• ঢাকা
  • |
  • শনিবার ২৩শে কার্তিক ১৪৩৩ রাত ০৯:৫৯:০৪ (07-Nov-2026)
  • - ৩৩° সে:
যেকোনো মূল্যে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করব: প্রধানমন্ত্রী

যেকোনো মূল্যে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করব: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আসুন, আজ এই জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই—যেকোনো মূল্যে আমরা আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব এবং বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করব।ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ (শনিবার) রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সবার প্রতি এ আহ্বান জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ স্বাধীনের পর থেকে যে মহল বাংলাদেশে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, মানুষের অধিকার, ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করত... জনগণ তাদের পরাজিত করেছে। আবারও তারা ষড়যন্ত্র নিয়ে মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে।তিনি বলেন, প্রিয় ভাই ও বোনেরা, যত দিন স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন এই বিপ্লবের র‍্যালি চলমান থাকবে।’দিবসটি উপলক্ষে বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিএনপির শোভাযাত্রা শুরু হয়। এতে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।শোভাযাত্রাটি কাকরাইল, হেয়ার রোড, ইন্টার কন্টিনেন্টাল মোড় হয়ে বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, বিজয় সরণি হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হয়। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ট্রাকের ওপর দাঁড়িয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।শোভাযাত্রায় আরও উপস্থিত ছিলেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা ছিলেন।এটিভি/এসটিও

২ ঘন্টা আগে


















































পার্বত্য অঞ্চলের কৃষকদের ভাগ্যোন্নয়নে কফি ও কাজুবাদাম চাষের অপার সম্ভাবনা: মন্ত্রী সাচিং প্রু

পার্বত্য অঞ্চলের কৃষকদের ভাগ্যোন্নয়নে কফি ও কাজুবাদাম চাষের অপার সম্ভাবনা: মন্ত্রী সাচিং প্রু

ডেস্ক রিপোর্ট: পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের অনাবাদী ও টিলা জমিতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কফি এবং কাজুবাদাম চাষের মাধ্যমে পাহাড়ি কৃষকদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও ভাগ্যোন্নয়ন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু। এ লক্ষ্যে পার্বত্য অঞ্চলের কফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণে কৃষি মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।৭ নভেম্বর শনিবার বান্দরবান জেলার পরিচ্ছন্নতা অভিযানকালে চিম্বুক রেঞ্জের বাবুপাড়ায় স্থানীয় এক কৃষক উদ্যোক্তার কফি প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।কৃষকদের প্রযুক্তিগত ও নীতিগত সহায়তার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, স্থানীয় পাহাড়ি কৃষকদের কফি ও কাজুবাদাম, রাম্বুটান গবেষণা, উন্নয়ন এবং সম্প্রসারণ প্রকল্পের মাধ্যমে চাষাবাদ থেকে শুরু করে ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত সমন্বিত প্রযুক্তি ও সার্বিক সহায়তা সুনিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের অনাবাদী ও টিলা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে কফি, কাজুবাদাম ও রাম্বুটান বাগান গড়ে তুলতে আমরা চাষীদের নিরবচ্ছিন্নভাবে উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছি।পাহাড়ে কৃষিকাজ ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় পানির সংকট সমাধানের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি জানান, ম্রো পাড়াগুলোতে পানির সংকট নিরসনে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে পানির ট্যাংক সরবরাহ করা হয়েছে। মন্ত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকেও পানিবাহী ট্রাকের মাধ্যমে পাহাড়ি এলাকায় নিয়মিত পানি সরবরাহ করা হচ্ছে এবং এই কার্যক্রম সারা বছর অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও উল্লেখ করেন, কেবল দৈনন্দিন পানির চাহিদা পূরণই নয়, পাহাড়ের ফলজ বাগান ও কৃষিতে পর্যাপ্ত সেচ সুনিশ্চিত করতে ঝিরিগুলো সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে সারা বছর পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখার কাজ চলছে।পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।পরবর্তীতে মন্ত্রী রুমা উপজেলার লংবাইতং পাড়া বৌদ্ধবিহার প্রাঙ্গণে আয়োজিত সীমা বিহার উৎসর্গ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।এটিভি/ এইচকে

৭ নভেম্বর ২০২৬ রাত ০৯:৪৭:৩৯
মিসাইলের রেঞ্জ ২ হাজার কিমি রাখার বাধ্যবাধকতা তুলে নিলো ইরান

