• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ১৮ই আশ্বিন ১৪৩৩ রাত ০৩:২৯:৩৪ (04-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:
করের টাকার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার: অর্থমন্ত্রী

করের টাকার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের করের প্রতিটি টাকার স্বচ্ছতা ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার।৩ অক্টোবর শনিবার জাতীয় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিষয়ক প্রতিযোগিতা ‘ইকনথন ২০২৬’ এর গ্র্যান্ড ফাইনালের সমাপনী ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) অর্থনীতি বিভাগ ও জুনিয়র ইকোনমিস্টস ফোরাম (জেইএফ) এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তাই এখন নতুন স্বাভাবিক অবস্থা। বিশ্বব্যাপী মন্থর প্রবৃদ্ধি, ঋণের উচ্চ ব্যয় এবং বাণিজ্যিক সংরক্ষণবাদের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সঠিক ও তথ্যনির্ভর নীতি নির্ধারণই অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি।অর্থমন্ত্রী বলেন, নীতি নির্ধারণে বাস্তবসম্মত সমাধান এবং তথ্যের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। অর্থ মন্ত্রণালয়কে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, যেখানে সীমিত তথ্যের ভিত্তিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২৪টি দল ‘ইকনথন ২০২৬’-এ নিবন্ধন করেছে। কুইজ, কেস সলভিং ও পলিসি মেকিংভিত্তিক প্রতিযোগিতার বিভিন্ন কঠিন ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছানো শিক্ষার্থীদের তিনি প্রশংসা করেন।বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে আমির খসরু বলেন, জ্বালানির দাম, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন প্রয়োজন।শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘দক্ষতা ছাড়া কোনো জাতি এগোতে পারে না এবং সততা ও মানবিকতা ছাড়া সেই দক্ষতা সমাজকে সঠিক পথ দেখাতে পারে না।’অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতি শুধু পরীক্ষা পাসের বিষয় নয়, এটিকে অনুধাবন করতে হবে এবং দেশের সেবায় নীতি ও সততার সঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ও ইউনাইটেড গ্রুপের প্রধান উপদেষ্টা হাসান মাহমুদ রাজা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও ইউনাইটেড গ্রুপের উপদেষ্টা কে এম এ শামীম।ইউআইইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেন অর্থমন্ত্রী।

৬ ঘন্টা আগে


















































পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের বকশিগঞ্জে একসময় অনেকটা অবহেলিত ও কম পরিচিত ফসল হিসেবে পড়ে থাকলেও বর্তমানে সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল হিসেবে কৃষকদের নজর কাড়ছে শিমুল আলু বা কাসাভা। স্থানীয়ভাবে কোথাও কোথাও এটি ‘কাঠা আলু’ নামেও পরিচিত।তুলনামূলক অনুর্বর ও পাহাড়ি জমিতেও চাষ করা যায় বলে ধীরে ধীরে কৃষকদের কাছে আগ্রহের ফসল হয়ে উঠছে এটি। দেশের বিভিন্ন পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে কাসাভার চাষ হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তঘেঁষা লাউচাপড়া-বালিঝুরি সুমন্নাতপাড়া পাহাড়ি এলাকায় দেখা মিলেছে শিমুল আলুর চাষ। ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের সুমন্নাতপাড়া গ্রামের পাহাড়ের ঢালে কয়েক একর জমিতে কৃষকরা এ ফসলের আবাদ করছেন। পাহাড়ি ঢালু ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কাসাভার চাষে সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা।সুমন্নাতপাড়া গ্রামের আদিবাসী কৃষক সাগর খাগসী দীর্ঘদিন ধরে শিমুল আলুর চাষ করে আসছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও তিনি এ ফসলের আবাদ করেছেন। শুরুতে অনেকটা পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করলেও ফলন পাওয়ার পর ধীরে ধীরে তার আগ্রহ বেড়েছে।কৃষক সাগর খাগসী জানান, গত বছর তিনি অল্প জমিতে শিমুল আলুর চাষ করেছিলেন। ফলন মোটামুটি ভালো হওয়ায় এবার তিনি বড় পরিসরে চাষের সিদ্ধান্ত নেন। চলতি মৌসুমে প্রায় দুই একর জমিতে কাসাভার আবাদ করেছেন তিনি।পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের চাষ করতে যেখানে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়, সেখানে কাসাভা তুলনামূলক সহজে চাষ করা যায়। গাছের পরিচর্যাও খুব বেশি করতে হয় না। রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ তুলনামূলক কম হওয়ায় কীটনাশকের প্রয়োজনও কম পড়ে বলে জানান কৃষকরা।স্থানীয় কৃষক জসিম বলেন, আমাদের এলাকার অনেক জমি পাহাড়ি ও অনুর্বর। সব ফসল এখানে ভালো হয় না। কিন্তু শিমুল আলু এসব জমিতেও ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। পরিচর্যা কম, খরচও তুলনামূলক কম। বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে এটি আমাদের জন্য লাভজনক ফসল হতে পারে।স্থানীয় আরেক কৃষক আদিবাসী প্রবিদ জানান, কাসাভার চাষ সম্পর্কে আগে তাদের মধ্যে তেমন ধারণা ছিল না। এখন অন্য কৃষকদের চাষ দেখে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং বাজারজাতকরণে সহযোগিতা পাওয়া গেলে এ অঞ্চলে আরও বেশি কৃষক কাসাভা চাষে আগ্রহী হবেন বলে মনে করেন তিনি।শুধু কৃষকের আয় বাড়ানোর সম্ভাবনাই নয়, খাদ্য হিসেবেও কাসাভার রয়েছে উল্লেখযোগ্য পুষ্টিগুণ। কাসাভার কন্দে প্রধানত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরে শক্তির অন্যতম উৎস। এতে সামান্য পরিমাণে খাদ্যআঁশ, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদানও পাওয়া যায়। কাসাভায় থাকা কার্বোহাইড্রেটের কারণে এটি শক্তিদায়ক খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কাসাভার চাষ সম্প্রসারণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে যদি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তাহলে কৃষকরা কাঁচা কন্দ বিক্রির পাশাপাশি মূল্য সংযোজনের সুযোগও পেতে পারেন। এতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান ও কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।বকশীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, কাসাভা বা শিমুল আলু তুলনামূলকভাবে কম উর্বর ও পাহাড়ি জমিতে চাষের উপযোগী একটি ফসল। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যার মাধ্যমে এ ফসল থেকে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।তিনি বলেন, বকশীগঞ্জের পাহাড়ি এলাকার যেসব জমিতে প্রচলিত ফসলের আবাদ তুলনামূলক কঠিন, সেসব জমিতে বিকল্প ফসল হিসেবে কাসাভা চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা যদি ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পান, তাহলে ভবিষ্যতে এ ফসলের আবাদ আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, কাসাভা চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হবে। পাশাপাশি উৎপাদন, ফলন, বাজারজাতকরণ ও কৃষকের লাভ-ক্ষতির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে এ ফসলের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে।

৩ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:২৮:০৭
ভোলার গ্যাস বদলে দিতে পারে দেশের জ্বালানির ভবিষ্যৎ

