• ঢাকা
  • |
  • বুধবার ৭ই আশ্বিন ১৪৩৩ রাত ০৩:৩৫:১৫ (23-Sep-2026)
  • - ৩৩° সে:
বিশ্বে বিভিন্ন সংকট আলাদা নয়, এগুলো একই গল্পের অংশ: জাতিসংঘ মহাসচিব

বিশ্বে বিভিন্ন সংকট আলাদা নয়, এগুলো একই গল্পের অংশ: জাতিসংঘ মহাসচিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, বিশ্বে বিভিন্ন সংকট আলাদা নয়; এগুলো একই গল্পের অংশ, যে গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে ক্ষমতা—কারো হাতে তা আছে এবং কারো কাছ থেকে তা কেড়ে নেওয়া হয়েছে।২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে (ইউএনজিএ) দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।গাজায় নজিরবিহীন প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ, ইউক্রেন-রাশিয়ার ‘বর্বর যুদ্ধ’, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বিস্তার, বিশ্বক্ষমতার পালাবদল, সামরিক শক্তি দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার সীমাবদ্ধতা এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার স্থায়ী আসনের বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।গাজা প্রসঙ্গে গুতেরেস জানান, ৭ অক্টোবর হামাসের ভয়াবহ হামলার প্রায় তিন বছর হতে চলেছে। কিন্তু এরপর গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর যে হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে, তার মাত্রা জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে তার দায়িত্ব পালনের বছরগুলোতে দেখা অন্য যেকোনো ঘটনার চেয়ে নজিরবিহীন।তিনি বলেন, ‘গত বছর একটি পরামর্শমূলক মতামতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত স্পষ্টভাবে বলেছে, গাজায় জাতিসংঘকে তাদের দায়িত্ব পালন করতে দিতে হবে এবং আমাদের কর্মী ও মানবিক সহায়তাকর্মীদের সুরক্ষা দিতে হবে। সব পক্ষকে আন্তর্জাতিক আইন ও আদালতের আদেশ মেনে চলতে হবে।’ বিশ্বকে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের গাজায় ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা ভুলে না যাওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।গুতেরেস বলেন, ‘বিশ্বক্ষমতা এখন তিনটি প্রধান উপায়ে বদলে যাচ্ছে। প্রথমত, রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে নতুন নতুন অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও প্রযুক্তিগত প্রভাবকেন্দ্র তৈরি হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, ক্ষমতা ক্রমেই ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের হাতে চলে যাচ্ছে। তৃতীয়ত, মানুষের কাছ থেকে যন্ত্রের দিকে ক্ষমতার স্থানান্তর ঘটছে, যার মধ্যে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র তৈরির বিষয়টিও রয়েছে।’বিশ্বব্যবস্থার বর্তমান প্রতিষ্ঠান ও কাঠামো এখনো এসব পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভাষণের শুরুতেই গুতেরেস বলেন, ‘আমাদের বিশ্বের বিভাজনের রেখাগুলো আরও প্রশস্ত হচ্ছে।’ এ সময় যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে সৃষ্ট পরিবর্তনসহ বিভিন্ন চলমান সংকটের কথা তুলে ধরেন তিনি।গুতেরেস উল্লেখ করেন, শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে শান্তি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। একইভাবে প্রযুক্তিগত বা অর্থনৈতিক শক্তিও একা শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে না। তিনি বলেন, ‘আমাদের এমন একটি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে ক্ষমতা আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। কার জীবন ও ভবিষ্যৎ গুরুত্বপূর্ণ হবে, তা নির্ধারণের চূড়ান্ত মাপকাঠি শক্তি হতে পারে না।’ একুশ শতকে শান্তি মানে শুধু সংঘাতের অনুপস্থিতি নয়। শান্তি হলো সংযমের উপস্থিতি।’জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার জন্য অন্তত একটি স্থায়ী আসন দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে গুতেরেস বলেছেন, ‘একুশ শতকের নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার স্থায়ী আসন না থাকা অন্যায্য ও অগ্রহণযোগ্য। এটি অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে।’নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য হলো- চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষদিকে বিদ্যমান বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করার কারণে দীর্ঘদিন ধরে এই পরিষদে আফ্রিকার পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্ব না থাকা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। সে সময় আফ্রিকার বড় একটি অংশ ছিল ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে।নিরাপত্তা পরিষদের ১০টি অস্থায়ী সদস্যপদ অঞ্চলভিত্তিকভাবে বণ্টন করা হলেও এসব সদস্যের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের মতো ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা নেই। আফ্রিকান ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার জন্য দুটি স্থায়ী আসন এবং আরও দুটি অস্থায়ী আসনের দাবি জানিয়ে আসছে।এছাড়া ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও বক্তব্য দেন গুতেরেস। তিনি প্রতিবেশী দেশটিতে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের সমালোচনা করে বলেন, ‘এর ফলে ইউক্রেন জাতিসংঘ সনদের স্পষ্ট লঙ্ঘন করে পরিচালিত একটি বর্বর যুদ্ধের শিকার হয়েছে। সম্মুখসারির যুদ্ধক্ষেত্র থেকে দূরে এখনো বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছে।’সূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন

৫ ঘন্টা আগে


















































রাজশাহীতে সার সংকট ঠেকাতে ‘পবা সার ডটকম’ সেবা চালু

রাজশাহীতে সার সংকট ঠেকাতে ‘পবা সার ডটকম’ সেবা চালু

ডেস্ক রিপোর্ট: কৃষকদের মধ্যে সারের সুষম বণ্টন নিশ্চিত ও কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে রাজশাহীর পবা উপজেলায় ‘পবা সার ডটকম’ নামে একটি ডিজিটাল ওয়েবসাইট সেবা চালু করা হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন ডিলারের কাছে সারের মজুত, বিক্রি ও অবশিষ্টের তথ্য অনলাইনে দেখা যাবে।২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে পবা উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এই সেবার উদ্বোধন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইবনুল আবেদীন। সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এম এ মান্নান।ইউএনও মো. ইবনুল আবেদীন বলেন, সরকার কৃষিতে ভর্তুকি দিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ দিচ্ছে। তবে মাঠপর্যায়ে তদারকি করতে গিয়ে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত বরাদ্দ থাকার পরও সারের সুষম বণ্টন না হওয়ায় অনেক কৃষক তাঁর ন্যায্য পরিমাণ সার পাচ্ছেন না। আবার কোনো কোনো কৃষক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সার নেওয়ায় অন্য কৃষক তাঁর প্রাপ্য সার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।ইউএনও বলেন, এসব সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে ‘পবা সার ডটকম’ চালু করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় কৃষককে নতুন কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে না। তাঁরা আগের মতোই ডিলারের কাছ থেকে সার কিনবেন। শুধু ডিলারদের তাঁদের মজুত ও বিক্রির তথ্য ওয়েবসাইটে হালনাগাদ করতে হবে। এর মাধ্যমে প্রশাসন অনলাইনে জানতে পারবে, কোন ডিলারের কাছে কত পরিমাণ সার মজুত রয়েছে।পবা উপজেলার প্রায় ২৫ জন ডিলারের মজুতের তথ্য ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ডে দেখা যাবে জানিয়ে ইউএনও বলেন, কোনো এলাকায় প্রয়োজনের তুলনায় অস্বাভাবিক পরিমাণ সার বিক্রি হলে ওয়েবসাইটে সতর্কতামূলক বার্তা আসবে। তখন সংশ্লিষ্ট এলাকায় তদন্তকারী কর্মকর্তা পাঠিয়ে বিষয়টি যাচাই করা হবে।সারের বিতরণব্যবস্থা তদারকির বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সার পাওয়ার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবেন। তাঁদের পরিদর্শন জিপিএস লোকেশনের মাধ্যমে নথিভুক্ত হবে। এরপর উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের ১০ জন ট্যাগ কর্মকর্তা তাঁদের কার্যক্রম তদারকি করবেন। উপজেলা প্রশাসনও পুরো ব্যবস্থাটি পর্যবেক্ষণ করবে।ইউএনও জানান, ‘পবা সার ডটকম’ মূলত একটি প্রগ্রেসিভ ওয়েব অ্যাপ। এটি ওয়েবসাইট হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি মোবাইল ফোনে অ্যাপের মতো যুক্ত করা যাবে। বর্তমানে এটি পাইলট ভিত্তিতে চালু করা হয়েছে। ব্যবহারকারীদের মতামতের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে এতে পরিবর্তন ও নতুন সুবিধা যুক্ত করা হবে।জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রান্তিক কৃষকের কাছে সঠিক সময়ে সার পৌঁছে দেওয়া প্রশাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, পর্যাপ্ত সার মজুত থাকার পরও কখনো কখনো কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করা হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তা ঠেকানোর পাশাপাশি কৃষকের কাছে সার পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে। বর্তমানে পবায় পাইলট ভিত্তিতে এটি চালু করা হয়েছে। সফল হলে পর্যায়ক্রমে রাজশাহী জেলার অন্যান্য উপজেলায়ও এই ব্যবস্থা চালু করা হবে।বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী বলেন, কৃষি উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ উপকরণগুলোর একটি সার। ফসলের বৃদ্ধি, ফুল ও ফল ধারণের জন্য সারের প্রয়োজন রয়েছে। তাই সারের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি।তিনি বলেন, শুধু ডিলারদের কাছে কী পরিমাণ সার মজুত আছে, সেই তথ্য থাকলেই হবে না। কোন এলাকায় কতজন কৃষক আছেন, তাঁদের কতটুকু চাষযোগ্য জমি রয়েছে, কোন মৌসুমে তাঁরা কী ফসল চাষ করছেন এবং ওই ফসলের জন্য কী পরিমাণ সার প্রয়োজন—এসব তথ্যও ডিজিটাল ব্যবস্থায় যুক্ত করা প্রয়োজন।বিভাগীয় কমিশনার বলেন, আমন মৌসুমে কোনো ব্লকে কতজন কৃষক কতটুকু জমিতে চাষ করছেন, তা জানা থাকলে ওই এলাকার সম্ভাব্য সারের চাহিদা আগে থেকেই নির্ধারণ করা সম্ভব। ফসলভেদে ইউরিয়া, ডিএপি, এমওপি ও টিএসপির চাহিদাও নির্ধারণ করা যাবে।তিনি আরও বলেন, প্রতিটি ব্লকের কৃষকদের তালিকা ও তাঁদের সারের চাহিদার তথ্যের পাশাপাশি নির্দিষ্ট ডিলার নির্ধারণ করে দেওয়া যেতে পারে। তাহলে কোন কৃষক কোন ডিলারের কাছ থেকে সার নেবেন, সেটি আগে থেকেই জানা থাকবে। এতে সার নিয়ে কৃষকদের বিভ্রান্তি কমবে এবং বিতরণব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বাড়বে।বর্তমানে সারের মজুত পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারি পর্যায়ে বাফার গুদাম ও বিসিআইসি-বিএডিসির গুদামে পর্যাপ্ত সার রয়েছে। তবে ডিলারদের গুদামে থাকা মজুতের ওপরও নজরদারি প্রয়োজন। কোনো কৃষক প্রয়োজনের অতিরিক্ত সার নিয়ে বাড়িতে মজুত করছেন কি না, সেটিও মাঠপর্যায়ে তদারকি করা হচ্ছে। অনিয়ম পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।‘পবা সার’ প্রকল্পটির নকশা, পরিচালনা ও কারিগরি উন্নয়ন করেছে সিল্কোরা কনসালটেন্সি লিমিটেড।প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই ডিজিটাল ব্যবস্থায় সার বরাদ্দ, মজুত, বিক্রি ও বিতরণের তথ্য একই প্ল্যাটফর্মে আনা হয়েছে। এতে কৃষক, ডিলার ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে দেখতে পারবেন। অনিয়ম শনাক্ত করা এবং সঠিক সময়ে সঠিক কৃষকের কাছে সার পৌঁছানোও সহজ হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সারের ডিলার, কৃষক ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ০৮:২৭:২৪
অবৈধ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আর্থিক লেনদেন, সতর্ক থাকার আহ্বান বাংলাদেশ ব্যাংকের

অবৈধ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আর্থিক লেনদেন, সতর্ক থাকার আহ্বান বাংলাদেশ ব্যাংকের

অনলাইন ডেস্ক: অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘crossmarket.ai’-এর মাধ্যমে অবৈধ বিনিয়োগ গ্রহণ কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনহীন এই ধরনের প্ল্যাটফর্মে অর্থ বিনিয়োগ বা লেনদেন করা দেশের বিদ্যমান আইনে সম্পূর্ণ অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিশেষ সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানা গেছে।এতে বলা হয়, ‘crossmarket.ai’ নামক অনলাইন প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে অবৈধভাবে বিনিয়োগ গ্রহণ ও আর্থিক লেনদেন পরিচালিত হচ্ছে। ‘পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আইন, ২০২৪’ অনুযায়ী অনুমোদিত নয় এমন কোনো প্ল্যাটফর্মে অর্থ জমা বা লেনদেন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। ফলে এ ধরনের অননুমোদিত প্ল্যাটফর্মে লেনদেন করে সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও অজান্তে আইনগত অপরাধে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ছেন।এমতাবস্থায়, সাধারণ নাগরিকদের নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ সুরক্ষিত রাখতে ‘crossmarket.ai’ সহ এ জাতীয় যেকোনো অবৈধ ও অননুমোদিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অর্থ বিনিয়োগ ও যেকোনো ধরনের লেনদেন করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষকে আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে সচেতন ও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।এর আগে, এক বিজ্ঞপ্তিতে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক নানা গ্রুপের মাধ্যমে পরিচালিত অনুমোদনবিহীন ও অবৈধ ঋণ কার্যক্রম থেকে সতর্ক থাকতে সাধারণ জনগণকে আহ্বান জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক।বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়, সম্প্রতি বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সহজ শর্তে ও দ্রুত ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনুমোদনবিহীন ঋণ কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এসব অ্যাপ মূলত ব্যবহারকারীদের মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত যোগাযোগের তথ্য (কন্টাক্টস), ছবি এবং অন্যান্য সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করছে। পরবর্তীতে ঋণ আদায়ের নামে গ্রহীতাদের ওপর অযাচিত চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের হুমকি এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে।বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়, বাংলাদেশে ঋণ প্রদান একটি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত আর্থিক কার্যক্রম। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন এবং প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান ছাড়া কোনো মোবাইল অ্যাপ বা ডিজিটাল মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করা বৈধ নয়। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী প্রতারণামূলকভাবে ঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।বিএফআইইউ-এর দৃষ্টিগোচর হওয়া ৩১টি অননুমোদিত অ্যাপ: সাথী লোন, পপক্যাশ, ফিনক্যাশ, কুইক লোন, কুইক টাকা, ঢাকা ফিন, লোনভাইব, দোস্ত লোন, টাকা ক্যাশ লোন, কেওয়নজা লোন, এসএসএইচ মানি, লোনবাডি, সাথি লোন, ক্যাশহোরো, আলো ক্যাশ, ফাস্ট লোন, ইজি টাকা, ধৈর্য লোন, ফিন ডট ডু, বঙ্গক্যাশ, আশা লোন, সুবিধা লোন, স্মার্ট লোন বিডি, অনলাইন লোন বিডি, সিটি অনলাইন লোন, বিডি সহজ লোন, ক্যাশ লোন, সোনালী, লোনহাট ও টাকানাও।গ্রাহকদের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৪ পরামর্শ-১. কোনো মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে ঋণ গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন।২. প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত অবৈধ ঋণ কার্যক্রমে যুক্ত হওয়া থেকে বিরত থাকুন।৩. ঋণের প্রলোভনে পড়ে অপরিচিত অ্যাপ বা প্ল্যাটফর্মে জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাব বা ফোনের সংবেদনশীল তথ্য প্রদান করবেন না।৪. ঋণ দেওয়ার নামে কোনো অগ্রিম অর্থ, প্রসেসিং ফি বা নিবন্ধন ফি চাওয়া হলে সতর্ক থাকুন।এ ধরনের অনুমোদনবিহীন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রতারিত হলে বা তথ্য জানা থাকলে তা বিএফআইইউ-এর ওয়েবসাইট অথবা মতিঝিলে অবস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বিএফআইইউ পরিচালকের দপ্তরে লিখিতভাবে অভিযোগ জানাতে অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ০৯:৩২:১৪
সাভারের দীপবরনপুরে যাচ্ছে গাবতলী বাস টার্মিনাল, সিদ্ধান্ত আজ

