• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ১৮ই কার্তিক ১৪৩৩ রাত ০১:২৭:৫০ (03-Nov-2026)
  • - ৩৩° সে:
বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইনের খসড়া অনুমোদন

বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইনের খসড়া অনুমোদন

ডেস্ক রিপোর্ট: দেশে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইন-২০২৬, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন (দ্বিতীয় সংশোধন)-২০২৬-এর চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকাও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি হংকংয়ের সঙ্গে অপরাধবিষয়ক পারস্পরিক আইনগত সহায়তা (এমএলএ) চুক্তির খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।২ নভেম্বর সোমবার মন্ত্রিসভার ২৬তম বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে তথ্য অধিদফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।তিনি বলেন, দেশে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন কার্যক্রমের দ্রুত বিস্তার নিশ্চিতের লক্ষ্যে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইন ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জারি করা অধ্যাদেশ সংসদের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতা থাকায় অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এ লক্ষ্যে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। লেজিসলেটিভ বিভাগের মতামত সাপেক্ষে এটি এখন ক্যাবিনেটে পাস হয়ে বিল আকারে সংসদে যাবে। সংসদ না থাকা অবস্থায় অধ্যাদেশ দিয়ে কার্যক্রম চালানো গেলেও, সংসদ চালু হলে প্রথম দিনেই তা বিল আকারে পেশ করে পাসের মাধ্যমে আইনে পরিণত করতে হয় বলেও জানান তিনি।পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন-২০২৬ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬-এ এ পর্যন্ত মোট ছয় দফা সংশোধন আনা হয়েছে।সর্বশেষ সংশোধনটি গত ২১ সেপ্টেম্বর ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারির মাধ্যমে করা হয়।নতুন সংশোধনে দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা, অতি ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা এবং সুযোগ-বঞ্চিত দরপত্রদাতাদের জন্য বিশেষ সুবিধা, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির আধুনিকায়ন, সম্পদের সুষম বণ্টনে সীমিত দরপত্র পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ানো এবং পেশাগত অসদাচরণ-সংক্রান্ত বিধান স্পষ্ট করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।সভায় ২০২৭ সালের জন্য মোট ২৯ দিনের সরকারি ছুটির খসড়া প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এসব ছুটির মধ্যে সাধারণ ছুটি ১৫ দিন- যার মধ্যে ৪ দিন সাপ্তাহিক ছুটিতে (২টি শুক্রবার ও ২টি শনিবার) পড়েছে।নির্বাহী আদেশে ছুটি ১৪ দিন- যার মধ্যে ৩ দিন সাপ্তাহিক ছুটিতে (১টি শুক্রবার ও ২টি শনিবার) পড়েছে। ঐচ্ছিক ছুটির মধ্যে ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে সরকারি কর্মচারীরা বছরে সর্বোচ্চ ৩ দিন ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন।এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কর্মচারীদের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবি উদযাপনে ২ দিন ঐচ্ছিক ছুটি দেওয়া হবে। সাপ্তাহিক ছুটির ৭ দিন বাদ দিলে ২০২৭ সালে কার্যত সরকারি ছুটি থাকবে মোট ২২ দিন।বাংলাদেশ ও চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হংকংয়ের মধ্যে ফৌজদারি বিষয়ে পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তির খসড়াও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।এই চুক্তির ফলে দুই অঞ্চলের মধ্যে অপরাধ-সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান, অপরাধী আটক ও অন্যান্য আইনি সহযোগিতার পথ সুগম হবে।এটিভি/ এইচকে

৩ ঘন্টা আগে


















































গাজীপুরে তিন মামলায় ৪ হাজার আসামি, গ্রেফতার ৩০

গাজীপুরে তিন মামলায় ৪ হাজার আসামি, গ্রেফতার ৩০

অনলাইন ডেস্ক: গাজীপুরে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে শ্রমিক আন্দোলনে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে তিনটি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় প্রায় চার হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে শিল্প পুলিশ দুটি এবং গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) একটি মামলা করেছে।মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে শিল্পাঞ্চল-২ (গাজীপুর) পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন, এসব মামলায় অন্তত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বকেয়া মজুরির দাবিতে ২ নভেম্বর সোমবার সকালে কালিয়াকৈর উপজেলার শফিপুর, চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ এবং গাজীপুর মহানগরের ভোগড়া বাইপাস, কোনাবাড়ি ও সালনা এলাকায় বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা আন্দোলনে নামেন। এসময় আন্দোলনকারীরা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং মহাসড়ক অবরোধ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও বিজিবি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে টিয়ারসেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।এক পর্যায়ে শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। কোনাবাড়ীতে একটি পুলিশ বক্সে এবং পল্লী বিদ্যুৎ এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ ও যানবাহন ভাঙচুর করা হয়।এর আগে, ১ নভেম্বর রোববার সকাল থেকে গাজীপুরের কোনাবাড়ী, কাশিমপুর, মৌচাক, সফিপুর, চন্দ্রা ও পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তারা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করলে ওই সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।কয়েকদিনের শ্রমিক আন্দোলনের ফলে গাজীপুরী ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক কার্যত অচল হয়ে পড়ে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গাজীপুর এবং ঢাকার উদ্দেশে আসা যাত্রীরা পড়েন চরম দুর্ভোগে।এটিভি/ এইচকে

২ নভেম্বর ২০২৬ রাত ০৮:৪২:৩০
হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাতে তেলবাহী দুই ট্যাংকার বিস্ফোরিত

হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাতে তেলবাহী দুই ট্যাংকার বিস্ফোরিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে আবারও জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ১ নভেম্বর রোববার অজ্ঞাতপরিচয় একটি বস্তু একটি বাণিজ্যিক জাহাজে আঘাত হানে। একই দিনে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সময় নৌপথে পুঁতে রাখা মাইনে আঘাত লেগে দুটি তেলবাহী ট্যাংকার বিস্ফোরিত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী।যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজের ক্যাপ্টেন বিপৎসংকেত (মেডে) পাঠিয়ে জানান, আরেকটি জাহাজ অজ্ঞাতপরিচয় বস্তুর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবর রয়টার্সের।অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, রোববার আইআরজিসির নৌবাহিনী দাবি করেছে, অনুমোদনহীন পথে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় দুটি তেলবাহী ট্যাংকার সাগরে পুঁতে রাখা মাইনে আঘাত হানে। এতে জাহাজ দুটি বিস্ফোরিত হয় বলে দাবি করা হয়েছে।এর আগে শুক্রবার কাতারের একটি গ্যাসবাহী ট্যাংকারে হামলার খবর প্রকাশ করে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কাতার নিউজ এজেন্সি। সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, উপসাগরীয় জলসীমা দিয়ে চলাচলের সময় অজ্ঞাতপরিচয় বস্তু দিয়ে জাহাজটিতে হামলা চালানো হয়।হামলার শিকার জাহাজটির নাম ‘আল-মায়েদা’। এটি কাতার গ্যাস ট্রান্সপোর্ট কোম্পানির মালিকানাধীন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহণকারী একটি জাহাজ।কাতারের সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার সময় জাহাজটিতে থাকা কোনো নাবিক আহত হননি। পরিবেশেরও কোনো ক্ষতি হয়নি। কাতার গ্যাস ট্রান্সপোর্ট কোম্পানির বরাত দিয়ে জানানো হয়, জাহাজটি নিরাপদ অবস্থায় রয়েছে এবং স্বাভাবিকভাবে চলাচলের উপযোগী।এটিভি/এসআইআর

২ নভেম্বর ২০২৬ সকাল ০৯:৩৬:০৩
শুল্কমুক্ত কাপড় খোলাবাজারে বিক্রি, দুই কারখানায় ১০২ কোটি টাকার কর ফাঁকি

শুল্কমুক্ত কাপড় খোলাবাজারে বিক্রি, দুই কারখানায় ১০২ কোটি টাকার কর ফাঁকি

ডেস্ক রিপোর্ট: বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা কাপড় অবৈধভাবে খোলাবাজারে বিক্রি, কম মূল্যে রপ্তানি দেখানোসহ বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে দুই পোশাক কারখানা ১০২ কোটি ৫৭ লাখ ১৩ হাজার ১২৮ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) পৃথক তদন্তে এ রাজস্ব ফাঁকির তথ্য উঠে এসেছে।আজ ২ নভেম্বর সোমবার এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠান দুটি হলো রিয়াজ নিটওয়্যার লিমিটেড ও লিশা টেক্স (প্রা.) লিমিটেড। এর মধ্যে রিয়াজ নিটওয়্যার লিমিটেডের বিরুদ্ধে ৯৪ কোটি ৭৩ লাখ ৮৭ হাজার ৭২০ টাকা এবং লিশা টেক্সের বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৮৩ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮ টাকার রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া গেছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিআইসির তদন্ত দল প্রতিষ্ঠান দুটির কারখানা ও গুদাম সরেজমিনে পরিদর্শন করে কাঁচামালের মজুদ যাচাই করে। পাশাপাশি আমদানি ও রপ্তানির তথ্য সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম শনাক্ত করা হয়।রিয়াজ নিটওয়্যার লিমিটেড ৪১টি ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশনের (ইউডি) আওতায় বন্ড সুবিধায় ২ হাজার ৮৬২ টন ওভেন পলিয়েস্টার কাপড় আমদানি করে। এর মধ্যে প্রায় ২ হাজার ২৩৭ টন বা ৭৮ শতাংশ কাপড় কারখানার গুদামে পাওয়া যায়নি। রপ্তানির হিসাবেও এসব কাপড়ের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্তে দেখা গেছে, বন্ডেড ওয়্যারহাউস থেকে কাপড় সরিয়ে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে।এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির রপ্তানির নথিতে সুতা ও নিট কাপড়ের হিসাব পাওয়া গেলেও ওভেন পলিয়েস্টার কাপড়ের বড় ধরনের ঘাটতি শনাক্ত হয়েছে। যেসব ৩১টি ইউডিতে কোনো রপ্তানি হয়নি, সেগুলোর ৩০টিতেই আমদানি করা কাপড়ের পুরোটা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আংশিক রপ্তানি হওয়া ১০টি ইউডিতেও আমদানি করা কাপড়ের প্রায় ৫৩ শতাংশের হিসাব পাওয়া যায়নি।পরিদর্শনে পুরো কারখানায় ৬৯ হাজার ৩৮২ কেজি সুতা, ৮ লাখ ৪৫ হাজার ৩৯৭ পিস তৈরি পোশাক এবং মাত্র ২৫ হাজার ৫৩৩ দশমিক ৫০ কেজি ওভেন পলিয়েস্টার কাপড় পাওয়া যায়। এই কাপড়ের পরিমাণ মোট আমদানির মাত্র শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ। অবৈধভাবে সরিয়ে নেওয়া কাপড়ের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ১৩৪ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এর বিপরীতে ৯৪ কোটি ৭৩ লাখ ৮৭ হাজার ৭২০ টাকার শুল্ক-কর ফাঁকি উদঘাটন করা হয়েছে।অন্যদিকে, লিশা টেক্সের বন্ড সুবিধায় আমদানি করা প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার কেজি পলিয়েস্টার কাপড় কারখানায় পাওয়া যায়নি। তদন্তে উঠে এসেছে, এসব কাপড় বন্ডেড ওয়্যারহাউস থেকে সরিয়ে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। শুধু এ খাতেই প্রায় ৬ কোটি ৯০ লাখ টাকার শুল্ক-কর ফাঁকি শনাক্ত হয়েছে।এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অনুমোদনের চেয়ে বেশি পোশাক রপ্তানি করলেও চুক্তিমূল্যের তুলনায় কম রপ্তানিমূল্য দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। ইউডির বাইরে স্থানীয় উৎস থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ এবং বাধ্যতামূলক ২০ শতাংশ মূল্য সংযোজনের শর্ত পূরণ না করার বিষয়টিও তদন্তে পাওয়া গেছে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চার লাখের বেশি পিস পোশাকের আনুষঙ্গিক কাঁচামাল অনুমোদন ছাড়াই মূসক পরিশোধ না করে স্থানীয় বাজার থেকে কেনা হয়েছে। পাশাপাশি লাইসেন্সবিহীন একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার কিট ব্যাগ সরবরাহের মাধ্যমে মূসক ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। এসব অনিয়মের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির মোট ৭ কোটি ৮৩ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮ টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন করা হয়েছে।এনবিআর জানিয়েছে, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার রোধে সিআইসির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।এটিভি/এসআইআর

২ নভেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:১৯:৪০
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নভেম্বর পর্যন্ত সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে: চসিক প্রশাসক

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নভেম্বর পর্যন্ত সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে: চসিক প্রশাসক

অনলাইন ডেস্ক: ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে নভেম্বর মাস পর্যন্ত সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা এবং মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন।তিনি বলেন, বৃষ্টি কমে গেলেও ডেঙ্গুর ঝুঁকি শেষ হয়ে যায় না। বিগত বছরের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী নভেম্বর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত থাকতে পারে। তাই এ সময়ে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।২৬ অক্টোবর সোমবার নগরের টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সিভিল সার্জন অফিসের সর্বশেষ ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে প্রশাসক এসব কথা বলেন।সভায় সিভিল সার্জন অফিসের হালনাগাদ পরিসংখ্যান উপস্থাপন করা হয় এবং নগরীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় চলমান কার্যক্রম ও করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় ৩ হাজার ২১০ জন, জেলার উপজেলাগুলোতে ২ হাজার ৭৬২ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যান্য জেলা থেকে আগত ৭০৮ জন রোগী রয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গুতে মোট ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে মহানগর এলাকায় ১২ জন, উপজেলা পর্যায়ে ১৪ জন এবং অন্যান্য জেলার সাতজন রয়েছেন। মৃতদের মধ্যে ১৮ জন নারী, ৯ জন শিশু ও ছয়জন পুরুষ। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ৯১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।মহানগর এলাকার মধ্যে হালিশহরে সর্বোচ্চ ৪৩৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া কোতোয়ালীতে ৩৩৪ জন, বন্দরে ৩২৪ জন, পাহাড়তলীতে ৩০৪ জন এবং বাকলিয়াতে ২৫৬ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। উপজেলা পর্যায়ে সীতাকুণ্ডে সর্বোচ্চ ৮৪৮ জন, কর্ণফুলীতে ৩২৩ জন এবং বাঁশখালীতে ২৩১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানে সেপ্টেম্বরে ২ হাজার ৪৩০ জন এবং অক্টোবরে ২ হাজার ১২৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এসব পরিসংখ্যান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে।প্রশাসক বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা, মশক নিয়ন্ত্রণ এবং যথাযথ চিকিৎসাসেবা এই চারটি বিষয়কে সমন্বিতভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।সভায় জানানো হয়, চসিকের মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে বর্তমানে প্রতিটি ছোট ওয়ার্ডে তিনজন করে এবং বড় ওয়ার্ডগুলোতে পাঁচজন করে কর্মী দায়িত্ব পালন করছেন। সব মিলিয়ে প্রায় দেড়শ কর্মী এ কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন। মশক নিয়ন্ত্রণে বিটিআইসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ এবং অন্যান্য কার্যক্রম চলমান রয়েছে।চসিক প্রশাসক এসব কার্যক্রম নিয়মিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সভায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

২৭ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১০:২৫:৫১
চট্টগ্রাম থেকে পরীমণির জন্য কে ফুল পাঠালেন, জয়ের প্রশ্নে নায়িকার উত্তর
চট্টগ্রাম থেকে পরীমণির জন্য কে ফুল পাঠালেন, জয়ের প্রশ্নে নায়িকার উত্তর

