• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ১৯শে আশ্বিন ১৪৩৩ রাত ০৩:৩৭:১৯ (05-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:
এক বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারের চেহারা বদলে যাবে : অর্থমন্ত্রী

এক বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারের চেহারা বদলে যাবে : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, পুঁজিবাজার পুনরুজ্জীবিত ও প্রসারিত করতে ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের চেহারা বদলে যাবে।তিনি বলেন, ‘আমরা সামগ্রিক উদ্যোগের মাধ্যমে পুঁজিবাজারকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছি। ইনশাআল্লাহ, আগামী এক বছরের মধ্যে আপনারা বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের পরিবর্তিত চেহারা দেখতে পাবেন।’৪ অক্টোবর রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব সিকিউরিটিজ কমিশনস (আইওএসসিও)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন ।বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান, মাসুদ খান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক) তানভীর শাহরিয়ার গনি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন।অর্থমন্ত্রী আমির খসরু বলেন, পুঁজিবাজার শক্তিশালী করতে সরকার ইতোমধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অটোমেশন, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) প্রতিষ্ঠা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।তিনি বলেন, ‘কিছু প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন হয়েছে, অটোমেশন চালু হয়েছে, সিডিবিএল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং অবকাঠামো গড়ে উঠেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে পরবর্তীতে বিষয়গুলো সেভাবে এগোয়নি।’অর্থমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে এখন বাস্তব ভিত্তিক ‘উদ্ধার কার্যক্রম’ ও ‘পুনরুদ্ধার কার্যক্রম’ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে কোনো কোনো অংশীজনের জন্য কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।তিনি বলেন, প্রচলিত অর্থায়নের উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে বাংলাদেশ এখন তার আর্থিক কাঠামোতে মৌলিক পরিবর্তনের দিকে এগোচ্ছে। ‘আমরা বাংলাদেশের আর্থিক কাঠামো পরিবর্তন করছি’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার দেশের সরকারি অর্থব্যবস্থা এবং বেসরকারি খাতে অর্থায়নের কাঠামোও পরিবর্তন করতে চায়। উচ্চ সুদে ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের সুযোগ তৈরি করতে হবে।বিশ্বমানের অর্থনীতির সঙ্গে তাল মেলাতে হলে আমাদের এখন ‘হাই স্ট্রিট থেকে ওয়ার্ল্ড স্ট্রিট’-এর দিকে যাত্রা করতে হবে। আমাদের দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের জন্য বন্ড মার্কেট, ডেরিভেটিভস, সিকিউরিটাইজেশন এবং ইক্যুইটি মার্কেটের ওপর জোর দিতে হবে।আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রসঙ্গ তুলে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বৈদেশিক অর্থায়নের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে হবে।তিনি বলেন, ‘আমরা আইএমএফ কর্মসূচি বাতিল করেছি। কারণ তাদের শর্তগুলো আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না।’মন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও আন্তর্জাতিক বাজারের ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গিয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে ওয়াল স্ট্রিটে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের রূপান্তর ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপে প্রখ্যাত বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা গভীর আস্থা প্রকাশ করেছেন।তিনি বলেন, ‘নিউইয়র্কে আমরা ডলার বন্ড এবং হংকংয়ে বাংলাদেশ ডেডিকেটেড ফান্ড প্রবর্তনের উদ্যোগ নিচ্ছি। পাশাপাশি সামুরাই বন্ড ও প্যান্ডা বন্ডের মতো বৈশ্বিক ফাইন্যান্সিয়াল প্রোডাক্টের মাধ্যমে বাংলাদেশের পাবলিক ও প্রাইভেট সেক্টরের ফাইন্যান্সিং স্ট্রাকচার বদলে দেওয়া হবে। ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার যে স্বপ্ন আমরা দেখছি, তার জন্য প্রতি বছর প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রয়োজন, যা কেবল গতানুগতিক বৈদেশিক ঋণ দিয়ে সম্ভব নয়।’তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের আর্থিক কাঠামো পরিবর্তন করছি।’ আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের সক্ষমতা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে হবে।খসরু বলেন, ‘শুধু বিএসইসি’র একক প্রচেষ্টায় পুঁজিবাজারের উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিএসইসি একা এটি করতে পারবে না। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, ব্যাংক, বীমা কোম্পানি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ব্যাংক, আর্থিক প্রতিবেদন-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, হিসাবরক্ষক, স্টক এক্সচেঞ্জ, ব্রোকারসহ পুঁজিবাজারের সব অংশীজন গুরুত্বপূর্ণ।  তিনি বলেন, অতীতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো অনেকটা বিচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছে। সবাই দ্বীপের মতো, আলাদা আলাদা খণ্ডে কাজ করেছে। প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গায় কাজ করেছে,কিন্তু তারা কখনো পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল না। সমন্বিত উদ্যোগের অভাব বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের অন্যতম প্রধান দুর্বলতা হিসেবে রয়ে গেছে।‘আমাদের কখনো সমন্বিত উদ্যোগ ছিল না’- উল্লেখ করে তিনি একটি টেকসই পুঁজিবাজারের পরিবেশ গড়ে তুলতে সব অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানান।আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পুঁজিবাজারকে বর্তমান নাজুক অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটানোর লক্ষ্যে এটির পুনর্গঠন ও শক্তিশালী করতে বাজার সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডারদের স্বতঃস্ফূর্ত সেলফ-রেগুলেশন এবং সুশাসন চর্চার প্রয়োজন।তিনি বলেন, ‘আমরা যদি পরিবেশ তৈরি করতে পারি, তাহলে কোম্পানির কোনো অভাব নেই। তারা অপেক্ষা করছে।’ বহুজাতিক কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ বিবেচনা করছে এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দেশের পুঁজিবাজার নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে।তবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে পেশাদারিত্ব, স্বচ্ছতা, কার্যকর নিয়ন্ত্রণ এবং সব অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।অতীতের ব্যর্থতা নিয়ে আলোচনা করে সময় নষ্ট না করে পুঁজিবাজারের সব অংশীজনকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান অর্থমন্ত্রী।সংস্কার কার্যক্রম সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে পুঁজিবাজার আরও শক্তিশালী হবে এবং বাংলাদেশের আর্থিক কাঠামোর বৃহত্তর পরিবর্তনে অবদান রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