সাভারের দীপবরনপুরে যাচ্ছে গাবতলী বাস টার্মিনাল, সিদ্ধান্ত আজ

ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর গাবতলী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের দীপবরনপুর এলাকায় সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। মেট্রোরেল প্রকল্পের এমআরটি লাইন-৫-এর নির্মাণকাজ নির্বিঘ্ন করতে টার্মিনালটি স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত জায়গার জমি হস্তান্তর নিয়ে জটিলতা কাটাতে আজ ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয় সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এ সভায় জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি টার্মিনাল স্থানান্তরের পরবর্তী কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে টার্মিনালটি নতুন জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান।ডিটিসিএ সূত্র জানায়, এমআরটি লাইন-৫-এর উত্তর ও দক্ষিণ অংশের নির্মাণকাজের কারণে গাবতলী বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের জন্য আজ ডিটিসিএ কার্যালয়ে বিশেষ সভা হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক।সভায় রাজউক, বিআরটিসি, ডিএমপি, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, গণপূর্ত অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড, ডেসকো, তিতাস গ্যাস এবং ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়সহ প্রায় ৩৫টি সরকারি ও সেবা সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাভারের দীপবরনপুরে প্রস্তাবিত জায়গার কিছু অংশ গণপূর্ত অধিদপ্তর, ঢাকা জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মালিকানাধীন। জমিগুলো ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর শেষ হলে সিটি করপোরেশন জায়গাটি ভরাট ও উঁচু করে টার্মিনাল ব্যবহারের উপযোগী করবে। এরপর গাবতলীর আন্তঃজেলা বাসগুলো পর্যায়ক্রমে সেখানে সরিয়ে নেওয়া হবে।ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান বলেন, মেট্রোরেলের এমআরটি লাইন-৫-এর ডিপো এবং নির্মাণসামগ্রী রাখার জন্য গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকা ব্যবহারের প্রয়োজন হবে। এ কারণে টার্মিনালটি সাময়িকভাবে সাভারের দীপবরনপুরে স্থানান্তর করা হচ্ছে। আজকের সভায় প্রস্তাবিত জমি সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে। জায়গা প্রস্তুত হওয়ার পর সেখানে বাস চলাচল শুরু হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে স্থানান্তর প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় গাবতলী বাস টার্মিনাল স্থানান্তরে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই আজকের সভার আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে টার্মিনাল স্থানান্তরের উদ্যোগে পরিবহন নেতাদের অসহযোগিতা ও ধীরগতির অভিযোগও উঠেছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কয়েকজন নেতা দাবি করেন, বিভিন্ন এলাকার রাজনৈতিক ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তদবিরের কারণে টার্মিনাল স্থানান্তরের উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে সমঝোতা ও তদবিরের পাশাপাশি বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে বলে তারা দাবি করেন।মালিক সমিতির নেতারা আরও অভিযোগ করেন, সাবেক পরিবহন নেতা খন্দকার এনায়েত উল্লাহ এবং মহাখালী বাস টার্মিনালকেন্দ্রিক কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করছেন। তাদের সঙ্গে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ঘনিষ্ঠ সহযোগী বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সাদিকুর রহমান হিরুর সংশ্লিষ্টতারও অভিযোগ করেন তারা।পরিবহন নেতাদের দাবি, গত বৃহস্পতিবার পূর্বঘোষণা ছাড়াই মহাখালীতে সড়ক অবরোধের ঘটনাটি সরকারকে বিব্রত করার অংশ। এর মাধ্যমে টার্মিনাল স্থানান্তরের সরকারি উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।অসহযোগিতার বিষয়ে জানতে চাইলে ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক বলেন, মালিক সমিতি সরাসরি স্থানান্তরের বিরোধিতা না করলেও তাদের কার্যক্রমে ধীরগতি রয়েছে। তবে মহাখালী বা গাবতলী—যেখানেই অভ্যন্তরীণ প্রতিবন্ধকতা থাকুক, জনস্বার্থে সরকার নির্ধারিত মেগা প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে টার্মিনাল স্থানান্তরের প্রক্রিয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করা হবে।সূত্র: কাল বেলা

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ০৯:৪২:৩৫
বিশ্বে বিভিন্ন সংকট আলাদা নয়, এগুলো একই গল্পের অংশ: জাতিসংঘ মহাসচিব