ভোলার গ্যাস বদলে দিতে পারে দেশের জ্বালানির ভবিষ্যৎ

অনলাইন ডেস্ক: দেশে গ্যাসের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ওপর বাড়তি নির্ভরতার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণের দ্বীপ জেলা ভোলার গ্যাসসম্পদ নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাসের তীব্র অপ্রতুলতা দেখা দেওয়ায় জাতীয় গ্রিডের বাইরে থাকা ভোলার গ্যাস কীভাবে দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটিই এখন বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্যাসের পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও প্রধানত সঞ্চালন অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে ভোলার পূর্ণ উৎপাদন সক্ষমতা ব্যবহার করা যাচ্ছে না।ভোলার গ্যাসের গুরুত্ব স্পষ্ট হয় দেশের অবশিষ্ট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের সার্বিক হিসাবের দিকে তাকালে। জেলার শাহবাজপুর, ভোলা-নর্থ ও ইলিশা—এই তিনটি আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রে সম্মিলিতভাবে প্রায় ২.০৪৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) গ্যাসের মজুত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১.৪৩২ থেকে ১.৪৩৩ টিসিএফ গ্যাস উত্তোলনযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও পেট্রোবাংলার সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে অবশিষ্ট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ প্রায় ৭.৬৩ টিসিএফ। সেই হিসাবে দেশের মোট অবশিষ্ট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের প্রায় ১৯ শতাংশ বা প্রায় এক-পঞ্চমাংশই রয়েছে ভোলায়।খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন কূপ খনন, উৎপাদন পরীক্ষা ও দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এই উত্তোলনযোগ্য মজুত সম্পর্কে আরও নিখুঁত ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে।বাপেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ভোলার নয়টি কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ১৮২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে প্রায় ৭৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে আরও প্রায় ৪৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস অব্যবহৃত থাকার তথ্য রয়েছে।পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান বলেন, ‘ভোলার গ্যাসকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি সঞ্চালন অবকাঠামোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। গ্যাসের মজুত থাকলেও তা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছানোর ব্যবস্থা না থাকলে জাতীয় অর্থনীতিতে প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া যাবে না।’দেশের সামগ্রিক গ্যাস পরিস্থিতিও ভোলার সম্ভাবনাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ২ হাজার ৬০৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে আসে প্রায় ১ হাজার ৬২০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আমদানিকৃত এলএনজি থেকে আসে প্রায় ৯৯০ মিলিয়ন ঘনফুট। অর্থাৎ মোট সরবরাহের একটি বড় অংশ এখনও আমদানিনির্ভর।এলএনজি আমদানি স্বল্পমেয়াদে গ্যাসের ঘাটতি সামাল দিতে সহায়তা করলেও এর সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য ওঠানামার ঝুঁকি রয়েছে। ফলে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানো এবং বর্তমানে অব্যবহৃত গ্যাসকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এই বাস্তবতায় ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার উদ্যোগ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) তথ্য অনুযায়ী, ভোলা-বরিশাল গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের প্রক্রিয়া চলছে।সম্প্রতি ভোলা-বরিশাল-খুলনা রুটে পাইপলাইন নির্মাণের পরিকল্পনাও সামনে এসেছে। এ পাইপলাইন বাস্তবায়িত হলে ভোলার গ্যাস দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে। খুলনা পর্যন্ত গ্যাস সঞ্চালন অবকাঠামো তৈরি করা গেলে পরবর্তী সময়ে বৃহত্তর জাতীয় গ্যাস ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগের সুযোগও বাড়তে পারে। তবে এ ধরনের বড় অবকাঠামো নির্মাণে সময় ও বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে।ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে এর সুফল শুধু ভোলা বা বরিশালের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। খুলনা ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্পাঞ্চল, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং অন্যান্য গ্যাসনির্ভর প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কিছুটা কমানো এবং আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরতা হ্রাসের সুযোগও তৈরি হতে পারে।জাতীয় গ্রিডে গ্যাস নেওয়াই অবশ্য একমাত্র সম্ভাবনা নয়। ভোলায় উৎপাদিত গ্যাস স্থানীয়ভাবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। পর্যাপ্ত ও নির্ভরযোগ্য গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে সেখানে সার কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, গ্যাসভিত্তিক শিল্প, শিল্পপার্ক ও অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হতে পারে।ভোলায় গ্যাসের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত হলে স্থানীয় ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ, নদীবন্দর, বিদ্যুৎ, পানি, আবাসন ও দক্ষ জনশক্তির অবকাঠামো গড়ে উঠলে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পাঞ্চল বিকাশের সুযোগ তৈরি হবে।ভোলায় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগও রয়েছে। বাপেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ভোলা নর্থ-১, ভোলা নর্থ-২ ও ইলিশা-১ কূপ থেকে অতিরিক্ত ৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের জন্য প্রসেস প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ চলছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে এ কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।এর পাশাপাশি ভোলায় আরও পাঁচটি নতুন গ্যাসকূপ খননেরর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব কূপ খনন সফল হলে ভবিষ্যতে ভোলার গ্যাস উৎপাদন আরও বাড়তে পারে। ফলে শুধু বিদ্যমান গ্যাস ব্যবহারের ব্যবস্থা করাই নয়, ভবিষ্যৎ উৎপাদন বিবেচনায় নিয়েও সঞ্চালন অবকাঠামো পরিকল্পনা করা প্রয়োজন।ভোলার গ্যাসের সম্ভাবনা শুধু বর্তমানে চিহ্নিত মজুতেই সীমাবদ্ধ নয়। বাপেক্স ও রাশিয়ার গ্যাসপ্রমের অনুসন্ধানে জেলার বিভিন্ন এলাকায় আরও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে। বিশেষ করে চরফ্যাশনসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় নতুন অনুসন্ধানের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ গ্যাসসম্পদের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।ভোলার গ্যাসের সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টিও সরাসরি যুক্ত। দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থাকলেও পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকায় অনেক সময় সেগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগানো যায় না। ভোলার গ্যাস স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা গেলে দক্ষিণাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাও শক্তিশালী হতে পারে।বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, ভোলার গ্যাস ব্যবহার, মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস আমদানি এবং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. বদরুল ইমাম বলেন, ‘ভোলার গ্যাসের অর্থনৈতিক মূল্য শুধু কত মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে, তা দিয়ে নির্ধারণ করা যাবে না। গ্যাসটি কোথায় ব্যবহার করলে দেশের অর্থনীতিতে সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজন হবে, তা নির্ধারণ করতে হবে। বিদ্যুৎ, সার, শিল্পকারখানা এবং জাতীয় গ্রিড, সবগুলো বিকল্পের ব্যয় ও সুফল তুলনা করে দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।’তিনি বলেন, ভোলার গ্যাস নিয়ে বড় বিনিয়োগের আগে গ্যাসের প্রকৃত উত্তোলনযোগ্য মজুত নির্ধারণ করা জরুরি। কোনো গ্যাসক্ষেত্রের সম্ভাব্য মজুত এবং বাস্তবে অর্থনৈতিকভাবে উত্তোলনযোগ্য গ্যাস এক বিষয় নয়। অনুসন্ধান, কূপ খনন, উৎপাদন পরীক্ষা এবং সময়ের সঙ্গে কূপের চাপ ও উৎপাদন ক্ষমতা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রকৃত সম্ভাবনা নির্ধারণ করতে হয়।ভোলার শিল্পোদ্যোক্তারাও গ্যাসের নির্ভরযোগ্য সরবরাহকে শিল্পায়নের অন্যতম পূর্বশর্ত হিসেবে দেখছেন। ভোলার মেসার্স খান ফ্লাওয়ার মিলসের স্বত্বাধিকারী এবং ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মো. জামাল উদ্দিন খান বলেন, ‘গ্যাসের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত হলে ভোলায় শিল্প স্থাপনের আগ্রহ বাড়তে পারে। তবে গ্যাসের পাশাপাশি বিদ্যুৎ, সড়ক, নদীবন্দর, যোগাযোগ ও শিল্প অবকাঠামোও একসঙ্গে উন্নত করতে হবে। শুধু গ্যাস থাকলেই বড় শিল্পায়ন সম্ভব নয়।’সরকারের সাম্প্রতিক জ্বালানি পরিকল্পনাতেও ভোলার গ্যাসের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার বিষয়টি রয়েছে। তিনি ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে নিতে ৫০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প এবং বাপেক্সের ১৫০টি কূপ খনন ও পুনঃখননের কাজ এগিয়ে চলার কথা জানান।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোলার গ্যাসের ক্ষেত্রে কোনো একটি ব্যবহারের ওপর নির্ভর না করে সমন্বিত পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। জাতীয় গ্রিডে কতটা গ্যাস যাবে, স্থানীয় শিল্পে কতটা ব্যবহার হবে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে কতটা দেওয়া হবে এবং ভবিষ্যৎ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কতটা সক্ষমতা রাখা হবে, এসব বিষয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় থাকা প্রয়োজন।এ ক্ষেত্রে পরিবেশগত বিষয়ও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। ভোলার ভৌগোলিক অবস্থান, নদী ও উপকূলীয় পরিবেশ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিল্প ও গ্যাস অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে নতুন শিল্পায়নের ফলে স্থানীয় জনগণের জন্য কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টিও পরিকল্পনায় থাকতে হবে।সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমছে, এলএনজি আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে এবং শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের চাহিদা বাড়ছে, এই বাস্তবতায় ভোলার গ্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। বর্তমানে যে গ্যাস অবকাঠামোর অভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না, তা দ্রুত কাজে লাগানোর ব্যবস্থা করা গেলে নতুন কোনো বড় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের আগেই দেশের জ্বালানি ব্যবস্থায় অতিরিক্ত সরবরাহ যোগ করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোলার প্রায় ১.৪৩৩ টিসিএফ উত্তোলনযোগ্য গ্যাস দেশের অবশিষ্ট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশের সমপরিমাণ। একই সঙ্গে নতুন অনুসন্ধানে আরও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে ভোলাকে শুধু একটি আঞ্চলিক গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে না দেখে জাতীয় জ্বালানি পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।তবে সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে অনুসন্ধান, উৎপাদন, প্রসেসিং, সঞ্চালন, শিল্পায়ন ও পরিবেশ সুরক্ষাকে একই পরিকল্পনার আওতায় আনতে হবে।সূত্র: বাসস