৬ ঘন্টা আগে


















































সখীপুরে গাঁজাসহ কৃষকদল নেতাসহ গ্রেফতার ৩

সখীপুরে গাঁজাসহ কৃষকদল নেতাসহ গ্রেফতার ৩

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের সখীপুরে ১০০ কেজি গাঁজাসহ ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১৪।৪ অক্টোবর রোববার ভোরে উপজেলার বেতুয়া তিন রাস্তার মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে একটি কাভার্ডভ্যান ও মোটরসাইকেলে তল্লাশি চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতাররা হলেন—মো. আশরাফুল আলম (৩৯), জেলা-ময়মনসিংহ, মো. রাজু ইসলাম (৩০), জেলা-কুমিল্লা এবং বহেড়াতৈল ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক হেলাল মিয়া (৪২)।এসআরবি-১৪ -এর মিডিয়া অফিসার নাদিয়া ফারজানা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেতুয়া এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। তল্লাশির এক পর্যায়ে কাভার্ডভ্যানে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত কাভার্ডভ্যান, মোটরসাইকেল, নগদ টাকা এবং তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।এসআরবি-১৪ জানায়, গ্রেফতার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিলেন। এর একটি আভিযানিক দল সখিপুর থানাধীন বেতুয়া তিন রাস্তার মোড়ে পাকা রাস্তায় চেকপোস্ট স্থাপন করে। এ সময় একটি কাভার্ডভ্যান ও সেটিকে স্কট (পাহারা) করে নিয়ে আসা একটি মোটরসাইকেল তল্লাশি করা হয়। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা কাভার্ডভ্যানে অবৈধ মাদক থাকার কথা স্বীকার করে। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাভার্ডভ্যানে বিশেষ কায়দায় প্লাস্টিকের বস্তায় লুকিয়ে রাখা ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সাথে মাদক বহনে ব্যবহৃত কাভার্ডভ্যান, মোটরসাইকেল, নগদ টাকা এবং ৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করে আভিযানিক দল।প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, গ্রেফতার কারবারিরা দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা দেশের বিভিন্ন এলাকা হতে সংগ্রহ করে নিজ হেফাজত ও নিয়ন্ত্রণে রেখে টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে আসছিল। মাদক কারবারির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর থানায় আলামতসহ মাদককারবারিদের হস্তান্তর করা হয়েছে।সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

৪ অক্টোবর ২০২৬ রাত ০৯:৪৩:১৪
১০ এয়ারবাস কিনতে ৭ অক্টোবর চুক্তি করবে বিমান

১০ এয়ারবাস কিনতে ৭ অক্টোবর চুক্তি করবে বিমান

অনলাইন ডেস্ক: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জন্য ১০টি এয়ারবাস উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি আগামী ৭ অক্টোবর ঢাকায় সই হবে। এয়ারবাস ইন্ডিয়া অ্যান্ড সাউথ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুর্গেন ওয়েস্টারমেয়ার এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কাইজার সোহেল আহমেদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করবেন।৪ অক্টোবর রোববার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।জানা গেছে, চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির উপস্থিত থাকবেন। রাজধানীর র‍্যাডিসন হোটেলে বুধবার সন্ধ্যায় এ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে।চুক্তির আওতায় চারটি এয়ারবাস এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজ এবং ছয়টি এ৩২১নিও উড়োজাহাজ কেনা হবে। এর মধ্যে এ৩৫০-৯০০ দীর্ঘপাল্লার উড়োজাহাজ এবং এ৩২১নিও আঞ্চলিক ও মাঝারি দূরত্বের রুটে ব্যবহারের জন্য উপযোগী।বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এর আগে বাংলাদেশ ১০টি এয়ারবাস কিনবে বলে জানিয়েছিলেন। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা ১০টি এয়ারবাস কিনছি। ইনশাআল্লাহ, অক্টোবরে চুক্তি হবে।’মন্ত্রী জানিয়েছেন, এয়ারবাসগুলোর সরবরাহ ২০৩৩ সালে শুরু হতে পারে এবং ২০৩৬ বা ২০৩৭ সাল পর্যন্ত তা চলতে পারে। তবে এয়ারবাস কেনার এই চুক্তির মোট বাণিজ্যিক মূল্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।চারটি এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজ বিমানের ভবিষ্যৎ দূরপাল্লার আন্তর্জাতিক রুটে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। আর ছয়টি এ৩২১নিও দিয়ে আঞ্চলিক ও মাঝারি দূরত্বের যাত্রী চাহিদা পূরণ করা হতে পারে। এতে যেখানে বড় উড়োজাহাজের প্রয়োজন নেই, সেখানে তুলনামূলক কম ধারণক্ষমতার উড়োজাহাজ ব্যবহার করা সম্ভব হবে।এই চুক্তির মধ্য দিয়ে বিমানের বহরে বোয়িংয়ের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের এয়ারবাস উড়োজাহাজ যুক্ত হবে। অতীতে বিমানের বহরে এয়ারবাসের উড়োজাহাজ থাকলেও বর্তমানে সংস্থাটির জেট উড়োজাহাজের বেশির ভাগই বোয়িংয়ের তৈরি। ফলে এ৩৫০ ও এ৩২১নিও যুক্ত হলে বিমান বোয়িং ও এয়ারবাস দুই নির্মাতার উড়োজাহাজের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে।এদিকে, এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তিটি বিমানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ। এর আগে বিমান আটটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজসহ মোট ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে সম্মত হয়েছিল।পরে এই ক্রয় পরিকল্পনায় আরও ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ যুক্ত হয়। এর মধ্যে পাঁচটি ৭৮৭-১০ এবং ছয়টি ৭৩৭-৮। এতে বিমানের পরিকল্পিত বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫টি।এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনাও বাস্তবায়িত হলে বিমানের দীর্ঘমেয়াদি ক্রয় পরিকল্পনায় নতুন বোয়িং ও এয়ারবাস উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াবে মোট ৩৫টি। এর মধ্যে ১৯টি হবে ওয়াইড-বডি এবং ১৬টি ন্যারো-বডি উড়োজাহাজ।নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজগুলো হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি সক্ষমতার চাহিদা পূরণে উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার ব্যবস্থাও বিবেচনা করছে বিমান।এয়ারবাসের সঙ্গে ৭ অক্টোবরের চুক্তি সই হলে বিমানের দীর্ঘমেয়াদি বহর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ পরিকল্পনায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ যুক্ত হবে। একই সঙ্গে এত দিন বোয়িংনির্ভর ক্রয় পরিকল্পনায় আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হবে এয়ারবাসও। 