বিশ্বে বিভিন্ন সংকট আলাদা নয়, এগুলো একই গল্পের অংশ: জাতিসংঘ মহাসচিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, বিশ্বে বিভিন্ন সংকট আলাদা নয়; এগুলো একই গল্পের অংশ, যে গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে ক্ষমতা—কারো হাতে তা আছে এবং কারো কাছ থেকে তা কেড়ে নেওয়া হয়েছে।২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে (ইউএনজিএ) দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।গাজায় নজিরবিহীন প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ, ইউক্রেন-রাশিয়ার ‘বর্বর যুদ্ধ’, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বিস্তার, বিশ্বক্ষমতার পালাবদল, সামরিক শক্তি দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার সীমাবদ্ধতা এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার স্থায়ী আসনের বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।গাজা প্রসঙ্গে গুতেরেস জানান, ৭ অক্টোবর হামাসের ভয়াবহ হামলার প্রায় তিন বছর হতে চলেছে। কিন্তু এরপর গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর যে হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে, তার মাত্রা জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে তার দায়িত্ব পালনের বছরগুলোতে দেখা অন্য যেকোনো ঘটনার চেয়ে নজিরবিহীন।তিনি বলেন, ‘গত বছর একটি পরামর্শমূলক মতামতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত স্পষ্টভাবে বলেছে, গাজায় জাতিসংঘকে তাদের দায়িত্ব পালন করতে দিতে হবে এবং আমাদের কর্মী ও মানবিক সহায়তাকর্মীদের সুরক্ষা দিতে হবে। সব পক্ষকে আন্তর্জাতিক আইন ও আদালতের আদেশ মেনে চলতে হবে।’ বিশ্বকে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের গাজায় ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা ভুলে না যাওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।গুতেরেস বলেন, ‘বিশ্বক্ষমতা এখন তিনটি প্রধান উপায়ে বদলে যাচ্ছে। প্রথমত, রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে নতুন নতুন অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও প্রযুক্তিগত প্রভাবকেন্দ্র তৈরি হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, ক্ষমতা ক্রমেই ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের হাতে চলে যাচ্ছে। তৃতীয়ত, মানুষের কাছ থেকে যন্ত্রের দিকে ক্ষমতার স্থানান্তর ঘটছে, যার মধ্যে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র তৈরির বিষয়টিও রয়েছে।’বিশ্বব্যবস্থার বর্তমান প্রতিষ্ঠান ও কাঠামো এখনো এসব পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভাষণের শুরুতেই গুতেরেস বলেন, ‘আমাদের বিশ্বের বিভাজনের রেখাগুলো আরও প্রশস্ত হচ্ছে।’ এ সময় যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে সৃষ্ট পরিবর্তনসহ বিভিন্ন চলমান সংকটের কথা তুলে ধরেন তিনি।গুতেরেস উল্লেখ করেন, শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে শান্তি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। একইভাবে প্রযুক্তিগত বা অর্থনৈতিক শক্তিও একা শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে না। তিনি বলেন, ‘আমাদের এমন একটি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে ক্ষমতা আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। কার জীবন ও ভবিষ্যৎ গুরুত্বপূর্ণ হবে, তা নির্ধারণের চূড়ান্ত মাপকাঠি শক্তি হতে পারে না।’ একুশ শতকে শান্তি মানে শুধু সংঘাতের অনুপস্থিতি নয়। শান্তি হলো সংযমের উপস্থিতি।’জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার জন্য অন্তত একটি স্থায়ী আসন দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে গুতেরেস বলেছেন, ‘একুশ শতকের নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার স্থায়ী আসন না থাকা অন্যায্য ও অগ্রহণযোগ্য। এটি অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে।’নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য হলো- চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষদিকে বিদ্যমান বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করার কারণে দীর্ঘদিন ধরে এই পরিষদে আফ্রিকার পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্ব না থাকা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। সে সময় আফ্রিকার বড় একটি অংশ ছিল ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে।নিরাপত্তা পরিষদের ১০টি অস্থায়ী সদস্যপদ অঞ্চলভিত্তিকভাবে বণ্টন করা হলেও এসব সদস্যের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের মতো ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা নেই। আফ্রিকান ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার জন্য দুটি স্থায়ী আসন এবং আরও দুটি অস্থায়ী আসনের দাবি জানিয়ে আসছে।এছাড়া ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও বক্তব্য দেন গুতেরেস। তিনি প্রতিবেশী দেশটিতে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের সমালোচনা করে বলেন, ‘এর ফলে ইউক্রেন জাতিসংঘ সনদের স্পষ্ট লঙ্ঘন করে পরিচালিত একটি বর্বর যুদ্ধের শিকার হয়েছে। সম্মুখসারির যুদ্ধক্ষেত্র থেকে দূরে এখনো বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছে।’সূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ০৯:৪৭:১৪
ওমানে প্রবাসীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ০৮:৪৬:২৫

নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:১০:৪২

কানাডায় নতুন সিনেমায় জায়েদ খান
কানাডায় নতুন সিনেমায় জায়েদ খান
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:২৬:২৮


মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:৫৪

ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ
ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ

বিনোদন ডেস্ক: নব্বই দশকের তুমুল জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ। বাংলা চলচ্চিত্রের ‘স্বপ্নের নায়ক’ হিসেবে যিনি আজও দর্শকদের হৃদয়ে অমলিন। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পাওয়া এই নায়কের ৫৫তম জন্মদিন আজ।১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন সালমান শাহ। তার আসল নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে তিনি।টেলিভিশন নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন সালমান শাহ। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তার অভিনয়জীবনের শুরু। এরপর ‘দেয়াল’, ‘সব পাখি ঘরে ফেরে’, ‘সৈকতে সারস’, ‘নয়ন’ ও ‘স্বপ্নের পৃথিবী’সহ বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেন।১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। স্বল্প সময়ের ক্যারিয়ারে একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়ে নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক হয়ে ওঠেন।চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর জুটি দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তার অভিনীত ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টিতে শাবনূর নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেন। তাদের জুটি বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি হিসেবে দর্শকদের কাছে আজও স্মরণীয়।সালমান শাহর উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে—‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘জীবন সংসার’, ‘প্রেম প্রিয়াসী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভেতর আগুন’।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে মারা যান সালমান শাহ। তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। তবে মৃত্যুর এত বছর পরও তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। জন্মদিনে ভক্ত ও চলচ্চিত্রপ্রেমীরা নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করছেন বাংলা চলচ্চিত্রের এই অকালপ্রয়াত নায়ককে।

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:১৯:৪৪
বক্স অফিসে ঝড়, ২০০ কোটির ক্লাবে ‘মির্জাপুর’
বক্স অফিসে ঝড়, ২০০ কোটির ক্লাবে ‘মির্জাপুর’

বিনোদন ডেস্ক: ওটিটির পর এবার বক্স অফিসে আরও বড় সাফল্যের দেখা পেল ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকেই দর্শকের উন্মাদনায় ভাসছে সিনেমাটি।দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মাতিয়ে রাখা কালিন ভাইয়া, মুন্না ত্রিপাঠি আর গুড্ডু পণ্ডিত এবার ঝড় তুলেছেন রূপালি পর্দায়। মুক্তির ১৪তম দিনে ২০০ কোটি রুপির ক্লাবে প্রবেশ করেছে ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’। স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষ দিনেও ভারতীয় বক্স অফিসে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে সিনেমাটি।১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ভারতে নিট ৩.৭৫ কোটি রুপি আয় করেছে সিনেমাটি। ফলে দেশটিতে এর মোট নিট আয় দাঁড়িয়েছে ২০৩.২০ কোটি রুপি।গুরমিত সিংয়ের পরিচালনায় এবং পুনীত কৃষ্ণের গল্পে নির্মিত ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’ মূলত জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজটির প্রথম সিজনের ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্বের মধ্যবর্তী সময়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এগিয়েছে। অর্থাৎ সিরিজের গল্পের গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যায়কে এবার বড় পর্দায় নতুনভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তবে সিনেমাটিকে ঘিরে দর্শকের আগ্রহের অন্যতম বড় কারণ সিরিজের জনপ্রিয় কয়েকটি চরিত্রকে আবার পর্দায় ফিরিয়ে আনা।সিরিজের পরবর্তী সিজনগুলোতে মৃত্যুবরণ করা চরিত্রগুলোকেও সিনেমাটিতে দেখা গেছে। বিশেষ করে দিব্যেন্দুর মুন্না ত্রিপাঠি ও শ্বেতা ত্রিপাঠির গোলু গুপ্তাকে আবার একসঙ্গে পর্দায় দেখে উচ্ছ্বসিত দর্শকেরা।এক্সেল এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে নির্মিত সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছেন রিতেশ সিধওয়ানি ও ফারহান আখতার। ‘মির্জাপুর’ সিরিজের পরিচিত চরিত্রগুলোই সিনেমাতেও ধরে রেখেছেন অভিনয়শিল্পীরা। কালিন ভাইয়া চরিত্রে পঙ্কজ ত্রিপাঠি, গুড্ডু পণ্ডিত চরিত্রে আলী ফজল এবং মুন্না ত্রিপাঠি চরিত্রে দিব্যেন্দু আবারও হাজির হয়েছেন আগের পরিচিত অবতারে।এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন রসিকা দুগল, শ্রিয়া পিলগাঁওকর, জিতেন্দ্র কুমার, রবি কিষাণ, অভিষেক ব্যানার্জি, সোনাল চৌহান, মোহিত মালিক ও সুশান্ত সিং।