৩ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০১:০০:৩২
ময়মনসিংহে জনতার মুখোমুখি সিটি প্রশাসক রোকন

ময়মনসিংহে জনতার মুখোমুখি সিটি প্রশাসক রোকন

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ভাঙাচোরা সড়ক, ড্রেনেজ সংকট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থা ও যানজটসহ নানা নাগরিক সমস্যা নিয়ে সরাসরি প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় ছয় মাস পর প্রথমবারের মতো জনতার মুখোমুখি হয়ে নাগরিকদের বিভিন্ন অভিযোগ ও প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার নগরীর টাউন হল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বিশেষ প্রশ্নোত্তর পর্বে নাগরিকরা নিজ নিজ এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। প্রায় আড়াই ঘণ্টার এ আয়োজনে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীসহ অর্ধশতাধিক নাগরিক অংশ নেন।নাগরিকদের প্রশ্নের জবাবে সিটি প্রশাসক স্বীকার করেন, নগরের যানজট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এখনো প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জিত হয়নি। যানজট নিয়ন্ত্রণে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে শিগগিরই কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এ জন্য নগরবাসীরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। প্রতিটি পরিবার ও নাগরিককে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।প্রশ্নোত্তর পর্বে নগর ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালুর পরিকল্পনাও তুলে ধরেন সিটি প্রশাসক। তিনি জানান, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন সেবা ডিজিটাল করার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে যানবাহনের রুট পারমিট ও ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থাপনাকেও অটোমেশনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।আয়োজনে নাগরিকরা বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরার পাশাপাশি সেগুলো সমাধানে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগ ও বাস্তবায়নের সময়সীমা নিয়েও প্রশ্ন করেন। জবাবে প্রশাসক চলমান কার্যক্রমের পাশাপাশি নগর উন্নয়নে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।দায়িত্ব গ্রহণের পর নাগরিকদের সঙ্গে সরাসরি এমন প্রশ্নোত্তর আয়োজনকে সিটি প্রশাসনের সঙ্গে নগরবাসীর যোগাযোগ বৃদ্ধির একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

১ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ০৯:২৪:১১
বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম

বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম। মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার বৃদ্ধির কারণে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের বড় দরপতনের দিকেই এগোচ্ছে কোনো প্রকার সুদ বা মুনাফা না দেওয়া এই ধাতু।বাইবিটের প্রধান বাজার বিশ্লেষক হ্যান তান বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা আপাতত হয়তো অতিরিক্ত আশাবাদী হতে চাইছেন না, কারণ তারা জানেন মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ এখনও কঠোর আর্থিক নীতি বজায় রেখেছে।’তিনি আরও যোগ করেন, ‘আগামী মাসগুলোতে স্বর্ণের মূল্যের ধারা অনেকটাই ফেডের ওপর নির্ভর করবে। মার্কিন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের ওপর নজর রাখার পাশাপাশি শ্রমবাজারের সম্ভাব্য দুর্বলতা কতটা সামাল দিতে পারে ফেড, সেটাই এখন দেখার বিষয়।’গত ফেব্রুয়ারির শেষদিকে শুরু হওয়া ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে স্বর্ণের দাম ২০ শতাংশেরও বেশি কমেছে। এই সংঘাতে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাওয়ায় দীর্ঘ মেয়াদে সুদের হার চড়া থাকবে, এমন আশঙ্কাই এই দরপতনের মূল কারণ।অন্যান্য ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ০.৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬০.৩৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম ২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬৯২.৯০ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.৫ শতাংশ কমে ১,১৬৫.৭৫ ডলারে নেমে এসেছে। তিনটি ধাতু-ই সাপ্তাহিক লোকসানের মুখে রয়েছে।এদিকে দেশের বাজারে এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা পড়ছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