৪ অক্টোবর ২০২৬ রাত ০৯:০৭:০৮








ময়মনসিংহে জনতার মুখোমুখি সিটি প্রশাসক রোকন

ময়মনসিংহে জনতার মুখোমুখি সিটি প্রশাসক রোকন

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ভাঙাচোরা সড়ক, ড্রেনেজ সংকট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থা ও যানজটসহ নানা নাগরিক সমস্যা নিয়ে সরাসরি প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় ছয় মাস পর প্রথমবারের মতো জনতার মুখোমুখি হয়ে নাগরিকদের বিভিন্ন অভিযোগ ও প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার নগরীর টাউন হল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বিশেষ প্রশ্নোত্তর পর্বে নাগরিকরা নিজ নিজ এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। প্রায় আড়াই ঘণ্টার এ আয়োজনে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীসহ অর্ধশতাধিক নাগরিক অংশ নেন।নাগরিকদের প্রশ্নের জবাবে সিটি প্রশাসক স্বীকার করেন, নগরের যানজট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এখনো প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জিত হয়নি। যানজট নিয়ন্ত্রণে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে শিগগিরই কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এ জন্য নগরবাসীরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। প্রতিটি পরিবার ও নাগরিককে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।প্রশ্নোত্তর পর্বে নগর ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালুর পরিকল্পনাও তুলে ধরেন সিটি প্রশাসক। তিনি জানান, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন সেবা ডিজিটাল করার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে যানবাহনের রুট পারমিট ও ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থাপনাকেও অটোমেশনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।আয়োজনে নাগরিকরা বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরার পাশাপাশি সেগুলো সমাধানে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগ ও বাস্তবায়নের সময়সীমা নিয়েও প্রশ্ন করেন। জবাবে প্রশাসক চলমান কার্যক্রমের পাশাপাশি নগর উন্নয়নে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।দায়িত্ব গ্রহণের পর নাগরিকদের সঙ্গে সরাসরি এমন প্রশ্নোত্তর আয়োজনকে সিটি প্রশাসনের সঙ্গে নগরবাসীর যোগাযোগ বৃদ্ধির একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

১ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ০৯:২৪:১১
প্রায় ১০ হাজার প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠাল সৌদি

প্রায় ১০ হাজার প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠাল সৌদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রেসিডেন্সি, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে এক সপ্তাহে ৯ হাজার ৯৯২ জন প্রবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়ে সৌদি আরব। ৩ অক্টোবর শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর গালফ নিউজের।গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর যৌথ অভিযানের পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। সাত দিনের এই অভিযানে মোট ১১ হাজার ৮১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৭৯৩ জন আকামা বা আবাসন সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন, ৩ হাজার ৩০৭ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন ভঙ্গ এবং ২ হাজার ৭১৯ জন শ্রম আইন অমান্যের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন।মন্ত্রণালয় জানায়, ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য ১৯ হাজার ৮৯৩ জনকে স্ব স্ব কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। আরও ৪ হাজার ৯১ জন দেশত্যাগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছেন।এ ছাড়া আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে বর্তমানে ৩২ হাজার ১৩৯ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর মধ্যে ২৯ হাজার ৯৩৪ জন পুরুষ এবং ২ হাজার ২০৫ জন নারী।এদিকে অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টাকালে ১ হাজার ৩৮২ জনকে আটক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। আটককৃতদের মধ্যে ৬১ শতাংশ ইথিওপিয়ার নাগরিক, ৩৮ শতাংশ ইয়েমেনের এবং অবশিষ্ট ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। একই সময়ে দেশ থেকে অবৈধভাবে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে আরও ৩২ জন ধরা পড়েছেন।

৪ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৪০:১০

সৌদিতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ সতর্কতা
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৪২:০৫
নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
নতুন ওয়েব ফিল্মে পরীমনি
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:১০:৪২

কানাডায় নতুন সিনেমায় জায়েদ খান
কানাডায় নতুন সিনেমায় জায়েদ খান
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:২৬:২৮


মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মেহজাবীন
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:৫৪

ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ
ভক্তদের হৃদয়ে আজও অমলিন সালমান শাহ

বিনোদন ডেস্ক: নব্বই দশকের তুমুল জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ। বাংলা চলচ্চিত্রের ‘স্বপ্নের নায়ক’ হিসেবে যিনি আজও দর্শকদের হৃদয়ে অমলিন। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পাওয়া এই নায়কের ৫৫তম জন্মদিন আজ।১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন সালমান শাহ। তার আসল নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে তিনি।টেলিভিশন নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন সালমান শাহ। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তার অভিনয়জীবনের শুরু। এরপর ‘দেয়াল’, ‘সব পাখি ঘরে ফেরে’, ‘সৈকতে সারস’, ‘নয়ন’ ও ‘স্বপ্নের পৃথিবী’সহ বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেন।১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। স্বল্প সময়ের ক্যারিয়ারে একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়ে নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক হয়ে ওঠেন।চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর জুটি দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তার অভিনীত ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টিতে শাবনূর নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেন। তাদের জুটি বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি হিসেবে দর্শকদের কাছে আজও স্মরণীয়।সালমান শাহর উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে—‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘জীবন সংসার’, ‘প্রেম প্রিয়াসী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভেতর আগুন’।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে মারা যান সালমান শাহ। তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। তবে মৃত্যুর এত বছর পরও তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। জন্মদিনে ভক্ত ও চলচ্চিত্রপ্রেমীরা নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করছেন বাংলা চলচ্চিত্রের এই অকালপ্রয়াত নায়ককে।

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:১৯:৪৪
অভিনেতা দিনো মোরিয়াকে গ্রেফতার
অভিনেতা দিনো মোরিয়াকে গ্রেফতার
২ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:১৭:৫৪