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৩:৪৯:২৭
ভক্তদের জন্য জেনিফার লরেন্সের অদ্ভুত সতর্কবার্তা
ভক্তদের জন্য জেনিফার লরেন্সের অদ্ভুত সতর্কবার্তা

বিনোদন ডেস্ক: দীর্ঘদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকার পর অবশেষে ইনস্টাগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে হাজির হয়েছেন অস্কারজয়ী হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স। ৯ সেপ্টেম্বর অ্যাকাউন্ট খোলার পর ১০ সেপ্টেম্বর প্রথম ভিডিও প্রকাশ করেন ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’খ্যাত এই তারকা। আর প্রথম পোস্টেই ভক্তদের উদ্দেশে দিয়েছেন মজার এক সতর্কবার্তা।প্রথম ভিডিওতে জেনিফার জানান, কেউ নেতিবাচক মন্তব্য করলে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই ইনস্টাগ্রাম ছেড়ে দেবেন। এমনকি কেউ খারাপ কিছু ভাবলেও তিনি তা বুঝতে পারবেন—এমন রসিকতাও করেন অভিনেত্রী।ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতেও একই ধরনের মজার বার্তা দেন জেনিফার। সেখানে তিনি নেতিবাচক বা আক্রমণাত্মক মন্তব্য না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এসব মন্তব্য ‘বাচ্চার’ ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এরপর মজা করে নিজেকেই সেই ‘বাচ্চা’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেনিফারের অভিষেক ঘিরে ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। এক দিনের মধ্যেই তাঁর অনুসারীর সংখ্যা ৩৭ লাখ ছাড়িয়েছে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। তাঁর ব্যবহার করা নামও রয়েছে ‘জেলঅ’, কারণ ‘জেনিফার লরেন্স’ নামের অ্যাকাউন্টটি আগেই নেওয়া ছিল।প্রোফাইল ছবিতেও নিজের পরিচিত তারকাসুলভ গ্ল্যামারের বদলে মজার ছাপ রেখেছেন জেনিফার। চুলে হেয়ার ফয়েল লাগানো অবস্থায় তোলা একটি স্বাভাবিক ছবিই তিনি প্রোফাইল ছবি হিসেবে ব্যবহার করেছেন।বছরের পর বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় না থাকলেও জেনিফার আগে জানিয়েছিলেন, তিনি গোপনে এসব মাধ্যম দেখতেন, তবে প্রকাশ্যে অংশ নিতেন না। এবার ইনস্টাগ্রামে পা রেখেই তাঁর এমন রসিক সতর্কবার্তা ভক্তদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।সূত্র: এনডিটিভি

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০:২০:১২
আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার পেলেন যারা
আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার পেলেন যারা
২৬ নভেম্বর ২০২৪ বিকাল ০৩:২৭:৩১

৯৬তম অস্কার জিতল ‘ওপেনহাইমার’
৯৬তম অস্কার জিতল ‘ওপেনহাইমার’
১১ মার্চ ২০২৪ সকাল ১০:১১:৪৫

হলিউডে অভিষেক হচ্ছে ওবামাকন্যা মালিয়ার
হলিউডে অভিষেক হচ্ছে ওবামাকন্যা মালিয়ার
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বিকাল ০৫:৪৭:৩২

চলে গেলেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা টম উইলকিনস
চলে গেলেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা টম উইলকিনস
৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ দুপুর ০১:২৬:১৬

তোমার প্রেমিক থাকতেই পারে, কিন্তু তাকে বিয়ে করবে না: মৌসুমী চ্যাটার্জি

বিনোদন ডেস্ক: ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে ভারতীয় বাংলা সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার শুরু করেন মৌসুমী চ্যাটার্জি। তারপর বলিউডে পাড়ি জমান। অভিনয় ক্যারিয়ারে ধর্মেন্দ্র, জিতেন্দ্র, বিনোদ খান্না, অমিতাভ বচ্চন, রাজেশ খান্নার মতো তারকাদের সহশিল্পী হিসেবে পেয়েছেন।১৯৬৭ সালে মুক্তি পায় মৌসুমী অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘বালিকা বধূ’। তখন তার বয়স ১২-১৫ বছর। সেই সময়ে কিংবদন্তি সুরকার ও গায়ক হেমন্ত কুমারের ছেলে জয়ন্ত মুখার্জির সঙ্গে পরিবার তার বিয়ে দেয়।মৌসুমী চ্যাটার্জি বহুবার জানিয়েছেন, বিয়ে-মাতৃত্ব তার জীবনে খুব অল্প বয়সে এসেছিল। কয়েক দিন আগে জাগরণ ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে নয়নদীপ রক্ষিতকে সাক্ষাৎকার দেন মৌসুমী চ্যাটার্জি। এসময় নিজেকে ‘প্রগতিশীল’ উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ৩৫ বছর বয়েসি কন্যা মেঘাকে দেওয়া উপদেশের কথাও স্মরণ করেন। এই অভিনেত্রী বলেন, “আমি আমার মেয়েকে বলেছি—‘তোমার প্রেমিক থাকতেই পারে, কিন্তু তাকে বিয়ে করবে না।”এরপর অনুষ্ঠানে উপস্থিত নারীদের পরামর্শ দিয়ে মৌসুমী চ্যাটার্জি বলেন, “মেয়েরা আজই সাবধান হও। একটু স্বার্থপর ও আত্মকেন্দ্রিক হও। কারণ সময় বদলেছে। গীতাতেও লেখা আছে—‘পরিবর্তন সংসারের নিয়ম।”তরুণ প্রজন্ম জীবন উপভোগ করতে পারছে না বলে মনে করেন মৌসুমী। তার ভাষায়, “এখন পরিবর্তন এসেছে। আগের সময়ের তুলনায় আমরা অনেকটা এগিয়েছি। আমরা আমাদের মেয়েদের শ্বশুর-শ্বাশুড়ির যত্ন নিতে শেখাই। কিন্তু ছেলেদের তা শেখাই না। আমরা মনে করি, ঘরের কাজ করা নারীর দায়িত্ব, পুরুষের কাজ নয়। আজকের তরুণ প্রজন্ম প্রচণ্ড চাপে রয়েছে। তারা জীবন উপভোগ করতে পারছে না, নিজেদের জন্যও তাদের সময় নেই।”ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মৌসুমী চ্যাটার্জি বলেন, “অন্যদের কাছে প্রমাণ করার জন্য কিছু করবেন না। আমার বয়স এখন ৭২ বছর। যা ভালো লাগে, করুন। তবে কোনো কিছু নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না। জীবনে একবার কোনো ভুল করলে, তার আর পুনরাবৃত্তি করবেন না। আমিও জীবনে ভুল করেছি। কিন্তু একবার বুঝতে পেরেছি—কাজটি ঠিক হয়নি, এরপর আর সেই ভুল করিনি। আমরা মানুষ, আমাদের বিবেক আছে। কিন্তু আমরা সেটিকে বিশ্লেষণ করি না।”২০১৯ সালে দীর্ঘদিন ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করার পর বড় মেয়ে পায়েল মুখার্জি মারা যান। মৃত্যুর আগে প্রায় দুই বছর কোমায় ছিলেন। পায়েল গানের মানুষ ছিলেন। আর মেঘা মায়ের মতো অভিনয়ে পা রেখেছেন। তবে কন্যা শোক এখনো এ দম্পতিকে তাড়া করে বেড়ায়।  ১৯৬৭ সালে তরুণ মজুমদারের ‘বালিকা বধূ’ সিনেমার মাধ্যমে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আত্মপ্রকাশ করেন মৌসুমী। পরে বলিউডে যাত্রা শুরু করেন। সত্তর দশকে বলিউডের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীদের অন্যতম মৌসুমী।প্রায় ৬ দশকের অভিনয় ক্যারিয়ারে অসংখ্য দর্শকপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন মৌসুমী চ্যাটার্জি। এ তালিকায় রয়েছে-অনুরাগ, বেনাম, মঞ্জিল, প্রেম বন্ধন প্রভৃতি। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এ অভিনেত্রী পেয়েছেন দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার। 