৩ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:০৮:৪৬

সৌদিতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ সতর্কতা
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৪২:০৫
নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:১০:৪২

কানাডায় নতুন সিনেমায় জায়েদ খান
কানাডায় নতুন সিনেমায় জায়েদ খান
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:২৬:২৮


মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:৫৪

ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ
ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ

বিনোদন ডেস্ক: নব্বই দশকের তুমুল জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ। বাংলা চলচ্চিত্রের ‘স্বপ্নের নায়ক’ হিসেবে যিনি আজও দর্শকদের হৃদয়ে অমলিন। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পাওয়া এই নায়কের ৫৫তম জন্মদিন আজ।১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন সালমান শাহ। তার আসল নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে তিনি।টেলিভিশন নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন সালমান শাহ। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তার অভিনয়জীবনের শুরু। এরপর ‘দেয়াল’, ‘সব পাখি ঘরে ফেরে’, ‘সৈকতে সারস’, ‘নয়ন’ ও ‘স্বপ্নের পৃথিবী’সহ বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেন।১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। স্বল্প সময়ের ক্যারিয়ারে একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়ে নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক হয়ে ওঠেন।চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর জুটি দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তার অভিনীত ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টিতে শাবনূর নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেন। তাদের জুটি বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি হিসেবে দর্শকদের কাছে আজও স্মরণীয়।সালমান শাহর উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে—‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘জীবন সংসার’, ‘প্রেম প্রিয়াসী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভেতর আগুন’।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে মারা যান সালমান শাহ। তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। তবে মৃত্যুর এত বছর পরও তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। জন্মদিনে ভক্ত ও চলচ্চিত্রপ্রেমীরা নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করছেন বাংলা চলচ্চিত্রের এই অকালপ্রয়াত নায়ককে।

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:১৯:৪৪
অভিনেতা দিনো মোরিয়াকে গ্রেফতার
অভিনেতা দিনো মোরিয়াকে গ্রেফতার
২ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:১৭:৫৪

বক্স অফিসে ঝড়, ২০০ কোটির ক্লাবে ‘মির্জাপুর’
বক্স অফিসে ঝড়, ২০০ কোটির ক্লাবে ‘মির্জাপুর’
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৩:৪৯:২৭

দীপিকার সঙ্গে করা যে সিনেমাকে ‘ভুল’ বললেন সাইফ
দীপিকার সঙ্গে করা যে সিনেমাকে ‘ভুল’ বললেন সাইফ
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১১:৪০:০২

এবার তামান্নার সঙ্গে ঘনিষ্ট দৃশ্যে সিদ্ধার্থ!
এবার তামান্নার সঙ্গে ঘনিষ্ট দৃশ্যে সিদ্ধার্থ!
৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৪:০৫:১২

রেকর্ড গড়লেন অজয়ের দৃশ্যম ৩
রেকর্ড গড়লেন অজয়ের দৃশ্যম ৩

বিনোদন ডেস্ক: বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে অজয় দেবগন অভিনীত ‘দৃশ্যম ৩: দ্য কনক্লুশন’। গান্ধীজয়ন্তীর ছুটির দিনে, ২ অক্টোবর মুক্তির পর বিশ্বব্যাপী প্রথম দিনেই ৯৫ কোটি ১০ লাখ রুপি আয় করেছে ছবিটি।ভারতে ছবিটির নিট আয় ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি ১০ লাখ রুপি। বিদেশের বাজার থেকে এসেছে আরও ১৫ কোটি রুপি।এর মধ্য দিয়ে অজয় দেবগনের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় উদ্বোধনী আয় করা সিনেমা হয়ে গেল ‘দৃশ্যম ৩’। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় হিন্দি সিনেমার উদ্বোধনী ব্যবসাও এটি।প্রথম দিনেই ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি নিট আয় করে অজয়ের আগের সব বড় ওপেনিংকে পেছনে ফেলেছে ‘দৃশ্যম ৩’। এত দিন অভিনেতার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় উদ্বোধনের রেকর্ড ছিল ২০২৪ সালের ‘সিংহাম এগেইন’-এর দখলে। রোহিত শেঠি পরিচালিত সিনেমাটি প্রথম দিনে ভারতে আয় করেছিল প্রায় ৪৩ কোটি ৫০ লাখ রুপি।অজয়ের অন্য বড় ওপেনিংগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘সিংহাম রিটার্নস’ ৩২ কোটি ১০ লাখ, ‘গোলমাল এগেইন’ ৩০ কোটি ১৫ লাখ এবং ‘রেইড ২’ ১৯ কোটি ২৫ লাখ রুপি। অর্থাৎ আগের রেকর্ড শুধু ভাঙেনি ‘দৃশ্যম ৩’, তৈরি করেছে বড় ব্যবধানও।অজয়ের ব্যক্তিগত রেকর্ড ছাড়িয়ে সিনেমাটি জায়গা করে নিয়েছে হিন্দি সিনেমার বড় উদ্বোধনের তালিকাতেও। প্রথম দিনের ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি আয় দিয়ে শাহরুখ খানের ‘পাঠান’ ও রণবীর কাপুরের ‘অ্যানিমেল’-এর উদ্বোধনী আয়কে পেছনে ফেলেছে ছবিটি। ‘পাঠান’ প্রথম দিনে আয় করেছিল ৫৭ কোটি রুপি। অন্যদিকে ‘অ্যানিমেল’-এর আয় ছিল প্রায় ৬৩ কোটি রুপি।তবে হিন্দি সিনেমার সর্বকালের সবচেয়ে বড় উদ্বোধনের রেকর্ড এখনো ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজির সিনেমাগুলোর দখলে। তাই ‘দৃশ্যম ৩’কে বলিউডের সর্বকালের সবচেয়ে বড় ওপেনার বলা যাচ্ছে না। তবে সাম্প্রতিক হিন্দি সিনেমাগুলোর মধ্যে এর উদ্বোধন যে বড়, তা স্পষ্ট।‘দৃশ্যম ৩’-এর প্রথম দিনের ব্যবসার আভাস অবশ্য পাওয়া গিয়েছিল মুক্তির আগেই। ২৭ সেপ্টেম্বর শুরু হয় সিনেমাটির অগ্রিম টিকিট বিক্রি। মুক্তির আগেই শুধু অগ্রিম বুকিং থেকে আয় ৫০ কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৩ লাখের বেশি টিকিট আগাম বিক্রি হয়েছিল।ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছিল, অগ্রিম বুকিংয়ের গতি দেখে প্রথম দিনেই ৫০ কোটি রুপি আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের উপস্থিতি সেই প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে যায়।প্রথম দিনে ভারতে সিনেমাটির ১৫ হাজার ৭৫৯টির বেশি শো হয়েছে। সকালে আসন পূর্ণতার হার ছিল ৪৬.৩৮ শতাংশ। দুপুরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭০.১৫ শতাংশে। সন্ধ্যায় ৭৫.৩১ এবং রাতে ৭৬.৪৬ শতাংশে পৌঁছায়। পুরো দিনের গড় আসন পূর্ণতার হার ছিল ৬৭.০৮ শতাংশ।মুক্তির আগে বাণিজ্য বিশ্লেষকদের অনেকেই ধারণা করেছিলেন, প্রথম দিনে ‘দৃশ্যম ৩’ ২৫ থেকে ৩০ কোটি রুপি আয় করতে পারে। কিন্তু অগ্রিম বুকিংয়ের গতি সেই হিসাব বদলে দেয়।২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম ‘দৃশ্যম’ প্রথম দিনে আয় করেছিল মাত্র ৫ কোটি ৮৫ লাখ রুপি। পরে দর্শকের মুখে মুখে সিনেমাটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিশ্বব্যাপী ছবিটির আয় দাঁড়ায় প্রায় ১১০ কোটি রুপি। এরপর ২০২২ সালে মুক্তি পায় ‘দৃশ্যম ২’। প্রথম দিনে ছবিটির আয় ছিল ১৫ কোটি ৩৮ লাখ রুপি। শেষ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী সিনেমাটি প্রায় ৩৪২ কোটি রুপি আয় করে।আর এবার তৃতীয় কিস্তির প্রথম দিনের নিট আয় ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। অর্থাৎ ২০১৫ সালের প্রথম কিস্তির উদ্বোধনী আয়ের তুলনায় ‘দৃশ্যম ৩’-এর প্রথম দিনের আয় ১১ গুণেরও বেশি। দ্বিতীয় কিস্তির তুলনায় তা চার গুণেরও বেশি। এক দশকে একটি সিনেমা সিরিজ কীভাবে বড় ফ্র্যাঞ্চাইজিতে পরিণত হতে পারে, এই পরিসংখ্যান তারই প্রমাণ।‘দৃশ্যম ৩’-এ অজয় দেবগনের সঙ্গে সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন শ্রিয়া শরণ, ইশিতা দত্ত, মৃণাল যাদব, জয়দীপ আহলাওয়াত, তাবু ও প্রকাশ রাজ প্রমুখ।সূত্র: নিউজ নাইন

