• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ২৩শে মাঘ ১৪২৯ রাত ১০:৩২:২৩ (05-Feb-2023)
  • - ৩৩° সে:
এশিয়ান রেডিও

এশিয়ান গোলটেবিল- পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু প্রতিরোধে অংশীজনদের করণীয়

অংশগ্রহণকারীঅধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলামডিরেক্টর, ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড লাইন ডিরেক্টর, কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরঅধ্যাপক ডা. মো. রোবেদ আমিনলাইন ডিরেক্টর, নন কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল (এনসিডিসি), স্বাস্থ্য অধিদপ্তরঅধ্যাপক ড. ফজলুর রহমাননির্বাহী পরিচালক, সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাআমিনুর রহমানউপনির্বাহী পরিচালক, সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি)ইসাকুল কবিরজাতীয় পরামর্শক, মানসিক স্বাস্থ্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশরুহুল কুদ্দুসকান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর, গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই)সদরুল হাসান মজুমদারন্যাশনাল অফিসার, ড্রাউনিং প্রিভেনশন ইউনিসেফ বাংলাদেশগওহার নঈম ওয়ারাআহ্বায়ক, দুর্যোগ ফোরাম, লেখক ও গবেষকমাহমুদা আকতারভাইস চেয়ার, বাংলাদেশ আর্লি চাইল্ডহুড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কআনিসুল হকলেখক ও সাংবাদিক; সম্পাদক, কিশোর আলোআব্দুল জলিল চৌধুরীমহাসচিব, ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স ফর ড্রাউনিং প্রিভেনশন (এনএডিপি)এষা হোসেনপ্রজেক্ট লিড, ড্রাউনিং প্রিভেনশন পার্টনারশিপ, সিনারগোজসূচনা বক্তব্যআব্দুল কাইয়ুমসহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলোসঞ্চালনাফিরোজ চৌধুরীসহকারী সম্পাদক, প্রথম আলোআলোচনাআব্দুল কাইয়ুমবাংলাদেশে অনেক শিশু পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণ করে। যদিও অভিভাবকেরা সচেতন থাকলে তা হওয়ার কথা নয়। গ্রামে শিশুরা পানির সঙ্গে খুব পরিচিত এবং তারা সাঁতার শিখে নেয়। শহরের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। তবে এখন সাঁতার শেখার জন্য শহরে সরকারি ও বেসরকারিভাবে সুযোগ তৈরি হয়েছে। শিশুরা খুব সহজে সাঁতার শিখতে পারে।আমিনুর রহমানআমিনুর রহমানসারা বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ ৩৫ হাজার অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ৬৫০ জন মানুষ পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণ করে। এর প্রায় ৯০ শতাংশের বেশি মৃত্যু ঘটে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশগুলোয়। এটা উচ্চ আয়ের দেশের তুলনায় তিন গুণ বেশি।বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১৯ হাজার মানুষ পানিতে ডুবে মারা যায়। এদের মধ্যে প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ জনের বয়স ১৮ বছরের কম। তাহলে প্রতিদিন গড়ে ৪০ জন শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়।এক থেকে পাঁচ বছর বয়সী যেসব শিশু মারা যায়, তাদের ৫৮ শতাংশের মৃত্যু হয় পানিতে ডুবে। বাংলাদেশে শিশুমৃত্যুর প্রায় ৬০ শতাংশ ঘটনা ঘটে সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টার মধ্যে। পানিতে ডুবে মৃত্যুর ৮০ শতাংশ বাড়ি থেকে মাত্র ২০ মিটারের মধ্যে অবস্থিত বিভিন্ন পুকুর, ডোবা ও জলাধারে ঘটে থাকে।

ASIAN TV