বিনোদন ডেস্ক: জন্মদিনে চট্টগ্রাম থেকে উড়োজাহাজে করে চিত্রনায়িকা পরীমণির জন্য শিউলি ফুল পাঠিয়েছেন এক ব্যক্তি। তবে কে সেই ব্যক্তি, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হয় কৌতূহল। বিষয়টি নিয়ে রসিকতা করে ফেসবুকে পোস্ট দেন অভিনেতা ও পরিচালক শাহরিয়ার নাজিম জয়।পোস্টে তিনি বলেন, চট্টগ্রামের বড়লোকদের বউরা নাকি কাল রাত থেকে দুশ্চিন্তায়! স্বামীদের মধ্যে কে আবার বিমানে করে পরীমনির জন্য পাঠালেন একগুচ্ছ শিউলি ফুল?তবে তার প্রশ্নের জবাব দিয়ে পরীমণি নিজেই জানিয়েছেন, ফুল পাঠানো ব্যক্তি এক নারী।গত ২৪ অক্টোবর শনিবার ছিল পরীমণির ৩৪তম জন্মদিন। জন্মদিনের আয়োজনের জন্য ফেসবুকে দুই মণ শিউলি ফুল চেয়েছিলেন তিনি। তার সেই ইচ্ছা পূরণে চট্টগ্রাম থেকে বিমানে করে শিউলি ফুল পাঠান এক নারী। জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বিষয়টি জানিয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন অভিনেত্রী।তবে জয়ের সেই রসিকতার জবাবে পরীমণি জানান, ফুল পাঠানো ব্যক্তি কোনো পুরুষ নন, একজন নারী। যদিও ওই নারীর নাম বা পরিচয় প্রকাশ করেননি অভিনেত্রী।পরীমনির প্রতি নিজের মুগ্ধতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, তার কাছে পরীমনিকে এ সময়ের অন্যতম এমন একজন নায়িকা মনে হয়, যিনি চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিকে আপন করে ভাবেন। শুধু সিনেমার প্রচার বা সংবাদমাধ্যমের কাভারেজের জন্য নয়, ব্যক্তিগত সম্পর্কের উষ্ণতা থেকেই ইন্ডাস্ট্রির মানুষকে খাওয়ানো এবং সম্মান জানান তিনি।জয়ের ভাষায়, পরীমনি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের বড় একজন সেলিব্রেটি। তাকে চেনেন না, এমন মানুষ দেশে নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অভিনেত্রীর জন্য শুভকামনাও জানিয়েছেন জয়। তবে শিউলি ফুল পাঠানোর প্রসঙ্গ আসতেই মজার ছলে তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের বড়লোকদের বউরা নিশ্চয়ই ভাবছেন, তাদের স্বামীদের মধ্যে কে পরীমনির জন্য বিমানে করে এত ফুল পাঠিয়েছেন!সেই ব্যক্তিকে খুঁজে পেলে মিডিয়ায় ধরিয়ে দেওয়ার কথাও রসিকতা করে বলেন তিনি। যদিও নিজের মন্তব্যের শেষাংশে জয়ের চাওয়া, লোকটি যেন ধরা না পড়েন। কারণ, তিনিও অনেককে শিউলি ফুল দিয়েছেন, কিন্তু ধরা পড়েননি!এদিকে জন্মদিনে শিউলি ফুলের এমন ভালোবাসায় মুগ্ধ পরীমনি। শুধু ফুলের চমকই নয়, নিজের জন্মদিনে নতুন সিনেমা ‘ফারজানা’র ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। তারেক রহমান পরিচালিত সিনেমাটির শুটিং প্রায় শেষ পর্যায়ে বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।এটিভি/এসটিও

২৬ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০১:০৩:৫২
নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:১০:৪২

মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:৫৪

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন যারা
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন যারা
৩০ জানুয়ারী ২০২৬ সকাল ০৯:১৮:০৬


বলিউডের চলচ্চিত্র নির্মাতা সঞ্জয় গুপ্তর মৃত্যু
বলিউডের চলচ্চিত্র নির্মাতা সঞ্জয় গুপ্তর মৃত্যু

বিনোদন ডেস্ক: মারা গেছেন ‘কাঁটে’, ‘জিন্দা’ ও ‘শুটআউট অ্যাট লোখান্ডওয়ালা’র মতো বলিউডের জনপ্রিয় সিনেমার পরিচালক সঞ্জয় গুপ্ত।৩১ অক্টোবর শনিবার সকালে ৫৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও ফেডারেশন অব ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়িজের (এফডব্লিউআইসিই) প্রধান উপদেষ্টা অশোক পণ্ডিত।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে অশোক পণ্ডিত জানান, নিজ বাড়িতে মাথায় আঘাত পাওয়ার কারণে মৃত্যু হয়েছে সঞ্জয় গুপ্তের।বন্ধুর আকস্মিক মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘খবরটি সত্যিই মর্মান্তিক ও মেনে নেওয়া কঠিন। আমাদের প্রিয় বন্ধু, প্রতিভাবান পরিচালক সঞ্জয় গুপ্ত আর নেই। তিনি ছিলেন প্রাণবন্ত একজন মানুষ, অসাধারণ গল্পকার এবং চলচ্চিত্রের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ নির্মাতা। এত দ্রুত তাকে হারানো চলচ্চিত্রশিল্পের জন্য বড় ক্ষতি।’ তিনি আরও জানান, সঞ্জয় গুপ্তের শেষকৃত্যের বিস্তারিত পরে জানানো হবে।এদিকে সঞ্জয় গুপ্তের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোক প্রকাশ করেছেন বলিউডের অনেকে।চলচ্চিত্র বাণিজ্য বিশ্লেষক ও সমালোচক তরণ আদর্শ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। বিশ্বাসই করতে পারছি না, সঞ্জয় গুপ্ত আর নেই। কয়েক দিন আগেই তার বাড়িতে আয়োজিত মাতা কি চৌকির অনুষ্ঠানে দেখা হয়েছিল। খবরটি সত্যিই হৃদয়বিদারক।’সঞ্জয় গুপ্তের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত চলচ্চিত্র অঙ্গনের সহকর্মীরা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরাও। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমসএটিভি/এসটিও

৩১ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০১:৫২:২১
নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত, ক্ষুব্ধ জেনিফার লরেন্স
নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত, ক্ষুব্ধ জেনিফার লরেন্স

