• ঢাকা
  • |
  • শনিবার ১লা কার্তিক ১৪৩৩ রাত ০৩:৩২:৩৫ (17-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:
ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: দুর্গাপূজার শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী

ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: দুর্গাপূজার শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার।একই সঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যেন উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে দুর্গাপূজার উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। এ সময় ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সব নাগরিকের নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।১৬ অক্টোবর শুক্রবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেওয়া এক শুভেচ্ছাবার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিন্দু ধর্ম মতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। তিনি ভক্তদের কল্যাণ সাধন, শত্রুর বিনাশ এবং সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্য এক অনন্য মাত্রা লাভ করেছে।তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে থাকেন। ধর্মীয় উৎসবের এই আয়োজন দেশের আবহমানকালের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির সৌন্দর্যকে তুলে ধরে। এসব উৎসবের মধ্য দিয়ে দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রকাশ ঘটে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন ধর্ম, গোত্র ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন প্রকাশ পায়। এই সম্পর্ক ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য সমাজে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।আরও পড়ুন: ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডে কমবে মূল্যস্ফীতির চাপ ও দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক-আইএমএফশুভেচ্ছাবার্তায় সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারকে সব ধর্মের মূল উপজীব্য হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানবতার কল্যাণও সব ধর্মের অন্যতম শিক্ষা। তাই প্রত্যেকের নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি অন্য মানুষের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রাখা জরুরি। এর মাধ্যমে সমাজে শান্তির পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও পুনর্গঠনের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল, মত, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা তাদের অঙ্গীকার।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ ও মানবিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের চর্চা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমে দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ আরও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনেরা যেন উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সারাদেশে দুর্গাপূজার উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সেই প্রত্যাশা জানান।

৮ ঘন্টা আগে


















































বান্দরবানের তিন্দু সড়কে পর্যটকবাহী যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি

বান্দরবানের তিন্দু সড়কে পর্যটকবাহী যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি

অনলাইন ডেস্ক: বান্দরবানের থানচি-আলীকদম সড়কের ২১ কিলোমিটার পয়েন্ট থেকে তিন্দু বাজার পর্যন্ত সংযোগ সড়কে পর্যটকবাহী যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন।১৬ অক্টোবর শুক্রবার সকালে থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল ফয়সালের স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, থানচি-আলীকদম অভ্যন্তরীণ সড়কের ২১ কিলোমিটার পয়েন্ট থেকে তিন্দু বাজার পর্যন্ত সংযোগ সড়কটি বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তাই সড়কটি সংস্কার করে পুনরায় চলাচলের উপযোগী না করা পর্যন্ত পর্যটকবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় মোটরসাইকেলসহ হালকা ও ভারী সব ধরনের যানবাহন রয়েছে।আরও পড়ুন: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, আবারও চালু হলো সাজেক পর্যটনকেন্দ্রইউএনও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল ফয়সাল জানান, তিন্দু বাজারের সংযোগ সড়কটি এখনও পুরোপুরি সংস্কার করা হয়নি। বর্তমানে সংস্কারকাজ চলমান রয়েছে। সড়কের বিভিন্ন অংশ ভাঙাচোরা থাকায় পর্যটকেরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।তিনি আরও জানান, পর্যটকেরা আলীকদম হয়ে থানচির তিন্দুতে গেলে তাদের বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য থাকে না। ফলে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে সঠিক তথ্য সংগ্রহে সমস্যায় পড়তে হয়।

১৬ অক্টোবর ২০২৬ রাত ০৮:২৩:২০
ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডে কমবে মূল্যস্ফীতির চাপ ও দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ

ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডে কমবে মূল্যস্ফীতির চাপ ও দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী জনগোষ্ঠী চাপে থাকলেও সরকারের ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং দারিদ্র্য হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।তিনি বলেন, এসব কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাওয়া মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনার পাশাপাশি নতুন করে মানুষের দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়া ঠেকানো সম্ভব হবে।১৬ অক্টোবর শুক্রবার ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভার ফাঁকে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।এর আগে সকালে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও ব্যাংক অব আমেরিকার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে।ড. তিতুমীর বলেন, দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রভাবও অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে সরকার এসব চাপ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। বিশেষ করে জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ যতটা সম্ভব সীমিত রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার মূল্যায়নে দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে মানুষের দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকির বিষয়টি উঠে এসেছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, অতীতের দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতির কারণে দেশে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো মনে করছে।আরও পড়ুন: দেশের ২৭২৭ পূজামণ্ডপে বিজিবি মোতায়েনড. তিতুমীর বলেন, অতীতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বড় দুর্বলতা ছিল উপকারভোগী বাছাইয়ে ত্রুটি। যাদের সহায়তা পাওয়ার কথা, তাদের অনেকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি। অন্যদিকে, যাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা নয়, তারাও তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এ সমস্যা সমাধানে সরকার ডিজিটাল জনপরিকাঠামো ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সহায়তা পৌঁছানো যায়।তিনি বলেন, স্বাধীন গবেষণা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ডের কার্যকর বাস্তবায়নের ফলে দারিদ্র্য প্রায় ৫ শতাংশ কমতে পারে। সরকারের এসব কর্মসূচি কোনো কল্পনাপ্রসূত পরিকল্পনা নয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত কর্মসূচিগুলো পঞ্চবার্ষিক অর্থনৈতিক কৌশলেও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।ড. তিতুমীর উল্লেখ করে বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে শুধু কঠোর মুদ্রানীতি যথেষ্ট নয়। রাজস্ব ও আর্থিক খাতের সংস্কারও জরুরি। সরকারের লক্ষ্য রাজস্ব আয় বাড়ানো এবং কর ফাঁকি, কর জালিয়াতি ও পৃষ্ঠপোষকতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা। এ লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপের ফলে রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।তিনি বলেন, গত অর্থবছরে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ৩ শতাংশ। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ১২ থেকে ১৩ শতাংশে পৌঁছেছে। সরকারের সংস্কার কার্যক্রমের বিশ্বাসযোগ্যতা কাজের ফলাফলের মাধ্যমেই প্রমাণিত হচ্ছে।আইএমএফের অর্থনৈতিক পূর্বাভাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন পূর্বাভাসের ব্যাখ্যা দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শর্ত ও প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়িত না হলে কী পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, আইএমএফের পূর্বাভাসকে সেই প্রেক্ষাপটেও দেখতে হবে। অতীতে শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত না হওয়ায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে যে সংশয় তৈরি হয়েছিল, বর্তমান সরকার সংস্কারের মাধ্যমে তা দূর করতে চায়।আরও পড়ুন: দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে যে কোনো আশঙ্কাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছিব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও আমানতকারীদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. তিতুমীর বলেন, অতীতে ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ লুটপাটের কারণে প্রায় ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি সামনে এসেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আস্থা ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে।তিনি বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে আমানতকারীদের আস্থা ফেরানোর ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে আমানতকারীরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ তুলতে পারছেন। আমানত উত্তোলনের পাশাপাশি অনেকেই অর্থ জমা রাখছেন, যা আস্থা ফেরার ইঙ্গিত দেয়। এ ছাড়া ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার কমে আসাও আর্থিক খাতে পরিবর্তনের একটি ইতিবাচক লক্ষণ।মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে জ্বালানি, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও সারের আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, সংকটের কারণে সৃষ্ট বাড়তি ব্যয়ের হিসাব করলেই অর্থনীতির ওপর এর পূর্ণ প্রভাব বোঝা যাবে না। কৃষকদের ওপর চাপ কমাতে ডিজেলের দাম না বাড়ানোর বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে। সংকট সৃষ্টিতে বাংলাদেশের ভূমিকা না থাকলেও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে সরকার এর প্রভাব মোকাবিলায় কাজ করছে।তিনি বলেন, অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে উৎপাদনশিল্পের কেন্দ্র ও রপ্তানির প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলার কৌশল নিয়েছেন। সরকারের লক্ষ্য নিজস্ব রাজস্ব আয় বাড়ানো, ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর অর্থনৈতিক চাপ কমিয়ে টেকসই উন্নয়নের পথ তৈরি করা।বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ২০২৬ সালের বার্ষিক সভা ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কুইন সিরিকিত জাতীয় সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এ সভায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। বৈশ্বিক অর্থনীতি, উন্নয়ন অর্থায়ন, দারিদ্র্য হ্রাস, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও আর্থিক খাতের সংস্কার সভার আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। 

১৬ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:৪৬:২৭
ময়মনসিংহে জনতার মুখোমুখি সিটি প্রশাসক রোকন

ময়মনসিংহে জনতার মুখোমুখি সিটি প্রশাসক রোকন

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ভাঙাচোরা সড়ক, ড্রেনেজ সংকট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থা ও যানজটসহ নানা নাগরিক সমস্যা নিয়ে সরাসরি প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় ছয় মাস পর প্রথমবারের মতো জনতার মুখোমুখি হয়ে নাগরিকদের বিভিন্ন অভিযোগ ও প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার নগরীর টাউন হল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বিশেষ প্রশ্নোত্তর পর্বে নাগরিকরা নিজ নিজ এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। প্রায় আড়াই ঘণ্টার এ আয়োজনে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীসহ অর্ধশতাধিক নাগরিক অংশ নেন।নাগরিকদের প্রশ্নের জবাবে সিটি প্রশাসক স্বীকার করেন, নগরের যানজট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এখনো প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জিত হয়নি। যানজট নিয়ন্ত্রণে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে শিগগিরই কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এ জন্য নগরবাসীরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। প্রতিটি পরিবার ও নাগরিককে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।প্রশ্নোত্তর পর্বে নগর ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালুর পরিকল্পনাও তুলে ধরেন সিটি প্রশাসক। তিনি জানান, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন সেবা ডিজিটাল করার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে যানবাহনের রুট পারমিট ও ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থাপনাকেও অটোমেশনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।আয়োজনে নাগরিকরা বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরার পাশাপাশি সেগুলো সমাধানে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগ ও বাস্তবায়নের সময়সীমা নিয়েও প্রশ্ন করেন। জবাবে প্রশাসক চলমান কার্যক্রমের পাশাপাশি নগর উন্নয়নে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।দায়িত্ব গ্রহণের পর নাগরিকদের সঙ্গে সরাসরি এমন প্রশ্নোত্তর আয়োজনকে সিটি প্রশাসনের সঙ্গে নগরবাসীর যোগাযোগ বৃদ্ধির একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

১ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ০৯:২৪:১১
ইরানে ‘মাদার অব অল বোম্বস’ ফেলার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানে ‘মাদার অব অল বোম্বস’ ফেলার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি পুনরায় ইরানে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দেন, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রাগারে থাকা সবচেয়ে বড় বোমাটি ব্যবহার করার পরিকল্পনা চলছে। মার্কিন কর্মকর্তারা সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এ তথ্য জানিয়েছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, ২ দেশের মধ্যে এখন অঘোষিত যুদ্ধবিরতি চলছে। এ সময় ‘মাদার অব অল বোম্বস’ নামে পরিচিত জিবিইউ-৪৩/বি ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স এয়ার ব্লাস্ট বোমা (এমওএবি) ব্যবহারের সম্ভাবনার কথা প্রকাশ্যে আসায় মধ্যপ্রাচ্যে ফের উত্তেজনা বাড়বে। এমনকি ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরেও এই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।সামরিক পরিকল্পনা সম্পর্কিত আলোচনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তারা মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এবং কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, মোয়াব বোমা ব্যবহার করলেও ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস করার জন্য তা কতটুকু কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ রয়েছে।ব্রাসেলসভিত্তিক সামরিক বিশেষজ্ঞ ইলাইজা ম্যাগনিয়ার আল জাজিরাকে বলেন, মোয়াব ব্যবহার করলেও ইরানের মাটির গভীরে তৈরি পারমাণবিক স্থাপনাগুলো যে ধ্বংস হবে তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। এ ধরনের হামলা কেবল ‘রাজনৈতিক নাটকীয়তা’ ছাড়া আর কিছুই নয়।এমওএবি কী?জিবিইউ-৪৩/বি ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স এয়ার ব্লাস্ট (মোয়াব) হলো সাড়ে ৮ হাজার কেজি উচ্চমাত্রার বিস্ফোরক সমৃদ্ধ একটি সুবিশাল বোমা। এর মোট ওজন ৯ হাজার ৮০০ কেজি—যা প্রায় চারটি সাধারণ প্রাইভেট কারের ওজনের সমান। এটি প্রায় ৩০ ফুটের বেশি দীর্ঘ, যা একটি ছোট ইয়টের আকারের সমান। এটি সাধারণত লকহিড সি-১৩০ হারকিউলিস পরিবহন বিমান থেকে ফেলা হয়।২০০২ থেকে ২০০৩ সালের মধ্যে প্রথম তৈরি এই বোমাটির এ পর্যন্ত ১২ বার বিস্ফোরণ পরীক্ষা চালানো হয়েছে। ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় ইরাকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের ‘মাদার অব অল ব্যাটলস’ মন্তব্যের সূত্র ধরেই এর নামকরণ করা হয়েছে।যুক্তরাষ্ট্র এ পর্যন্ত কেবল একবারই এমওএবি ব্যবহার করেছে। ২০১৭ সালে আফগানিস্তানে ইসলামিক স্টেট খোরসান প্রদেশের (আইএসকেপি) গুহা ও সুরঙ্গ নেটওয়ার্কে এই বোমা দিয়ে হামলা চালানো হয়। আফগান কর্তৃপক্ষের দাবি, এতে ৯৪ জন আইএসকেপি যোদ্ধা নিহত হলেও কোনও সাধারণ নাগরিকের প্রাণহানি হয়নি। তবে স্থানীয় কিছু অসমর্থিত সূত্রের প্রতিবেদনে বেসামরিক নাগরিকদের হতাহত এবং বহু ঘরবাড়ি ধ্বংসের কথা বলা হয়েছিল।আরও পড়ুন: রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলাকে ‘লজ্জাজনক’ বললেন ট্রাম্পএটি কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করতে পারে?মাটির কয়েক ফুট ওপরে বিস্ফোরিত হওয়ার জন্য নকশা করা এই এমওএবি বোমাটি বিস্ফোরণের পর প্রাণঘাতী উত্তাপ ও অগ্নিতরঙ্গ ছড়িয়ে দেয়। এর ফলে আশপাশের ভবন, গুহার মুখ এবং যেকোনও শক্তপোক্ত স্থাপনা ধ্বংস হয়ে যায়।ম্যাগনিয়ার জানান, ‘একটি বড় এলাকাজুড়ে অত্যন্ত শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটানোই এর মূল উদ্দেশ্য।’ মার্কিন বিমান বাহিনী জানিয়েছে, বোমাটি এতটাই শক্তিশালী যে পরীক্ষার সময় এর বিস্ফোরণ থেকে তৈরি হওয়া ‘মাশরুম ক্লাউড’ ২০ মাইল দূর থেকেও দেখা গেছে।সামরিক বিশেষজ্ঞ কর্নেল নিদাল আবু জেদ আল জাজিরাকে বলেন, এই বোমার বিস্ফোরণের জন্য মাটিতে আঘাত করার প্রয়োজন হয় না। মাটির ওপরে ১ কিলোমিটার ব্যসার্ধের মধ্যে থাকা সব কিছু এর সুবিশাল বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়ে যাবে।আবু জেদের মতে, এই বোমাটি ব্যবহার করে মাটির ওপরে থাকা ইরানের স্থলবাহিনীর ঘাঁটিগুলো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করতে চাইবে যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনসহ মাটির নিচের স্থাপনাগুলোতেও পৌঁছানোর চেষ্টা করবে। ট্রাম্প ইতোমধ্যে বেশ কয়েকবার পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে হামলার হুমকি দিয়েছেন।তবে ম্যাগনিয়ার সতর্ক করে বলেন, বোমার ধ্বংসের পরিধি ও মাত্রা বহুলাংশে নির্ভর করে ওই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি এবং সেটি কতটা জনবহুল তার ওপর। তিনি আরও যোগ করেন, মাটির অতি গভীরে থাকা লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে এটি ততটা কার্যকর নাও হতে পারে।ইরানের যেসব পারমাণবিক কেন্দ্রে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাতে পারে, এর মধ্যে রয়েছে ফোরদো কমপ্লেক্স এবং পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে নির্মাণাধীন একটি স্থাপনা। সেগুলো মাটির অনেক গভীরে অবস্থিত এবং অত্যন্ত সুরক্ষিত।এমওএবি’র বিস্ফোরণের প্রভাব মাটির নিচে পৌঁছাতে পারলেও এটি কিন্তু ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমার মতো শক্ত কংক্রিট বা পাহাড়ের পাথর ভেদ করার জন্য তৈরি নয়। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে শক্তিশালী বাঙ্কার বাস্টার হলো জিবিইউ-৫৭ ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স পেনিট্রেটর। প্রায় ১৩ হাজার ৬০০ কেজি ওজনের এই বোমা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম। এতে ২ হাজার ৭০০ কেজি বিস্ফোরক থাকে। এটি শক্ত ইস্পাত দিয়ে তৈরি এবং বিস্ফোরণের আগে মাটির ২০০ ফুট গভীরে গিয়ে আঘাত হানতে পারে।আরও পড়ুন: ‘মাদার অব অল বোম্বস’ পারমাণবিক অস্ত্র নয়: ট্রাম্পইরান কীভাবে জবাব দিতে পারে?বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমওএবি হামলা চালানো হলে ইরানের কাছ থেকে কঠোর প্রতিক্রিয়া আসতে পারে। তাদের মতে, জবাবে তেহরান এমনকি সেসব প্রতিবেশী দেশেও আক্রমণ চালিয়ে বসতে পারে, যেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।গত ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার আইআরজিসির নিরাপত্তা উপদেষ্টা মোহাম্মদ রেজা নাগদি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ওয়াশিংটন যদি স্থল হামলা শুরু করে তবে ইরানের বাহিনী এত পরিমাণ মার্কিন সেনাকে বন্দি করবে যে যুক্তরাষ্ট্র সাদা পতাকা তুলতে বাধ্য হবে। যদিও ইরানের পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির কারণে দীর্ঘদিন ধরেই ট্রাম্পের দেওয়া স্থল অভিযানের হুমকিকে নাকচ করে আসছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা।সূত্র: চ্যানেল ২৪

