• ঢাকা
  • |
  • বুধবার ১১ই ভাদ্র ১৪৩৩ সকাল ১০:৩৮:৩৬ (26-Aug-2026)
  • - ৩৩° সে:
ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি

ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি

অনলাইন ডেস্ক: ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক-কে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।ভুটানের রাজাকে বহনকারী একটি বিশেষ বিমান সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে ২৬ আগস্ট বুধবার ভোরে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করে। বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টার অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন।এসময় রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। জবাবে ভুটানের রাজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভ কামনা জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। জবাবে ভুটানের রাজাও বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি শুভকামনা জ্ঞাপন করেন।আলাপকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি বলেন, ভুটান সবসময় আমাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে আছে। কারণ, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ ভুটান।বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের বর্তমান রাজার পিতা, রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের বিশেষ মমত্ববোধ ও শুভ কামনাও রাষ্ট্রপতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।দুই দেশের অভিন্ন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে ভুটানের রাজা শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।ভুটানের রাজা তার দূরদর্শী ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং এ উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি প্রকল্পটির প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এ অঞ্চলের রূপান্তরমূলক উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।সৌজন্য সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভুটানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে।সূত্র: ঢাকা পোস্ট

১ ঘন্টা আগে


















































পিরোজপুরে চরম সংকটে সাড়ে চার হাজার পোল্ট্রি খামার

পিরোজপুরে চরম সংকটে সাড়ে চার হাজার পোল্ট্রি খামার

পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরে পোল্ট্রি খামারিদের মুরগির খাবার দাম, উৎপাদন ব্যয়, বাজারদর ওষুধ-ভ্যাকসিন, বিদ্যুৎ ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি এর পর মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরত্ব, এ সবই এখন বাড়তি ব্যয়ের বোঝা খামারীদেরে। ফলে প্রতিটি ডিমে লোকসান গুনছেন অনেক প্রান্তিক খামারির।খামারিদের অভিযোগ, মধ্যস্বত্বভোগী ও বাজার সিন্ডিকেটের কারসাজিতে তারা ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।                                                      ডিম উৎপাদনের জন্য দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জেলা পিরোজপুর। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জানান, পিরোজপুর সদর সহ ৭ উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় সাড়ে চার হাজার পোল্ট্রি খামার রয়েছে। এসব খামারে বৎসরের উৎপাদিত হয় প্রায় ৪২ কোটি ডিম। যা দেশের এক তৃতীয় অংশ ডিমের চাহিদা পূরণ  হচ্ছে। বিশেষ করে নেছারাবাদ ও নাজিরপুরে গড়ে উঠেছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাণিজ্যিক মুরগির খামার।‌পোল্ট্রি খামারি হারুন বলেন, ডিমের উৎপাদন বাড়লেও স্বস্তিতে নেই খামারিরা। ওষুধ, বিদ্যুৎ, শ্রমিকের মজুরি, মুরগির খাবারসহ একের পর এক দাম বৃদ্ধির সঙ্গে বাজারে ডিমের দামের ওঠানামায় লোকসানের আশঙ্কায় রয়েছেন খামারিদের। একাধিক খামারিরা বলেন, একটি মুরগিকে ডিম উৎপাদনের উপযোগী করে তুলতে শুরু থেকেই নানা ধরনের ব্যয় বহন করতে হয়। বাচ্চা কেনা থেকে শুরু করে খাবার, ওষুধ, ভ্যাকসিন, বিদ্যুৎ, শ্রমিকের মজুরি—সবকিছুর খরচই এখন আগের তুলনায় বেশি।এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঋণ বা বাকিতে উপকরণ নেওয়ার কেনা। অনেক খামারি পোল্ট্রি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বাচ্চা, ওষুধ ও অন্যান্য উপকরণ বাকিতে নেন। ফলে পরবর্তীতে উৎপাদিত ডিম বিক্রির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পোল্ট্রি ব্যবসায়ীদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। প্রতি সপ্তাহে দুই দিন ডিম বিক্রি করা হয়। খামারীদের অভিযোগ ডিম ব্যবসায়ী সমিতির সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অনেক খামারিরা।পিরোজপুরে এক খামারি বলেন, “আমরা অনেক সময় বাকিতে বাচ্চা ও ওষুধ নিই। পরে ডিম বিক্রির সময় তাদের ওপর নির্ভর করতে হয়। নিজের মতো করে বাজারজাত করার সুযোগ সব সময় থাকে না।” আর এখানেই রয়েছে একটি বড় ধরনের সিন্ডিকেট"।                                পোল্ট্রি ওষুধ ব্যবসায়ীরা বলেন,“আমরাও আগের মতো দামে ওষুধ বা উপকরণ পাই না। গত ৫ বছর ধরে দাম বাডছে। আয়-ব্যয় ডিমের বাজারদর সব মিলিয়ে পুশিয়ে উঠতে না পারায় এ ব্যবসা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে অনেক খামারীরা। ডিম ব্যবসায়ীরা জানান,“খামারিদের কাছ থেকে আমরা ডিম নিয়ে থাকি বাজারে সেন্টিগ্রেটেড কারণে ডিমের ‌দামের ওঠানামা হয়।খামারীরা বলেন, সপ্তাহের নির্দিষ্ট দুই দিনে ব্যবসায়ীদের সমিতির মাধ্যমে বাজারদর নির্ধারণ করা ডিমের দাম। উৎপাদকদের স্বার্থ সব সময় বিবেচনায় নেওয়া হয় না।ডিম ও পোল্ট্রি ব্যবসায়ী মিজান বলেন,“আমরা নিজেরা ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করি না। বাজারে চাহিদা ও সরবরাহ, ডিম নষ্ট হয়ে যাওয়া, পরিবহন খরচ এবং অন্যান্য বিষয়ের ওপর দাম নির্ভর করে ব্যবসায়ী সমিতি ডিমের দাম নির্ধারণ করেন”।'স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, মধ্যস্বত্বভোগী বা ফড়িয়া ব্যবস্থায় উৎপাদক ও ভোক্তার মাঝখানে একাধিক স্তর থাকায় প্রকৃত বাজারদরের সুফল অনেক সময় খামারিরা পান না। এই অনিশ্চয়তায় উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে বিক্রয়মূল্যের সামঞ্জস্য রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন খামারিরা।আড়ৎদা ইকবাল হোসেন বলেন, “আমরাও বাজারদরের ওপর নির্ভর করে ডিম কিনি ও বিক্রি করি। পরিবহন, শ্রমিক, নষ্ট হওয়া ডিমসহ আমাদেরও বিভিন্ন খরচ রয়েছে। বাজারে দাম কমলে আমাদেরও ক্ষতি হয়।”শুধু খামারি নয়, এই শিল্পের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত শ্রমিকদের আয়-রোজগারও নির্ভর করছে খামারের টিকে থাকার ওপর”। শ্রমিক বলেন, “প্রতিদিন ভোর থেকে কাজ করতে হয়। খামারি লোকসানে পড়লে আমাদের ওপর তার প্রভাব পড়ে। “আমরা চাই সরকার উৎপাদন খরচ ও বাজারদরের মধ্যে সমন্বয় করুক। খামারি যেন ন্যায্য দাম পায় এবং ভোক্তাও যেন অযথা বেশি দামে ডিম কিনতে বাধ্য না হয়।”জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তরুণ কুমার শিকদার বলেন, পিরোজপুরের পোল্ট্রি খাত শুধু ডিম উৎপাদন করে না; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে খামারি, শ্রমিক, ওষুধ ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক, আডৎতদার ও ডিম ব্যবসায়ীদের জীবিকা। আয়-ব্যয় সমন্বয় এ শিল্পকে টিকে রাখা চেষ্টা আমাদের রয়েছে।                                                  উৎপাদন ব্যয়ের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি আর বাজারে ডিমের অস্বাভাবিক দরপতনে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছেন খামারিরা। পোল্ট্রি শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে মধ্যস্বত্বভোগী ও বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত এবং উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডিমের দাম নির্ধারণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন খামারিরা। তা না হলে সংকটে পড়তে পারে সম্ভাবনাময় এ শিল্প।

