• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ২৭শে আশ্বিন ১৪৩৩ রাত ০৩:২৬:১৫ (13-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:
সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য অতি জরুরি নির্দেশনা

সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য অতি জরুরি নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক: সৌদি আরবে চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে দেশটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য অতি জরুরি নির্দেশনা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।বিজ্ঞপ্তিতে দেশটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদেরকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি সৌদি কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।১২ অক্টোবর সোমবার রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে অতি জরুরি বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।এতে সৌদি আরবে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কোনো ধরনের তথ্য, ছবি বা ভিডিও ধারণ, আদান-প্রদান কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে সেখানকার বাংলাদেশিদেরকে বিশেষভাবে অনুরোধও জানিয়েছে দূতাবাস।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে যেকোনো ধরনের তথ্য, ছবি বা ভিডিও ধারণ, আদান-প্রদান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা সৌদি আইনে শান্তিভঙ্গের অপরাধ।এ পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতিসংক্রান্ত কোনো ছবি, ভিডিও বা সংশ্লিষ্ট তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে—যেমন ফেসবুক, ইউটিউব, এক্সসহ অন্যান্য মাধ্যমে প্রচার, মোবাইলে সংরক্ষণ এবং পারস্পরিক আদান-প্রদান থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।একইসঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ ও জনবহুল স্থান এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। পাশাপাশি যেকোনো তথ্যের জন্য দূতাবাসের নির্ধারিত হটলাইনে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। নম্বরগুলো হলো—শ্রমসংক্রান্ত টোল ফ্রি নম্বর: ৮০০১০০০১২৫পাসপোর্টসংক্রান্ত টোল ফ্রি নম্বর: ৮০০১০০০১২৬ডিপ্লোম্যাটিক উইং-সংক্রান্ত নম্বর: ৮০০১০০০১২৮মৃত্যুসংক্রান্ত হটলাইন নম্বর: +৯৬৬৫৭০২১২১৮০এছাড়া, নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য পেতে দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ অনুসরণ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের পেজটির লিংক: https://www.facebook.com/bdembassyriyadh

৬ ঘন্টা আগে


















































অনিয়মের ভিডিও ধারণ, মোবাইল কেড়ে নিলেন পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারী

অনিয়মের ভিডিও ধারণ, মোবাইল কেড়ে নিলেন পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারী

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পাসপোর্ট অফিসে অনিয়মের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন দুই সাংবাদিক। এ সময় হানিফ মেহমুদ নামে এক সাংবাদিককে আটকে রেখে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে প্রায় চার ঘণ্টা পর ফেরত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই কার্যালয়ের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে। একই ঘটনায় জসিম উদ্দিন জসিকেও হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ।১২ অক্টোবর সোমবার দুপুরে জেলা পাসপোর্ট অফিসের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। হানিফ মেহমুদ এশিয়ান টেলিভিশনের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি এবং জসিম উদ্দিন জসি বাংলা এডিশনের জেলা প্রতিনিধি।অভিযুক্ত কর্মচারীর নাম মো. ইমরান হোসেন। তিনি ওই কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক হিসেবে কর্মরত।হানিফ মেহমুদ জানান, পাসপোর্ট অফিসে অনিয়মের খবর পেয়ে তিনি ও তাঁর এক সহকর্মী সেখানে যান। এ সময় অনিয়মের ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে কর্মচারী মো. ইমরান হোসেন বাধা দেন এবং তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। সঙ্গে থাকা সাংবাদিক জসিম উদ্দিন জসিকেও হেনস্তা করা হয়। পরিচয়পত্র দেখানোর পরও তাঁর মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে সিনিয়র সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে তাঁদের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।সাংবাদিক জসিম উদ্দিন জসি বলেন, “ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি অফিসের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকি মূল ফটকও বন্ধের নির্দেশ দেন পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা। প্রায় ২০ মিনিট আমাদের আটকে রাখা হয়। পরে প্রায় ৪ ঘণ্টা পর সহকারী পরিচালক আমাদের মোবাইল ফোন ফেরত দেন।অভিযোগের বিষয়ে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. ইমরান হোসেন বলেন, সাংবাদিকদের মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া উচিত হয়নি। পরে তাঁদের মোবাইল ফোন বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পলাশ আলী জানান, সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তখনও সহকারী পরিচালকের কক্ষে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন রাখা ছিল। তবে এ ঘটনায় কেউ তাঁদের কাছে লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ করেননি বলে জানান তিনি।চাঁপাইনবাবগঞ্জ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (সিটিজেএ) সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন জুয়েল বলেন, সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহ ও অনিয়মের চিত্র ধারণ করা পেশাগত দায়িত্ব। পাসপোর্ট অফিসে ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়ার ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এ ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জেলা পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক এ কে এম আবু সাঈদের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

১২ অক্টোবর ২০২৬ রাত ০৯:৫০:৪১
রিকশা ভাড়া থেকে ভিক্ষা, ডিজিটাল পেমেন্টের নতুন দিগন্তে বাংলাদেশ