বক্স অফিসে ঝড়, ২০০ কোটির ক্লাবে ‘মির্জাপুর’
বক্স অফিসে ঝড়, ২০০ কোটির ক্লাবে ‘মির্জাপুর’
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৩:৪৯:২৭

দীপিকার সঙ্গে করা যে সিনেমাকে ‘ভুল’ বললেন সাইফ
দীপিকার সঙ্গে করা যে সিনেমাকে ‘ভুল’ বললেন সাইফ
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১১:৪০:০২

এবার তামান্নার সঙ্গে ঘনিষ্ট দৃশ্যে সিদ্ধার্থ!
এবার তামান্নার সঙ্গে ঘনিষ্ট দৃশ্যে সিদ্ধার্থ!
৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৪:০৫:১২

রেকর্ড গড়লেন অজয়ের দৃশ্যম ৩
রেকর্ড গড়লেন অজয়ের দৃশ্যম ৩

বিনোদন ডেস্ক: বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে অজয় দেবগন অভিনীত ‘দৃশ্যম ৩: দ্য কনক্লুশন’। গান্ধীজয়ন্তীর ছুটির দিনে, ২ অক্টোবর মুক্তির পর বিশ্বব্যাপী প্রথম দিনেই ৯৫ কোটি ১০ লাখ রুপি আয় করেছে ছবিটি।ভারতে ছবিটির নিট আয় ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি ১০ লাখ রুপি। বিদেশের বাজার থেকে এসেছে আরও ১৫ কোটি রুপি।এর মধ্য দিয়ে অজয় দেবগনের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় উদ্বোধনী আয় করা সিনেমা হয়ে গেল ‘দৃশ্যম ৩’। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় হিন্দি সিনেমার উদ্বোধনী ব্যবসাও এটি।প্রথম দিনেই ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি নিট আয় করে অজয়ের আগের সব বড় ওপেনিংকে পেছনে ফেলেছে ‘দৃশ্যম ৩’। এত দিন অভিনেতার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় উদ্বোধনের রেকর্ড ছিল ২০২৪ সালের ‘সিংহাম এগেইন’-এর দখলে। রোহিত শেঠি পরিচালিত সিনেমাটি প্রথম দিনে ভারতে আয় করেছিল প্রায় ৪৩ কোটি ৫০ লাখ রুপি।অজয়ের অন্য বড় ওপেনিংগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘সিংহাম রিটার্নস’ ৩২ কোটি ১০ লাখ, ‘গোলমাল এগেইন’ ৩০ কোটি ১৫ লাখ এবং ‘রেইড ২’ ১৯ কোটি ২৫ লাখ রুপি। অর্থাৎ আগের রেকর্ড শুধু ভাঙেনি ‘দৃশ্যম ৩’, তৈরি করেছে বড় ব্যবধানও।অজয়ের ব্যক্তিগত রেকর্ড ছাড়িয়ে সিনেমাটি জায়গা করে নিয়েছে হিন্দি সিনেমার বড় উদ্বোধনের তালিকাতেও। প্রথম দিনের ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি আয় দিয়ে শাহরুখ খানের ‘পাঠান’ ও রণবীর কাপুরের ‘অ্যানিমেল’-এর উদ্বোধনী আয়কে পেছনে ফেলেছে ছবিটি। ‘পাঠান’ প্রথম দিনে আয় করেছিল ৫৭ কোটি রুপি। অন্যদিকে ‘অ্যানিমেল’-এর আয় ছিল প্রায় ৬৩ কোটি রুপি।তবে হিন্দি সিনেমার সর্বকালের সবচেয়ে বড় উদ্বোধনের রেকর্ড এখনো ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজির সিনেমাগুলোর দখলে। তাই ‘দৃশ্যম ৩’কে বলিউডের সর্বকালের সবচেয়ে বড় ওপেনার বলা যাচ্ছে না। তবে সাম্প্রতিক হিন্দি সিনেমাগুলোর মধ্যে এর উদ্বোধন যে বড়, তা স্পষ্ট।‘দৃশ্যম ৩’-এর প্রথম দিনের ব্যবসার আভাস অবশ্য পাওয়া গিয়েছিল মুক্তির আগেই। ২৭ সেপ্টেম্বর শুরু হয় সিনেমাটির অগ্রিম টিকিট বিক্রি। মুক্তির আগেই শুধু অগ্রিম বুকিং থেকে আয় ৫০ কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৩ লাখের বেশি টিকিট আগাম বিক্রি হয়েছিল।ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছিল, অগ্রিম বুকিংয়ের গতি দেখে প্রথম দিনেই ৫০ কোটি রুপি আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের উপস্থিতি সেই প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে যায়।প্রথম দিনে ভারতে সিনেমাটির ১৫ হাজার ৭৫৯টির বেশি শো হয়েছে। সকালে আসন পূর্ণতার হার ছিল ৪৬.৩৮ শতাংশ। দুপুরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭০.১৫ শতাংশে। সন্ধ্যায় ৭৫.৩১ এবং রাতে ৭৬.৪৬ শতাংশে পৌঁছায়। পুরো দিনের গড় আসন পূর্ণতার হার ছিল ৬৭.০৮ শতাংশ।মুক্তির আগে বাণিজ্য বিশ্লেষকদের অনেকেই ধারণা করেছিলেন, প্রথম দিনে ‘দৃশ্যম ৩’ ২৫ থেকে ৩০ কোটি রুপি আয় করতে পারে। কিন্তু অগ্রিম বুকিংয়ের গতি সেই হিসাব বদলে দেয়।২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম ‘দৃশ্যম’ প্রথম দিনে আয় করেছিল মাত্র ৫ কোটি ৮৫ লাখ রুপি। পরে দর্শকের মুখে মুখে সিনেমাটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিশ্বব্যাপী ছবিটির আয় দাঁড়ায় প্রায় ১১০ কোটি রুপি। এরপর ২০২২ সালে মুক্তি পায় ‘দৃশ্যম ২’। প্রথম দিনে ছবিটির আয় ছিল ১৫ কোটি ৩৮ লাখ রুপি। শেষ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী সিনেমাটি প্রায় ৩৪২ কোটি রুপি আয় করে।আর এবার তৃতীয় কিস্তির প্রথম দিনের নিট আয় ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। অর্থাৎ ২০১৫ সালের প্রথম কিস্তির উদ্বোধনী আয়ের তুলনায় ‘দৃশ্যম ৩’-এর প্রথম দিনের আয় ১১ গুণেরও বেশি। দ্বিতীয় কিস্তির তুলনায় তা চার গুণেরও বেশি। এক দশকে একটি সিনেমা সিরিজ কীভাবে বড় ফ্র্যাঞ্চাইজিতে পরিণত হতে পারে, এই পরিসংখ্যান তারই প্রমাণ।‘দৃশ্যম ৩’-এ অজয় দেবগনের সঙ্গে সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন শ্রিয়া শরণ, ইশিতা দত্ত, মৃণাল যাদব, জয়দীপ আহলাওয়াত, তাবু ও প্রকাশ রাজ প্রমুখ।সূত্র: নিউজ নাইন