মিসাইলের রেঞ্জ ২ হাজার কিমি রাখার বাধ্যবাধকতা তুলে নিলো ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নিজেদের তৈরি ব্যালিস্টিক মিসাইলের সীমা বা রেঞ্জ দুই হাজার কিলোমিটার রাখার বাধ্যবাধকতা তুলে নিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড। এরফলে এখন থেকে যেসব মিসাইল তৈরি করা হবে সেগুলোর রেঞ্জ দুই হাজার কিলোমিটার থেকে বেশি থাকবে।বিপ্লবী গার্ডের মুখপাত্র হোসেন মোহেব্বি ৭ নভেম্বর শনিবার এ তথ্য জানিয়েছেন।মোজতবা খামেনি কয়েকদিন আগে জানান, ইরানের ওপর নতুন করে যদি কোনো হামলা হয় তাহলে তাদের পাল্টা হামলা হবে ভৌগলিক সীমাবদ্ধতার বাইরে। অর্থাৎ হামলার ক্ষেত্রে কোনো সীমাবদ্ধতা মানা হবে না।রাজধানী তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিপ্লবী গার্ডের মুখপাত্র বলেন, মিসাইলের রেঞ্জের সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয়েছে এবং ইরান কথার বদলে বাস্তবে এটি করে দেখাবে। ইরানের কাছে এখনই দুই হাজার কিলোমিটারের বেশি রেঞ্জের মিসাইল আছে কি না বা অতীতে ছিল কি না সেটি স্পষ্ট করেননি তিনি।বর্তমানে যে দুই হাজার কিলোমিটার রেঞ্জের সীমাবদ্ধতা সেটির আওতায় রয়েছে ইউরোপের গ্রিস ও বালকান অঞ্চলের কিছু অংশ। পুরো আরব উপত্যকা এবং মিসরের বেশির ভাগ অংশ। অর্থাৎ ইরান তাদের মিসাইল দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় পুরোটাতেই হামলা চালাতে পারবে। এ রেঞ্জ যদি বৃদ্ধি করা হয় তাহলে তাদের মিসাইলের আওতায় চলে আসবে অন্যান্য দেশগুলোও।চলতি বছরের মার্চে ইরান ভারত মহাসাগরে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের যৌথ ঘাঁটি দিয়েগো গার্সিয়া লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল। যা ইরান থেকে চার হাজার কিলোমিটার দূরে। রেঞ্জেরও বাইরের অঞ্চলে মিসাইল নিক্ষেপ করায় ওই সময় প্রশ্ন উঠেছিল, ইরান কি তাহলে আরও বেশি দূরত্বে আঘাত হানার সক্ষম মিসাইল তৈরি করেছে কি না। যদিও দিয়েগো গার্সিয়ার দিকে ছোড়া তাদের দুটি মিসাইলই মাঝ আকাশে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল।যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের শঙ্কা, ইরান তাদের মহাকাশ পোগ্রামকে কাজে লাগিয়ে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরি করতে পারে।সূত্র: এপিএটিভি/ এম এইচ আই

৭ নভেম্বর ২০২৬ রাত ০৯:২৬:২৫
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বাংলাদেশকে ৩০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থায়ন দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। গত ৬ নভেম্বর ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের নির্বাহী পরিচালকদের পর্ষদ এ অর্থায়নের অনুমোদন দেয়।বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষায় প্রায় সর্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হলেও শিক্ষার মান এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১০ বছর বয়সী শিশুদের প্রায় ৫০ শতাংশ বয়সোপযোগী সহজ কোনো লেখা পড়ে তা বুঝতে পারে না। উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ মালয়েশিয়ায় এ হার ৪২ শতাংশ এবং ব্রাজিলে ৪৭ শতাংশ।প্রাক্-প্রাথমিক দথেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২ কোটি ৬০ লাখ শিশুর পড়া, লেখা ও গণিতের মৌলিক দক্ষতা বাড়াতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি সরকারের পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নেও সহায়তা দেবে সংস্থাটি।বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের পরিচালক জ্যঁ পেসমে বলেন, বিশ্বমানের প্রতিযোগিতায় সক্ষম কর্মশক্তি গড়ে তোলার অন্যতম ভিত্তি মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা। গত দুই দশকে বাংলাদেশে প্রায় সব শিশুর বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ। নতুন এ অর্থায়ন শিশুদের শেখার মান বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যালয়ে তাদের ধরে রাখতে সহায়তা করবে। এর মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে ভালো কর্মসংস্থানের ভিত্তি তৈরি হবে।বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ। সরকারি বিদ্যালয়, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) পরিচালিত স্কুল, কিন্ডারগার্টেন ও মাদ্রাসা মিলিয়ে এ ব্যবস্থায় ২ কোটির বেশি শিশু পড়াশোনা করছে।বিশ্বব্যাংকের এ কর্মসূচির আওতায় শিশুদের মৌলিক সাক্ষরতা ও গণিতের দক্ষতা বাড়াতে বিশেষ শিক্ষা প্যাকেজ চালু করা হবে। এতে থাকবে শিক্ষণ উপকরণ, সুনির্দিষ্ট পাঠপরিকল্পনা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ। এ ছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯০ শতাংশ প্রধান শিক্ষককে নেতৃত্ববিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং বিদ্যালয় পরিচালনা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও কর্মসূচিটির দলনেতা তাশমিনা রহমান বলেন, উন্নত কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের প্রথম ধাপ হলো শিক্ষার মৌলিক ভিত্তি শক্তিশালী করা। কোনো শিশু যাতে পিছিয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে এ কর্মসূচিতে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত শিক্ষা সহায়তা দেওয়া হবে। বিশেষ করে যেসব জেলার শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে রয়েছে, সেসব জেলায় এ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।তাশমিনা রহমান আরও বলেন, কর্মসূচির আওতায় শিক্ষকদের দক্ষতা ও বিদ্যালয়ের নেতৃত্বের মান উন্নয়ন, বাজেটের জবাবদিহিমূলক ব্যবহার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে তথ্য-উপাত্তের কার্যকর প্রয়োগেও সহায়তা করা হবে।এ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে তাঁরা শ্রেণিকক্ষে শিশুদের পড়া, লেখা ও গণিতের মৌলিক দক্ষতা বাড়াতে কার্যকরভাবে পাঠদান করতে পারেন। পাশাপাশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের মাধ্যমে শিশুদের বিদ্যালয়ে ভর্তির আগেই শেখার উপযোগী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিশ্বব্যাংকের প্রত্যাশা, এ কর্মসূচির ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮ লাখ ৪৩ হাজার নতুন ও তুলনামূলক ভালো বেতনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।বিশ্বব্যাংক গ্রুপের স্বল্প আয়ের দেশগুলোকে সহায়তাকারী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) মাধ্যমে এ অর্থায়ন দেওয়া হচ্ছে। ঋণটির মেয়াদ ২৫ বছর। এর মধ্যে পাঁচ বছর ঋণ পরিশোধে ছাড়ের সময় বা গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে।এটিভি/ এম এইচ আই