৩ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:১৮
ভক্তদের জন্য জেনিফার লরেন্সের অদ্ভুত সতর্কবার্তা
ভক্তদের জন্য জেনিফার লরেন্সের অদ্ভুত সতর্কবার্তা

বিনোদন ডেস্ক: দীর্ঘদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকার পর অবশেষে ইনস্টাগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে হাজির হয়েছেন অস্কারজয়ী হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স। ৯ সেপ্টেম্বর অ্যাকাউন্ট খোলার পর ১০ সেপ্টেম্বর প্রথম ভিডিও প্রকাশ করেন ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’খ্যাত এই তারকা। আর প্রথম পোস্টেই ভক্তদের উদ্দেশে দিয়েছেন মজার এক সতর্কবার্তা।প্রথম ভিডিওতে জেনিফার জানান, কেউ নেতিবাচক মন্তব্য করলে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই ইনস্টাগ্রাম ছেড়ে দেবেন। এমনকি কেউ খারাপ কিছু ভাবলেও তিনি তা বুঝতে পারবেন—এমন রসিকতাও করেন অভিনেত্রী।ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতেও একই ধরনের মজার বার্তা দেন জেনিফার। সেখানে তিনি নেতিবাচক বা আক্রমণাত্মক মন্তব্য না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এসব মন্তব্য ‘বাচ্চার’ ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এরপর মজা করে নিজেকেই সেই ‘বাচ্চা’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেনিফারের অভিষেক ঘিরে ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। এক দিনের মধ্যেই তাঁর অনুসারীর সংখ্যা ৩৭ লাখ ছাড়িয়েছে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। তাঁর ব্যবহার করা নামও রয়েছে ‘জেলঅ’, কারণ ‘জেনিফার লরেন্স’ নামের অ্যাকাউন্টটি আগেই নেওয়া ছিল।প্রোফাইল ছবিতেও নিজের পরিচিত তারকাসুলভ গ্ল্যামারের বদলে মজার ছাপ রেখেছেন জেনিফার। চুলে হেয়ার ফয়েল লাগানো অবস্থায় তোলা একটি স্বাভাবিক ছবিই তিনি প্রোফাইল ছবি হিসেবে ব্যবহার করেছেন।বছরের পর বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় না থাকলেও জেনিফার আগে জানিয়েছিলেন, তিনি গোপনে এসব মাধ্যম দেখতেন, তবে প্রকাশ্যে অংশ নিতেন না। এবার ইনস্টাগ্রামে পা রেখেই তাঁর এমন রসিক সতর্কবার্তা ভক্তদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।সূত্র: এনডিটিভি

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০:২০:১২
আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার পেলেন যারা
আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার পেলেন যারা
২৬ নভেম্বর ২০২৪ বিকাল ০৩:২৭:৩১

৯৬তম অস্কার জিতল ‘ওপেনহাইমার’
৯৬তম অস্কার জিতল ‘ওপেনহাইমার’
১১ মার্চ ২০২৪ সকাল ১০:১১:৪৫

হলিউডে অভিষেক হচ্ছে ওবামাকন্যা মালিয়ার
হলিউডে অভিষেক হচ্ছে ওবামাকন্যা মালিয়ার
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বিকাল ০৫:৪৭:৩২

চলে গেলেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা টম উইলকিনস
চলে গেলেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা টম উইলকিনস
৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ দুপুর ০১:২৬:১৬

রেকর্ড গড়লেন অজয়ের দৃশ্যম ৩
রেকর্ড গড়লেন অজয়ের দৃশ্যম ৩
৩ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:১৮


পূজায় আসছে ‘চিরকুট’, এলো পোস্টার
পূজায় আসছে ‘চিরকুট’, এলো পোস্টার
৩ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১১:৩৬:০৫

অভিনেতা দিনো মোরিয়াকে গ্রেফতার
অভিনেতা দিনো মোরিয়াকে গ্রেফতার
২ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:১৭:৫৪