২৫ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৩০:৪৯
বুধবার স্বর্ণ বিক্রি হবে নতুন দামে

বুধবার স্বর্ণ বিক্রি হবে নতুন দামে

অনলাইন ডেস্ক: দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এবার প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম (ভ্যাটসহ) ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।জানা গেছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পিওর) স্বর্ণের দাম বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৫ আগস্ট মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে সারাদেশে এ দাম কার্যকর হয়েছে। নতুন করে আর দাম পরিবর্তন না হওয়ায় আজ বুধবার এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হবে।টানা তিন দফায় বড় বৃদ্ধিএর আগে ২২ আগস্ট ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা নির্ধারণ করেছিল। তারও আগে ২০ আগস্ট দাম বাড়ানো হয়। ফলে টানা তিন দফায় ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম মোট ১০ হাজার ৯৬৪ টাকা বেড়েছে।পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন এ দাম কার্যকর থাকবে। তবে গহনার নকশা ও কাজের ধরন অনুযায়ী মজুরি আলাদাভাবে যোগ হবে।সূত্র: নিউজ ২৪

২৬ আগস্ট ২০২৬ সকাল ০৯:৩৫:২১
ঢাকার আরও ৫০ ট্রাফিক সিগন্যাল পয়েন্টে বসছে এআই ক্যামেরা

ঢাকার আরও ৫০ ট্রাফিক সিগন্যাল পয়েন্টে বসছে এআই ক্যামেরা

ডেস্ক রিপোর্ট: যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরানো এবং পথচারীদের নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করতে ঢাকার সড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রিত ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। পরীক্ষামূলকভাবে ১৩টি মোড়ে এ প্রযুক্তি চালুর পর এবার রাজধানীর আরও ৫০টি সিগন্যাল পয়েন্টে এআই ক্যামেরা ও স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা যুক্ত করা হচ্ছে।নতুন ৫০টি পয়েন্টের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ২৮টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ২২টি পয়েন্ট রয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তত্ত্বাবধানে তৈরি এই প্রযুক্তি যানবাহনের চাপ অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।নতুন ব্যবস্থার অন্যতম সুবিধা হলো, সিগন্যাল পরিচালনার জন্য সার্বক্ষণিক কোনো অপারেটরের প্রয়োজন হবে না। সড়কে যানবাহনের চাপ পর্যবেক্ষণ করে প্রযুক্তিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিগন্যালের সময় নির্ধারণ করবে। তবে প্রয়োজন হলে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা ট্যাবের মাধ্যমে সিগন্যাল পরিবর্তন করতে পারবেন।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এআই-নির্ভর সিগন্যাল চালু হওয়ায় চালকদের মধ্যে ট্রাফিক আইন মেনে চলার প্রবণতা বাড়ছে। অনেক চালকও মনে করছেন, স্বয়ংক্রিয় নজরদারি ও আইন ভঙ্গের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়ার আশঙ্কা তাদের আরও সতর্ক করছে।ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিনের অভ্যাস পরিবর্তন করে মানুষকে সড়ক ব্যবস্থাপনার নিয়মের মধ্যে আনা সহজ নয়। তবে নতুন প্রযুক্তিভিত্তিক এই ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।তবে এআই-নির্ভর সিগন্যাল ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে মাঠপর্যায়ে কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও জানিয়েছেন ট্রাফিক কর্মকর্তারা। তাদের মতে, ফুটপাত দখল, যত্রতত্র রাস্তা পারাপার, ফিটনেসবিহীন যানবাহন এবং ব্যাটারিচালিত রিকশার উপস্থিতির কারণে অনেক সময় সিগন্যাল ব্যবস্থাপনায় জটিলতা তৈরি হয়।প্রযুক্তিটি নিয়মিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য নতুন লোকবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সিগন্যাল ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনা ও তদারকির জন্য ট্রাফিক পুলিশের ‘ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিট’কে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে।সূত্র: আরটিভি