বিনোদন ডেস্ক: হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স ক্যারিয়ারে এর আগেও বিভিন্ন দৃশ্যে কাজ করলেও একবার নগ্ন দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে বেশ অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন।তবে সম্প্রতি ‘কল হার ড্যাডি’ পডকাস্টে সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, শুটিং সেটে এমন কিছু কর্মী উপস্থিত ছিলেন, যাদের সেখানে থাকার কোনো অনুমতিই ছিল না। বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি কঠোর প্রতিবাদ জানান।লরেন্স মনে করেন, একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী হিসেবে নিজের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রিতে আসা নতুন ও তরুণ শিল্পীদের সুরক্ষার স্বার্থেও এমন অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, একজন ১৮ বছর বয়সী নতুন অভিনেত্রী হয়তো ভয়ে বা প্রতিবাদ করলে তাকে ‘কঠিন স্বভাবের’ মনে করা হবে—এই আশঙ্কায় নিজের অস্বস্তি মুখ বুজে সহ্য করে নেন। তাই এই ধরনের মানসিকতা বদলানোর জন্য সবার সামনে প্রতিবাদ করাটা দরকার ছিল বলে তিনি মনে করেন।সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ডাই মাই লাভ’ সিনেমায় সহশিল্পী রবার্ট প্যাটিনসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়েও কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, ছবিটিতে কোনো ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর না থাকলেও প্যাটিনসনের পেশাদার ও সহযোগিতাপূর্ণ আচরণের কারণে তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ বোধ করেছিলেন। নগ্নতা নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত কোনো অস্বস্তি না থাকায় এবং পরিচালকের শৈল্পিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই তিনি দৃশ্যগুলোতে সম্মতি দিয়েছিলেন। এমনকি শুটিং চলাকালীন অন্তঃসত্ত্বা থাকায় শারীরিক গঠন নিয়ে তার বাড়তি কোনো দুশ্চিন্তা ছিল না। একটি দৃশ্যের ক্লোজআপ শটে ত্বকের স্বাভাবিক ভাঁজ বা সেলুলাইট ডিজিটাল উপায়ে সরিয়ে ফেলার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা সরাসরি নাকচ করে দেন এবং তাঁর শরীর যেমন, সেভাবেই পর্দায় রাখার পক্ষে অবস্থান নেন।এটিভি/ এইচকে

৩১ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:০২:৫৯
সাহসী দৃশ্যে অভিনয়ে আপত্তি নেই কৃতি স্যাননের

বিনোদন ডেস্ক: বলিউডে নিজের অভিনয় গুণের পাশাপাশি গ্ল্যামারাস উপস্থিতি দিয়েও দর্শকের নজর কেড়েছেন কৃতি স্যানন। সম্প্রতি ‘ককটেল ২’-এ তার বিকিনি লুক প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনা হয়। এর আগে কোনো ছবিতে তাকে এমন অবতারে দেখা না যাওয়ায় অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছিল, এত দিন কেন এ ধরনের দৃশ্যে অভিনয় করেননি অভিনেত্রী?তবে এবার সেই কৌতূহলের জবাব দিয়েছেন কৃতি। সম্প্রতি এক আলোচনায় অংশ নিয়ে নিজের ক্যারিয়ার, অভিনয় এবং পর্দায় গ্ল্যামারাস উপস্থিতি নিয়ে কথা বলেন এই অভিনেত্রী। সেখানে ‘ককটেল ২’-এর বিকিনি দৃশ্য প্রসঙ্গেও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন তিনি।কৃতি বলেন, এত দিন কোনো সিনেমায় বিকিনি পরার দৃশ্য না থাকার পেছনে বিশেষ কোনো আপত্তি বা বাধা ছিল না। বরং গল্প ও চরিত্রের সঙ্গে দৃশ্যটি কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, সেটিই তার কাছে বিবেচ্য। কেবল সাহসী কিংবা গ্ল্যামারাসভাবে পর্দায় হাজির হওয়ার উদ্দেশ্যে কোনো দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না কৃতি।তার কাছে চরিত্রের প্রয়োজনীয়তা এবং গল্পের স্বাভাবিকতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই অভিনেত্রীর মতে, পর্দায় নিজেকে কীভাবে উপস্থাপন করবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে একজন অভিনয়শিল্পীর নিজের পছন্দ ও স্বচ্ছন্দ্যকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। শাহিদ কাপুর, রাশমিকা মান্দানা ও কৃতি স্যানন অভিনীত ‘ককটেল ২’ বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি।ছবিতে কৃতির নতুন লুক দর্শকের মধ্যে আলোচনার জন্ম দেয়। এমন অবতারে হাজির হওয়ার জন্য কোনো ধরনের চাপ অনুভব করেছিলেন কি না, এমন প্রশ্নেরও মুখোমুখি হন অভিনেত্রী। তার বক্তব্য, পর্দায় নিজের উপস্থাপনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একজন অভিনেত্রীর নিজেরই থাকা উচিত।এটিভি/ এইচকে

২ নভেম্বর ২০২৬ রাত ১০:১৮:০৬
কফির নিমন্ত্রণ, বিল দিলেই সঙ্গ দেবেন জয়া
কফির নিমন্ত্রণ, বিল দিলেই সঙ্গ দেবেন জয়া
৩০ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৪০:০৬

‘এক্স-ম্যান’ তারকা প্যাট্রিক স্টুয়ার্ট আর নেই
‘এক্স-ম্যান’ তারকা প্যাট্রিক স্টুয়ার্ট আর নেই
৩০ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:০৩:১২