১৬ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:২২:১০
নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:১০:৪২

কানাডায় নতুন সিনেমায় জায়েদ খান
কানাডায় নতুন সিনেমায় জায়েদ খান
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:২৬:২৮


মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:৫৪

ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ
ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ

বিনোদন ডেস্ক: নব্বই দশকের তুমুল জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ। বাংলা চলচ্চিত্রের ‘স্বপ্নের নায়ক’ হিসেবে যিনি আজও দর্শকদের হৃদয়ে অমলিন। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পাওয়া এই নায়কের ৫৫তম জন্মদিন আজ।১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন সালমান শাহ। তার আসল নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে তিনি।টেলিভিশন নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন সালমান শাহ। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তার অভিনয়জীবনের শুরু। এরপর ‘দেয়াল’, ‘সব পাখি ঘরে ফেরে’, ‘সৈকতে সারস’, ‘নয়ন’ ও ‘স্বপ্নের পৃথিবী’সহ বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেন।১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। স্বল্প সময়ের ক্যারিয়ারে একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়ে নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক হয়ে ওঠেন।চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর জুটি দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তার অভিনীত ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টিতে শাবনূর নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেন। তাদের জুটি বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি হিসেবে দর্শকদের কাছে আজও স্মরণীয়।সালমান শাহর উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে—‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘জীবন সংসার’, ‘প্রেম প্রিয়াসী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভেতর আগুন’।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে মারা যান সালমান শাহ। তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। তবে মৃত্যুর এত বছর পরও তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। জন্মদিনে ভক্ত ও চলচ্চিত্রপ্রেমীরা নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করছেন বাংলা চলচ্চিত্রের এই অকালপ্রয়াত নায়ককে।

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:১৯:৪৪
ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ
ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ
১৫ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:০১:৫০

বিক্ষোভ থেকে অভিনেতা ইমরান খান আটক
বিক্ষোভ থেকে অভিনেতা ইমরান খান আটক
১০ অক্টোবর ২০২৬ রাত ০৮:০৬:৪০

এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’
এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’
১০ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০১:২৬:৫৭

নানা পাটেকরের অস্বাভাবিক মৃত্যু, পুলিশের মামলা
নানা পাটেকরের অস্বাভাবিক মৃত্যু, পুলিশের মামলা
৯ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৪৫:২৮

আমার জীবন নিয়ে কখনো বায়োপিক হবে না: সালমান খান
আমার জীবন নিয়ে কখনো বায়োপিক হবে না: সালমান খান

বিনোদন ডেস্ক: বলিউড সুপারস্টার সালমান খান বলেছেন, নিজের জীবনের গল্প নিজের সঙ্গেই শেষ হবে। তাই নিজের জীবন নিয়ে কখনো বায়োপিক তৈরি হোক, তা চান না এই অভিনেতা।সম্প্রতি করণ জোহরের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘কফি উইথ করণ ৯’-এর প্রথম পর্বে নিজের জীবন, সম্পর্ক ও ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সালমান খান এমন মন্তব্য করেন।অনুষ্ঠানের একটি প্রশ্নোত্তর পর্বে অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর সালমানকে প্রশ্ন করেন, তার জীবনের গল্প নিয়ে বায়োপিক তৈরি হলে কোন পরিচালককে বেছে নেবেন তিনি? এ জন্য চারজন পরিচালকের নাম দেওয়া হয়—কবির খান, ডেভিড ধাওয়ান, সুরজ বরজাতিয়া ও সঞ্জয় লীলা বানসালি।প্রতিটি পরিচালকের কাজের ধরন অনুযায়ী আলাদা উত্তর দেন সালমান। তার মতে, হাস্যরসাত্মক সিনেমা হলে ডেভিড ধাওয়ানকে বেছে নিতেন তিনি।আরও পড়ুন: বক্স অফিসে ঝড় তুললেন রজনীকান্তের ‘জেলার ২’বিষাদময় প্রেমের গল্পের জন্য সঞ্জয় লীলা বানসালি এবং সুন্দর প্রেমের গল্পের জন্য সুরজ বরজাতিয়াকে উপযুক্ত মনে করেন অভিনেতা। অন্যদিকে নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতা থেকে তৈরি অ্যাকশনধর্মী প্রেমের গল্পের জন্য কবির খানের নাম বলেন তিনি।তবে এসব সম্ভাবনার কথা বললেও নিজের জীবনের বায়োপিক তৈরির বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়ে সালমান বলেন, ‘আমার জীবন নিয়ে কখনো বায়োপিক তৈরি হবে না। আমার জীবনের গল্প আমার কবর পর্যন্তই যাবে।’নিজের শেষ সিনেমায় কোন অভিনেত্রীকে সহশিল্পী হিসেবে চাইবেন, সেই প্রশ্ন করা হলে সালমান অবসরের প্রসঙ্গটি উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘শেষ সিনেমা এখনই হচ্ছে না, ভাই। এখনো নয়।’সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