রিকশা ভাড়া থেকে ভিক্ষা, ডিজিটাল পেমেন্টের নতুন দিগন্তে বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ আগামী মাসের শুরুতেই তার নগদ বা কাগুজে মুদ্রাবিহীন আর্থিক লেনেদেনের যাত্রায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বজনীন পেমেন্ট ব্যবস্থা ‘বাংলা কিউআর’-এর চতুর্থ ধাপের আনুষ্ঠানিক সম্প্রসারণের মাধ্যমে আগামী ১ নভেম্বর থেকে দেশজুড়ে শুরু হতে যাচ্ছে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (পিটুপি) ডিজিটাল লেনদেনের এক বৈপ্লবিক যুগ। এটি মূলত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক লেনদেনে কাগুজে নোটের ওপর নির্ভরতা সম্পূর্ণ বিলুপ্তির দুয়ার উন্মোচন করতে যাচ্ছে।এই নতুন ব্যবস্থার ফলে এখন আর কোনো বাণিজ্যিক মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন হবে না। রিকশাচালক, বাস কন্ডাক্টর, হকার, সবজি বিক্রেতা কিংবা ভিক্ষুক বা সাহায্যপ্রার্থীরাও সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কিউআর কোডের মাধ্যমে সেকেন্ডের মধ্যে সরাসরি এক মুঠোফোন অ্যাপ থেকে অন্য অ্যাপে নিখুঁত অঙ্কের টাকা আদান-প্রদান করতে পারবেন।বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল, মেটা ও হুয়াওয়ের প্রতিনিধিরা ইতোমধ্যেই বাংলা কিউআরের এই সহজ ও অনন্য ওপেন-মডেলটি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে।এত দিন বড় বড় বিপণিবিতান বা শপিং মলে কেনাকাটার বিল পরিশোধের জন্য ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু একটি দেশ তখনই সত্যিকারের ‘নগদবিহীন’ হতে পারে, যখন সমাজের প্রান্তিক ও অনানুষ্ঠানিক খাতের মানুষ এর সঙ্গে যুক্ত হয়।বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে চালু হতে যাওয়া চতুর্থ ধাপটি মূলত আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সব ধরনের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক লেনদেনকে ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসছে।এখন থেকে বাসের টিকিট কাটা, রাস্তার পাশের টং দোকানে ৫ টাকার এক কাপ চা খাওয়া, ফুটপাতের ভ্যান থেকে ১০ টাকার কাঁচামরিচ বা ধনেপাতা কেনা, জুতো সেলাইয়ের ২০ টাকা কিংবা সেলুনের বিল সবকিছুই মেটানো যাবে একটি মাত্র কিউআর কোড স্ক্যান করে।পকেটে কোনো কাগুজে নোট না নিয়েও একজন নাগরিক খুব সহজে তার সারাদিনের খুচরা খরচ সম্পন্ন করতে পারবেন।‘ভাংতির অভান’ ও ছেঁড়া নোটের ঝামেলা অবসান:আমাদের রোজকার জীবনের সবচেয়ে বড় অস্বস্তির নাম হলো খুচরা টাকা বা ভাংতির অভাব। রিকশা ভাড়া, বাস ভাড়া কিংবা চায়ের দোকানে প্রায়ই ‘ভাংতি নাই’ বলে বিক্রেতার দীর্ঘশ্বাস বা বাড়তি টাকা রেখে দেওয়ার ঝামেলায় পড়তে হয়। বাংলা কিউআর এই সমস্যার একটি নিখুঁত প্রযুক্তিগত সমাধান এনেছে।আপনার বিল যদি ঠিক ২৩ টাকা কিংবা ৪৭ টাকাও হয়, তবে কোনো রাউন্ড ফিগার দিতে হবে না; আপনি অ্যাপে ঠিক নিখুঁত অঙ্কটাই পাঠাতে পারবেন। এর ফলে ২ বা ৩ টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে থাকার ঝামেলা যেমন দূর হচ্ছে, ঠিক তেমনি বাজারে থাকা ছেঁড়া ও নোংরা নোট আদান-প্রদানের চিরচেনা বিড়ম্বনা থেকেও মুক্তি মিলবে।ডিজিটাল দান ও ভিক্ষা:নগদবিহীন লেনদেনের চূড়ান্ত রূপ চতুর্থ ধাপের অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের বড় প্রমাণ হতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে এখন ডিজিটাল ভিক্ষা বা যেকোনো ধরনের দান-খয়রাতও দেওয়া সম্ভব। রাস্তায় বা ধর্মীয় উপাসনালয়ের সামনে খুচরা টাকা না থাকার অজুহাতে আর কাউকে সাহায্য না করে ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।একজন সাহায্যপ্রার্থী বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান তাদের মোবাইল আর্থিক সেবার ব্যক্তিগত বাংলা কিউআর কোডটি সামনে রাখলে, সাহায্যকারী ২ টাকা, ৫ টাকা বা ১০ টাকার মতো একেবারে ছোট অঙ্কও গোপন নম্বর চেপে সরাসরি পাঠিয়ে দিতে পারবেন।তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী, এই ব্যক্তিগত কোডটি শুধু বৈধ আদান-প্রদানের জন্যই ব্যবহার করা যাবে। যদি কেউ এটিকে অননুমোদিতভাবে টাকা তোলার (ক্যাশআউট) মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেন, তবে অ্যাকাউন্টটি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা হবে।সহজ নকশা ও সীমাহীন লেনদেনের স্বাধীনতা:গ্রাহকদের লেনদেন আরও সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সমস্ত ব্যাংকিং ও মোবাইল আর্থিক অ্যাপের নকশায় বড় পরিবর্তন এনেছে। এখন অ্যাপের মূল পাতার একদম নিচে, বুড়ো আঙুলের সহজ নাগালের মধ্যে ‘বাংলা কিউআর’ আইকনটি রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।শুধু তাই নয়, পূর্বে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে থাকা দৈনিক ২০ হাজার টাকার লেনদেন সীমা সম্পূর্ণ তুলে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে এখন যেকোনো পরিমাণ টাকা একদম ফ্রিতে আদান-প্রদান করা সম্ভব। পাশাপাশি, সরাসরি স্ক্যান করার ঝামেলা এড়াতে যুক্ত হচ্ছে দূর থেকে কিউআর কোডের ছবি বা স্ক্রিনশট গ্যালারি থেকে সরাসরি অ্যাপে আপলোড করে লেনদেন সম্পন্ন করার অত্যাধুনিক সুবিধা।‘একদম ফ্রি’ লেনদেন, পাল্টে যাওয়া নীতি:ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় ভীতি থাকে অতিরিক্ত ‘সার্ভিস চার্জ’ বা মাশুল নিয়ে। এই বাধা দূর করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলা কিউআর-এর মাধ্যমে যেকোনো অঙ্কের লেনদেনের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট বা গ্রাহক উভয়ের জন্যই লেনদেনের মাশুল সম্পূর্ণ শূন্য (০%) করা হয়েছে।অর্থাৎ, রিকশাচালককে ৩০ টাকা ভাড়া পাঠালে ক্রেতার অ্যাকাউন্ট থেকে যেমন অতিরিক্ত কোনো টাকা কাটবে না, তেমনি চালকও পুরো ৩০ টাকাই পাবেন। উপরন্তু, টাকাটি কোনো ব্যাংকিং বাণিজ্যে আটকে না থেকে রিয়েল-টাইমে তাৎক্ষণিকভাবে বিক্রেতা বা চালকের অ্যাকাউন্টে জমা হয়ে যায়।পরিসংখ্যানের চমক ও মাঠপর্যায়ের প্রবৃদ্ধি:দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক মডেলটির সাফল্য প্রত্যন্ত অঞ্চলে জ্যামিতিক হারে বাড়ছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত জুনে যেখানে দৈনিক গড় লেনদেন ছিল মাত্র ৩৭ কোটি টাকা, সেপ্টেম্বর শেষে তা চার গুণেরও বেশি বেড়ে প্রতিদিন গড়ে ১৪৩ কোটি থেকে ১৮০ কোটি টাকায় পোঁছেছে।দেশে বর্তমানে প্রায় ৪০ লাখ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বাংলা কিউআর চালু রয়েছে, যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্য, সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই দৈনিক লেনদেনকে খুব দ্রুত ৩,০০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা।প্রযুক্তির অন্দরে নিরাপত্তা ও সাইবার সচেতনতা বাংলা কিউআর আন্তর্জাতিক ইএমভি স্ট্যান্ডার্ড মেনে তৈরি করায় এটি প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত নিরাপদ। তবে ব্যবহারিক জীবনের স্বার্থে এর কিছু সাইবার ঝুঁকি ও সচেতনতাও মনে রাখা জরুরি:নাম যাচাই: গ্রাহকদের কোড স্ক্যান করার পর টাকা পাঠানোর আগে অ্যাপের পর্দায় চালক বা বিক্রেতার নামটি মিলিয়ে নেওয়া উচিত।নিশ্চিতকরণ বার্তা: চালক বা বিক্রেতাদের উচিত যাত্রীর ফোনের পর্দার দিকে না তাকিয়ে, নিজের ফোনে আসা নিশ্চিতকরণ বার্তা (এসএমএস) বা অ্যাপের ব্যালেন্স দেখে লেনদেন নিশ্চিত করা।কাগজের নোটে দিয়ে যে অর্থনীতির চাকা ঘুরত, তা আজ কাগজের ওপর মুদ্রিত একটি ছোট্ট কিউআর কোডের ফ্রেমে বন্দি হয়ে গেছে। পকেটে খুচরা টাকার খআখচ আওয়াজ, ভাংতি না থাকার চিরচেনা মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ কিংবা ছেঁড়া টাকা নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত মনোমালিন্য, সবকিছুকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ এক আধুনিক, স্বচ্ছ ও স্মার্ট নগদবিহীন যুগের প্রবেশদ্বারে দাঁড়িয়ে।আগামী ১ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এই নতুন অধ্যায় কেবল রিকশা ভাড়া কিংবা ভিক্ষার মতো খুচরা লেনদেনের চিরচেনা দৃশ্যপটকেই বদলে দিচ্ছে না, বরং এটি বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে একটি আত্মনির্ভরশীল ও প্রযুক্তিগতভাবে বদলে যাওয়া স্মার্ট বাংলাদেশের ভিত রচনা করতে যাচ্ছে।সূত্র: বাসস