৩ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:১৮
ভক্তদের জন্য জেনিফার লরেন্সের অদ্ভুত সতর্কবার্তা
ভক্তদের জন্য জেনিফার লরেন্সের অদ্ভুত সতর্কবার্তা

বিনোদন ডেস্ক: দীর্ঘদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকার পর অবশেষে ইনস্টাগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে হাজির হয়েছেন অস্কারজয়ী হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স। ৯ সেপ্টেম্বর অ্যাকাউন্ট খোলার পর ১০ সেপ্টেম্বর প্রথম ভিডিও প্রকাশ করেন ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’খ্যাত এই তারকা। আর প্রথম পোস্টেই ভক্তদের উদ্দেশে দিয়েছেন মজার এক সতর্কবার্তা।প্রথম ভিডিওতে জেনিফার জানান, কেউ নেতিবাচক মন্তব্য করলে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই ইনস্টাগ্রাম ছেড়ে দেবেন। এমনকি কেউ খারাপ কিছু ভাবলেও তিনি তা বুঝতে পারবেন—এমন রসিকতাও করেন অভিনেত্রী।ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতেও একই ধরনের মজার বার্তা দেন জেনিফার। সেখানে তিনি নেতিবাচক বা আক্রমণাত্মক মন্তব্য না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এসব মন্তব্য ‘বাচ্চার’ ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এরপর মজা করে নিজেকেই সেই ‘বাচ্চা’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেনিফারের অভিষেক ঘিরে ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। এক দিনের মধ্যেই তাঁর অনুসারীর সংখ্যা ৩৭ লাখ ছাড়িয়েছে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। তাঁর ব্যবহার করা নামও রয়েছে ‘জেলঅ’, কারণ ‘জেনিফার লরেন্স’ নামের অ্যাকাউন্টটি আগেই নেওয়া ছিল।প্রোফাইল ছবিতেও নিজের পরিচিত তারকাসুলভ গ্ল্যামারের বদলে মজার ছাপ রেখেছেন জেনিফার। চুলে হেয়ার ফয়েল লাগানো অবস্থায় তোলা একটি স্বাভাবিক ছবিই তিনি প্রোফাইল ছবি হিসেবে ব্যবহার করেছেন।বছরের পর বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় না থাকলেও জেনিফার আগে জানিয়েছিলেন, তিনি গোপনে এসব মাধ্যম দেখতেন, তবে প্রকাশ্যে অংশ নিতেন না। এবার ইনস্টাগ্রামে পা রেখেই তাঁর এমন রসিক সতর্কবার্তা ভক্তদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।সূত্র: এনডিটিভি

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০:২০:১২
আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার পেলেন যারা
আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার পেলেন যারা
২৬ নভেম্বর ২০২৪ বিকাল ০৩:২৭:৩১

৯৬তম অস্কার জিতল ‘ওপেনহাইমার’
৯৬তম অস্কার জিতল ‘ওপেনহাইমার’
১১ মার্চ ২০২৪ সকাল ১০:১১:৪৫

হলিউডে অভিষেক হচ্ছে ওবামাকন্যা মালিয়ার
হলিউডে অভিষেক হচ্ছে ওবামাকন্যা মালিয়ার
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বিকাল ০৫:৪৭:৩২

চলে গেলেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা টম উইলকিনস
চলে গেলেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা টম উইলকিনস
৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ দুপুর ০১:২৬:১৬

বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন কিরণ রাও

বিনোদন ডেস্ক: সময়ের সঙ্গে বদলেছে প্রেম ও সম্পর্কের সংজ্ঞা। আগের প্রজন্মের তুলনায় বর্তমান প্রজন্মের তরুণরা প্রেম ও সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক বেশি স্বাধীন। বিয়ের আগে দুজন মানুষের মধ্যে গভীর মানসিক কিংবা শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হওয়াকেও এখন আগের মতো অস্বাভাবিকভাবে দেখা হয় না। নতুন প্রজন্মের সম্পর্কের এই পরিবর্তন নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন পরিচালক কিরণ রাও।‘লাস্ট স্টোরিজ ৩’-এর প্রচারে এক সাক্ষাৎকারে তরুণ প্রজন্মের প্রেম ও সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন কিরণ। তার পরিচালিত গল্পে নতুন প্রজন্মের প্রেমের যে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে, সেই প্রসঙ্গেই তাকে প্রশ্ন করা হয়-তরুণরা কি প্রেমের ক্ষেত্রে কিছুটা হালকা মনোভাবাপন্ন? একজন পরিচালক এবং সাধারণ মানুষ হিসেবে তাদের সম্পর্ককে কীভাবে দেখেন তিনি?জবাবে কিরণ জানান, বর্তমান প্রজন্মকে ‘হালকা’ না বলে বরং স্বাধীনচেতা বলা উচিত। তার মতে, আগের প্রজন্মের তুলনায় এখনকার তরুণদের নিজেদের অনুভূতি প্রকাশের ধরন অনেকটাই বদলে গেছে।কিরণ বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমাদের প্রজন্মের তুলনায় এখনকার তরুণদের মধ্যে অনেক বেশি স্বাধীনতা। নিজেদের প্রকাশ করার ধরনও বদলে গেছে। পৃথিবীটাও এখন অনেকটা আলাদা। আমরা সেই পরিবর্তনটাই গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরতে চেয়েছি।’নতুন প্রজন্মের সম্পর্কের ধরন ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কিরণ জানান, দুজন তরুণ-তরুণী একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট হলেও তারা কোনো সম্পর্কে আবদ্ধ নাও থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে তারা পরবর্তী সময়ে কী সিদ্ধান্ত নেবে, সেখান থেকেই তৈরি হতে পারে নানা অপ্রত্যাশিত ঘটনা। আর এই জায়গাটিকেই গল্পের অন্যতম আকর্ষণ বলে মনে করেন তিনি।তার ভাষায়, ‘দুজন তরুণ-তরুণী একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট। তারা কোনো সম্পর্কে আবদ্ধ নয়। এরপর তারা কী করবে, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের কিছু সিদ্ধান্তের কারণে হঠাৎ নানা অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে যেতে পারে। আমার মনে হয়, এর মধ্যেই মজাটা লুকিয়ে আছে।’আগের প্রজন্মের সঙ্গে বর্তমান সময়ের প্রেম ও সম্পর্কের পার্থক্যও তুলে ধরেন কিরণ। তার মতে, একটা সময় সামাজিকভাবে নির্দিষ্ট ধরনের সম্পর্ককেই স্বাভাবিক বলে মনে করা হতো। বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি তো ছিলই না, এমনকি বিয়ের পরও সম্পর্কের বাইরে অন্য কারও সঙ্গে মানসিক ঘনিষ্ঠতাকে সহজভাবে দেখা হতো না।এ প্রসঙ্গে কিরণ বলেন, ‘আমাদের সময়ে মানুষের কাছ থেকে নির্দিষ্ট ধরনের সম্পর্কেরই প্রত্যাশা করা হতো। বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক তো ছিলই না, এমনকি বিয়ের পরেও সেই সম্পর্কের বাইরে অন্য কারও সঙ্গে মানসিকভাবে জড়িয়ে পড়াকে সহজভাবে দেখা হতো না। এখন সেই পরিস্থিতি আর নেই।’নতুন প্রজন্মের প্রেম ও সম্পর্কের এই পরিবর্তনই নিজের কাজের মাধ্যমে তুলে ধরতে চান কিরণ রাও। তার মতে, সময় বদলানোর সঙ্গে মানুষের অনুভূতি প্রকাশের ধরনও বদলেছে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে পুরোনো বাঁধাধরা নিয়মের বাইরে গিয়ে তরুণরা যেভাবে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করছে, সেই স্বাধীনতা ও পরিবর্তনকেই গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরতে চেয়েছেন তিনি।

৪ অক্টোবর ২০২৬ রাত ০৯:০২:৩৭
তারকা হওয়ার স্বপ্নে নামটাই ছেঁটে ফেলেন ইধিকা
তারকা হওয়ার স্বপ্নে নামটাই ছেঁটে ফেলেন ইধিকা
৩ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:০৫:১৯

রেকর্ড গড়লেন অজয়ের দৃশ্যম ৩
রেকর্ড গড়লেন অজয়ের দৃশ্যম ৩
৩ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯:১৮


পূজায় আসছে ‘চিরকুট’, এলো পোস্টার
পূজায় আসছে ‘চিরকুট’, এলো পোস্টার
৩ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১১:৩৬:০৫

ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, ব্যক্তিগত কারণে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি-এ কথা আগেও বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত যেন আর নেওয়া না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকা হবে।৪ অক্টোবর রোববার সচিবালয়ে ক্রীড়া কার্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদেরকে সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।সভায় ক্রীড়াবিদদের বিভিন্ন নাগরিক ও পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়। রেলপথ, বিমান ও সড়কপথসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্রীড়াবিদদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্রীড়াবিদরা যাতে আশা নিয়ে খেলতে পারেন এবং তাদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত হয়, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।ক্রীড়াবিদদের সহায়তার অংশ হিসেবে এরই মধ্যে দেশের ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাদের ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এখনো এই সংখ্যা পূর্ণ হয়নি। যোগ্য ও ভালো ক্রীড়াবিদ পাওয়া গেলে তাদেরও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, শিগগিরই আরও ৯৫ জন ক্রীড়াবিদকে এই কার্যক্রমের আওতায় নতুন করে সংযোজন করা হবে। এরই মধ্যে ৩১ জনকে ভাতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে প্রতি চার মাস পরপর মূল্যায়ন করে তালিকা হালনাগাদ করা হবে। ফলে প্রতি চার মাস পরপর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে কেউ তালিকা থেকে বাদ পড়বেন, আবার নতুন ক্রীড়াবিদদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদানের জন্য সরকার ২০০ কোটি টাকা আলাদাভাবে বরাদ্দ দিয়েছে বলেও জানান তিনি। এই অর্থের মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের আরও ভালো প্রস্তুতির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছর পর অলিম্পিকে পদকের জন্য লড়াই করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হবে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এশিয়ান গেমসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে বছরব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ক্রীড়াবিদদের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার কাজ করবে বলে জানান তিনি।

৪ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ১২:৩২:৩৮
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বাস্তব জ্ঞান ও গবেষণার দৃঢ় চর্চা করার উদ্দেশ্যেই ২০২৩ সালের ১২ মার্চ থেকে জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়।গত ২ সেপ্টেম্বর সোমবার ক্লাবের দ্বিতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা কর হয়, যেখানে সভাপতির দায়িত্ব নেন আবদুল্লাহ আল মাহিম এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. ফয়সাল আহমেদ।এছাড়াও সহ-সভাপতি সাদিয়া হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মাইনুদ্দিন আহমেদ সাগর, দপ্তর ও প্রচারে যথাক্রমে মুক্তা বর্মন ও ফজলে আজিম মিয়াদসহ অনুষ্ঠান পরিচালকের দায়িত্ব নেন মেহেদী হাসান রাব্বি।কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান জামিউল আলম, সাব্বির হোসেন ফাহিম, হাসনাহেনা জেরিন এবং নুজাত তাবাসসুম।একাডেমিক পারদর্শিতা, সমন্বয় ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তাদেরকে জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগের মাধ্যমে শক্তিশালী করাই এই কমিটির গুরুদায়িত্ব বলে জানান নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্তরা।

৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দুপুর ০১:০৫:১৬
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:৫২:২০

খোকসায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পিঠা উৎসব
খোকসায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পিঠা উৎসব