১৬ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৩:১১:০৮

দ্বিতীয়বার মা-বাবা হচ্ছেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ
দ্বিতীয়বার মা-বাবা হচ্ছেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ
৭ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৪:২১:১৬

রেকর্ড গড়লেন অজয়ের দৃশ্যম ৩
রেকর্ড গড়লেন অজয়ের দৃশ্যম ৩
৩ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:১৮

অভিনেতা দিনো মোরিয়াকে গ্রেফতার
অভিনেতা দিনো মোরিয়াকে গ্রেফতার
২ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:১৭:৫৪

ভক্তদের জন্য জেনিফার লরেন্সের অদ্ভুত সতর্কবার্তা
ভক্তদের জন্য জেনিফার লরেন্সের অদ্ভুত সতর্কবার্তা

বিনোদন ডেস্ক: দীর্ঘদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকার পর অবশেষে ইনস্টাগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে হাজির হয়েছেন অস্কারজয়ী হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স। ৯ সেপ্টেম্বর অ্যাকাউন্ট খোলার পর ১০ সেপ্টেম্বর প্রথম ভিডিও প্রকাশ করেন ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’খ্যাত এই তারকা। আর প্রথম পোস্টেই ভক্তদের উদ্দেশে দিয়েছেন মজার এক সতর্কবার্তা।প্রথম ভিডিওতে জেনিফার জানান, কেউ নেতিবাচক মন্তব্য করলে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই ইনস্টাগ্রাম ছেড়ে দেবেন। এমনকি কেউ খারাপ কিছু ভাবলেও তিনি তা বুঝতে পারবেন—এমন রসিকতাও করেন অভিনেত্রী।ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতেও একই ধরনের মজার বার্তা দেন জেনিফার। সেখানে তিনি নেতিবাচক বা আক্রমণাত্মক মন্তব্য না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এসব মন্তব্য ‘বাচ্চার’ ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এরপর মজা করে নিজেকেই সেই ‘বাচ্চা’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেনিফারের অভিষেক ঘিরে ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। এক দিনের মধ্যেই তাঁর অনুসারীর সংখ্যা ৩৭ লাখ ছাড়িয়েছে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। তাঁর ব্যবহার করা নামও রয়েছে ‘জেলঅ’, কারণ ‘জেনিফার লরেন্স’ নামের অ্যাকাউন্টটি আগেই নেওয়া ছিল।প্রোফাইল ছবিতেও নিজের পরিচিত তারকাসুলভ গ্ল্যামারের বদলে মজার ছাপ রেখেছেন জেনিফার। চুলে হেয়ার ফয়েল লাগানো অবস্থায় তোলা একটি স্বাভাবিক ছবিই তিনি প্রোফাইল ছবি হিসেবে ব্যবহার করেছেন।বছরের পর বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় না থাকলেও জেনিফার আগে জানিয়েছিলেন, তিনি গোপনে এসব মাধ্যম দেখতেন, তবে প্রকাশ্যে অংশ নিতেন না। এবার ইনস্টাগ্রামে পা রেখেই তাঁর এমন রসিক সতর্কবার্তা ভক্তদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।সূত্র: এনডিটিভি

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০:২০:১২
আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার পেলেন যারা
আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার পেলেন যারা
২৬ নভেম্বর ২০২৪ বিকাল ০৩:২৭:৩১

৯৬তম অস্কার জিতল ‘ওপেনহাইমার’
৯৬তম অস্কার জিতল ‘ওপেনহাইমার’
১১ মার্চ ২০২৪ সকাল ১০:১১:৪৫

হলিউডে অভিষেক হচ্ছে ওবামাকন্যা মালিয়ার
হলিউডে অভিষেক হচ্ছে ওবামাকন্যা মালিয়ার
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বিকাল ০৫:৪৭:৩২

চলে গেলেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা টম উইলকিনস
চলে গেলেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা টম উইলকিনস
৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ দুপুর ০১:২৬:১৬


বক্স অফিসে ঝড় তুললেন রজনীকান্তের ‘জেলার ২’
বক্স অফিসে ঝড় তুললেন রজনীকান্তের ‘জেলার ২’
১৬ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:২৬:৫৬


ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ
ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ
১৫ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০২:০১:৫০