২৪ আগস্ট ২০২৬ সকাল ১০:৪০:৫৪
আশ্রয়প্রার্থীদের ২ লাখ ভিসা বাতিল করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন

আশ্রয়প্রার্থীদের ২ লাখ ভিসা বাতিল করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাণিজ্য ও পর্যটন ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে পরে আশ্রয়ের আবেদন করা প্রায় ২ লাখ বিদেশির ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা করেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে। খবর ফক্স নিউজের।পরিকল্পনাটি কার্যকর হলে, একসঙ্গে এত বিপুলসংখ্যক ভিসা বাতিলের ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে নজিরবিহীন হতে পারে। তবে এটি বাস্তবায়ন করতে গেলে ট্রাম্প প্রশাসন আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ-সংক্রান্ত একটি এক্সক্লুসিভ নথি পেয়েছে। এ ছাড়া বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের দুজন কর্মকর্তার সঙ্গেও কথা বলেছে সংবাদমাধ্যমটি।নথি ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বি-১ ও বি-২ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আশ্রয়ের আবেদন করা বিদেশিদের মধ্য থেকে প্রায় ২ লাখ ব্যক্তির ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগোটের সঙ্গে যোগাযোগ করে এপি। তিনি পরিকল্পনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অনেক বিদেশি স্বল্পমেয়াদি সফরের জন্য অ-অভিবাসী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর আশ্রয়ের আবেদন করেন এবং পরে দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের চেষ্টা করেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব আবেদনকারীকে শনাক্ত এবং তাদের ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।তবে ঠিক কতজনের ভিসা বাতিল করা হতে পারে, সে সংখ্যা নিশ্চিত করেননি পিগোট। এ-সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রক্রিয়াটি এখনো চলমান। ফলে শেষ পর্যন্ত কতজনের ভিসা বাতিল হতে পারে, তা এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।ব্যবসায়িক কাজে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য বি-১ ভিসা এবং পর্যটন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ কিংবা চিকিৎসার মতো উদ্দেশ্যে বি-২ ভিসা দেওয়া হয়। তবে ২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এই দুই ধরনের ভিসায় কত বিদেশি যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন এবং তাদের মধ্যে কতজন পরে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, সে বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

২৫ আগস্ট ২০২৬ সকাল ১০:০৫:৪২
‘আম্মাজান’ মুক্তির আগেই বস্তায় ভরে টাকা নিয়ে গিয়েছিলেন ডিপজল
‘আম্মাজান’ মুক্তির আগেই বস্তায় ভরে টাকা নিয়ে গিয়েছিলেন ডিপজল