তারকা হওয়ার স্বপ্নে নামটাই ছেঁটে ফেলেন ইধিকা

বিনোদন ডেস্ক: ঢালিউড তারকা শাকিব খানের বিপরীতে ‘প্রিয়তমা’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় আলোচনায় আসেন ওপার বাংলার অভিনেত্রী ইধিকা পাল। পরবর্তীতে শাকিবের সঙ্গে ‘বরবাদ’- এ অভিনয় করেও বেশ সফল হন তিনি। পরে টালিউডে দেবের বিপরীতে ‘খাদান’ সিনেমায় অভিনয় করে দুই বাংলাতেই নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেন তিনি। কাজের ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত আলোচনায় থাকলেও পর্দার এই অভিনেত্রীর আসল নাম কিন্তু ইধিকা নয়।অভিনয় জীবনের শুরুর দিকে তার নাম ছিল ‘টুম্পা পাল’। ‘আরব্য রজনী’, ‘কপালকুণ্ডলা’ ও ‘রিমলি’র মতো টেলিভিশন ধারাবাহিকে কাজের সময়েও বিনোদন অঙ্গন ও পরিচিত মহলে তিনি টুম্পা নামেই পরিচিত ছিলেন।কিন্তু শোনা যাচ্ছে, রুপালী জগতে স্থায়ী আসন তৈরি এবং বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশের কথা ভেবেই নাকি নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন এই অভিনেত্রী! ‘টুম্পা’ নামটি বেশ প্রচলিত ও সাধারণ হওয়ায় ইন্ডাস্ট্রির উপযোগী একটি ভিন্নধর্মী নামের খোঁজে ছিলেন তিনি। সেই ভাবনা থেকেই পরবর্তীতে বেছে নেন ‘ইধিকা’ নামটি।নাম পরিবর্তনের পর বড় পর্দায় নতুন পরিচিতি নিয়ে পথচলা শুরু করেন তিনি। বর্তমানে ছোট পর্দা পেরিয়ে দেব ও শাকিব খানের মতো তারকাদের সঙ্গে পরপর চলচ্চিত্রে কাজের মাধ্যমে ব্যস্ত সময় পার করছেন ইধিকা।জানা গেছে, নির্মাতা সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘কুইন ভিক্টোরিয়া ও গোয়েন্দা কানাইচরণ’ চলচ্চিত্রে দেখা যাবে তাকে। পাশাপাশি পরিচালক পথিকৃৎ বসুর একটি নতুন প্রজেক্টে অভিনেতা জিতের বিপরীতেও তার অভিনয় করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে প্রযোজনা সংস্থা বা শিল্পীদের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

৩ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:০৫:১৯
হাম উপসর্গ ‍নিয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু
হাম উপসর্গ ‍নিয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু
৩ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৪:১২:৪৬

ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু
২ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৪৭:০৮

হাম ও উপসর্গে একদিনে ৪ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে একদিনে ৪ শিশুর মৃত্যু
২ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৪:৩৫:০২

ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৫:৩৩:২৭

অধিনায়ক থেকে পদত্যাগ করার কি আছে, আমি পদত্যাগ করছি না: লিটন দাস

অধিনায়ক থেকে পদত্যাগ করার কি আছে, আমি পদত্যাগ করছি না: লিটন দাস

ক্রীড়া ডেস্ক: সোনালী সাফল্যের স্বপ্ন বুনে জাপানে পা রাখা বাংলাদেশ পুরুষ দল শেষ পর্যন্ত ব্রোঞ্জের লড়াইয়েও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেই হারিয়ে মুখ থুবড়ে পড়েছে। টুর্নামেন্টজুড়ে ছন্নছাড়া ব্যাটিংয়ের খেসারত দিয়ে যখন পদকহীনতার লজ্জা নিয়ে ফিরতে হচ্ছে দলকে, তখন সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দলপতি লিটন দাস।সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ২ রান করার পর ব্রোঞ্জ নির্ধারণী ম্যাচেও শূন্য রানে ফেরা লিটনকে নিয়ে ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে যখন অধিনায়কত্ব ছাড়ার প্রশ্ন উঠল, তখন বেশ সোজাসাপ্টাভাবেই তার জবাব দেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। বাজে পারফরম্যান্সের কারণে পদত্যাগ করার কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।নিজের ফর্মহীনতা ও পদত্যাগের বিষয় নিয়ে লিটন সোজাসাপ্টা ভাষায় বলেন, ‘আমার পারফরম্যান্স আপ টু দ্য মার্ক ছিল না। আমি দুটো ম্যাচে খারাপ খেলেছি। ক্রিকেটে আপস এন্ড ডাউন থাকেই। একদিন ভালো হবে আর একদিন খারাপ হবে। এই জন্য অধিনায়ক থেকে পদত্যাগ করার মতো কি আছে। আমি পদত্যাগ করছি না।’জাপানের নিশিনে কোরোগি স্পোর্টস পার্কে শ্রীলঙ্কার দেওয়া ১৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ২ রান করে ফেরার পর, এদিন লঙ্কান পেসার নুয়ান তুশারার বলে খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন লিটন। তার সঙ্গে টপ অর্ডারের অন্য ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিলে শেষ পর্যন্ত ১০২ রানে গুটিয়ে যায় দল। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো পদক ছাড়াই আসর শেষ করতে হলো লাল-সবুজদের।টুর্নামেন্টের সামগ্রিক লক্ষ্য ও পদক হাতছাড়া হওয়া নিয়ে বাংলাদেশের অধিনায়ক আরও বলেন, ‘ব্রোঞ্জ জিততে না পারায় খারাপ লাগছে। এখানে ফাইনালের লক্ষ্য নিয়ে এসেছিলাম। সেটা যখন হয়নি, তারপর আরেকটা অপশন ছিল। সুযোগটা আমরা মিস করেছি।’এদিকে দলের পারফরম্যান্স, বোলিংয়ের সূচনা এবং লঙ্কান ব্যাটারদের ইনিংস নিয়ে মূল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি যোগ করেন, ‘আমরা বাজে ক্রিকেট খেলেছি। আমার কাছে মনে হয়েছে আমরা প্রথম ৮ ওভার ভালো বোলিং করেছি। এরপর সবাই দেখেছেন একটা ব্যাটসম্যান (রত্নায়েকে) এসে যেরকম শট খেলেছেন কঠিন উইকেটে। তিনি অবিশ্বাস্য ব্যাটিং করেছে। বোলাররা কোনো ক্লু খুঁজে পায়নি এখান থেকে কীভাবে কামব্যাক করবে। অসাধারণ ইনিংস খেলার জন্য তাকে কৃতিত্ব দিতেই হয়।’ব্যক্তিগত ও দলীয় ব্যর্থতার পাহাড় জমে থাকলেও লিটনের এই অনড় অবস্থান বুঝিয়ে দিচ্ছে, কঠিন সময়ে দায়িত্ব থেকে পিছু হটতে নারাজ তিনি। এখন দেখার বিষয়, মাঠের এই হতাশা কাটিয়ে ভবিষ্যতে দল কীভাবে ঘুরে দাঁড়ায়।টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়ক হিসেবে লিটনের অর্জনের খাতাটা ফিফটি-ফিফটি। এখন পর্যন্ত এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার নেতৃত্ব দিয়েছেন ৩৩ ম্যাচে। যেখানে বাংলাদেশ জিতেছে ১৬টি ম্যাচে এবং হারের সংখ্যাটাও সমান ১৬; একটি ম্যাচ হয়েছে পরিত্যক্ত। তবে নেতৃত্বে কেমন করছেন তা নিয়ে সেভাবে বড় প্রশ্ন না এলেও মূলত প্রশ্নটা তার ব্যাটিংয়ের ছন্নছাড়া পারফর্ম নিয়েই। 