শারদীয় আমেজে মুগ্ধতা ছড়ালেন জয়া আহসান

বিনোদন ডেস্ক: চুলে ঝুলছে বেলি ফুলের গাজরা, পরনে ঐতিহ্যবাহী শাড়ি আর মুখজুড়ে মিষ্টি হাসি। কখনো ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসছেন, কখনো চুলের ফুল ঠিক করতে করতে ধরা দিচ্ছেন ভিন্ন ভিন্ন ভঙ্গিতে। বাজছে পুরোনো দিনের বাংলা গান; ঐতিহ্যবাহী বাঙালি সাজে এভাবেই নতুন এক ভিডিওতে নজর কাড়লেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।বছর ঘুরে আবারও এলো সনাতনী বাঙালিদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।১৬ অক্টোবর শুক্রবার অর্থাৎ ষষ্ঠীর দিনে ভিডিওটি প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী। শারদীয় উৎসবের এই আবহে নিজেকে সাজালেন, ভক্তদের মাঝে তুলে ধরলেন রূপের নান্দনিকতা।ভিডিওটি প্রকাশ করেই শারদীয় শুভেচ্ছা জানালেন অভিনেত্রী। লিখেছেন, ‘উৎসব থাকুক চোখের তারায়, হাসিতে আর গল্পে; সবাইকে শারদীয়া শুভেচ্ছা।’তাতে দেখা গেছে, জয়ার পরনে অফহোয়াইট শাড়ি, পাড়জুড়ে গোলাপি রঙের নকশা। ব্লাউজেও রাখা হয়েছে শাড়ির সঙ্গে সামঞ্জস্য। ভারী কানের দুল ও হাতে অলংকারের সঙ্গে চুলে বেলি ফুলের গাজরাগুলো যোগ করেছে বাড়তি আকর্ষণ।ভিডিওর একেক দৃশ্যে জয়ার অভিব্যক্তিও আলাদা। কখনো শাড়ির আঁচল সামলে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াচ্ছেন, কখনো হালকা হাসিতে তাকাচ্ছেন লেন্সের দিকে। আবার কখনো ফুলের গাজরা হাতে নিয়ে কিংবা চুলের সাজ ঠিক করতে করতে ধরা দিচ্ছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এ দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে ভারতের কলকাতায়।ভিডিওতে জয়া যুক্ত করেছেন পুরোনো বাংলা গান ‘তোমারই আছি’। গানের সুরের সঙ্গে জয়ার সাবলীল উপস্থিতি মিলিয়ে এক দারুণ আবহ তৈরি করে; যা ভক্তদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে বেশ।অভিনয়ের পাশাপাশি ফ্যাশন স্টেটমেন্ট নিয়েও অনুরাগীদের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকেন জয়া আহসান। কখনো আধুনিক পোশাকে, কখনো ঐতিহ্যবাহী সাজে নিজের উপস্থিতিকে ভিন্নভাবে তুলে ধরেন তিনি।

১৬ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৪৩:৪৫
ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন মেহজাবীন
ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন মেহজাবীন
১৫ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১১:৫৫:৪৭

সংসার ভাঙনের সুর সাবিলা নূরের
সংসার ভাঙনের সুর সাবিলা নূরের
১৩ অক্টোবর ২০২৬ রাত ০৯:২১:৫৮


প্রেম ও বিচ্ছেদ ‍নিয়ে যা বললেন বনি-কৌশানী
প্রেম ও বিচ্ছেদ ‍নিয়ে যা বললেন বনি-কৌশানী
১২ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৪:৩৯:০৭

ডিএমপির নিয়মিত অভিযানে গ্রেফতার ৫১০
ডিএমপির নিয়মিত অভিযানে গ্রেফতার ৫১০
১৬ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:১৮:৩৩

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু
১৬ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:১৪:০৪

একদিনে হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর
একদিনে হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর
১৬ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৪:২৬:২৩

হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু
১৫ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:৪১:০৪

স্পেন ফুটবল ফেডারেশনকে ২০ হাজার ডলার জরিমানা ফিফার

স্পেন ফুটবল ফেডারেশনকে ২০ হাজার ডলার জরিমানা ফিফার

স্পোর্টস ডেস্ক: স্পেন ও মিশরের মধ্যকার প্রীতি ম্যাচে বৈষম্যমূলক স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনকে (আরএফইএফ) শাস্তি দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। এ ঘটনায় ফেডারেশনকে ২০ হাজার ডলার জরিমানা করার পাশাপাশি পরবর্তী আন্তর্জাতিক ম্যাচে স্টেডিয়ামের ১৫ শতাংশ আসন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কা।গত ৩১ মার্চ কর্নেয়ায় আরসিডিই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত স্পেন ও মিশরের মধ্যকার ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়। ম্যাচ চলাকালে গ্যালারির একাংশ থেকে ‘যে লাফাবে না, সে মুসলিম’—এমন বৈষম্যমূলক স্লোগান দেওয়া হয়। এ ছাড়া ম্যাচ শুরুর আগে মিশর জাতীয় সংগীতের সময়ও দুয়োধ্বনি দেওয়া হয়। রেফারির প্রতিবেদনে এসব ঘটনার উল্লেখ থাকায় ফিফা কয়েক মাস আগে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তদন্ত শুরু করে।ফিফার শাস্তির আওতায় স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনকে জরিমানা করার পাশাপাশি পরবর্তী আন্তর্জাতিক ম্যাচে স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতার ১৫ শতাংশ অংশ বন্ধ রাখতে হবে। স্পেন জাতীয় দলের সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৫ নভেম্বর মাদ্রিদের মেট্রোপলিটানো স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের পরবর্তী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।আরও পড়ুন: রিয়াল মাদ্রিদের দুর্দান্ত কামব্যাক, ম্যানসিটির জয়রথ থামলো পিএসজিম্যাচ চলাকালে স্টেডিয়ামের মাইক্রোফোন ও বড় পর্দায় বৈষম্যবিরোধী বার্তা প্রচার করা হয়। দর্শকদের এ ধরনের আচরণ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করা হলেও খেলার বিভিন্ন সময়ে স্লোগানগুলো আবারও শোনা যায়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কাতালোনিয়ার পুলিশ বাহিনী মোসোস দে’এসকোয়াদ্রা এবং বিদ্বেষমূলক অপরাধবিষয়ক পাবলিক প্রসিকিউটরের কার্যালয়।ঘটনাটি বিশেষভাবে আলোচনায় আসে স্পেনের মুসলিম ফুটবলার লামিনে ইয়ামালের উপস্থিতির কারণে। ম্যাচের পর তিনি প্রকাশ্যে এ ঘটনার নিন্দা জানান। স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন, জাতীয় দলের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে এবং স্পেনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও এ ঘটনার সমালোচনা করে।সূত্র: রয়টার্স