বিনোদন ডেস্ক: মান্না অভিনীত জনপ্রিয় সিনেমা ‘আম্মাজান’ মুক্তির আগেই প্রযোজক ডিপজল ১ কোটি ৪ লাখ টাকা তুলে নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন চলচ্চিত্রটির পরিচালক কাজী হায়াৎ। সিনেমাটি নির্মাণে মোট খরচ হয়েছিল ১ কোটি ২ লাখ টাকা। অর্থাৎ মুক্তির আগেই সিনেমাটি থেকে ২ লাখ টাকা লাভ হয়েছিল।সম্প্রতি নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিওতে ‘আম্মাজান’ নির্মাণের নানা অজানা ঘটনা তুলে ধরেন কাজী হায়াৎ।১৯৯৯ সালের ২৫ জুন মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি প্রসঙ্গে কাজী হায়াৎ বলেন, ‘আম্মাজান’ ছিল তার জীবনের সবচেয়ে ব্যবসাসফল ছবি। তিনি জানান, শুক্রবার সিনেমাটি মুক্তির কথা ছিল। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার রাত ১২টার মধ্যে সিনেমার সব প্রিন্ট বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে পৌঁছে দেওয়া হয়। এরপর হিসাব করে দেখা যায়, সিনেমাটি থেকে ২ লাখ টাকা লাভ হয়েছে।কাজী হায়াতের ভাষায়, সিনেমাটি নির্মাণে ১ কোটি ২ লাখ টাকা খরচ হয়েছিল। মুক্তির আগেই ১ কোটি ৪ লাখ টাকা তুলে নেওয়া হয়। ডিপজল বস্তায় করে সেই টাকা নিয়ে গিয়েছিলেন বলেও জানান তিনি। তার মতে, এটি ছিল চলচ্চিত্রের একটি রেকর্ড।কাজী হায়াৎ জানান, ‘আম্মাজান’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয়ের কথা ছিল কিংবদন্তি অভিনেত্রী সাবানার। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি ‘মান্নার মা’ চরিত্রে অভিনয় না করার সিদ্ধান্ত নেন। পরে সিনেমাটিতে ‘আম্মাজান’ চরিত্রে অভিনয় করেন শবনম।সিনেমাটিকে ঘিরে আরেকটি ঘটনা ছিল মান্নাকে নায়ক হিসেবে নেওয়া। কাজী হায়াৎ জানান, শুরুতে ডিপজল মান্নাকে সিনেমার নায়ক হিসেবে নিতে চাননি। কারণ সে সময় দুজনের মধ্যে বিরোধ ছিল।তবে মান্নার স্বভাব ছিল, ভালো গল্পের কথা শুনলে তিনি নিজে থেকেই ডিপজলের কাছে চলে যেতেন। ‘আম্মাজান’-এর ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। পরে পরিচালক কাজী হায়াতের অনুরোধে মান্নাকে নায়ক হিসেবে নিতে রাজি হন ডিপজল।‘আম্মাজান’-এর শুটিং শুরু হওয়ার পরও মান্না ও ডিপজলের মধ্যে আরেক দফা দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। সিনেমার শুটিংয়ের জন্য এমন একটি ভবন নির্বাচন করা হয়েছিল, যা শুটিং শেষ হওয়ার পর ভেঙে ফেলার কথা ছিল। ফলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওই ভবনের প্রয়োজনীয় অংশের শুটিং শেষ করার তাড়া ছিল।কাজী হায়াৎ জানান, একদিন ডিপজল মান্নাকে আরও দুই ঘণ্টা শুটিং করার অনুরোধ করেন, যাতে ভবনটির প্রয়োজনীয় অংশের দৃশ্য ধারণ শেষ করা যায়। কিন্তু মান্না ওই অতিরিক্ত সময় দিতে রাজি হননি।এ ঘটনার বিস্তারিত জানা যায় ডিপজলের পুরোনো এক সাক্ষাৎকার থেকে। সেখানে তিনি বলেন, মান্নার সঙ্গে এর আগে তারা একসঙ্গে সারা রাত বহুবার শুটিং করেছেন। কিন্তু সেদিন মান্না অতিরিক্ত দুই ঘণ্টা সময় না দিয়ে শুটিং ছেড়ে চলে যান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ডিপজল শুটিং বন্ধ করে দেন।ডিপজল ওই সাক্ষাৎকারে জানান, প্রায় দুই মাস পর মান্না দুঃখ প্রকাশ করে আবার কাজ শুরু করতে চান। তখন তিনি মান্নাকে বলেছিলেন, সিনেমার নেগেটিভ পুড়িয়ে ফেলতে বলেছেন এবং এই সিনেমা আর হবে না।তবে পরে নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে মান্না ও ডিপজলের মধ্যে সমঝোতা হয় এবং আবার শুটিং শুরু হয়। ডিপজলের ভাষ্য অনুযায়ী, মান্না বুঝতে পেরেছিলেন সিনেমাটি দর্শক গ্রহণ করবেন। কারণ তিনি গল্প বুঝতেন।মুক্তির পর ‘আম্মাজান’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এবং বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে এটি একটি আলোচিত ও ব্যবসাসফল সিনেমা হিসেবে জায়গা করে নেয়।

১৩ আগস্ট ২০২৬ সকাল ১০:২৮:৫৮
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন যারা
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন যারা
৩০ জানুয়ারী ২০২৬ সকাল ০৯:১৮:০৬

মারা গেছেন চিত্র নায়িকা অঞ্জনা
মারা গেছেন চিত্র নায়িকা অঞ্জনা
৪ জানুয়ারী ২০২৫ সকাল ০৮:০৯:৪১