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১১:১৮:৫২
ভাষার উচ্চারণ নিয়ে বিতর্ক, যা বললেন রাশমিকা
ভাষার উচ্চারণ নিয়ে বিতর্ক, যা বললেন রাশমিকা
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৩:৪৯:৫৭

দ্বিতীয় সন্তানের মা-বাবা হলেন দীপিকা-রণবীর
দ্বিতীয় সন্তানের মা-বাবা হলেন দীপিকা-রণবীর
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:২৮:৫৮

বক্স অফিসে ঝড়, ২০০ কোটির ক্লাবে ‘মির্জাপুর’
বক্স অফিসে ঝড়, ২০০ কোটির ক্লাবে ‘মির্জাপুর’
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৩:৪৯:২৭

ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ
ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:১৯:৪৪

ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু
ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৫৬:১৪



ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৫৬:০৬

পাকিস্তানের কাছে হেরে ব্রোঞ্জও হারাল বাংলাদেশ

পাকিস্তানের কাছে হেরে ব্রোঞ্জও হারাল বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক: নাগোয়ার কারোগি স্পোর্টস পার্কে দর্শকদের জন্য নেই গ্যালারি। এর মধ্যেও জ্যোতিদের খেলা দেখতে এসেছিলেন বাংলাদেশি কয়েকজন প্রবাসী। পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্রোঞ্জ লড়াইয়ের ম্যাচে হতাশ হয়েই ফিরতে হয় তাদের। পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩১ রানে হেরেছে বাংলাদেশ।এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের পদকের সম্ভাবনা ছিল নারী ক্রিকটে। হাংজু এশিয়ান গেমসে জ্যোতিরা পাকিস্তানকে হারিয়েই ব্রোঞ্জ জিতেছিল। এবার সেই পদক হাতছাড়া হয়েছে। নারী এশিয়া কাপে বাংলাদেশ ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেনি। এশিয়ান গেমসেও সেই ব্যর্থতার চিত্রই দেখা গেল।র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকায় বৃষ্টি হলেও চীনকে হারিয়ে জ্যোতিরা সেমিফাইনালে উঠে। এরপর ভারতের কাছে ১১৪ রানে হেরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে নামে বাংলাদেশ। এই ম্যাচেও হতশ্রী পারফরম্যান্স। ৭ উইকেট হারিয়ে ১১৪ রানের বেশি করতে পারেনি টাইগ্রেসরা।আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১৪৬ রান খুব বড় সংগ্রহ নয়। দিন দুয়েক আগেই শ্রীলঙ্কা পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৭০ রানের বেশি তাড়া করে জিতেছে। এই ভেন্যুতেই এশিয়ান গেমসে নারী ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন ভারতের শেফালি ভার্মা। অন্য দলের ব্যাটাররা রান করলেও জ্যোতিদের ব্যাট হাসছে না।১৪৬ রান তাড়া করতে নেমে ২০ রানেই তিন উইকেট হারায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ব্যাটাররা ভুল শট সিলেকশনে উইকেট হারান। অধিনায়ক জ্যোতি ও শারমিন আক্তার সুপ্তা উইকেটে টিকে থাকার চেষ্টা করেন। তাদের জুটিতে ৪৭ রান আসলেও ওভারপ্রতি রানের চাপ বাড়তে থাকে। সেই চাপ কাটাতে দ্রুত রান তুলতে গিয়ে অধিনায়ক জ্যোতি বড় শট খেলার চেষ্টায় ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরেন।এই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে দুই দলের ফিল্ডিং। পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ফাতিমা সানা ইনিংসের শুরুতেই ক্যাচ দিয়েছিলেন। বাংলাদেশি ফিল্ডাররা সেই ক্যাচ মিস করায় সানা ঝড়ো ইনিংস খেলেন। বাংলাদেশি ফিল্ডাররা ভুল করলেও পাকিস্তানের ফিল্ডাররা দুর্দান্ত দু’টি ক্যাচ নিয়েছেন।জ্যোতি-সুপ্তার জুটির সময় বাংলাদেশ কিছুটা হলেও ম্যাচে ছিল। জ্যোতি আউট হওয়ার পর পাকিস্তানের ব্রোঞ্জ পদক জয় ছিল শুধুই সময়ের অপেক্ষা। সুপ্তা এক প্রান্তে আগলে রাখলেও অন্য প্রান্তে ব্যাটাররা আসা-যাওয়ায় ব্যস্ত ছিলেন। পাকিস্তানি স্পিনার উম্মে হানি ৪ ওভারে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে ধস নামান।এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ নারী দল দুই ম্যাচ খেলছে ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে। দুুই ম্যাচে ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং কোনো বিভাগেই ভালো কিছু চোখে পড়েনি। টিম স্পিরিট ও জয়ের মানসিকতাও সেভাবে দেখা যায়নি। আজ ব্রোঞ্জপদকের ম্যাচেও বাংলাদেশের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ ইতিবাচক ছিল না। 

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ০৯:৪৮:৪১
টিভির পর্দায় আজকের খেলা
টিভির পর্দায় আজকের খেলা
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ০৯:২৪:২০

চেন্নাইয়ের প্রধান কোচ হলেন জহির খান
চেন্নাইয়ের প্রধান কোচ হলেন জহির খান
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ০৮:৪১:১২

বোর্নমাউথের মাঠে কষ্টার্জিত জয় লিভারপুলের
বোর্নমাউথের মাঠে কষ্টার্জিত জয় লিভারপুলের
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১১:৫৮:০৪

এশিয়ান গেমস: শেফালির কাছেই হেরে গেছে বাংলাদেশ
এশিয়ান গেমস: শেফালির কাছেই হেরে গেছে বাংলাদেশ
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:১৬:৩৬