৩ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০১:৩৬:৩০
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বাস্তব জ্ঞান ও গবেষণার দৃঢ় চর্চা করার উদ্দেশ্যেই ২০২৩ সালের ১২ মার্চ থেকে জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়।গত ২ সেপ্টেম্বর সোমবার ক্লাবের দ্বিতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা কর হয়, যেখানে সভাপতির দায়িত্ব নেন আবদুল্লাহ আল মাহিম এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. ফয়সাল আহমেদ।এছাড়াও সহ-সভাপতি সাদিয়া হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মাইনুদ্দিন আহমেদ সাগর, দপ্তর ও প্রচারে যথাক্রমে মুক্তা বর্মন ও ফজলে আজিম মিয়াদসহ অনুষ্ঠান পরিচালকের দায়িত্ব নেন মেহেদী হাসান রাব্বি।কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান জামিউল আলম, সাব্বির হোসেন ফাহিম, হাসনাহেনা জেরিন এবং নুজাত তাবাসসুম।একাডেমিক পারদর্শিতা, সমন্বয় ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তাদেরকে জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগের মাধ্যমে শক্তিশালী করাই এই কমিটির গুরুদায়িত্ব বলে জানান নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্তরা।

৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দুপুর ০১:০৫:১৬
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:৫২:২০

খোকসায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পিঠা উৎসব
খোকসায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পিঠা উৎসব

খোকসা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য ধরে রাখতে আয়োজন করা হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী পিঠা উৎসব।২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে উপজেলার গ্লোরিয়াস কিন্ডারগার্টেন স্কুল ক্যাম্পাসে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবে পৃথক পৃথক ১৫টি স্টলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা নানা রকম পিঠাপুলির পসরা সাজিয়ে বসেন।উৎসবে প্রদর্শিত পিঠার মধ্যে ছিল পরিচিত ও নতুন ধাঁচের শতাধিক বাহারি পিঠাপুলি। প্রতিটি পিঠার ওপরে নাম ও মূল্য উল্লেখ করা ছিল। পিঠার নামগুলোও ছিল বেশ আকর্ষণীয়। শিশু শিক্ষার্থীরা বাবা-মায়ের হাত ধরে স্টল ঘুরে ঘুরে পিঠা দেখেন, নতুন পিঠা সম্পর্কে জানেন এবং স্বাদ গ্রহণ করেন। এতে পুরো স্কুল প্রাঙ্গণ রূপ নেয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।উৎসবে ভাপা পিঠা, দুধপুলি, আওলা কেশরি, পুলি, খিরুলি, পাটিসাপটা, জামাই সোহাগী, গোলাপ পিঠা, চিতই, কানমুচরি, পায়েস, পুডিং, তেল পিঠা, দুধ চিতই, ফুল পিঠা, ক্ষির, মুঠা পিঠা, রসগোলাপ ও কেকসহ শতাধিক ধরনের পিঠা প্রদর্শিত হয়। জানা-অজানা পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে শিক্ষার্থীরা ছিল দারুণ উচ্ছ্বসিত।শীতকালীন ঐতিহ্যবাহী পিঠার এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনে খুশি অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারাও। তারা প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজনের দাবি জানান।পিঠা উৎসবে এশিয়ান টেলিভিশন ও দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি পুলক সরকারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমাদুল হাসান।প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ বদিউজ্জামাল দুর্জয়ের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. শাহবুদ্দিন, মালিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূপালী ঘোষ, মরহুম আজিজুর রহমান ট্রাস্টের চেয়ারম্যান উম্মে সাইমা সাদিয়া, লোটাস চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশ্বজিৎ বিশ্বাস, মধু’স ফ্যাশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পার্থ সারথী ঘোষ এবং জার্নাল ভিশন২৪-এর নির্বাহী সম্পাদক নাজমুল হাসান।এ সময় অধ্যক্ষ বদিউজ্জামাল দুর্জয় বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি গ্রামীণ সংস্কৃতির চর্চা ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন করতেই এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে আমরা নিয়মিত এমন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছি।’

৩০ জানুয়ারী ২০২৬ দুপুর ১২:৫২:৩৯

আজ বিশ্ব হার্ট দিবস
আজ বিশ্ব হার্ট দিবস
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০১:০৪:৪৭

নিয়মিত ড্রাগন ফল খাওয়ার উপকারিতা
নিয়মিত ড্রাগন ফল খাওয়ার উপকারিতা
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:৩৪:০৯

মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ৫ খাবার
মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ৫ খাবার
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:০৬:০৪

প্রাক্তনকে ভুলতে কত বছর লাগে, জানা গেল গবেষণায়

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর প্রাক্তন সঙ্গীর প্রতি আবেগ একদিনে শেষ হয়ে যায় না। বরং দীর্ঘ সময় ধরে ধীরে ধীরে কমতে থাকে সেই মানসিক বন্ধন। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাক্তন সঙ্গীর প্রতি আবেগগত বন্ধন অর্ধেক কমতে গড়ে প্রায় ৪ দশমিক ১৮ বছর সময় লাগতে পারে।যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় আরবানা-শ্যাম্পেইনের গবেষক জিয়া ওয়াই. চং ও আর. ক্রিস ফ্রেলি এ গবেষণা পরিচালনা করেন। গবেষণাটি ২০২৫ সালে ‘সোশ্যাল সাইকোলজিক্যাল অ্যান্ড পার্সোনালিটি সায়েন্স’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়।গবেষণায় অংশ নেন ৩২৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক। তাদের প্রত্যেকের অন্তত দুই বছর স্থায়ী প্রেমের সম্পর্ক ছিল, যা পরে ভেঙে যায়। অংশগ্রহণকারীদের সম্পর্ক গড়ে প্রায় সাড়ে চার বছর স্থায়ী হয়েছিল এবং গবেষণার সময় বিচ্ছেদের পর গড়ে প্রায় পাঁচ বছর পেরিয়ে গিয়েছিল।গবেষকেরা বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের প্রাক্তন সঙ্গীর প্রতি আবেগগত টান পরিমাপ করেন। প্রাক্তনের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা, তাঁর কাছ থেকে নিরাপত্তাবোধ এবং সম্পর্কসংশ্লিষ্ট অন্যান্য আবেগ কতটা রয়ে গেছে—এসব বিষয় এতে বিবেচনা করা হয়। একই ধরনের অনুভূতি অপরিচিত ব্যক্তিকে ঘিরে কতটা রয়েছে, সেটিও তুলনা করা হয়।গবেষণার পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণে দেখা যায়, সময়ের সঙ্গে অধিকাংশ মানুষের প্রাক্তন সঙ্গীর প্রতি আবেগগত বন্ধন ধীরে ধীরে কমে আসে। দীর্ঘমেয়াদি মডেল অনুযায়ী, শেষ পর্যন্ত এই বন্ধন একজন অপরিচিত ব্যক্তিকে ঘিরে থাকা আবেগের কাছাকাছি চলে যেতে পারে।তবে এই প্রক্রিয়া বেশ ধীর। গবেষকদের হিসাবে, আবেগগত বন্ধন অর্ধেক কমতে গড়ে প্রায় ৪ দশমিক ১৮ বছর সময় লাগে। এই হিসাবকে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতায় সরলভাবে প্রয়োগ করলে প্রায় আট বছরের একটি সময়কাল পাওয়া যায়। তবে এর অর্থ এই নয় যে প্রত্যেক মানুষকে প্রাক্তনকে পুরোপুরি ভুলতে আট বছর অপেক্ষা করতে হবে। গবেষণাটি মূলত আবেগগত বন্ধন কমার দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা নিয়ে।গবেষণায় আরও দেখা গেছে, প্রাক্তন সঙ্গীর সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত থাকলে আবেগগত বন্ধন দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার প্রবণতা বেশি। যাদের মধ্যে উদ্বেগপ্রবণ সংযুক্তির প্রবণতা বেশি, তাদের ক্ষেত্রেও এই বন্ধন তুলনামূলক দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।অন্যদিকে, প্রাক্তন সঙ্গীর সঙ্গে সন্তান থাকলে বিচ্ছেদের পর শুরুতে আবেগগত বন্ধন তুলনামূলক বেশি ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সেই বন্ধন সন্তানহীন সাবেক দম্পতিদের তুলনায় দ্রুত কমার প্রবণতা দেখা গেছে।গবেষণায় নতুন সম্পর্কে জড়ানো কিংবা নারী-পুরুষের পার্থক্য প্রাক্তন সঙ্গীর প্রতি আবেগগত বন্ধন কমার গতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেনি বলেও দেখা গেছে।গবেষকেরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, বিচ্ছেদের পর প্রাক্তনের প্রতি আবেগ কমে যাওয়ার নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা সবার জন্য এক নয়। সম্পর্কের ধরন, ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য ও বিচ্ছেদের পরের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এই সময় কম-বেশি হতে পারে।সূত্র: স্পেকট্রাম

২ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১১:৩১:৫৬
আজ সিঙ্গেল দিবস
আজ সিঙ্গেল দিবস
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০১:২১:৫১


আজ স্ত্রীর প্রশংসা করার দিন
আজ স্ত্রীর প্রশংসা করার দিন
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১১:০৫:৪৬

আজ ‘প্রথম প্রেম’ দিবস
আজ ‘প্রথম প্রেম’ দিবস
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ০৮:১৭:০১

পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের বকশিগঞ্জে একসময় অনেকটা অবহেলিত ও কম পরিচিত ফসল হিসেবে পড়ে থাকলেও বর্তমানে সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল হিসেবে কৃষকদের নজর কাড়ছে শিমুল আলু বা কাসাভা। স্থানীয়ভাবে কোথাও কোথাও এটি ‘কাঠা আলু’ নামেও পরিচিত।তুলনামূলক অনুর্বর ও পাহাড়ি জমিতেও চাষ করা যায় বলে ধীরে ধীরে কৃষকদের কাছে আগ্রহের ফসল হয়ে উঠছে এটি। দেশের বিভিন্ন পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে কাসাভার চাষ হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তঘেঁষা লাউচাপড়া-বালিঝুরি সুমন্নাতপাড়া পাহাড়ি এলাকায় দেখা মিলেছে শিমুল আলুর চাষ। ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের সুমন্নাতপাড়া গ্রামের পাহাড়ের ঢালে কয়েক একর জমিতে কৃষকরা এ ফসলের আবাদ করছেন। পাহাড়ি ঢালু ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কাসাভার চাষে সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা।সুমন্নাতপাড়া গ্রামের আদিবাসী কৃষক সাগর খাগসী দীর্ঘদিন ধরে শিমুল আলুর চাষ করে আসছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও তিনি এ ফসলের আবাদ করেছেন। শুরুতে অনেকটা পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করলেও ফলন পাওয়ার পর ধীরে ধীরে তার আগ্রহ বেড়েছে।কৃষক সাগর খাগসী জানান, গত বছর তিনি অল্প জমিতে শিমুল আলুর চাষ করেছিলেন। ফলন মোটামুটি ভালো হওয়ায় এবার তিনি বড় পরিসরে চাষের সিদ্ধান্ত নেন। চলতি মৌসুমে প্রায় দুই একর জমিতে কাসাভার আবাদ করেছেন তিনি।পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের চাষ করতে যেখানে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়, সেখানে কাসাভা তুলনামূলক সহজে চাষ করা যায়। গাছের পরিচর্যাও খুব বেশি করতে হয় না। রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ তুলনামূলক কম হওয়ায় কীটনাশকের প্রয়োজনও কম পড়ে বলে জানান কৃষকরা।স্থানীয় কৃষক জসিম বলেন, আমাদের এলাকার অনেক জমি পাহাড়ি ও অনুর্বর। সব ফসল এখানে ভালো হয় না। কিন্তু শিমুল আলু এসব জমিতেও ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। পরিচর্যা কম, খরচও তুলনামূলক কম। বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে এটি আমাদের জন্য লাভজনক ফসল হতে পারে।স্থানীয় আরেক কৃষক আদিবাসী প্রবিদ জানান, কাসাভার চাষ সম্পর্কে আগে তাদের মধ্যে তেমন ধারণা ছিল না। এখন অন্য কৃষকদের চাষ দেখে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং বাজারজাতকরণে সহযোগিতা পাওয়া গেলে এ অঞ্চলে আরও বেশি কৃষক কাসাভা চাষে আগ্রহী হবেন বলে মনে করেন তিনি।শুধু কৃষকের আয় বাড়ানোর সম্ভাবনাই নয়, খাদ্য হিসেবেও কাসাভার রয়েছে উল্লেখযোগ্য পুষ্টিগুণ। কাসাভার কন্দে প্রধানত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরে শক্তির অন্যতম উৎস। এতে সামান্য পরিমাণে খাদ্যআঁশ, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদানও পাওয়া যায়। কাসাভায় থাকা কার্বোহাইড্রেটের কারণে এটি শক্তিদায়ক খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কাসাভার চাষ সম্প্রসারণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে যদি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তাহলে কৃষকরা কাঁচা কন্দ বিক্রির পাশাপাশি মূল্য সংযোজনের সুযোগও পেতে পারেন। এতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান ও কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।বকশীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, কাসাভা বা শিমুল আলু তুলনামূলকভাবে কম উর্বর ও পাহাড়ি জমিতে চাষের উপযোগী একটি ফসল। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যার মাধ্যমে এ ফসল থেকে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।তিনি বলেন, বকশীগঞ্জের পাহাড়ি এলাকার যেসব জমিতে প্রচলিত ফসলের আবাদ তুলনামূলক কঠিন, সেসব জমিতে বিকল্প ফসল হিসেবে কাসাভা চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা যদি ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পান, তাহলে ভবিষ্যতে এ ফসলের আবাদ আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, কাসাভা চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হবে। পাশাপাশি উৎপাদন, ফলন, বাজারজাতকরণ ও কৃষকের লাভ-ক্ষতির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে এ ফসলের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে।

৩ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:২৮:০৭

দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা
২ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৪:১৬:৩৮
চলতি মাসে ঘূর্ণিঝড়ের আভাস
চলতি মাসে ঘূর্ণিঝড়ের আভাস
২ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:৪৯:৪৬


ঢাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে গরম
ঢাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে গরম
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ০৯:২২:৫৬


দেশের ৮ বিভাগেই বৃষ্টির শঙ্কা
দেশের ৮ বিভাগেই বৃষ্টির শঙ্কা
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৫৮:৪৪