৭ নভেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৩:৫৪:০৯








ডেঙ্গু প্রতিরোধে নভেম্বর পর্যন্ত সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে: চসিক প্রশাসক

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নভেম্বর পর্যন্ত সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে: চসিক প্রশাসক

অনলাইন ডেস্ক: ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে নভেম্বর মাস পর্যন্ত সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা এবং মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন।তিনি বলেন, বৃষ্টি কমে গেলেও ডেঙ্গুর ঝুঁকি শেষ হয়ে যায় না। বিগত বছরের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী নভেম্বর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত থাকতে পারে। তাই এ সময়ে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।২৬ অক্টোবর সোমবার নগরের টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সিভিল সার্জন অফিসের সর্বশেষ ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে প্রশাসক এসব কথা বলেন।সভায় সিভিল সার্জন অফিসের হালনাগাদ পরিসংখ্যান উপস্থাপন করা হয় এবং নগরীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় চলমান কার্যক্রম ও করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় ৩ হাজার ২১০ জন, জেলার উপজেলাগুলোতে ২ হাজার ৭৬২ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যান্য জেলা থেকে আগত ৭০৮ জন রোগী রয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গুতে মোট ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে মহানগর এলাকায় ১২ জন, উপজেলা পর্যায়ে ১৪ জন এবং অন্যান্য জেলার সাতজন রয়েছেন। মৃতদের মধ্যে ১৮ জন নারী, ৯ জন শিশু ও ছয়জন পুরুষ। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ৯১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।মহানগর এলাকার মধ্যে হালিশহরে সর্বোচ্চ ৪৩৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া কোতোয়ালীতে ৩৩৪ জন, বন্দরে ৩২৪ জন, পাহাড়তলীতে ৩০৪ জন এবং বাকলিয়াতে ২৫৬ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। উপজেলা পর্যায়ে সীতাকুণ্ডে সর্বোচ্চ ৮৪৮ জন, কর্ণফুলীতে ৩২৩ জন এবং বাঁশখালীতে ২৩১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানে সেপ্টেম্বরে ২ হাজার ৪৩০ জন এবং অক্টোবরে ২ হাজার ১২৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এসব পরিসংখ্যান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে।প্রশাসক বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা, মশক নিয়ন্ত্রণ এবং যথাযথ চিকিৎসাসেবা এই চারটি বিষয়কে সমন্বিতভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।সভায় জানানো হয়, চসিকের মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে বর্তমানে প্রতিটি ছোট ওয়ার্ডে তিনজন করে এবং বড় ওয়ার্ডগুলোতে পাঁচজন করে কর্মী দায়িত্ব পালন করছেন। সব মিলিয়ে প্রায় দেড়শ কর্মী এ কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন। মশক নিয়ন্ত্রণে বিটিআইসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ এবং অন্যান্য কার্যক্রম চলমান রয়েছে।চসিক প্রশাসক এসব কার্যক্রম নিয়মিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সভায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

২৭ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১০:২৫:৫১
মুক্তির আগেই থমকে গেল শাকিবের ‘সোলজার’
মুক্তির আগেই থমকে গেল শাকিবের ‘সোলজার’
৩ নভেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:০১:২০

ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ
ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:১৯:৪৪

নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:১০:৪২


জামিন পেলেন পরীমনি
জামিন পেলেন পরীমনি

বিনোদন ডেস্ক: আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে অভিনেত্রী ঢাকার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করেন। শুনানি শেষে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।এর আগে, ৪ নভেম্বর বুধবার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও আদালতে হাজির হননি পরীমনি। অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তার আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী সময়ের আবেদন করেন।এতে বলা হয়, অ্যালার্জিজনিত অসুস্থতার কারণে আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি অভিনেত্রী।তবে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম মোহাম্মদ সোহেল ওই আবেদনের বিরোধিতা করেন।তার অভিযোগ, পরীমনি ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতে হাজির না হয়ে বারবার সময়ের আবেদন করছেন। পরে ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মাহফুজুর রহমান সময়ের আবেদন নাকচ করেন। একই সঙ্গে পরীমনির জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত। মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয় ২৩ ডিসেম্বর।গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরদিনই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন পরীমনি। বুধবার তার আইনজীবী জানিয়েছিলেন, বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইবেন তার মক্কেল। জামিন পাওয়ার ব্যাপারেও আশাবাদী ছিলেন তিনি।মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৯ জুন রাতে সাভারের বোট ক্লাবে যান পরীমনি ও তার সহযোগীরা। সেখানে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের সঙ্গে তাদের বাদানুবাদ হয়। একপর্যায়ে পরীমনি তাকে সার্ভিং গ্লাস ও মোবাইল ফোন ছুড়ে মারেন বলে অভিযোগ করেন নাসির। এতে তিনি মাথা ও বুকে আঘাত পান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।এ ছাড়া মামলার অভিযোগে নাসির উদ্দিন দাবি করেন, পরীমনি একটি দামি মদের বোতল বিনামূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। তবে এসব অভিযোগের বিচার এখনো চলমান।২০২১ সালের ৬ জুলাই পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়।প্রতিবেদনে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। পরে ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।উল্লেখ্য, বোট ক্লাবকাণ্ডে পরীমনি ও ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মামলা রয়েছে।এটিভি/এসটিও

৫ নভেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:৩৬
ছাত্রীদের ইভটিজিংয়ের শিকার হয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন!
ছাত্রীদের ইভটিজিংয়ের শিকার হয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন!

বিনোদন ডেস্ক: ‘আয়ে হায়ে কী চলন!’ কলেজছাত্রীদের এমন মন্তব্যের মুখে পড়তে হয়েছিল বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনকে। পর্দায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা এই অভিনেতাকেই একসময় বাস্তব জীবনে হতে হয়েছিল ইভটিজিংয়ের শিকার!সম্প্রতি ‘কৌন বনেগা ক্রোড়রপতি’র মঞ্চে জীবনের এমনই এক অজানা অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন বলিউডের শাহেনশাহ। অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের উপস্থিতিতে তিনি জানান, একবার মিরান্ডা হাউসে যাওয়ার পথে হোস্টেলের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে থাকা কলেজছাত্রীরা একসঙ্গে তাকে উদ্দেশ্য করে এমন মন্তব্য করেছিলেন ।অমিতাভের ভাষায়, সেই মুহূর্তেই তিনি উপলব্ধি করেন, রাস্তায় কোনো নারী এমন কটূক্তির শিকার হলে তার মনের অবস্থা কেমন হতে পারে। কারণ নিজের ওপর এমন ঘটনা না ঘটলে অন্যের অনুভূতি সত্যিকার অর্থে বোঝা কঠিন।পরে মাধুরী দীক্ষিত জানতে চান, এমন পরিস্থিতিতে অমিতাভ কী করেছিলেন? উত্তরে হাসতে হাসতে অভিনেতা বলেন, ‘পালিয়ে গিয়েছিলাম, আর কী করব!’এটিভি/এসটিও

৭ নভেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:১৪:২৭
আবারও একসঙ্গে জুটি বাঁধছেন মাধবান ও কঙ্গনা
আবারও একসঙ্গে জুটি বাঁধছেন মাধবান ও কঙ্গনা
২৯ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৫০:১৮


আমার জীবন নিয়ে কখনো বায়োপিক হবে না: সালমান খান
আমার জীবন নিয়ে কখনো বায়োপিক হবে না: সালমান খান
১৬ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৩:১১:০৮

ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ
ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ
১৫ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:০১:৫০

নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত, ক্ষুব্ধ জেনিফার লরেন্স
নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত, ক্ষুব্ধ জেনিফার লরেন্স

বিনোদন ডেস্ক: হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স ক্যারিয়ারে এর আগেও বিভিন্ন দৃশ্যে কাজ করলেও একবার নগ্ন দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে বেশ অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন।তবে সম্প্রতি ‘কল হার ড্যাডি’ পডকাস্টে সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, শুটিং সেটে এমন কিছু কর্মী উপস্থিত ছিলেন, যাদের সেখানে থাকার কোনো অনুমতিই ছিল না। বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি কঠোর প্রতিবাদ জানান।লরেন্স মনে করেন, একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী হিসেবে নিজের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রিতে আসা নতুন ও তরুণ শিল্পীদের সুরক্ষার স্বার্থেও এমন অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, একজন ১৮ বছর বয়সী নতুন অভিনেত্রী হয়তো ভয়ে বা প্রতিবাদ করলে তাকে ‘কঠিন স্বভাবের’ মনে করা হবে—এই আশঙ্কায় নিজের অস্বস্তি মুখ বুজে সহ্য করে নেন। তাই এই ধরনের মানসিকতা বদলানোর জন্য সবার সামনে প্রতিবাদ করাটা দরকার ছিল বলে তিনি মনে করেন।সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ডাই মাই লাভ’ সিনেমায় সহশিল্পী রবার্ট প্যাটিনসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়েও কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, ছবিটিতে কোনো ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর না থাকলেও প্যাটিনসনের পেশাদার ও সহযোগিতাপূর্ণ আচরণের কারণে তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ বোধ করেছিলেন। নগ্নতা নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত কোনো অস্বস্তি না থাকায় এবং পরিচালকের শৈল্পিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই তিনি দৃশ্যগুলোতে সম্মতি দিয়েছিলেন। এমনকি শুটিং চলাকালীন অন্তঃসত্ত্বা থাকায় শারীরিক গঠন নিয়ে তার বাড়তি কোনো দুশ্চিন্তা ছিল না। একটি দৃশ্যের ক্লোজআপ শটে ত্বকের স্বাভাবিক ভাঁজ বা সেলুলাইট ডিজিটাল উপায়ে সরিয়ে ফেলার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা সরাসরি নাকচ করে দেন এবং তাঁর শরীর যেমন, সেভাবেই পর্দায় রাখার পক্ষে অবস্থান নেন।এটিভি/ এইচকে