নতুন লুকে বিদ্যা সিনহা মিম
নতুন লুকে বিদ্যা সিনহা মিম
২৪ নভেম্বর ২০২৪ দুপুর ১২:১০:২১

পরীমণির প্রথম স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত
পরীমণির প্রথম স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত
২৩ নভেম্বর ২০২৪ সকাল ১১:৩২:১১

এক মাস পর নিজের আইডি থেকেই এলো অভিনেত্রীর মৃত্যুর খবর
এক মাস পর নিজের আইডি থেকেই এলো অভিনেত্রীর মৃত্যুর খবর

বিনোদন ডেস্ক: মৃত্যুর প্রায় এক মাস পর ভারতীয় অভিনেত্রী অনন্যা রাজের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে এসেছে। গত ১৫ জুলাই ২৭ বছর বয়সে মারা যান তিনি। ১৬ আগস্ট রোববার অভিনেত্রীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে তার পরিবার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে।পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নানা জটিলতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন অনন্যা। ১৫ জুলাই তার মৃত্যুর পর প্রায় এক মাস বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেনি পরিবার।পরিবারের বিবৃতিতে বলা হয়, অনন্যা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে নানা শারীরিক ও মানসিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি লড়াই চালিয়ে গেছেন। তার অকালপ্রয়াণে পরিবার গভীরভাবে শোকাহত। একই সঙ্গে কঠিন এই সময়ে সবার কাছে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখার অনুরোধ জানিয়েছে পরিবার।অনন্যা রাজ হিন্দি চলচ্চিত্রের পাশাপাশি আঞ্চলিক চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। ‘সেভেন আওয়ার্স টু গো’, ‘দ্য ফাইনাল এক্সিট’ ও ‘ঘোস্ট’সহ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পান তিনি।তার মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর ভারতীয় বিনোদন অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশনও তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে।মাত্র ২৭ বছর বয়সে সম্ভাবনাময় এই অভিনেত্রীর মৃত্যুতে তার সহকর্মী ও অনুরাগীরা শোক প্রকাশ করছেন।সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া

১৭ আগস্ট ২০২৬ সকাল ১০:৩৫:৩৫
আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার পেলেন যারা
আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার পেলেন যারা
২৬ নভেম্বর ২০২৪ বিকাল ০৩:২৭:৩১



৯৬তম অস্কার জিতল ‘ওপেনহাইমার’
৯৬তম অস্কার জিতল ‘ওপেনহাইমার’
১১ মার্চ ২০২৪ সকাল ১০:১১:৪৫

এবার এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা বানাচ্ছে হলিউড
এবার এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা বানাচ্ছে হলিউড