১২ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:০৫:৩৮
ময়মনসিংহে জনতার মুখোমুখি সিটি প্রশাসক রোকন

ময়মনসিংহে জনতার মুখোমুখি সিটি প্রশাসক রোকন

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ভাঙাচোরা সড়ক, ড্রেনেজ সংকট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থা ও যানজটসহ নানা নাগরিক সমস্যা নিয়ে সরাসরি প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় ছয় মাস পর প্রথমবারের মতো জনতার মুখোমুখি হয়ে নাগরিকদের বিভিন্ন অভিযোগ ও প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার নগরীর টাউন হল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বিশেষ প্রশ্নোত্তর পর্বে নাগরিকরা নিজ নিজ এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। প্রায় আড়াই ঘণ্টার এ আয়োজনে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীসহ অর্ধশতাধিক নাগরিক অংশ নেন।নাগরিকদের প্রশ্নের জবাবে সিটি প্রশাসক স্বীকার করেন, নগরের যানজট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এখনো প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জিত হয়নি। যানজট নিয়ন্ত্রণে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে শিগগিরই কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এ জন্য নগরবাসীরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। প্রতিটি পরিবার ও নাগরিককে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।প্রশ্নোত্তর পর্বে নগর ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালুর পরিকল্পনাও তুলে ধরেন সিটি প্রশাসক। তিনি জানান, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন সেবা ডিজিটাল করার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে যানবাহনের রুট পারমিট ও ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থাপনাকেও অটোমেশনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।আয়োজনে নাগরিকরা বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরার পাশাপাশি সেগুলো সমাধানে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগ ও বাস্তবায়নের সময়সীমা নিয়েও প্রশ্ন করেন। জবাবে প্রশাসক চলমান কার্যক্রমের পাশাপাশি নগর উন্নয়নে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।দায়িত্ব গ্রহণের পর নাগরিকদের সঙ্গে সরাসরি এমন প্রশ্নোত্তর আয়োজনকে সিটি প্রশাসনের সঙ্গে নগরবাসীর যোগাযোগ বৃদ্ধির একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

১ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ০৯:২৪:১১
অর্থনীতিতে নোবেল জয় করলেন রবার্ট হল, মাইকেল উডফোর্ট