টিভিতে আজকের খেলা (২০ সেপ্টেম্বর)
টিভিতে আজকের খেলা (২০ সেপ্টেম্বর)
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০১:৫৯:৪৫
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বাস্তব জ্ঞান ও গবেষণার দৃঢ় চর্চা করার উদ্দেশ্যেই ২০২৩ সালের ১২ মার্চ থেকে জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়।গত ২ সেপ্টেম্বর সোমবার ক্লাবের দ্বিতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা কর হয়, যেখানে সভাপতির দায়িত্ব নেন আবদুল্লাহ আল মাহিম এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. ফয়সাল আহমেদ।এছাড়াও সহ-সভাপতি সাদিয়া হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মাইনুদ্দিন আহমেদ সাগর, দপ্তর ও প্রচারে যথাক্রমে মুক্তা বর্মন ও ফজলে আজিম মিয়াদসহ অনুষ্ঠান পরিচালকের দায়িত্ব নেন মেহেদী হাসান রাব্বি।কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান জামিউল আলম, সাব্বির হোসেন ফাহিম, হাসনাহেনা জেরিন এবং নুজাত তাবাসসুম।একাডেমিক পারদর্শিতা, সমন্বয় ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তাদেরকে জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগের মাধ্যমে শক্তিশালী করাই এই কমিটির গুরুদায়িত্ব বলে জানান নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্তরা।

৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দুপুর ০১:০৫:১৬
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:৫২:২০

খোকসায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পিঠা উৎসব
খোকসায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পিঠা উৎসব

খোকসা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য ধরে রাখতে আয়োজন করা হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী পিঠা উৎসব।২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে উপজেলার গ্লোরিয়াস কিন্ডারগার্টেন স্কুল ক্যাম্পাসে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবে পৃথক পৃথক ১৫টি স্টলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা নানা রকম পিঠাপুলির পসরা সাজিয়ে বসেন।উৎসবে প্রদর্শিত পিঠার মধ্যে ছিল পরিচিত ও নতুন ধাঁচের শতাধিক বাহারি পিঠাপুলি। প্রতিটি পিঠার ওপরে নাম ও মূল্য উল্লেখ করা ছিল। পিঠার নামগুলোও ছিল বেশ আকর্ষণীয়। শিশু শিক্ষার্থীরা বাবা-মায়ের হাত ধরে স্টল ঘুরে ঘুরে পিঠা দেখেন, নতুন পিঠা সম্পর্কে জানেন এবং স্বাদ গ্রহণ করেন। এতে পুরো স্কুল প্রাঙ্গণ রূপ নেয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।উৎসবে ভাপা পিঠা, দুধপুলি, আওলা কেশরি, পুলি, খিরুলি, পাটিসাপটা, জামাই সোহাগী, গোলাপ পিঠা, চিতই, কানমুচরি, পায়েস, পুডিং, তেল পিঠা, দুধ চিতই, ফুল পিঠা, ক্ষির, মুঠা পিঠা, রসগোলাপ ও কেকসহ শতাধিক ধরনের পিঠা প্রদর্শিত হয়। জানা-অজানা পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে শিক্ষার্থীরা ছিল দারুণ উচ্ছ্বসিত।শীতকালীন ঐতিহ্যবাহী পিঠার এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনে খুশি অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারাও। তারা প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজনের দাবি জানান।পিঠা উৎসবে এশিয়ান টেলিভিশন ও দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি পুলক সরকারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমাদুল হাসান।প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ বদিউজ্জামাল দুর্জয়ের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. শাহবুদ্দিন, মালিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূপালী ঘোষ, মরহুম আজিজুর রহমান ট্রাস্টের চেয়ারম্যান উম্মে সাইমা সাদিয়া, লোটাস চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশ্বজিৎ বিশ্বাস, মধু’স ফ্যাশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পার্থ সারথী ঘোষ এবং জার্নাল ভিশন২৪-এর নির্বাহী সম্পাদক নাজমুল হাসান।এ সময় অধ্যক্ষ বদিউজ্জামাল দুর্জয় বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি গ্রামীণ সংস্কৃতির চর্চা ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন করতেই এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে আমরা নিয়মিত এমন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছি।’

৩০ জানুয়ারী ২০২৬ দুপুর ১২:৫২:৩৯
আজ স্ত্রীর প্রশংসা করার দিন
আজ স্ত্রীর প্রশংসা করার দিন
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১১:০৫:৪৬

আজ ‘প্রথম প্রেম’ দিবস
আজ ‘প্রথম প্রেম’ দিবস
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ০৮:১৭:০১

কোষ্ঠকাঠিন্যে স্বস্তি দিতে পারে এই ১০ পানীয়
কোষ্ঠকাঠিন্যে স্বস্তি দিতে পারে এই ১০ পানীয়
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৪:২৮:৪৮

রাতে ফল খেলে কি ক্ষতি? যেসব ফল এড়িয়ে চলবেন
রাতে ফল খেলে কি ক্ষতি? যেসব ফল এড়িয়ে চলবেন
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ০৮:১৫:৩২

