে খালাস করতে কিছু নিয়মনীতি অনুসরণ করতে হয়। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বিদেশি মদের চালান বের হওয়া এবং বহির্নোঙর থেকে বাল্কপণ্য খালাস নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা ও বিতর্ক সামনে এসেছে।

কাস্টমস, আমদানিকারক, পণ্য খালাসকারী সিঅ্যান্ডএফ (ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং) প্রতিষ্ঠান ও লোকাল শিপিং এজেন্টসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আমদানিপণ্য দেশের সমুদ্রসীমায় পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে খালাসের প্রথম ধাপের কাজটি শুরু করেন পণ্য নিয়ে আসা জাহাজের ক্যাপ্টেন। কাস্টমস আইন অনুযায়ী, জাহাজ বন্দরের অভ্যন্তরে প্রবেশের আগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পণ্যের আইজিএম (ইমপোর্ট জেনারেল ম্যানিফেস্ট) কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে সাবমিট করতে হয়।

আইজিএম হচ্ছে আমদানিপণ্যের তথ্য সম্বলিত তালিকা। যেখানে পণ্যবাহী জাহাজের নাম, রোটেশন নম্বর, আমদানি-রপ্তানিকারকের নাম-ঠিকানা, পণ্যের সংক্ষিপ্ত বিবরণ, পণ্যের পরিমাণ ও গন্তব্য ইত্যাদি তথ্য থাকে। এরপর জাহাজ বন্দরে বার্থিং করার পর বন্দর কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে কনটেইনাগুলো বন্দর বার্থে নামে। এরপর বেসরকারি অফডকে (বেসরকারি ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো বা আইসিডি) খালাসযোগ্য পণ্য হলে স্ক্যানিং হয়ে কনটেইনারগুলো অফডকে চলে যায়।

দ্বিতীয় ধাপে পণ্যের কায়িক পরীক্ষা ও শুল্কায়ন করতে হয়। বন্দরে পণ্যভর্তি কনটেইনার নামার পর এবং রপ্তানিকারক থেকে শিপমেন্ট নথি পাওয়ার পর অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ডে বিল অব এন্ট্রি (সি নম্বর) সাবমিট করেন আমদানিকারক প্রতিনিধি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট। এরপর পণ্য চালানে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের বিশেষ কোনো পর্যবেক্ষণ না থাকলে কাস্টমস হাউজে পণ্যের শুল্কায়ন হয়। শুল্ক নির্ধারিত হওয়ার পর অ্যাসেসমেন্ট নোটিশের মাধ্যমে ব্যাংকে শুল্ক কর পরিশোধ করেন আমদানিকারক। এরপর কাস্টমস থেকে পণ্য ছাড়ের অনুমতি দেওয়া হয়। বন্দরের যাবতীয় ফি পরিশোধ শেষে বন্দর অভ্যন্তরে থাকা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে আমদানিপণ্য খালাস নেওয়া হয়।

সর্বশেষ সংবাদ

নারায়ণগঞ্জ শহরে জলকামান মোতায়েন
৮ই ডিসেম্বর ২০২২ বিকাল ০৫:৫৫:৪৭


পুরুষের ফুসফুস, নারীর স্তন ক্যানসার বেশি
৮ই ডিসেম্বর ২০২২ দুপুর ১২:৫৩:৩১


তালতলী রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন
৭ই ডিসেম্বর ২০২২ সন্ধ্যা ০৬:১৫:৩১

ভোলার চরফ্যাসন যুবলীগের ৫০ তম বর্ষপূর্তি উদযাপন
৬ই ডিসেম্বর ২০২২ সন্ধ্যা ০৬:২২:৪৯





ASIAN TV