খোকসা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য ধরে রাখতে আয়োজন করা হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী পিঠা উৎসব।২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে উপজেলার গ্লোরিয়াস কিন্ডারগার্টেন স্কুল ক্যাম্পাসে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবে পৃথক পৃথক ১৫টি স্টলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা নানা রকম পিঠাপুলির পসরা সাজিয়ে বসেন।উৎসবে প্রদর্শিত পিঠার মধ্যে ছিল পরিচিত ও নতুন ধাঁচের শতাধিক বাহারি পিঠাপুলি। প্রতিটি পিঠার ওপরে নাম ও মূল্য উল্লেখ করা ছিল। পিঠার নামগুলোও ছিল বেশ আকর্ষণীয়। শিশু শিক্ষার্থীরা বাবা-মায়ের হাত ধরে স্টল ঘুরে ঘুরে পিঠা দেখেন, নতুন পিঠা সম্পর্কে জানেন এবং স্বাদ গ্রহণ করেন। এতে পুরো স্কুল প্রাঙ্গণ রূপ নেয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।উৎসবে ভাপা পিঠা, দুধপুলি, আওলা কেশরি, পুলি, খিরুলি, পাটিসাপটা, জামাই সোহাগী, গোলাপ পিঠা, চিতই, কানমুচরি, পায়েস, পুডিং, তেল পিঠা, দুধ চিতই, ফুল পিঠা, ক্ষির, মুঠা পিঠা, রসগোলাপ ও কেকসহ শতাধিক ধরনের পিঠা প্রদর্শিত হয়। জানা-অজানা পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে শিক্ষার্থীরা ছিল দারুণ উচ্ছ্বসিত।শীতকালীন ঐতিহ্যবাহী পিঠার এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনে খুশি অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারাও। তারা প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজনের দাবি জানান।পিঠা উৎসবে এশিয়ান টেলিভিশন ও দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি পুলক সরকারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমাদুল হাসান।প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ বদিউজ্জামাল দুর্জয়ের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. শাহবুদ্দিন, মালিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূপালী ঘোষ, মরহুম আজিজুর রহমান ট্রাস্টের চেয়ারম্যান উম্মে সাইমা সাদিয়া, লোটাস চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশ্বজিৎ বিশ্বাস, মধু’স ফ্যাশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পার্থ সারথী ঘোষ এবং জার্নাল ভিশন২৪-এর নির্বাহী সম্পাদক নাজমুল হাসান।এ সময় অধ্যক্ষ বদিউজ্জামাল দুর্জয় বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি গ্রামীণ সংস্কৃতির চর্চা ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন করতেই এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে আমরা নিয়মিত এমন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছি।’

৩০ জানুয়ারী ২০২৬ দুপুর ১২:৫২:৩৯



আজ বিশ্ব হার্ট দিবস
আজ বিশ্ব হার্ট দিবস
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০১:০৪:৪৭

বিশ্বের সবচেয়ে নান্দনিক ৭ রেলস্টেশন

লাইফস্টাইল ডেস্ক: স্থাপত্য, নকশা ও আধুনিক নির্মাণশৈলীতে অনন্য বিশ্বের সাতটি রেলস্টেশনকে ২০২৬ সালের ‘প্রিক্স ভার্সাই’ আয়োজনে তুলে ধরা হয়েছে। প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে আয়োজিত এ স্বীকৃতিতে ইতালি, সৌদি আরব, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রেলস্টেশন স্থান পেয়েছে।১. মন্টে সান্ত’আঞ্জেলো স্টেশন, নেপলস, ইতালিইতালির নেপলসে অবস্থিত মন্টে সান্ত’আঞ্জেলো স্টেশনটি নকশা করেছেন বিখ্যাত শিল্পী অনিশ কাপুর ও ফিউচার সিস্টেমস। এটি মাটির প্রায় ৪৮ মিটার নিচে নির্মিত। কর্টেন স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের নকশা এবং আগ্নেয়গিরির গুহার মতো কাঠামো স্টেশনটিকে আলাদা বৈশিষ্ট্য দিয়েছে।২. কলোসেও–ফোরি ইম্পেরিয়ালি স্টেশন, রোমরোমের এই মেট্রো স্টেশনটি মাটির প্রায় ৩০ মিটার নিচে তৈরি। স্টেশন নির্মাণের সময় পাওয়া প্রাচীন রোমান নিদর্শনও এর নকশায় যুক্ত করা হয়েছে। স্টেশনের একটি বিশেষ অংশ থেকে ওপরের কলোসিয়ামের দৃশ্য দেখা যায়।৩. ন্যাশনাল মিউজিয়াম স্টেশন, রিয়াদসৌদি আরবের রিয়াদের ন্যাশনাল মিউজিয়াম স্টেশনটির নকশায় দেশটির ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের প্রভাব রয়েছে। তুওয়াইক পর্বতের আকৃতি থেকে অনুপ্রাণিত কাঠামোর পাশাপাশি ত্রিভুজাকৃতির নকশা ও আলো-ছায়ার ব্যবহার স্টেশনটির অন্যতম আকর্ষণ।৪. ওয়েস্টার্ন স্টেশন, রিয়াদসৌদি আরবের রিয়াদের ওয়েস্টার্ন স্টেশনের নকশায় মরুভূমির বালিয়াড়ির প্রভাব স্পষ্ট। বাঁকানো ছাদ ও বালুরঙা দেয়ালের পাশাপাশি স্টেশনের চারপাশে বাগান, দোকান, হাঁটার জায়গা ও একটি মসজিদ রয়েছে। ফলে এটি শুধু যাতায়াতের স্থান নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ জনপরিসর হিসেবেও তৈরি করা হয়েছে।৫. টাউন হল স্টেশন, মেলবোর্নঅস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের টাউন হল স্টেশনটি অনেকটা বিশাল ক্যাথেড্রালের মতো। এখানে গাছের আকৃতির স্তম্ভ, প্রায় ১০ মিটার উঁচু তামার ছাদ এবং প্রশস্ত প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। ভূগর্ভে থেকেও স্টেশনটিতে খোলামেলা ও আলো-বাতাসপূর্ণ পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।৬. লিওঁ পার-দিয়ু স্টেশন, ফ্রান্সফ্রান্সের লিওঁ শহরের এই স্টেশনটি আশপাশের এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ করার বিষয়টি মাথায় রেখে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে রয়েছে বড় সাইকেল পার্কিং, একাধিক স্তরের গ্যালারি এবং পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত জায়গা। ঐতিহাসিক লিওঁ শহরের স্থাপত্য থেকেও নকশায় অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে।৭. এলএএক্স/মেট্রো ট্রানজিট সেন্টার, লস অ্যাঞ্জেলেসযুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের এই ট্রানজিট সেন্টারটি প্রায় ১১ একর জায়গাজুড়ে নির্মিত। এর নকশায় আলো-বাতাসের ব্যবহার বিশেষভাবে চোখে পড়ে। লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির লাইট রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকার যোগাযোগ সহজ করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে স্টেশনটি।স্থাপত্য ও নকশার বৈচিত্র্যের কারণে এসব স্টেশন শুধু যাতায়াতের জায়গা নয়, বরং আধুনিক নগর পরিকল্পনা ও স্থাপত্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবেও নজর কেড়েছে।সূত্র: রাশ ট্যুরিজম নিউজ