আবারও একসঙ্গে জুটি বাঁধছেন মাধবান ও কঙ্গনা
আবারও একসঙ্গে জুটি বাঁধছেন মাধবান ও কঙ্গনা
২৯ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৫০:১৮



ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু
১ নভেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৫:১৫:৩৯

হাম উপসর্গে ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন রোগী ১৪১৭
হাম উপসর্গে ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন রোগী ১৪১৭
১ নভেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৪:১৬:১৬

ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু
৩১ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:৫৬:১১

ব্রাজিল-উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে ৮৫ কোটি রুপি ঘাটতি ভারতের

ব্রাজিল-উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে ৮৫ কোটি রুপি ঘাটতি ভারতের

ক্রীড়া ডেস্ক: বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ও উরুগুয়ের মতো ফুটবল পরাশক্তিদের বিপক্ষে মাঠে নামার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে ঠিকই, তবে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে চড়া মূল্য চোকাতে হচ্ছে ভারতকে।গত ফিফা উইন্ডোতে ব্রাজিল, উরুগুয়ে ও পানামার বিপক্ষে তিনটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করে বিশাল আর্থিক ঘাটতির মুখে পড়েছে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ)। আর এই ঘাটতি মেটাতে গিয়ে এখন রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে ভারতের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।পরিস্থিতি সামাল দিতে এআইএফএফের সংরক্ষিত স্থায়ী আমানত বা ফিক্সড ডিপোজিট (এফডি) ভাঙানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন সংস্থাটির সভাপতি কল্যাণ চৌবে। তবে কার্যনির্বাহী সভার সদস্যদের তীব্র আপত্তিতে তাঁর সেই প্রস্তাব নাকচ হয়ে গেছে।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম 'ইন্ডিয়া টুডে'র প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাই-প্রোফাইল এই তিন আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের খরচ বাবদ এআইএফএফের সম্ভাব্য আর্থিক ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ কোটি রুপি। গত রবিবার আয়োজিত বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) ফিক্সড ডিপোজিট ভেঙে এই বিশাল অর্থের জোগান দেওয়ার প্রস্তাব পেশ করেন সভাপতি কল্যাণ চৌবে। কিন্তু সভার অধিকাংশ সদস্যই তাঁর এই প্রস্তাবে সায় দেননি।বিশেষ সাধারণ সভায় উপস্থিত একটি রাজ্য ফুটবল সংস্থার কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা পিটিআই-কে বলেন, "তিনি (চৌবে) স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের ফলে তৈরি হওয়া আর্থিক ঘাটতি মেটাতে এআইএফএফের সঞ্চিত ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙাতে চান।" তিনি আরও জানান, সভাপতি পরবর্তীতে বাইরে থেকে তহবিল সংগ্রহ করে সেই অর্থ আবার ব্যাংকে ফেরত দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন।তবে এআইএফএফের সহসভাপতি এনএ হারিস স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙানোর বিপক্ষে আগেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কার্যনির্বাহী কমিটি। অন্যদিকে, সংস্থার সাবেক সভাপতি প্রফুল প্যাটেলও এত বিপুল পরিমাণ আর্থিক দায় এবং খরচের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।তবে বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি সভাপতি কল্যাণ চৌবে। তিনি সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় জানান, "না, এই বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই। এটি আমাদের অভ্যন্তরীণ সভা, তাই বাইরে প্রকাশ করার মতো কিছু নেই।"এটিভি/আরএম

২ নভেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৫১:০৮
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বাস্তব জ্ঞান ও গবেষণার দৃঢ় চর্চা করার উদ্দেশ্যেই ২০২৩ সালের ১২ মার্চ থেকে জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়।গত ২ সেপ্টেম্বর সোমবার ক্লাবের দ্বিতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা কর হয়, যেখানে সভাপতির দায়িত্ব নেন আবদুল্লাহ আল মাহিম এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. ফয়সাল আহমেদ।এছাড়াও সহ-সভাপতি সাদিয়া হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মাইনুদ্দিন আহমেদ সাগর, দপ্তর ও প্রচারে যথাক্রমে মুক্তা বর্মন ও ফজলে আজিম মিয়াদসহ অনুষ্ঠান পরিচালকের দায়িত্ব নেন মেহেদী হাসান রাব্বি।কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান জামিউল আলম, সাব্বির হোসেন ফাহিম, হাসনাহেনা জেরিন এবং নুজাত তাবাসসুম।একাডেমিক পারদর্শিতা, সমন্বয় ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তাদেরকে জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগের মাধ্যমে শক্তিশালী করাই এই কমিটির গুরুদায়িত্ব বলে জানান নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্তরা।

৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দুপুর ০১:০৫:১৬
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:৫২:২০