৩১ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:০২:৫৯
চট্টগ্রামের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি

বিনোদন ডেস্ক: চট্টগ্রামের ‘ফ্যাশন ভ্যানগার্ড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অনুষ্ঠান থেকে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে বাদ দিয়েছেন আয়োজকরা।৭ নভেম্বর শনিবার দুপুরে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়।আয়োজকরা জানান, ঢাকা আদালত চত্বরে সাংবাদিকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনার ১৭ দিন আগে পরীমনির সঙ্গে তাদের চুক্তি হয়েছিল। তবে গণমাধ্যমকর্মীকে অসম্মান করার অভিযোগ এবং চট্টগ্রামের সর্বস্তরের সাংবাদিকদের প্রতিবাদের মুখে আয়োজক কমিটি তাদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে অনুষ্ঠান থেকে পরীমনিকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।এর আগে গত শুক্রবার রাতে নিজের ফেসবুক ওয়ালে ‘চট্টগ্রাম ফ্যাশন ভ্যানগার্ড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এর একটি পোস্টার শেয়ার করে পরীমনি লিখেছিলেন, ‘দেখা হচ্ছে প্রিয় চট্টগ্রাম।’তার শেয়ার করা পোস্টারটি নিয়ে জাতীয় পত্রিকার এক প্রতিবেদক আয়োজকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে লেখেন, ‘এই প্রোগ্রামের আয়োজকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমাদের সহকর্মী দৈনিক সমকালের রবির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে, তার মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে বিষয়টি মিটমাট না করলে আপনারা বিকল্প অতিথি খুঁজে নিন।’এরপর বিষয়টি চট্টগ্রামে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। তাদের প্রতিবাদের মুখে পরীমনিকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আয়োজকরা।পরীমনিকে বাদ দিয়ে অনুষ্ঠানের নতুন পোস্টারও প্রকাশ করেছেন আয়োজকরা। আগামী ২৮ নভেম্বর চট্টগ্রামের খুলশী থানাধীন একটি কমিউনিটি সেন্টারে ‘চট্টগ্রাম ফ্যাশন ভ্যানগার্ড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।এটিভি/ এইচকে

৭ নভেম্বর ২০২৬ রাত ০৯:০৯:৫৫
হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু
৭ নভেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৪:৪৪:২৯

একদিনে ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু
একদিনে ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু
৬ নভেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৩৫:২০

হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু
৬ নভেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৩:১৪:৫০

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু
৪ নভেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৫:১১:৫১