স্ত্রী-সন্তান আছে জেনেও কেন বয়স্ক পুরুষের প্রেমে পড়েন তরুণীরা

লাইফস্টাইল ডেস্ক: কোনো পুরুষের স্ত্রী, সন্তান ও ভরা সংসার রয়েছে জানার পরও কোনো তরুণী তার প্রতি আকর্ষিত হয়ে পড়তে পারেন। বাইরে থেকে বিষয়টি সহজ মনে হলেও এর পেছনে একাধিক মানসিক, সামাজিক ও সম্পর্কগত কারণ কাজ করতে পারে।শুরুতেই এটি পরিষ্কার করা জরুরি যে সব তরুণী বয়স্ক বা বিবাহিত পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হন না, আবার বয়সের ব্যবধান থাকলেই সব সম্পর্ক একই ধরনের হয় না। গবেষণায়ও এমন কোনো একক কারণ পাওয়া যায়নি, যা দিয়ে এ ধরনের সম্পর্ককে সার্বজনীনভাবে ব্যাখ্যা করা যায়।পরিণত ও আত্মবিশ্বাসী পুরুষের প্রতি আকর্ষণ:বয়সে বড় কোনো পুরুষের অভিজ্ঞতা, আত্মবিশ্বাস, সামাজিক অবস্থান বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তরুণীর কাছে বেশ আকর্ষণীয় মনে হতে পারে। বিশেষ করে জীবনের কোনো অনিশ্চিত বা জটিল সময়ে একজন স্থির, মনোযোগী ও অভিজ্ঞ মানুষকে তুলনামূলক নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য মনে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া বিভিন্ন গবেষণায় বয়সের ব্যবধানযুক্ত সম্পর্কে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থানের ভূমিকার কথাও উঠে এসেছে।উদাহরণস্বরূপ, ২০২৫ সালে ‘সেক্সুয়াল অ্যান্ড রিলেশনশিপ থেরাপি’ জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, তরুণী ও বয়স্ক পুরুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সুবিধা বা আর্থিক স্থিতিশীলতার ধারণাটি বেশ জোরালোভাবে কাজ করে। তবে সীমিত নমুনা ও অনলাইনভিত্তিক হওয়ার কারণে এই গবেষণাকে সব সম্পর্কের ক্ষেত্রে শতভাগ প্রযোজ্য বলা চলে না।মনোযোগ ও বিশেষ অনুভূতির অভাব পূরণের চেষ্টা:সম্পর্কের ক্ষেত্রে কেবল বয়স নয়, মানুষটির আচরণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন বয়স্ক পুরুষ যদি নিয়মিত খোঁজখবর নেন, মন দিয়ে কথা শোনেন, প্রশংসা করেন কিংবা বিপদের সময়ে পাশে দাঁড়ান, তবে সেই মনোযোগ ধীরে ধীরে গভীর আবেগে রূপ নিতে পারে। বিবাহিত পুরুষের ক্ষেত্রে এই পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে।তার পূর্বের সংসার থাকার কারণে সম্পর্কটি শুরু থেকেই সীমাবদ্ধ ও গোপনীয়তার চাদরে ঘেরা থাকে। নিয়মিত গোপন যোগাযোগ, সাক্ষাৎ এবং ‘আমাদের বিষয়টি অন্য কেউ জানে না’—এমন পরিস্থিতি অনেক সময় আবেগকে আরও তীব্র করে তোলে। তবে একে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত কোনো ‘পরকীয়ার সূত্র’ হিসেবে গণ্য করা যায় না।বয়সের ব্যবধান ও আকর্ষণের বৈজ্ঞানিক প্রেক্ষাপট:বয়সের ব্যবধানযুক্ত সম্পর্ক সমাজে কোনো বিরল ঘটনা নয়। ২০২৪ সালে ইউরোপের ২৯টি দেশের প্রায় ৩৬ হাজার দম্পতির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পুরুষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের সঙ্গীর বয়স কিছুটা কম হওয়ার প্রবণতা রয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালের আরেকটি বড় গবেষণায় দেখা গেছে, প্রথম দেখায় নারী ও পুরুষ উভয়েই নিজেদের তুলনায় কিছুটা কম বয়সী সঙ্গীর প্রতি আকৃষ্ট হন।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, যৌনসঙ্গী হিসেবে নারীরা সাধারণত নিজেদের চেয়ে সামান্য বেশি বয়সী পুরুষ পছন্দ করলেও, পুরুষরা বয়স নির্বিশেষে বিশোর্ধ্ব নারীদের প্রতি বেশি আগ্রহী হয়ে থাকেন। ফলে ‘নারীরা স্বভাবতই কেবল বয়স্ক পুরুষ পছন্দ করেন’—এমন সরল কোনো সাধারণীকরণ করা সঠিক নয়।সম্পর্ক গড়ার অন্যান্য অনুঘটক:বয়সের পাশাপাশি মানসিক ঘনিষ্ঠতা, নিয়মিত যোগাযোগ, প্রশংসা, সামাজিক মর্যাদা এবং আর্থিক স্থিতিশীলতার ধারণাও এসব সম্পর্কে প্রভাব ফেলে। অনেক সময় সম্পর্কটি প্রেমের উদ্দেশ্য নিয়ে শুরু হয় না; বরং বন্ধুত্ব, কর্মক্ষেত্রের সুসম্পর্ক, পরামর্শ নেওয়া কিংবা নিয়মিত আলাপচারিতা থেকে ধীরে ধীরে আবেগ তৈরি হয়। পাশাপাশি, বিবাহিত পুরুষের ক্ষেত্রেও দায়িত্ব কেবল একতরফা নয়। তিনি যদি নিজের বৈবাহিক অবস্থান গোপন রাখেন, অনুভূতির সুযোগ নেন বা সম্পর্কের গণ্ডি ইচ্ছাকৃতভাবে অতিক্রম করেন, তবে পরিস্থিতি তৈরিতে তাঁর ভূমিকাও সমানভাবে দায়ী।সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদী সমীকরণ ও সতর্কতা:বয়সের ব্যবধান নিজে থেকে কোনো সম্পর্ককে সফল বা ব্যর্থ করে তোলে না। তবে অস্ট্রেলিয়ার পারিবারিক তথ্যভিত্তিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বয়সে বড় এমন দম্পতিদের বৈবাহিক সন্তুষ্টি সময়ের সঙ্গে তুলনামূলক দ্রুত কমতে পারে এবং ৬ থেকে ১০ বছরের মধ্যে প্রাথমিক সন্তুষ্টির পার্থক্য অনেকখানি কমে যেতে পারে। এখানে ক্ষমতার ভারসাম্য একটি বড় বিষয়। বয়স, অর্থ, সামাজিক অবস্থান ও অভিজ্ঞতার বড় ব্যবধান কখনো কখনো সম্পর্কে একজনকে বেশি প্রভাবশালী করে তুলতে পারে, যা ২০২২ সালের একটি গবেষণায় তরুণ সঙ্গীর জন্য নেতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে বলে আলোচনা করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, স্ত্রী-সংসার আছে জেনেও কোনো বয়স্ক পুরুষের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হওয়াকে কেবল ‘বয়সের প্রতি দুর্বলতা’ হিসেবে দেখা ঠিক নয়। ব্যক্তিত্ব, যোগাযোগ, পরিস্থিতি, প্রত্যাশা এবং সম্পর্কের অভিজ্ঞতার এক জটিল সমন্বয়ে মানুষের আবেগ তৈরি হয়। সম্পর্কটি বিবাহিত কারও সঙ্গে হলে আকর্ষণের পাশাপাশি সীমারেখা, সম্মতি, গোপনীয়তা এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি দায়িত্বের বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আত্মোপলব্ধি, মানসিক ও সামাজিক পরিস্থিতি এবং নিজের বিবেকের ওপর ভিত্তি করে চাইলেই এমন অসম সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব।সূত্র: গ্রাসিয়া ডেইলি ইউকে, দ্য গার্ডিয়ান

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০:৩৫:০৩
নিজেদের উৎপাদিত পেঁয়াজেই চাহিদা পূরণ হবে: কৃষি মহাপরিচালক

নিজেদের উৎপাদিত পেঁয়াজেই চাহিদা পূরণ হবে: কৃষি মহাপরিচালক

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: আগামী বছর থেকে দেশের চাহিদা পূরণে পেঁয়াজ আমদানি করতে হবে না বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. আব্দুর রহিম।তিনি বলেন, দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ করা হবে। এতে সংরক্ষিত পেঁয়াজের মাধ্যমে দেশের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।৫ সেপ্টেম্বর শনিবার মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে কৃষকদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (পি.এস.এস) ও প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক কৃষিবিদ শাহজাহান সিরাজ। এ সময় হরিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. তৌহিদুজ্জামান খানসহ জেলা ও উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, কৃষক-কৃষাণীরা উপস্থিত ছিলেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিবিদ মো. আব্দুর রহিম বলেন, কৃষকদের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণের সক্ষমতাও বাড়াতে হবে। এ জন্য পেঁয়াজ সংরক্ষণে এয়ার ফ্লো মেশিনসহ প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও কৃষিতে বৈচিত্র্য বাড়ানোর লক্ষ্যেও বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি দেশের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখবেন।অনুষ্ঠানে সরকারের ২৫ কোটি গাছ রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাঁচ শতাধিক গাছের চারা বিতরণ করা হয়। ব্র্যাক ব্যাংক ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রকল্পভুক্ত কৃষি উন্নয়ন সমিতি ও পার্শ্ববর্তী কৃষক-কৃষাণীদের মধ্যে ১০ জাতের গাছের চারা দেওয়া হয়।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১৩টি জেলার ৩০টি উপজেলায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় ২৫ লাখ গাছের চারা রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষকের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়ন বাড়ানোই এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৫:৩২:৫৫