৪ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৫৪:০৮
নিয়মিত ড্রাগন ফল খাওয়ার উপকারিতা
নিয়মিত ড্রাগন ফল খাওয়ার উপকারিতা
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:৩৪:০৯

মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ৫ খাবার
মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ৫ খাবার
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:০৬:০৪

আজ সিঙ্গেল দিবস
আজ সিঙ্গেল দিবস
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০১:২১:৫১


পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

পরীক্ষামূলক চাষ থেকে বাণিজ্যিক আবাদ: বকশীগঞ্জের পাহাড়ি ঢালে কাসাভার বিপ্লব

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের বকশিগঞ্জে একসময় অনেকটা অবহেলিত ও কম পরিচিত ফসল হিসেবে পড়ে থাকলেও বর্তমানে সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল হিসেবে কৃষকদের নজর কাড়ছে শিমুল আলু বা কাসাভা। স্থানীয়ভাবে কোথাও কোথাও এটি ‘কাঠা আলু’ নামেও পরিচিত।তুলনামূলক অনুর্বর ও পাহাড়ি জমিতেও চাষ করা যায় বলে ধীরে ধীরে কৃষকদের কাছে আগ্রহের ফসল হয়ে উঠছে এটি। দেশের বিভিন্ন পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে কাসাভার চাষ হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তঘেঁষা লাউচাপড়া-বালিঝুরি সুমন্নাতপাড়া পাহাড়ি এলাকায় দেখা মিলেছে শিমুল আলুর চাষ। ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের সুমন্নাতপাড়া গ্রামের পাহাড়ের ঢালে কয়েক একর জমিতে কৃষকরা এ ফসলের আবাদ করছেন। পাহাড়ি ঢালু ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কাসাভার চাষে সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা।সুমন্নাতপাড়া গ্রামের আদিবাসী কৃষক সাগর খাগসী দীর্ঘদিন ধরে শিমুল আলুর চাষ করে আসছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও তিনি এ ফসলের আবাদ করেছেন। শুরুতে অনেকটা পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করলেও ফলন পাওয়ার পর ধীরে ধীরে তার আগ্রহ বেড়েছে।কৃষক সাগর খাগসী জানান, গত বছর তিনি অল্প জমিতে শিমুল আলুর চাষ করেছিলেন। ফলন মোটামুটি ভালো হওয়ায় এবার তিনি বড় পরিসরে চাষের সিদ্ধান্ত নেন। চলতি মৌসুমে প্রায় দুই একর জমিতে কাসাভার আবাদ করেছেন তিনি।পাহাড়ি ও অপেক্ষাকৃত অনুর্বর জমিতে অন্যান্য ফসলের চাষ করতে যেখানে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়, সেখানে কাসাভা তুলনামূলক সহজে চাষ করা যায়। গাছের পরিচর্যাও খুব বেশি করতে হয় না। রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ তুলনামূলক কম হওয়ায় কীটনাশকের প্রয়োজনও কম পড়ে বলে জানান কৃষকরা।স্থানীয় কৃষক জসিম বলেন, আমাদের এলাকার অনেক জমি পাহাড়ি ও অনুর্বর। সব ফসল এখানে ভালো হয় না। কিন্তু শিমুল আলু এসব জমিতেও ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। পরিচর্যা কম, খরচও তুলনামূলক কম। বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে এটি আমাদের জন্য লাভজনক ফসল হতে পারে।স্থানীয় আরেক কৃষক আদিবাসী প্রবিদ জানান, কাসাভার চাষ সম্পর্কে আগে তাদের মধ্যে তেমন ধারণা ছিল না। এখন অন্য কৃষকদের চাষ দেখে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং বাজারজাতকরণে সহযোগিতা পাওয়া গেলে এ অঞ্চলে আরও বেশি কৃষক কাসাভা চাষে আগ্রহী হবেন বলে মনে করেন তিনি।শুধু কৃষকের আয় বাড়ানোর সম্ভাবনাই নয়, খাদ্য হিসেবেও কাসাভার রয়েছে উল্লেখযোগ্য পুষ্টিগুণ। কাসাভার কন্দে প্রধানত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরে শক্তির অন্যতম উৎস। এতে সামান্য পরিমাণে খাদ্যআঁশ, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদানও পাওয়া যায়। কাসাভায় থাকা কার্বোহাইড্রেটের কারণে এটি শক্তিদায়ক খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কাসাভার চাষ সম্প্রসারণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে যদি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তাহলে কৃষকরা কাঁচা কন্দ বিক্রির পাশাপাশি মূল্য সংযোজনের সুযোগও পেতে পারেন। এতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান ও কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।বকশীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, কাসাভা বা শিমুল আলু তুলনামূলকভাবে কম উর্বর ও পাহাড়ি জমিতে চাষের উপযোগী একটি ফসল। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যার মাধ্যমে এ ফসল থেকে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।তিনি বলেন, বকশীগঞ্জের পাহাড়ি এলাকার যেসব জমিতে প্রচলিত ফসলের আবাদ তুলনামূলক কঠিন, সেসব জমিতে বিকল্প ফসল হিসেবে কাসাভা চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা যদি ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পান, তাহলে ভবিষ্যতে এ ফসলের আবাদ আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, কাসাভা চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হবে। পাশাপাশি উৎপাদন, ফলন, বাজারজাতকরণ ও কৃষকের লাভ-ক্ষতির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে এ ফসলের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে।

৩ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:২৮:০৭