ঐতিহাসিক ডাবল সেঞ্চুরি, হৃদয়ের একাধিক রেকর্ড

ঐতিহাসিক ডাবল সেঞ্চুরি, হৃদয়ের একাধিক রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক: সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ ৭ নভেম্বর শনিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে অপরাজিত দৃষ্টিনন্দন ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নিজের নাম লিখলেন তাওহিদ হৃদয়।এ ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে একাধিক নতুন রেকর্ড গড়েছেন তিনি। পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেটের অভিজাত ব্যাটারদের তালিকায়ও জায়গা করে নিয়েছেন।৩৫৯ বলে ২২টি চার ও ১১টি ছক্কায় সাজানো অপরাজিত ২৪২ রানের ইনিংসটি শুধু বিপর্যয়কর পরিস্থিতি থেকে টাইগারদের উদ্ধারই করেনি, এর মাধ্যমে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের মালিক এখন হৃদয় ।২০১৮ সালে মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মুশফিকুর রহিমের করা ২১৯ রানের আগের রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি। নিজের প্রথম টেস্ট শতককেই ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দেওয়া প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটারও হয়েছেন হৃদয়।টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে ডাবল সেঞ্চুরি করা চতুর্থ ব্যাটার হৃদয়। তার আগে এ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন তিনটি দ্বিশতকের মালিক মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল।হৃদয়ের ১১টি ছক্কা তাকে টেস্ট ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে বসিয়েছে। এ তালিকায় তার ওপরে রয়েছেন কেবল ওয়াসিম আকরাম ও যশস্বী জয়সওয়াল। দুজনই এক ইনিংসে ১২টি করে ছক্কা হাঁকিয়েছেন। বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে এর আগে ২০১৫ সালে খুলনায় পাকিস্তানের বিপক্ষে সাতটি ছক্কা মেরে রেকর্ডটি নিজের দখলে রেখেছিলেন তামিম।টেস্টের এক ইনিংসে মোট দলীয় রানের সর্বোচ্চ শতকরা অবদান রাখার নতুন জাতীয় রেকর্ডও গড়েছেন হৃদয়। বাংলাদেশের ৩৮৬ রানের মধ্যে তার অপরাজিত ২৪২ রানের অবদান ৬২.৬৯ শতাংশ।এর আগের রেকর্ডটি ছিল লিটন দাসের দখলে। ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের ৪৩ রানে অলআউট হওয়ার ইনিংসে তিনি ২৫ রান করেছিলেন, যা ছিল দলের মোট রানের ৫৮.১৩ শতাংশ।বাউন্ডারি থেকে রান সংগ্রহের ক্ষেত্রেও অনন্য কীর্তি গড়েছেন হৃদয়। তার ইনিংসে চার ও ছক্কা থেকে এসেছে ১৫৪ রান, যা টেস্ট ইনিংসে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের সর্বোচ্চ বাউন্ডারি রান। এর আগে ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২১৭ রানের ইনিংসে ৩১টি চারের সাহায্যে ১২৪ রান করে রেকর্ডটি গড়েছিলেন সাকিব।সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ডও এখন হৃদয়ের। ২০২৫ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মাহমুদুল হাসান জয়ের করা ১৭১ রানকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।৬ উইকেটে ১৮৪ রান থেকে বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর ঘটনাটিও ছিল সমান বিস্ময়কর। নিচের সারির ব্যাটারদের নিয়ে হৃদয়ের লড়াকু ব্যাটিংয়ে সপ্তম উইকেট হারানোর পর ২০২ রান যোগ করে স্বাগতিকরা। টেস্ট ইনিংসে শেষ তিন উইকেট থেকে বাংলাদেশের এটিই সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এর আগে ২০২১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ তিন উইকেটে ১৯৮ রান করেছিল বাংলাদেশ।এক দিনে টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ রানের সাকিবের রেকর্ডও ভেঙেছেন হৃদয়। দিনের খেলা শুরু করেছিলেন ২৯ রানে অপরাজিত থেকে। এরপর আরও ২১৩ রান যোগ করেন তিনি। ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এক দিনে ২১২ রান করে রেকর্ডটি গড়েছিলেন সাকিব। বাসসএটিভি/এসটিও

৭ নভেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৪৫:২১
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বাস্তব জ্ঞান ও গবেষণার দৃঢ় চর্চা করার উদ্দেশ্যেই ২০২৩ সালের ১২ মার্চ থেকে জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়।গত ২ সেপ্টেম্বর সোমবার ক্লাবের দ্বিতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা কর হয়, যেখানে সভাপতির দায়িত্ব নেন আবদুল্লাহ আল মাহিম এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. ফয়সাল আহমেদ।এছাড়াও সহ-সভাপতি সাদিয়া হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মাইনুদ্দিন আহমেদ সাগর, দপ্তর ও প্রচারে যথাক্রমে মুক্তা বর্মন ও ফজলে আজিম মিয়াদসহ অনুষ্ঠান পরিচালকের দায়িত্ব নেন মেহেদী হাসান রাব্বি।কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান জামিউল আলম, সাব্বির হোসেন ফাহিম, হাসনাহেনা জেরিন এবং নুজাত তাবাসসুম।একাডেমিক পারদর্শিতা, সমন্বয় ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তাদেরকে জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগের মাধ্যমে শক্তিশালী করাই এই কমিটির গুরুদায়িত্ব বলে জানান নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্তরা।

৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দুপুর ০১:০৫:১৬
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:৫২:২০

মুদ্রার মাধ্যমে ইতিহাসের খোঁজে
মুদ্রার মাধ্যমে ইতিহাসের খোঁজে

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর ধানমণ্ডির মাইডাস সেন্টারে ষষ্ঠবারের মতো শুরু হয়েছে মুদ্রা প্রদর্শনী। বাংলাদেশ নিউমিসম্যাটিক কালেক্টরস সোসাইটির (বিএনসিএস) আয়োজনে তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার শুরু হয়। প্রদর্শনী চলবে আগামীকাল ৩১ অক্টোবর শনিবার পর্যন্ত।এতে দেশের ৪৩ জন মুদ্রাসংগ্রাহক তাদের সংগ্রহের ৬১টি বিষয়ের নির্বাচিত নিদর্শন উপস্থাপন করছেন ৪২টি ডিসপ্লে বক্সে। প্রতিটি সংগ্রহ যেন মুদ্রার মধ্য দিয়ে ইতিহাসের একেকটি অধ্যায়কে নতুন করে জানার সুযোগ করে দেয়।প্রদর্শনীর বিশেষত্ব হলো, এখানে মুদ্রাকে শুধু লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে দেখা হচ্ছে না; বরং ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অর্থব্যবস্থার বিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।একটি মুদ্রা হাতে নিলে চোখে পড়ে তার নকশা, লেখা কিংবা ধাতব গড়ন। কিন্তু সেই মুদ্রার গায়েই থাকতে পারে কোনো শাসকের পরিচয়, হারিয়ে যাওয়া জনপদের ইতিহাস কিংবা কয়েক হাজার বছর আগের মানুষের জীবনযাত্রার গল্প।কোনোটি এসেছে প্রাচীন রাজ্য থেকে, কোনোটি সুলতানি বা মোগল আমলের স্মৃতি বহন করছে। আবার কোনোটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর চালু হওয়া টাকার বিরল নমুনা।প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে ৩২০ থেকে ৫৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত গুপ্ত সাম্রাজ্যের স্বর্ণযুগ থেকে শুরু করে মোগল আমল এবং বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির বিরল সব মোহর। এছাড়া প্রাচীন গান্ধার ও শাক্য জনপদের রৌপ্যমুদ্রার পাশাপাশি ১৬ থেকে ১৯ শতকে থাইল্যান্ড ও লাওসে প্রচলিত ব্রোঞ্জ বা বিলিয়নের তৈরি বাঘের জিহ্বা আকৃতির মুদ্রাও নজর কাড়ছে। প্রদর্শনীতে ব্রিটিশ ভারতের বিভিন্ন নোট এবং বুরুন্ডির বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকারের ব্যাংক নোটসহ অসংখ্য দুর্লভ সংগ্রহশালা দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শনার্থীরা।মুদ্রা সংগ্রহের শখকে জনপ্রিয় করা এবং নতুন সংগ্রাহক তৈরি করার লক্ষ্যে ২০০৮ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিএনসিএস। প্রদর্শনীতে মুদ্রা সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যালবাম, প্রটেক্টরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনার সুবিধার্থে রাখা হয়েছে দুটি বিক্রয় বুথও।এটিভি/এসটিও