১৬ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৫৬:৩৪
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বাস্তব জ্ঞান ও গবেষণার দৃঢ় চর্চা করার উদ্দেশ্যেই ২০২৩ সালের ১২ মার্চ থেকে জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়।গত ২ সেপ্টেম্বর সোমবার ক্লাবের দ্বিতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা কর হয়, যেখানে সভাপতির দায়িত্ব নেন আবদুল্লাহ আল মাহিম এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. ফয়সাল আহমেদ।এছাড়াও সহ-সভাপতি সাদিয়া হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মাইনুদ্দিন আহমেদ সাগর, দপ্তর ও প্রচারে যথাক্রমে মুক্তা বর্মন ও ফজলে আজিম মিয়াদসহ অনুষ্ঠান পরিচালকের দায়িত্ব নেন মেহেদী হাসান রাব্বি।কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান জামিউল আলম, সাব্বির হোসেন ফাহিম, হাসনাহেনা জেরিন এবং নুজাত তাবাসসুম।একাডেমিক পারদর্শিতা, সমন্বয় ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তাদেরকে জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগের মাধ্যমে শক্তিশালী করাই এই কমিটির গুরুদায়িত্ব বলে জানান নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্তরা।

৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দুপুর ০১:০৫:১৬
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:৫২:২০

খোকসায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পিঠা উৎসব
খোকসায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পিঠা উৎসব

খোকসা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য ধরে রাখতে আয়োজন করা হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী পিঠা উৎসব।২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে উপজেলার গ্লোরিয়াস কিন্ডারগার্টেন স্কুল ক্যাম্পাসে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবে পৃথক পৃথক ১৫টি স্টলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা নানা রকম পিঠাপুলির পসরা সাজিয়ে বসেন।উৎসবে প্রদর্শিত পিঠার মধ্যে ছিল পরিচিত ও নতুন ধাঁচের শতাধিক বাহারি পিঠাপুলি। প্রতিটি পিঠার ওপরে নাম ও মূল্য উল্লেখ করা ছিল। পিঠার নামগুলোও ছিল বেশ আকর্ষণীয়। শিশু শিক্ষার্থীরা বাবা-মায়ের হাত ধরে স্টল ঘুরে ঘুরে পিঠা দেখেন, নতুন পিঠা সম্পর্কে জানেন এবং স্বাদ গ্রহণ করেন। এতে পুরো স্কুল প্রাঙ্গণ রূপ নেয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।উৎসবে ভাপা পিঠা, দুধপুলি, আওলা কেশরি, পুলি, খিরুলি, পাটিসাপটা, জামাই সোহাগী, গোলাপ পিঠা, চিতই, কানমুচরি, পায়েস, পুডিং, তেল পিঠা, দুধ চিতই, ফুল পিঠা, ক্ষির, মুঠা পিঠা, রসগোলাপ ও কেকসহ শতাধিক ধরনের পিঠা প্রদর্শিত হয়। জানা-অজানা পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে শিক্ষার্থীরা ছিল দারুণ উচ্ছ্বসিত।শীতকালীন ঐতিহ্যবাহী পিঠার এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনে খুশি অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারাও। তারা প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজনের দাবি জানান।পিঠা উৎসবে এশিয়ান টেলিভিশন ও দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি পুলক সরকারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমাদুল হাসান।প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ বদিউজ্জামাল দুর্জয়ের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. শাহবুদ্দিন, মালিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূপালী ঘোষ, মরহুম আজিজুর রহমান ট্রাস্টের চেয়ারম্যান উম্মে সাইমা সাদিয়া, লোটাস চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশ্বজিৎ বিশ্বাস, মধু’স ফ্যাশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পার্থ সারথী ঘোষ এবং জার্নাল ভিশন২৪-এর নির্বাহী সম্পাদক নাজমুল হাসান।এ সময় অধ্যক্ষ বদিউজ্জামাল দুর্জয় বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি গ্রামীণ সংস্কৃতির চর্চা ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন করতেই এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে আমরা নিয়মিত এমন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছি।’

৩০ জানুয়ারী ২০২৬ দুপুর ১২:৫২:৩৯

আজ বিশ্ব ডাক দিবস
আজ বিশ্ব ডাক দিবস
৯ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯:০০


বিশ্বের সবচেয়ে নান্দনিক ৭ রেলস্টেশন
বিশ্বের সবচেয়ে নান্দনিক ৭ রেলস্টেশন
৪ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৫৪:০৮