অর্থনীতিতে নোবেল জয় করলেন রবার্ট হল, মাইকেল উডফোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্যাষ্টিক ও সামষ্টিক অর্থনীতির সমন্বয়ে নতুন গবেষণার জন্য যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ রবার্ট হল এবং কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ মাইকেল উডফোর্ট।ব্যক্তিপর্যায়ের বা ব্যাষ্টিক অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত কীভাবে সামগ্রিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে এবং সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো কীভাবে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারে—এ বিষয়ে গবেষণা ও নতুন তত্ত্বের জন্য ২০২৬ সালে অর্থনীতি ক্যাটাগরিতে নোবেলের জন্য মনোনীতি করা হয়েছে এ দুই মার্কিন অর্থনীতিবিদ-অধ্যাপককে। সোমবার রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস এ ঘোষণা দিয়েছে।অ্যাকাডেমির ঘোষণা অনুযায়ী, ‘সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ব্যাষ্টিক অর্থনৈতিক ভিত্তি’ (মাইক্রে-ইকোনমিক ফাউন্ডেশন অব মাক্রো-ইকোনমিক স্ট্যাবিলাইজেশন) শীর্ষক গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য নোবেলজয়ী হিসেবে রবার্ট হল এবং মাইকেল উডফোর্ডের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।“তাদের গবেষণা ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করেছে যে কীভাবে পরিবার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং কর্মীদের সিদ্ধান্তগুলো মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে প্রভাবিত করে; এর ফলে অর্থনীতিবিদরা এমন সব কৌশল বা হাতিয়ার পেয়েছেন যার মাধ্যমে বোঝা সম্ভব যে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো কীভাবে অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলা করতে পারে”, বলা হয়েছে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেসের ঘোষণায়।তাদের কাজের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অর্থনীতির একটি মৌলিক বিষয়—কীভাবে লক্ষ লক্ষ মানুষের ব্যক্তিগত আর্থিক সিদ্ধান্তগুলো সম্মিলিতভাবে পুরো অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করে, তা বোঝা।সামষ্টিক (ম্যাক্রো-ইকোনোমিক্স) অর্থনীতি মুদ্রাস্ফীতি, কর্মসংস্থান, সুদের হার এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মতো বৃহৎ পরিসরের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে। অন্যদিকে, ব্যষ্টিক অর্থনীতি (মাইক্রো-ইকোনোমিক্স) ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যয়, সঞ্চয়, কর্মী নিয়োগ এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার ওপর আলোকপাত করে।এই দুটি ক্ষেত্রকে সংযুক্ত করার মাধ্যমে অর্থনীতিবিদরা আরও গভীরভাবে বুঝতে পারেন কেন অর্থনীতিতে মন্দা দেখা দেয়, কেন পণ্যের দাম বাড়ে এবং কীভাবে মুদ্রানীতির মাধ্যমে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।তাদের কাজের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অর্থনীতির একটি মৌলিক বিষয়—কীভাবে লক্ষ লক্ষ মানুষের ব্যক্তিগত আর্থিক সিদ্ধান্তগুলো সম্মিলিতভাবে পুরো অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করে, তা বোঝা।সামষ্টিক (ম্যাক্রো-ইকোনোমিক্স) অর্থনীতি মুদ্রাস্ফীতি, কর্মসংস্থান, সুদের হার এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মতো বৃহৎ পরিসরের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে। অন্যদিকে, ব্যষ্টিক অর্থনীতি (মাইক্রো-ইকোনোমিক্স) ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যয়, সঞ্চয়, কর্মী নিয়োগ এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার ওপর আলোকপাত করে।এই দুটি ক্ষেত্রকে সংযুক্ত করার মাধ্যমে অর্থনীতিবিদরা আরও গভীরভাবে বুঝতে পারেন কেন অর্থনীতিতে মন্দা দেখা দেয়, কেন পণ্যের দাম বাড়ে এবং কীভাবে মুদ্রানীতির মাধ্যমে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।১৯৪৩ সালে জন্মগ্রহণকারী রবার্ট হল স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির এমেরিটাস অধ্যাপক এবং হুভার ইনস্টিটিউটের একজন সিনিয়র ফেলো। তার গবেষণার মূল বিষয়বস্তু ছিল কর্মসংস্থান, মুদ্রাস্ফীতি, ভোক্তাদের ব্যয় এবং অর্থনৈতিক উত্থান-পতন।যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চক্র (ইকোনমিক সাইকেলস) পরিমাপের ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি 'ন্যাশনাল ব্যুরো অফ ইকোনমিক রিসার্চ'-এর 'বিজনেস সাইকেল ডেটিং কমিটি'-র চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন; এই কমিটিই যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক মন্দা ও প্রবৃদ্ধির পর্যায়গুলোর সময়কাল নির্ধারণ করে থাকে।১৯৫৫ সালে জন্মগ্রহণকারী উডফোর্ড  কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল ইকোনমি বা রাজনৈতিক অর্থনীতির অধ্যাপক এবং আধুনিক মুদ্রানীতি বিষয়ক অর্থনীতির অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব।সুদের হার, মুদ্রাস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যকার সম্পর্ক সম্পর্কে অর্থনীতিবিদদের ধারণাকে তার গবেষণা উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করেছে।উডফোর্ড বিশেষ করে নয়া কেইনসীয় অর্থনীতিতে (নিউ কেইনসিয়ান ইকোনমিক্স)তার অবদানের জন্য পরিচিত; মুদ্রানীতি বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে এই কাঠামোটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ২০০৩ সালে প্রকাশিত তার প্রভাবশালী বই 'ইন্টারেস্ট অ্যান্ড প্রাইসেস: ফাউন্ডেশনস অফ আ থিওরি অফ মনিটারি পলিসি' কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো কীভাবে মুদ্রাস্ফীতি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে স্থিতিশীল রাখতে পারে, তা বোঝার তাত্ত্বিক ভিত্তি তৈরিতে সহায়তা করেছে।উডফোর্ডের কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো 'প্রত্যাশা' এবং যোগাযোগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক আচরণকে প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সক্ষমতা।উদাহরণস্বরূপ, যখন কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইঙ্গিত দেয় যে সুদের হার দীর্ঘ সময় ধরে কম থাকবে, তখন পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো নতুন নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণের আগেই তাদের ব্যয় ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারে। 'ফরোয়ার্ড গাইডেন্স' নামে পরিচিত এই পদ্ধতিটি ২০০৮ সালের বিশ্বব্যাপী আর্থিক সংকটের পর মুদ্রানীতি প্রণয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়; সে সময় সুদের হার প্রায় শূন্যের কাছাকাছি থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করার উপায় খুঁজছিল।একাডেমি কর্তৃক স্বীকৃত এই গবেষণায় অর্থনৈতিক নীতির মূল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে: যেমন—অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেকারত্ব না বাড়িয়ে কীভাবে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা যায়, মন্দার সময় কীভাবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সহায়তা করা যায় এবং কীভাবে এমন নীতি প্রণয়ন করা যায় যা আর্থিক ও অর্থনৈতিক ধাক্কার তীব্রতা কমাতে পারে।আলফ্রেড নোবেলের স্মরণে অর্থনীতিতে 'সভেরিজেস রিক্সব্যাংক প্রাইজ' (যা সাধারণত অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার হিসেবে পরিচিত) ১৯৬৮ সালে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক প্রবর্তিত হয় এবং ১৯৬৯ সালে প্রথমবারের মতো প্রদান করা হয়।মূল নোবেল পুরস্কারগুলোর মতো এটি আলফ্রেড নোবেলের উইলের শর্তানুসারে প্রবর্তিত হয়নি; বরং এটি 'রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অফ সায়েন্সেস' কর্তৃক প্রদান করা হয় এবং অন্যান্য নোবেল পুরস্কারের সাথেই এটি হস্তান্তর করা হয়।এবারের পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ কোটি ২০ লাখ (১২ মিলিয়ন) সুইডিশ ক্রোনা (প্রায় ১২ লাখ বা ​​১.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), যা পুরস্কারজয়ী দুজন ব্যক্তি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেবেন। স্টকহোমে আগামী ১০ ডিসেম্বর পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।সূত্র : ইয়েনেত নিউজ

১২ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৪:৪২:৫৭
নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:১০:৪২

কানাডায় নতুন সিনেমায় জায়েদ খান
কানাডায় নতুন সিনেমায় জায়েদ খান
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:২৬:২৮


মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:৫৪

ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ
ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ

বিনোদন ডেস্ক: নব্বই দশকের তুমুল জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ। বাংলা চলচ্চিত্রের ‘স্বপ্নের নায়ক’ হিসেবে যিনি আজও দর্শকদের হৃদয়ে অমলিন। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পাওয়া এই নায়কের ৫৫তম জন্মদিন আজ।১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন সালমান শাহ। তার আসল নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে তিনি।টেলিভিশন নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন সালমান শাহ। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তার অভিনয়জীবনের শুরু। এরপর ‘দেয়াল’, ‘সব পাখি ঘরে ফেরে’, ‘সৈকতে সারস’, ‘নয়ন’ ও ‘স্বপ্নের পৃথিবী’সহ বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেন।১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। স্বল্প সময়ের ক্যারিয়ারে একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়ে নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক হয়ে ওঠেন।চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর জুটি দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তার অভিনীত ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টিতে শাবনূর নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেন। তাদের জুটি বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি হিসেবে দর্শকদের কাছে আজও স্মরণীয়।সালমান শাহর উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে—‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘জীবন সংসার’, ‘প্রেম প্রিয়াসী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভেতর আগুন’।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে মারা যান সালমান শাহ। তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। তবে মৃত্যুর এত বছর পরও তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। জন্মদিনে ভক্ত ও চলচ্চিত্রপ্রেমীরা নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করছেন বাংলা চলচ্চিত্রের এই অকালপ্রয়াত নায়ককে।

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:১৯:৪৪
বিক্ষোভ থেকে অভিনেতা ইমরান খান আটক
বিক্ষোভ থেকে অভিনেতা ইমরান খান আটক
১০ অক্টোবর ২০২৬ রাত ০৮:০৬:৪০

নানা পাটেকরের অস্বাভাবিক মৃত্যু, পুলিশের মামলা
নানা পাটেকরের অস্বাভাবিক মৃত্যু, পুলিশের মামলা
৯ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৪৫:২৮

দ্বিতীয়বার মা-বাবা হচ্ছেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ
দ্বিতীয়বার মা-বাবা হচ্ছেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ
৭ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৪:২১:১৬

রেকর্ড গড়লেন অজয়ের দৃশ্যম ৩
রেকর্ড গড়লেন অজয়ের দৃশ্যম ৩
৩ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:১৮

নানা পাটেকারের মৃত্যু, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যা জানা গেল
নানা পাটেকারের মৃত্যু, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যা জানা গেল

বিনোদন ডেস্ক: বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকারের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের আবহ বিরাজ করছে বলিপাড়া থেকে শুরু করে ভক্ত ও সহকর্মীদের মধ্যে। তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে অপেক্ষায় ছিলেন অনুরাগীরা। এবার ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে তার মৃত্যুর কারণ।চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। চিকিৎসকরা তার মৃত্যুকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করেছেন।ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নানা পাটেকার করোনারি আর্টারি ডিজিজে ভুগছিলেন। হৃদযন্ত্রে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং এর জেরেই তার মৃত্যু হয়। গোয়া মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকদের একটি দল প্রতিবেদনটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছেন।গত ৮ অক্টোবর সকালে গোয়ায় নিজের বাড়িতে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায় অভিনেতাকে। পরে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। এরপর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোয়া মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়।এদিকে গোয়া পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে শারীরিক অস্বস্তি বোধ করছিলেন নানা পাটেকার। রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে বুকে ব্যথা ও শরীর খারাপ লাগার কথা জানিয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু আমেয় নায়েককে বার্তা পাঠান তিনি। পরে বন্ধুকে ফোনও করেন অভিনেতা।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে নানার পাঠানো বার্তাটি দেখেন আমেয়। এরপর দেরি না করে তিনি ডোনা পাওলায় অভিনেতার বাড়িতে ছুটে যান। সেখানে পৌঁছে সোফায় ঘামভেজা অবস্থায় অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন নানাকে।

১১ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৫২:০৯
এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’
এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’
১০ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০১:২৬:৫৭

অভিনেতা দিনো মোরিয়াকে গ্রেফতার
অভিনেতা দিনো মোরিয়াকে গ্রেফতার
২ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:১৭:৫৪


বক্স অফিসে ঝড়, ২০০ কোটির ক্লাবে ‘মির্জাপুর’
বক্স অফিসে ঝড়, ২০০ কোটির ক্লাবে ‘মির্জাপুর’
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৩:৪৯:২৭

ভক্তদের জন্য জেনিফার লরেন্সের অদ্ভুত সতর্কবার্তা
ভক্তদের জন্য জেনিফার লরেন্সের অদ্ভুত সতর্কবার্তা

বিনোদন ডেস্ক: দীর্ঘদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকার পর অবশেষে ইনস্টাগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে হাজির হয়েছেন অস্কারজয়ী হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স। ৯ সেপ্টেম্বর অ্যাকাউন্ট খোলার পর ১০ সেপ্টেম্বর প্রথম ভিডিও প্রকাশ করেন ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’খ্যাত এই তারকা। আর প্রথম পোস্টেই ভক্তদের উদ্দেশে দিয়েছেন মজার এক সতর্কবার্তা।প্রথম ভিডিওতে জেনিফার জানান, কেউ নেতিবাচক মন্তব্য করলে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই ইনস্টাগ্রাম ছেড়ে দেবেন। এমনকি কেউ খারাপ কিছু ভাবলেও তিনি তা বুঝতে পারবেন—এমন রসিকতাও করেন অভিনেত্রী।ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতেও একই ধরনের মজার বার্তা দেন জেনিফার। সেখানে তিনি নেতিবাচক বা আক্রমণাত্মক মন্তব্য না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এসব মন্তব্য ‘বাচ্চার’ ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এরপর মজা করে নিজেকেই সেই ‘বাচ্চা’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেনিফারের অভিষেক ঘিরে ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। এক দিনের মধ্যেই তাঁর অনুসারীর সংখ্যা ৩৭ লাখ ছাড়িয়েছে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। তাঁর ব্যবহার করা নামও রয়েছে ‘জেলঅ’, কারণ ‘জেনিফার লরেন্স’ নামের অ্যাকাউন্টটি আগেই নেওয়া ছিল।প্রোফাইল ছবিতেও নিজের পরিচিত তারকাসুলভ গ্ল্যামারের বদলে মজার ছাপ রেখেছেন জেনিফার। চুলে হেয়ার ফয়েল লাগানো অবস্থায় তোলা একটি স্বাভাবিক ছবিই তিনি প্রোফাইল ছবি হিসেবে ব্যবহার করেছেন।বছরের পর বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় না থাকলেও জেনিফার আগে জানিয়েছিলেন, তিনি গোপনে এসব মাধ্যম দেখতেন, তবে প্রকাশ্যে অংশ নিতেন না। এবার ইনস্টাগ্রামে পা রেখেই তাঁর এমন রসিক সতর্কবার্তা ভক্তদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।সূত্র: এনডিটিভি

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০:২০:১২
আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার পেলেন যারা
আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার পেলেন যারা
২৬ নভেম্বর ২০২৪ বিকাল ০৩:২৭:৩১

৯৬তম অস্কার জিতল ‘ওপেনহাইমার’
৯৬তম অস্কার জিতল ‘ওপেনহাইমার’
১১ মার্চ ২০২৪ সকাল ১০:১১:৪৫