৩০ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:০৬:২৫

প্রতিদিন মিষ্টি আলু খেলে মিলবে ১০ উপকার
প্রতিদিন মিষ্টি আলু খেলে মিলবে ১০ উপকার
৩১ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:২৪:০৬

ওজন কমানোর ৫ পানীয়
ওজন কমানোর ৫ পানীয়
৩০ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৩:১৪:১৭

মুদ্রার মাধ্যমে ইতিহাসের খোঁজে
মুদ্রার মাধ্যমে ইতিহাসের খোঁজে
৩০ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:০৬:২৫

পুরুষদের জন্য আসছে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল, বজায় থাকবে পুরুষত্ব

লাইফস্টাইল ডেস্ক: জন্মনিয়ন্ত্রণ বা পরিবার পরিকল্পনার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে সিংহভাগ দায়িত্ব নারীরাই পালন করে আসছেন। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের নতুন এক উদ্ভাবন সেই চিরচেনা চিত্র বদলে দিতে চলেছে। কনডম বা স্থায়ী বন্ধ্যাকরণের মতো পদ্ধতিগুলোর বাইরে গিয়ে পুরুষদের জন্যও খুব শিগগিরই বাজারে আসছে মুখে খাওয়ার জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ি বা ‘মেল কনট্রাসেপটিভ পিল’।সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েল কর্নেল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা বিশেষ এই ওষুধটি উদ্ভাবন করেছেন। তাঁদের দাবি, মিলনের মাত্র ৩০ মিনিট আগে এই ট্যাবলেটটি গ্রহণ করলে সাময়িকভাবে স্থবির হয়ে পড়বে পুরুষের শুক্রাণুর গতি। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হবে।কীভাবে কাজ করবে এই বড়ি?নারীদের গর্ভনিরোধক বড়ির মতো এটি প্রতিদিন বা নিয়মিত খাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। কেবল যৌনমিলনের ঠিক ৩০ মিনিট আগে পুরুষদের এই বড়িটি খেতে হবে। গ্রহণের পর টানা ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত এর পূর্ণ কার্যকারিতা বজায় থাকবে।গবেষকরা জানান, ওষুধটি সেবনের পর মানবদেহে ‘এসএসি’ (sAC) নামক একটি বিশেষ এনজাইম বা উৎসেচকের ক্ষরণ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণত এই উৎসেচকটির সাহায্যেই শুক্রাণু গতিশীল হয়ে ডিম্বাণুর দিকে অগ্রসর হয়। কিন্তু এনজাইমের ক্ষরণ বন্ধ থাকায় শুক্রাণুগুলো সাঁতার কাটার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, ফলে সেগুলো ডিম্বাণুর সংস্পর্শে পৌঁছাতে পারে না।পুরুষত্ব বা হরমোনে কোনো প্রভাব পড়বে কি?পুরুষদের জন্য জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ির নাম শুনলেই অনেকের মনে নানা শঙ্কা ও প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক। তবে গবেষকরা স্পষ্টভাবে আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, এই ওষুধে পুরুষের প্রজননক্ষমতা বা পুরুষত্বের কোনো ক্ষতি হবে না। এটি শুক্রাণুর স্বাভাবিক উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করে না এবং পুরুষ হরমোন ‘টেস্টোস্টেরন’-এর ক্ষরণেও কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলে না।এর ফলে স্বাভাবিক শারীরিক সম্পর্কের অনুভূতিতে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না। নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হলে ওষুধের প্রভাব পুরোপুরি কেটে যাবে এবং পুরুষের স্বাভাবিক প্রজননক্ষমতা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে।কার্যকারিতা ও বর্তমান পরিস্থিতিযুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গবেষণামূলক সংস্থা ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ’-এর প্রয়োজনীয় অনুমোদন মেলার পর বর্তমানে ওষুধটির হিউম্যান ট্রায়াল বা মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলছে। প্রাথমিক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে, এটি প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে সফল হয়েছে।যেহেতু বড়িটি হরমোনের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত কম, তাই চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে ওষুধটি সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য বাজারে আনতে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।(সূত্র: আনন্দবাজার ডটকম)

২ নভেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৩:৩৯:৫৮
পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের বকশিগঞ্জে একসময় অনেকটা অবহেলিত ও কম পরিচিত ফসল হিসেবে পড়ে থাকলেও বর্তমানে সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল হিসেবে কৃষকদের নজর কাড়ছে শিমুল আলু বা কাসাভা। স্থানীয়ভাবে কোথাও কোথাও এটি ‘কাঠা আলু’ নামেও পরিচিত।তুলনামূলক অনুর্বর ও পাহাড়ি জমিতেও চাষ করা যায় বলে ধীরে ধীরে কৃষকদের কাছে আগ্রহের ফসল হয়ে উঠছে এটি। দেশের বিভিন্ন পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে কাসাভার চাষ হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তঘেঁষা লাউচাপড়া-বালিঝুরি সুমন্নাতপাড়া পাহাড়ি এলাকায় দেখা মিলেছে শিমুল আলুর চাষ। ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের সুমন্নাতপাড়া গ্রামের পাহাড়ের ঢালে কয়েক একর জমিতে কৃষকরা এ ফসলের আবাদ করছেন। পাহাড়ি ঢালু ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কাসাভার চাষে সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা।সুমন্নাতপাড়া গ্রামের আদিবাসী কৃষক সাগর খাগসী দীর্ঘদিন ধরে শিমুল আলুর চাষ করে আসছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও তিনি এ ফসলের আবাদ করেছেন। শুরুতে অনেকটা পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করলেও ফলন পাওয়ার পর ধীরে ধীরে তার আগ্রহ বেড়েছে।কৃষক সাগর খাগসী জানান, গত বছর তিনি অল্প জমিতে শিমুল আলুর চাষ করেছিলেন। ফলন মোটামুটি ভালো হওয়ায় এবার তিনি বড় পরিসরে চাষের সিদ্ধান্ত নেন। চলতি মৌসুমে প্রায় দুই একর জমিতে কাসাভার আবাদ করেছেন তিনি।পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের চাষ করতে যেখানে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়, সেখানে কাসাভা তুলনামূলক সহজে চাষ করা যায়। গাছের পরিচর্যাও খুব বেশি করতে হয় না। রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ তুলনামূলক কম হওয়ায় কীটনাশকের প্রয়োজনও কম পড়ে বলে জানান কৃষকরা।স্থানীয় কৃষক জসিম বলেন, আমাদের এলাকার অনেক জমি পাহাড়ি ও অনুর্বর। সব ফসল এখানে ভালো হয় না। কিন্তু শিমুল আলু এসব জমিতেও ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। পরিচর্যা কম, খরচও তুলনামূলক কম। বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে এটি আমাদের জন্য লাভজনক ফসল হতে পারে।স্থানীয় আরেক কৃষক আদিবাসী প্রবিদ জানান, কাসাভার চাষ সম্পর্কে আগে তাদের মধ্যে তেমন ধারণা ছিল না। এখন অন্য কৃষকদের চাষ দেখে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং বাজারজাতকরণে সহযোগিতা পাওয়া গেলে এ অঞ্চলে আরও বেশি কৃষক কাসাভা চাষে আগ্রহী হবেন বলে মনে করেন তিনি।শুধু কৃষকের আয় বাড়ানোর সম্ভাবনাই নয়, খাদ্য হিসেবেও কাসাভার রয়েছে উল্লেখযোগ্য পুষ্টিগুণ। কাসাভার কন্দে প্রধানত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরে শক্তির অন্যতম উৎস। এতে সামান্য পরিমাণে খাদ্যআঁশ, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদানও পাওয়া যায়। কাসাভায় থাকা কার্বোহাইড্রেটের কারণে এটি শক্তিদায়ক খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কাসাভার চাষ সম্প্রসারণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে যদি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তাহলে কৃষকরা কাঁচা কন্দ বিক্রির পাশাপাশি মূল্য সংযোজনের সুযোগও পেতে পারেন। এতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান ও কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।বকশীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, কাসাভা বা শিমুল আলু তুলনামূলকভাবে কম উর্বর ও পাহাড়ি জমিতে চাষের উপযোগী একটি ফসল। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যার মাধ্যমে এ ফসল থেকে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।তিনি বলেন, বকশীগঞ্জের পাহাড়ি এলাকার যেসব জমিতে প্রচলিত ফসলের আবাদ তুলনামূলক কঠিন, সেসব জমিতে বিকল্প ফসল হিসেবে কাসাভা চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা যদি ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পান, তাহলে ভবিষ্যতে এ ফসলের আবাদ আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, কাসাভা চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হবে। পাশাপাশি উৎপাদন, ফলন, বাজারজাতকরণ ও কৃষকের লাভ-ক্ষতির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে এ ফসলের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে।

৩ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:২৮:০৭