মুদ্রার মাধ্যমে ইতিহাসের খোঁজে
মুদ্রার মাধ্যমে ইতিহাসের খোঁজে

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর ধানমণ্ডির মাইডাস সেন্টারে ষষ্ঠবারের মতো শুরু হয়েছে মুদ্রা প্রদর্শনী। বাংলাদেশ নিউমিসম্যাটিক কালেক্টরস সোসাইটির (বিএনসিএস) আয়োজনে তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার শুরু হয়। প্রদর্শনী চলবে আগামীকাল ৩১ অক্টোবর শনিবার পর্যন্ত।এতে দেশের ৪৩ জন মুদ্রাসংগ্রাহক তাদের সংগ্রহের ৬১টি বিষয়ের নির্বাচিত নিদর্শন উপস্থাপন করছেন ৪২টি ডিসপ্লে বক্সে। প্রতিটি সংগ্রহ যেন মুদ্রার মধ্য দিয়ে ইতিহাসের একেকটি অধ্যায়কে নতুন করে জানার সুযোগ করে দেয়।প্রদর্শনীর বিশেষত্ব হলো, এখানে মুদ্রাকে শুধু লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে দেখা হচ্ছে না; বরং ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অর্থব্যবস্থার বিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।একটি মুদ্রা হাতে নিলে চোখে পড়ে তার নকশা, লেখা কিংবা ধাতব গড়ন। কিন্তু সেই মুদ্রার গায়েই থাকতে পারে কোনো শাসকের পরিচয়, হারিয়ে যাওয়া জনপদের ইতিহাস কিংবা কয়েক হাজার বছর আগের মানুষের জীবনযাত্রার গল্প।কোনোটি এসেছে প্রাচীন রাজ্য থেকে, কোনোটি সুলতানি বা মোগল আমলের স্মৃতি বহন করছে। আবার কোনোটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর চালু হওয়া টাকার বিরল নমুনা।প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে ৩২০ থেকে ৫৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত গুপ্ত সাম্রাজ্যের স্বর্ণযুগ থেকে শুরু করে মোগল আমল এবং বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির বিরল সব মোহর। এছাড়া প্রাচীন গান্ধার ও শাক্য জনপদের রৌপ্যমুদ্রার পাশাপাশি ১৬ থেকে ১৯ শতকে থাইল্যান্ড ও লাওসে প্রচলিত ব্রোঞ্জ বা বিলিয়নের তৈরি বাঘের জিহ্বা আকৃতির মুদ্রাও নজর কাড়ছে। প্রদর্শনীতে ব্রিটিশ ভারতের বিভিন্ন নোট এবং বুরুন্ডির বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকারের ব্যাংক নোটসহ অসংখ্য দুর্লভ সংগ্রহশালা দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শনার্থীরা।মুদ্রা সংগ্রহের শখকে জনপ্রিয় করা এবং নতুন সংগ্রাহক তৈরি করার লক্ষ্যে ২০০৮ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিএনসিএস। প্রদর্শনীতে মুদ্রা সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যালবাম, প্রটেক্টরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনার সুবিধার্থে রাখা হয়েছে দুটি বিক্রয় বুথও।এটিভি/এসটিও

৩০ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:০৬:২৫

প্রতিদিন মিষ্টি আলু খেলে মিলবে ১০ উপকার
প্রতিদিন মিষ্টি আলু খেলে মিলবে ১০ উপকার
৩১ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:২৪:০৬

ওজন কমানোর ৫ পানীয়
ওজন কমানোর ৫ পানীয়
৩০ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৩:১৪:১৭

মুদ্রার মাধ্যমে ইতিহাসের খোঁজে
মুদ্রার মাধ্যমে ইতিহাসের খোঁজে
৩০ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:০৬:২৫

পুরুষদের জন্য আসছে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল, বজায় থাকবে পুরুষত্ব

লাইফস্টাইল ডেস্ক: জন্মনিয়ন্ত্রণ বা পরিবার পরিকল্পনার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে সিংহভাগ দায়িত্ব নারীরাই পালন করে আসছেন। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের নতুন এক উদ্ভাবন সেই চিরচেনা চিত্র বদলে দিতে চলেছে। কনডম বা স্থায়ী বন্ধ্যাকরণের মতো পদ্ধতিগুলোর বাইরে গিয়ে পুরুষদের জন্যও খুব শিগগিরই বাজারে আসছে মুখে খাওয়ার জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ি বা ‘মেল কনট্রাসেপটিভ পিল’।সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েল কর্নেল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা বিশেষ এই ওষুধটি উদ্ভাবন করেছেন। তাঁদের দাবি, মিলনের মাত্র ৩০ মিনিট আগে এই ট্যাবলেটটি গ্রহণ করলে সাময়িকভাবে স্থবির হয়ে পড়বে পুরুষের শুক্রাণুর গতি। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হবে।কীভাবে কাজ করবে এই বড়ি?নারীদের গর্ভনিরোধক বড়ির মতো এটি প্রতিদিন বা নিয়মিত খাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। কেবল যৌনমিলনের ঠিক ৩০ মিনিট আগে পুরুষদের এই বড়িটি খেতে হবে। গ্রহণের পর টানা ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত এর পূর্ণ কার্যকারিতা বজায় থাকবে।গবেষকরা জানান, ওষুধটি সেবনের পর মানবদেহে ‘এসএসি’ (sAC) নামক একটি বিশেষ এনজাইম বা উৎসেচকের ক্ষরণ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণত এই উৎসেচকটির সাহায্যেই শুক্রাণু গতিশীল হয়ে ডিম্বাণুর দিকে অগ্রসর হয়। কিন্তু এনজাইমের ক্ষরণ বন্ধ থাকায় শুক্রাণুগুলো সাঁতার কাটার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, ফলে সেগুলো ডিম্বাণুর সংস্পর্শে পৌঁছাতে পারে না।পুরুষত্ব বা হরমোনে কোনো প্রভাব পড়বে কি?পুরুষদের জন্য জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ির নাম শুনলেই অনেকের মনে নানা শঙ্কা ও প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক। তবে গবেষকরা স্পষ্টভাবে আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, এই ওষুধে পুরুষের প্রজননক্ষমতা বা পুরুষত্বের কোনো ক্ষতি হবে না। এটি শুক্রাণুর স্বাভাবিক উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করে না এবং পুরুষ হরমোন ‘টেস্টোস্টেরন’-এর ক্ষরণেও কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলে না।এর ফলে স্বাভাবিক শারীরিক সম্পর্কের অনুভূতিতে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না। নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হলে ওষুধের প্রভাব পুরোপুরি কেটে যাবে এবং পুরুষের স্বাভাবিক প্রজননক্ষমতা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে।কার্যকারিতা ও বর্তমান পরিস্থিতিযুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গবেষণামূলক সংস্থা ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ’-এর প্রয়োজনীয় অনুমোদন মেলার পর বর্তমানে ওষুধটির হিউম্যান ট্রায়াল বা মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলছে। প্রাথমিক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে, এটি প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে সফল হয়েছে।যেহেতু বড়িটি হরমোনের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত কম, তাই চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে ওষুধটি সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য বাজারে আনতে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।(সূত্র: আনন্দবাজার ডটকম)

২ নভেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৩:৩৯:৫৮
পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের বকশিগঞ্জে একসময় অনেকটা অবহেলিত ও কম পরিচিত ফসল হিসেবে পড়ে থাকলেও বর্তমানে সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল হিসেবে কৃষকদের নজর কাড়ছে শিমুল আলু বা কাসাভা। স্থানীয়ভাবে কোথাও কোথাও এটি ‘কাঠা আলু’ নামেও পরিচিত।তুলনামূলক অনুর্বর ও পাহাড়ি জমিতেও চাষ করা যায় বলে ধীরে ধীরে কৃষকদের কাছে আগ্রহের ফসল হয়ে উঠছে এটি। দেশের বিভিন্ন পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে কাসাভার চাষ হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তঘেঁষা লাউচাপড়া-বালিঝুরি সুমন্নাতপাড়া পাহাড়ি এলাকায় দেখা মিলেছে শিমুল আলুর চাষ। ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের সুমন্নাতপাড়া গ্রামের পাহাড়ের ঢালে কয়েক একর জমিতে কৃষকরা এ ফসলের আবাদ করছেন। পাহাড়ি ঢালু ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কাসাভার চাষে সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা।সুমন্নাতপাড়া গ্রামের আদিবাসী কৃষক সাগর খাগসী দীর্ঘদিন ধরে শিমুল আলুর চাষ করে আসছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও তিনি এ ফসলের আবাদ করেছেন। শুরুতে অনেকটা পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করলেও ফলন পাওয়ার পর ধীরে ধীরে তার আগ্রহ বেড়েছে।কৃষক সাগর খাগসী জানান, গত বছর তিনি অল্প জমিতে শিমুল আলুর চাষ করেছিলেন। ফলন মোটামুটি ভালো হওয়ায় এবার তিনি বড় পরিসরে চাষের সিদ্ধান্ত নেন। চলতি মৌসুমে প্রায় দুই একর জমিতে কাসাভার আবাদ করেছেন তিনি।পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের চাষ করতে যেখানে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়, সেখানে কাসাভা তুলনামূলক সহজে চাষ করা যায়। গাছের পরিচর্যাও খুব বেশি করতে হয় না। রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ তুলনামূলক কম হওয়ায় কীটনাশকের প্রয়োজনও কম পড়ে বলে জানান কৃষকরা।স্থানীয় কৃষক জসিম বলেন, আমাদের এলাকার অনেক জমি পাহাড়ি ও অনুর্বর। সব ফসল এখানে ভালো হয় না। কিন্তু শিমুল আলু এসব জমিতেও ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। পরিচর্যা কম, খরচও তুলনামূলক কম। বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে এটি আমাদের জন্য লাভজনক ফসল হতে পারে।স্থানীয় আরেক কৃষক আদিবাসী প্রবিদ জানান, কাসাভার চাষ সম্পর্কে আগে তাদের মধ্যে তেমন ধারণা ছিল না। এখন অন্য কৃষকদের চাষ দেখে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং বাজারজাতকরণে সহযোগিতা পাওয়া গেলে এ অঞ্চলে আরও বেশি কৃষক কাসাভা চাষে আগ্রহী হবেন বলে মনে করেন তিনি।শুধু কৃষকের আয় বাড়ানোর সম্ভাবনাই নয়, খাদ্য হিসেবেও কাসাভার রয়েছে উল্লেখযোগ্য পুষ্টিগুণ। কাসাভার কন্দে প্রধানত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরে শক্তির অন্যতম উৎস। এতে সামান্য পরিমাণে খাদ্যআঁশ, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদানও পাওয়া যায়। কাসাভায় থাকা কার্বোহাইড্রেটের কারণে এটি শক্তিদায়ক খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কাসাভার চাষ সম্প্রসারণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে যদি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তাহলে কৃষকরা কাঁচা কন্দ বিক্রির পাশাপাশি মূল্য সংযোজনের সুযোগও পেতে পারেন। এতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান ও কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।বকশীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, কাসাভা বা শিমুল আলু তুলনামূলকভাবে কম উর্বর ও পাহাড়ি জমিতে চাষের উপযোগী একটি ফসল। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যার মাধ্যমে এ ফসল থেকে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।তিনি বলেন, বকশীগঞ্জের পাহাড়ি এলাকার যেসব জমিতে প্রচলিত ফসলের আবাদ তুলনামূলক কঠিন, সেসব জমিতে বিকল্প ফসল হিসেবে কাসাভা চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা যদি ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পান, তাহলে ভবিষ্যতে এ ফসলের আবাদ আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, কাসাভা চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হবে। পাশাপাশি উৎপাদন, ফলন, বাজারজাতকরণ ও কৃষকের লাভ-ক্ষতির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে এ ফসলের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে।

৩ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:২৮:০৭