হলিউডে অভিষেক হচ্ছে ওবামাকন্যা মালিয়ার
হলিউডে অভিষেক হচ্ছে ওবামাকন্যা মালিয়ার
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বিকাল ০৫:৪৭:৩২

চলে গেলেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা টম উইলকিনস
চলে গেলেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা টম উইলকিনস
৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ দুপুর ০১:২৬:১৬


দুই ‘এবি’র জন্মদিন আজ
দুই ‘এবি’র জন্মদিন আজ
১১ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১০:৩১:৩৪

বিক্ষোভ থেকে অভিনেতা ইমরান খান আটক
বিক্ষোভ থেকে অভিনেতা ইমরান খান আটক
১০ অক্টোবর ২০২৬ রাত ০৮:০৬:৪০

এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’
এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’
১০ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০১:২৬:৫৭

প্রেম ও বিচ্ছেদ ‍নিয়ে যা বললেন বনি-কৌশানী

বিনোদন ডেস্ক: ওপার বাংলার জনপ্রিয় তারকা জুটি বনি সেনগুপ্ত ও কৌশানী মুখার্জি। সিনেমায় এ জুটির রসায়নে বরাবরই মুগ্ধ হন দর্শকরা। ব্যক্তিগত জীবনেও চুটিয়ে প্রেম করছেন তারা। এমনকি, প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে কোনো লুকোছাপাও নেই দুজনের। সম্পর্ক নিয়ে দুজনেই বেশ খোলামেলা। সোশ্যাল মিডিয়ায় বনি-কৌশানী নিয়মিত নিজেদের ঘনিষ্ঠ ছবিও পোস্ট করে থাকেন। এই প্রেমিক যুগলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ তাদের ভক্তরাও।প্রায় এক দশক ধরে প্রেম করছেন বনি-কৌশানী। যার ফলে, গত কয়েক বছর ধরেই তাদের বিয়ের গুঞ্জনও উড়ছে। এদিকে, টলিপাড়ায় গুঞ্জন চাউর হয়েছে, ভেঙে গেছে তাদের প্রেম। এ চর্চার মাঝে নীরবতা ভাঙলেন এই প্রেমিক জুটি।একটি পডকাস্টে কৌশানী মুখার্জি বলেন, “জুটি হিসেবে তো সবাই এস্টাব্লিশড হয় না। এতদিনে একটা জুটি হিসেবে দর্শক গ্রহণযোগ্যতা দিয়েছে। সেটা তো বহুরূপীর জন্য খুব ভালো, ইতিবাচক একটা জিনিস।”কৌশানির কথার সূত্র ধরে বনি সেনগুপ্ত বলেন, “রিয়েল লাইফের ময়দামুখো আর রিল লাইফের ময়দামুখো আলাদাও হয়। সবসময় কী এক হয় না কি! রিয়েল লাইফের ময়দামুখো নিয়ে যাবে দিনের শেষে। শুট শেষ করে তো আমার কাছেই ফিরতে হবে।”বিচ্ছেদের রটনা ব্যক্তিগত জীবনে কতটা প্রভাব ফেলে? এ প্রশ্নের জবাবে কৌশানি মুখার্জি বলেন, “বাবা তো (মজা করে) প্রশ্ন করে, কী রে কবে হলো এটা! আমায় জানালি না তো! আসলে যা কথা হওয়ার তা আমার আর বনির মধ্যেই হয়। আর সবকিছুই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। আর নিজেদের মধ্যে সমস্যা হতেই পারে, সব সম্পর্কে সমস্যা হয়। তার মানে এই নয় যে, ব্রেকআপটা একটা শেষ সিলমোহর, যেটা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমার মনে হয় না, এটার কোনো প্রয়োজন আছে।”দুর্গাপূজায় বেশ কিছু ভারতীয় বাংলা সিনেমা মুক্তি পাবে। এ তালিকার অন্যতম—‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’। এটি পরিচালনা করেছেন পরিচালক জুটি শিবপ্রসাদ মুখার্জি ও নন্দিতা রায়। এ সিনেমা দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন তারকা যুগল। কৌশানী মুখার্জি বলেন, “এখন আমরা এক্সাইটেড বহুরূপী একসঙ্গে দেখার জন্য, আর পূজাটা একসঙ্গে কাটানোর জন্য।”

১২ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৪:৩৯:০৭
ডেঙ্গুতে একদিনে প্রাণ গেল ৪ জনের
ডেঙ্গুতে একদিনে প্রাণ গেল ৪ জনের
১১ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:০৮:৩৭

হাম উপসর্গে একদিনে ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে একদিনে ৭ শিশুর মৃত্যু
১১ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৩:২৮:১২

ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৪ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৪ মৃত্যু
১০ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:০০:৫১

হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
১০ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৩:৩৭:২৪

ড্রয়ের স্বপ্ন দেখছে আফগানিস্তান, বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট

ড্রয়ের স্বপ্ন দেখছে আফগানিস্তান, বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট

স্পোর্টস ডেস্ক: শুরুতেই এবাদত-হাসানের কল্যাণে দুই উইকেট তুলে নিলেও তৃতীয় উইকেট জুটিতে চোখ রাঙাতে থাকে রহমত শাহ ও সেদিকুল্লাহ আতালের ব্যাট। সেই জুটি ভাঙেন এবাদত। এরপরও ড্রয়ের স্বপ্ন দেখছে আফগানিস্তান। এদিকে জিততে হলে পঞ্চম ও শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার আরও ৭ উইকেট।চতুর্থ দিন শেষে ৩ উইকেটে ১৩২ রান তুলেছে আফগানিস্তান। ফলে জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন ৩৪৭ রান।বাংলাদেশের দেওয়া ৪৭৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ভাঙে আফগানিস্তানের উদ্বোধনী জুটি। টাইগার পেসার এবাদত হোসেনের করা বলে কটবিহাইন্ড হন আব্দুল মালিক। আউট হওয়ার আগে করেন ২ রান। পরের উইকেটে নামা শহীদুল্লাহকে ১৪ রানে আউট করেন হাসান মাহমুদ।দ্রুত দুই উইকেট হারালেও তৃতীয় উইকেট জুটিতে চাপ সামলে নেন ওপেনার সেদিকুল্লাহ আতাল ও অভিজ্ঞ রহমত শাহ। দেখে-শুনেই খেলছিলেন এই দুই ব্যাটার। তবে এই জুটি দিন শেষ করতে পারেনি আফগানরা। বাংলাদেশি পেসার এবাদত হোসেনের করা বলে কটবিহাইন্ড হন রহমত। আউট হওয়ার আগে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। তার ব্যাট থেকে আসে ১২৪ বলে ৫১ রান।এরপর হাশমতউল্লাহ শহীদিকে নিয়ে দিন শেষ করেন আতাল। ১২৬ বলে ৩৫ রানে আতাল ও ২৭ বলে ১৯ রানে হাশমত অপরাজিত থাকেন।এদিকে তৃতীয় দিন শেষ বিকেলের ঝড়ে ১১ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ৬ উইকেটে ২২৩ রানে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে তারা। ৫ রানে অপরাজিত লিটনের সঙ্গে নামেন মিরাজ, তখনও তিনি রানের খাতা খোলেননি।এই দুজনের জুটিতে দ্বিতীয় ইনিংসে দলীয় স্কোর তিনশ পার করেন এবং লিড ছাড়ায় চারশ রানের। লিটন ১৪ ও ২৬ রানে জীবন পেয়ে ৬১ বলে এক টেস্টে টানা দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের ২২তম হাফ সেঞ্চুরি করেন। একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে বেশ আগ্রাসী ছিলেন তিনি। ধীরে এগোতে থাকেন মিরাজ।এর আগে দুইবার জীবন পাওয়া লিটন দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮ রান হতেই ৯ হাজার আন্তর্জাতিক রানের মাইলফলকে পৌঁছান। কায়েস আহমেদের বলেই দুইবার জীবন পান তিনি। প্রথমবার স্লিপের ফিল্ডার কামাল ক্যাচ ফেলে দেন। তারপর কায়েস নিজেই ক্যাচ ধরতে ব্যর্থ হন, ব্যথায় কাতরাতে দেখা যায় তাকে।বড় লিড এনে দেওয়ার পথে বড় জুটি গড়েন লিটন-মিরাজ। সপ্তম উইকেট জুটিতে এই দুই ব্যাটার মিলে তোলেন ১৪৯ রান। তাতেই লিডের পাহাড় গড়ে সফরকারীরা।ফিফটি করেই থামেননি লিটন। ১১৫ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। এরপর আর বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। ১০২ রানে সাজঘরের পথ ধরেন। ১১৭ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ১৪টি চারে সাজানো।এদিকে ফিফটির দেখা পেয়েছেন মিরাজও। তিনি অপরাজিত থাকেন ৯৭ বলে ৫২ রানে। ৭ উইকেটে ৩৭২ রান করার পর ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যাট করতে নামবে স্বাগতিক আফগানিস্তান।এর আগে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান করে। তারপর হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আফগানিস্তানকে ২৪০ রানে অলআউট করে সফরকারী দল।

১২ অক্টোবর ২০২৬ রাত ০৮:৪৯:৩০
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বাস্তব জ্ঞান ও গবেষণার দৃঢ় চর্চা করার উদ্দেশ্যেই ২০২৩ সালের ১২ মার্চ থেকে জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়।গত ২ সেপ্টেম্বর সোমবার ক্লাবের দ্বিতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা কর হয়, যেখানে সভাপতির দায়িত্ব নেন আবদুল্লাহ আল মাহিম এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. ফয়সাল আহমেদ।এছাড়াও সহ-সভাপতি সাদিয়া হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মাইনুদ্দিন আহমেদ সাগর, দপ্তর ও প্রচারে যথাক্রমে মুক্তা বর্মন ও ফজলে আজিম মিয়াদসহ অনুষ্ঠান পরিচালকের দায়িত্ব নেন মেহেদী হাসান রাব্বি।কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান জামিউল আলম, সাব্বির হোসেন ফাহিম, হাসনাহেনা জেরিন এবং নুজাত তাবাসসুম।একাডেমিক পারদর্শিতা, সমন্বয় ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তাদেরকে জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগের মাধ্যমে শক্তিশালী করাই এই কমিটির গুরুদায়িত্ব বলে জানান নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্তরা।

৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দুপুর ০১:০৫:১৬
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:৫২:২০

খোকসায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পিঠা উৎসব
খোকসায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পিঠা উৎসব

খোকসা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য ধরে রাখতে আয়োজন করা হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী পিঠা উৎসব।২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে উপজেলার গ্লোরিয়াস কিন্ডারগার্টেন স্কুল ক্যাম্পাসে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবে পৃথক পৃথক ১৫টি স্টলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা নানা রকম পিঠাপুলির পসরা সাজিয়ে বসেন।উৎসবে প্রদর্শিত পিঠার মধ্যে ছিল পরিচিত ও নতুন ধাঁচের শতাধিক বাহারি পিঠাপুলি। প্রতিটি পিঠার ওপরে নাম ও মূল্য উল্লেখ করা ছিল। পিঠার নামগুলোও ছিল বেশ আকর্ষণীয়। শিশু শিক্ষার্থীরা বাবা-মায়ের হাত ধরে স্টল ঘুরে ঘুরে পিঠা দেখেন, নতুন পিঠা সম্পর্কে জানেন এবং স্বাদ গ্রহণ করেন। এতে পুরো স্কুল প্রাঙ্গণ রূপ নেয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।উৎসবে ভাপা পিঠা, দুধপুলি, আওলা কেশরি, পুলি, খিরুলি, পাটিসাপটা, জামাই সোহাগী, গোলাপ পিঠা, চিতই, কানমুচরি, পায়েস, পুডিং, তেল পিঠা, দুধ চিতই, ফুল পিঠা, ক্ষির, মুঠা পিঠা, রসগোলাপ ও কেকসহ শতাধিক ধরনের পিঠা প্রদর্শিত হয়। জানা-অজানা পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে শিক্ষার্থীরা ছিল দারুণ উচ্ছ্বসিত।শীতকালীন ঐতিহ্যবাহী পিঠার এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনে খুশি অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারাও। তারা প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজনের দাবি জানান।পিঠা উৎসবে এশিয়ান টেলিভিশন ও দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি পুলক সরকারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমাদুল হাসান।প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ বদিউজ্জামাল দুর্জয়ের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. শাহবুদ্দিন, মালিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূপালী ঘোষ, মরহুম আজিজুর রহমান ট্রাস্টের চেয়ারম্যান উম্মে সাইমা সাদিয়া, লোটাস চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশ্বজিৎ বিশ্বাস, মধু’স ফ্যাশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পার্থ সারথী ঘোষ এবং জার্নাল ভিশন২৪-এর নির্বাহী সম্পাদক নাজমুল হাসান।এ সময় অধ্যক্ষ বদিউজ্জামাল দুর্জয় বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি গ্রামীণ সংস্কৃতির চর্চা ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন করতেই এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে আমরা নিয়মিত এমন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছি।’

