• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ৪ঠা কার্তিক ১৪৩৩ সকাল ০৭:৫৮:৩৩ (19-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:

ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: দুর্গাপূজার শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী

১৬ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:২৮:১৪

ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: দুর্গাপূজার শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার।

একই সঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যেন উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে দুর্গাপূজার উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। এ সময় ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সব নাগরিকের নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।

১৬ অক্টোবর শুক্রবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেওয়া এক শুভেচ্ছাবার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন

প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিন্দু ধর্ম মতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। তিনি ভক্তদের কল্যাণ সাধন, শত্রুর বিনাশ এবং সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্য এক অনন্য মাত্রা লাভ করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে থাকেন। ধর্মীয় উৎসবের এই আয়োজন দেশের আবহমানকালের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির সৌন্দর্যকে তুলে ধরে। এসব উৎসবের মধ্য দিয়ে দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রকাশ ঘটে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন ধর্ম, গোত্র ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন প্রকাশ পায়। এই সম্পর্ক ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য সমাজে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আরও পড়ুন

সুপ্রিম কোর্টে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া ১৯ অক্টোবর

আরও পড়ুন: ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডে কমবে মূল্যস্ফীতির চাপ ও দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ

শুভেচ্ছাবার্তায় সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারকে সব ধর্মের মূল উপজীব্য হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানবতার কল্যাণও সব ধর্মের অন্যতম শিক্ষা। তাই প্রত্যেকের নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি অন্য মানুষের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রাখা জরুরি। এর মাধ্যমে সমাজে শান্তির পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।

দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও পুনর্গঠনের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল, মত, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা তাদের অঙ্গীকার।

আরও পড়ুন

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি স্পিকারের শুভেচ্ছা

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ ও মানবিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের চর্চা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমে দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ আরও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনেরা যেন উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সারাদেশে দুর্গাপূজার উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সেই প্রত্যাশা জানান।

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ










আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরিত হচ্ছে সচিবালয়
আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরিত হচ্ছে সচিবালয়
১৮ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৫১:৩৩