সুন্দরী প্রতিযোগিতা বাতিল করে তরুণীদের জন্য বিজ্ঞান প্রতিযোগিতা চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সুন্দরী প্রতিযোগিতার পরিবর্তে তরুণীদের মেধা ও বৈজ্ঞানিক দক্ষতাকে গুরুত্ব দিতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসো। প্রচলিত সুন্দরী প্রতিযোগিতা সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এর নিয়মকানুন পর্যালোচনার উদ্যোগের মধ্যে দেশটিতে চালু হয়েছে বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতা।‘হাকিলি মুসো’ নামের এই প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছেন ৮৪ জন তরুণী। তাঁদের প্রত্যেকেই ২০২৬ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সমাপনী সনদ অর্জন করেছেন।প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আগে তরুণীদের এক সপ্তাহের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমে অংশ নিতে হয়। এরপর তাঁদের গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের ওপর পরীক্ষা নেওয়া হয়।আয়োজকদের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য, বাহ্যিক সৌন্দর্যের পরিবর্তে তরুণীদের মেধা, জ্ঞান ও বিজ্ঞানচর্চার দক্ষতাকে সামনে নিয়ে আসা। এর মাধ্যমে বিজ্ঞান শিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ ও আগ্রহ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।প্রচলিত সুন্দরী প্রতিযোগিতার পরিবর্তে বিজ্ঞানভিত্তিক এই আয়োজন দেশটিতে নারীদের প্রতিভা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।সূত্র: ব্রিফলি নিউজ

১৬ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ০৯:৪৬:২৭



আজ বিশ্ব হার্ট দিবস
আজ বিশ্ব হার্ট দিবস
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০১:০৪:৪৭

পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের বকশিগঞ্জে একসময় অনেকটা অবহেলিত ও কম পরিচিত ফসল হিসেবে পড়ে থাকলেও বর্তমানে সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল হিসেবে কৃষকদের নজর কাড়ছে শিমুল আলু বা কাসাভা। স্থানীয়ভাবে কোথাও কোথাও এটি ‘কাঠা আলু’ নামেও পরিচিত।তুলনামূলক অনুর্বর ও পাহাড়ি জমিতেও চাষ করা যায় বলে ধীরে ধীরে কৃষকদের কাছে আগ্রহের ফসল হয়ে উঠছে এটি। দেশের বিভিন্ন পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে কাসাভার চাষ হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তঘেঁষা লাউচাপড়া-বালিঝুরি সুমন্নাতপাড়া পাহাড়ি এলাকায় দেখা মিলেছে শিমুল আলুর চাষ। ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের সুমন্নাতপাড়া গ্রামের পাহাড়ের ঢালে কয়েক একর জমিতে কৃষকরা এ ফসলের আবাদ করছেন। পাহাড়ি ঢালু ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কাসাভার চাষে সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা।সুমন্নাতপাড়া গ্রামের আদিবাসী কৃষক সাগর খাগসী দীর্ঘদিন ধরে শিমুল আলুর চাষ করে আসছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও তিনি এ ফসলের আবাদ করেছেন। শুরুতে অনেকটা পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করলেও ফলন পাওয়ার পর ধীরে ধীরে তার আগ্রহ বেড়েছে।কৃষক সাগর খাগসী জানান, গত বছর তিনি অল্প জমিতে শিমুল আলুর চাষ করেছিলেন। ফলন মোটামুটি ভালো হওয়ায় এবার তিনি বড় পরিসরে চাষের সিদ্ধান্ত নেন। চলতি মৌসুমে প্রায় দুই একর জমিতে কাসাভার আবাদ করেছেন তিনি।পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের চাষ করতে যেখানে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়, সেখানে কাসাভা তুলনামূলক সহজে চাষ করা যায়। গাছের পরিচর্যাও খুব বেশি করতে হয় না। রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ তুলনামূলক কম হওয়ায় কীটনাশকের প্রয়োজনও কম পড়ে বলে জানান কৃষকরা।স্থানীয় কৃষক জসিম বলেন, আমাদের এলাকার অনেক জমি পাহাড়ি ও অনুর্বর। সব ফসল এখানে ভালো হয় না। কিন্তু শিমুল আলু এসব জমিতেও ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। পরিচর্যা কম, খরচও তুলনামূলক কম। বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে এটি আমাদের জন্য লাভজনক ফসল হতে পারে।স্থানীয় আরেক কৃষক আদিবাসী প্রবিদ জানান, কাসাভার চাষ সম্পর্কে আগে তাদের মধ্যে তেমন ধারণা ছিল না। এখন অন্য কৃষকদের চাষ দেখে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং বাজারজাতকরণে সহযোগিতা পাওয়া গেলে এ অঞ্চলে আরও বেশি কৃষক কাসাভা চাষে আগ্রহী হবেন বলে মনে করেন তিনি।শুধু কৃষকের আয় বাড়ানোর সম্ভাবনাই নয়, খাদ্য হিসেবেও কাসাভার রয়েছে উল্লেখযোগ্য পুষ্টিগুণ। কাসাভার কন্দে প্রধানত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরে শক্তির অন্যতম উৎস। এতে সামান্য পরিমাণে খাদ্যআঁশ, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদানও পাওয়া যায়। কাসাভায় থাকা কার্বোহাইড্রেটের কারণে এটি শক্তিদায়ক খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কাসাভার চাষ সম্প্রসারণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে যদি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তাহলে কৃষকরা কাঁচা কন্দ বিক্রির পাশাপাশি মূল্য সংযোজনের সুযোগও পেতে পারেন। এতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান ও কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।বকশীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, কাসাভা বা শিমুল আলু তুলনামূলকভাবে কম উর্বর ও পাহাড়ি জমিতে চাষের উপযোগী একটি ফসল। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যার মাধ্যমে এ ফসল থেকে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।তিনি বলেন, বকশীগঞ্জের পাহাড়ি এলাকার যেসব জমিতে প্রচলিত ফসলের আবাদ তুলনামূলক কঠিন, সেসব জমিতে বিকল্প ফসল হিসেবে কাসাভা চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা যদি ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পান, তাহলে ভবিষ্যতে এ ফসলের আবাদ আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, কাসাভা চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হবে। পাশাপাশি উৎপাদন, ফলন, বাজারজাতকরণ ও কৃষকের লাভ-ক্ষতির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে এ ফসলের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে।

৩ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:২৮:০৭