৩০ জানুয়ারী ২০২৬ দুপুর ১২:৫২:৩৯
আজ বিশ্ব ডাক দিবস

অনলাইন ডেস্ক: স্মার্ট ডাকসেবার প্রত্যয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব ডাক দিবস-২০২৬’। এ উপলক্ষে সারা দেশে সপ্তাহব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ডাক অধিদপ্তর।এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক, সীমাহীন সম্ভাবনা’।দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে ৯ অক্টোবর শুক্রবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ ডাক ভবনে ডাক অধিদপ্তরের উদ্যোগে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি।এদিকে বিশ্ব ডাক দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ (৯ অক্টোবর) এবং আগামীকাল (১০ অক্টোবর) ডাক বিভাগের সব পর্যায়ের কার্যালয়ে (সঞ্চয় ব্যাংক কার্যক্রম ব্যতীত) সাধারণ ডাকসেবা প্রদান করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে আজ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী ‘ডাকসেবা সপ্তাহ’ পালিত হচ্ছে।ডাকসেবা সপ্তাহ উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বিশেষ চিঠি উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েও চিঠি উৎসব, ফিলাটেলিক প্রদর্শনী ও ডাকসেবা বিষয়ক মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও বিস্তৃত নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত ও সাশ্রয়ী সেবা পৌঁছে দেওয়াই এসব কর্মসূচির মূল লক্ষ্য বলে ডাক বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।বর্তমানে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ ঐতিহ্যবাহী ডাকসেবার পাশাপাশি একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ ও জনবান্ধব লজিস্টিকস সেবা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।উল্লেখ্য, মানুষের দৈনন্দিন জীবন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে ডাক ব্যবস্থার অবদান সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হয়। ১৮৭৪ সালের ৯ অক্টোবর ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (ইউপিইউ) প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণ করে ১৯৬৯ সালে টোকিওতে অনুষ্ঠিত ইউপিইউ কংগ্রেসে এ দিনটিকে বিশ্ব ডাক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সূত্র: বাসস

৯ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯:০০

আজ বিশ্ব হার্ট দিবস
আজ বিশ্ব হার্ট দিবস
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০১:০৪:৪৭

নিয়মিত ড্রাগন ফল খাওয়ার উপকারিতা
নিয়মিত ড্রাগন ফল খাওয়ার উপকারিতা
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:৩৪:০৯

মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ৫ খাবার
মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ৫ খাবার
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:০৬:০৪

পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের বকশিগঞ্জে একসময় অনেকটা অবহেলিত ও কম পরিচিত ফসল হিসেবে পড়ে থাকলেও বর্তমানে সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল হিসেবে কৃষকদের নজর কাড়ছে শিমুল আলু বা কাসাভা। স্থানীয়ভাবে কোথাও কোথাও এটি ‘কাঠা আলু’ নামেও পরিচিত।তুলনামূলক অনুর্বর ও পাহাড়ি জমিতেও চাষ করা যায় বলে ধীরে ধীরে কৃষকদের কাছে আগ্রহের ফসল হয়ে উঠছে এটি। দেশের বিভিন্ন পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে কাসাভার চাষ হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তঘেঁষা লাউচাপড়া-বালিঝুরি সুমন্নাতপাড়া পাহাড়ি এলাকায় দেখা মিলেছে শিমুল আলুর চাষ। ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের সুমন্নাতপাড়া গ্রামের পাহাড়ের ঢালে কয়েক একর জমিতে কৃষকরা এ ফসলের আবাদ করছেন। পাহাড়ি ঢালু ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কাসাভার চাষে সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা।সুমন্নাতপাড়া গ্রামের আদিবাসী কৃষক সাগর খাগসী দীর্ঘদিন ধরে শিমুল আলুর চাষ করে আসছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও তিনি এ ফসলের আবাদ করেছেন। শুরুতে অনেকটা পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করলেও ফলন পাওয়ার পর ধীরে ধীরে তার আগ্রহ বেড়েছে।কৃষক সাগর খাগসী জানান, গত বছর তিনি অল্প জমিতে শিমুল আলুর চাষ করেছিলেন। ফলন মোটামুটি ভালো হওয়ায় এবার তিনি বড় পরিসরে চাষের সিদ্ধান্ত নেন। চলতি মৌসুমে প্রায় দুই একর জমিতে কাসাভার আবাদ করেছেন তিনি।পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের চাষ করতে যেখানে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়, সেখানে কাসাভা তুলনামূলক সহজে চাষ করা যায়। গাছের পরিচর্যাও খুব বেশি করতে হয় না। রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ তুলনামূলক কম হওয়ায় কীটনাশকের প্রয়োজনও কম পড়ে বলে জানান কৃষকরা।স্থানীয় কৃষক জসিম বলেন, আমাদের এলাকার অনেক জমি পাহাড়ি ও অনুর্বর। সব ফসল এখানে ভালো হয় না। কিন্তু শিমুল আলু এসব জমিতেও ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। পরিচর্যা কম, খরচও তুলনামূলক কম। বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে এটি আমাদের জন্য লাভজনক ফসল হতে পারে।স্থানীয় আরেক কৃষক আদিবাসী প্রবিদ জানান, কাসাভার চাষ সম্পর্কে আগে তাদের মধ্যে তেমন ধারণা ছিল না। এখন অন্য কৃষকদের চাষ দেখে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং বাজারজাতকরণে সহযোগিতা পাওয়া গেলে এ অঞ্চলে আরও বেশি কৃষক কাসাভা চাষে আগ্রহী হবেন বলে মনে করেন তিনি।শুধু কৃষকের আয় বাড়ানোর সম্ভাবনাই নয়, খাদ্য হিসেবেও কাসাভার রয়েছে উল্লেখযোগ্য পুষ্টিগুণ। কাসাভার কন্দে প্রধানত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরে শক্তির অন্যতম উৎস। এতে সামান্য পরিমাণে খাদ্যআঁশ, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদানও পাওয়া যায়। কাসাভায় থাকা কার্বোহাইড্রেটের কারণে এটি শক্তিদায়ক খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কাসাভার চাষ সম্প্রসারণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে যদি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তাহলে কৃষকরা কাঁচা কন্দ বিক্রির পাশাপাশি মূল্য সংযোজনের সুযোগও পেতে পারেন। এতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান ও কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।বকশীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, কাসাভা বা শিমুল আলু তুলনামূলকভাবে কম উর্বর ও পাহাড়ি জমিতে চাষের উপযোগী একটি ফসল। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যার মাধ্যমে এ ফসল থেকে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।তিনি বলেন, বকশীগঞ্জের পাহাড়ি এলাকার যেসব জমিতে প্রচলিত ফসলের আবাদ তুলনামূলক কঠিন, সেসব জমিতে বিকল্প ফসল হিসেবে কাসাভা চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা যদি ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পান, তাহলে ভবিষ্যতে এ ফসলের আবাদ আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, কাসাভা চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হবে। পাশাপাশি উৎপাদন, ফলন, বাজারজাতকরণ ও কৃষকের লাভ-ক্ষতির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে এ ফসলের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে।

৩ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:২৮:০৭