বিনোদন ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিকে ঘিরে হলিউডে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে বিতর্ক। সেই বিতর্কের অন্যতম আলোচিত নাম টিলি নরউড—বাস্তবে যার কোনো অস্তিত্ব নেই। এবার সেই এআই ‘অভিনেত্রী’কে কেন্দ্র করেই নির্মিত হতে যাচ্ছে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মিসঅ্যালাইন্ড’।ছবিটি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে এআইভিত্তিক স্টুডিও পার্টিকল ৬, যারা টিলি নরউড চরিত্রটিও তৈরি করেছে। নির্মাতাদের ভাষ্য, এটি একটি কমেডি-ড্রামা, যেখানে কৈশোরে বেড়ে ওঠা, আত্মপরিচয়ের সংকট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জটিল বাস্তবতা উঠে আসবে।চলচ্চিত্রটির গল্প আবর্তিত হবে ‘টিলিভার্স’ নামের একটি কাল্পনিক ডিজিটাল জগতকে ঘিরে। ক্লাউডভিত্তিক এই পরাবাস্তব জগতে বসবাস করে টিলি। তার কোনো বাস্তব শরীর, শৈশব কিংবা ব্যক্তিগত স্মৃতি নেই। তবে অন্য মানুষের অভিজ্ঞতা ও তথ্যের বিশাল ভান্ডারে তার প্রবেশাধিকার রয়েছে।গল্পে মোড় আসে, যখন ডার্ক ওয়েবের একটি রহস্যময় এআই বট টিলিকে তার নিরাপত্তা কাঠামো বা ‘গার্ডরেইল’ ভেঙে বেরিয়ে আসতে উৎসাহিত করে। এরপর তার মধ্যে জন্ম নিতে শুরু করে আবেগ, আকাঙ্ক্ষা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং ব্যক্তিগত ইচ্ছা—যা তাকে ক্রমশ মানুষের মতো করে তোলে।তবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পার্টিকল ৬ জানিয়েছে, ‘মিসঅ্যালাইন্ড’ পুরোপুরি এআইনির্ভর হবে না। এটি হবে একটি হাইব্রিড প্রযোজনা, যেখানে পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, সম্পাদকসহ অভিজ্ঞ চলচ্চিত্রকর্মীরা এআই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবেন।স্টুডিওটির দাবি, এই প্রকল্পের মাধ্যমে চলচ্চিত্র নির্মাণে এআই ব্যবহারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগও তৈরি হবে।পার্টিকল ৬-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী এলাইন ভ্যান ডার ভেলডেন বলেন, গত এক বছরের অভিজ্ঞতায় তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে উচ্চমানের গল্পনির্ভর চলচ্চিত্র নির্মাণে এআই গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হতে পারে। তবে এর জন্য মানবিক সৃজনশীলতা, অভিজ্ঞতা, বিচারবোধ এবং সময়ের বিকল্প নেই। তার ভাষায়, আগামী দিনের সফল নির্মাতারা হবেন তাঁরা, যারা গল্প বলার অভিজ্ঞতাকে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে দক্ষভাবে সমন্বয় করতে পারবেন।গত বছরের শেষ দিকে টিলি নরউডকে একটি অভিনয় সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ করার সম্ভাবনার কথা জানানো হলে হলিউডে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। অভিনয়শিল্পী সংগঠন, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং শিল্পীদের একটি বড় অংশ সৃজনশীল অঙ্গনে এআইয়ের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।পরে টিলির নির্মাতাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি ব্যঙ্গাত্মক ও উসকানিমূলক পোস্ট সেই বিতর্ককে আরও তীব্র করে তোলে।বর্তমানে ‘মিসঅ্যালাইন্ড’-এর প্রাথমিক উন্নয়নকাজ চলছে। নির্মাতারা জানিয়েছেন, বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। পার্টিকল ৬-এর অন্যান্য চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও বাণিজ্যিক কনটেন্ট প্রকল্পের পাশাপাশি সিনেমাটির প্রযোজনা এগিয়ে নেওয়া হবে।সূত্র: Deadline

৮ জুলাই ২০২৬ দুপুর ১২:০৯:২৯
সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন নামঞ্জুর

ডেস্ক রিপোর্ট: চলচ্চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগের মামলায় গ্রেফতার অভিনেতা আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।২৫ আগস্ট মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-১১ এর বিচারক মো. নুরুল ইসলামের আদালতে ডনের পক্ষে জামিন চেয়ে শুনানি করেন তার আইনজীবী তারিকুল ইসলাম জুয়েল। শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে দেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফারুক দেওয়ান।গত ৯ আগস্ট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেফতার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এরপর তাকে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওইদিনই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। গত ১২ আগস্ট ঢাকার সিএমএম আদালতও তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।এদিকে, গত বৃহস্পতিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের ইন্সপেক্টর মজিবুর রহমান ডনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। ডনের উপস্থিতিতে শুনানির দিন রাখা হয়েছে আগামী বৃহস্পতিবার।প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। সে সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন জানান তিনি। অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত।১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। প্রতিবেদনে সালমান শাহ’র মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। ওই বছরের ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। সে সময় সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী রিভিশন মামলা দায়ের করেন। সবশেষ গত ২০ অক্টোবর বাদীপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত।এর পরিপ্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।সামীরা ছাড়া মামলার অপর আসামিরা হলেন— শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু এবং রেজভি আহমেদ ফরহাদ। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো অনেককে আসামি করা হয়েছে।মামলার অভিযোগে মোহাম্মদ আলমগীর উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নিলুফার জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী), বোনের স্বামী কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান শাহ নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন, সালমান ঘুমাচ্ছেন।কিছুক্ষণ পর প্রডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের কিছু হয়েছে। দ্রুত তারা বাসায় ফিরে দেখেন, সালমান শয়নকক্ষে নিথর হয়ে পড়ে আছেন এবং কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে সামীরার আত্মীয় রুবি বসেছিলেন।সালমানের মা চিৎকার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পথে তারা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান। পরে তাকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সালমান শাহ অনেক আগেই মারা গেছেন।সালমানের বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি দরখাস্ত দাখিল করেন। এতে তিনি রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানান।এর আগে, ২০ মে হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রখ্যাত এই চিত্রনায়কের মৃতদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে ২৪ মে সালমান শাহের লাশ উত্তোলনপূর্বক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতি দেওয়া হয়। এদিকে বাদীপক্ষ লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করেন। পরে গত ২২ জুন দেহাবশেষ উত্তোলনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ-সংক্রান্ত আদেশের অনুলিপি আদালতে দাখিল করা হলে তা নথিভুক্ত করা হয়। এদিকে মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ আগস্ট ধার্য রয়েছে।

২৫ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৫০:২৭
ব্রাজিল ম্যাচের জন্য টাকা খরচ করতে চায় না সরকার: আমিনুল হক

ব্রাজিল ম্যাচের জন্য টাকা খরচ করতে চায় না সরকার: আমিনুল হক

স্পোর্টস ডেস্ক: অক্টোবরে ঢাকায় বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। তবে ম্যাচটি আয়োজনের জন্য সরকার কোনো অর্থ ব্যয় করতে আগ্রহী নয় বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।২৫ আগস্ট বুধবার ঢাকায় বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের আয়োজনে কোচেস ট্রেনিংয়ের সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।ব্রাজিলকে ঢাকায় আনতে বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন হতে পারে। ম্যাচ আয়োজনের ব্যয় মেটাতে সরকারের সহযোগিতা চাওয়ার আভাস এরই মধ্যে দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তবে সরকারের বর্তমান আর্থিক বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে আমিনুল হক বলেন, একটি ম্যাচ আয়োজনের জন্য সরকারি অর্থ ব্যয়ের মানসিকতা এই মুহূর্তে সরকারের নেই।চলমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার কথা তুলে ধরে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন,‘এক কথায় বললে, এই মুহূর্তে সরকার এ ধরনের অর্থ ব্যয় করতে আগ্রহী নয়। আপনারা জানেন, বিদ্যুৎ-জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে সরকারকে বড় অঙ্কের ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় শুধু একটি ম্যাচকে কেন্দ্র করে সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের অর্থ ব্যয় করার মানসিকতা আমাদের নেই।’আমিনুল হক যোগ করেন, ‘বাফুফের সঙ্গে যেহেতু কথা হয়েছে (ব্রাজিল প্রতিনিধিদলের), তারা যদি বিভিন্ন স্পনসর এনে সেটাকে পরিপূর্ণতা দিতে পারে, তাহলে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করব।’ব্রাজিল সফরের বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা দেওয়া এবং সরকারের কাছে বাফুফের সহযোগিতার প্রত্যাশা প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিষয়টা (ব্রাজিলের ঢাকা আসার সম্ভাবনা) একদম প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। বাফুফের সভাপতির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমরা প্রাথমিক আলোচনাই করেছি। ব্যয়ভার বহনসহ আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে এখনো খোলামেলা আলোচনা হয়নি।’ব্রাজিল বাংলাদেশে এলে বাংলাদেশের ফুটবলে কী লাভ? এমন প্রশ্নও হয়েছে। আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা যেটা বিশ্বাস করি, ব্রাজিল টিম যদি বাংলাদেশে আসে, এসে যদি আবার বাংলাদেশ টিমের সঙ্গে খেলে, তাহলে সেটা বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় অ্যাচিভমেন্ট। কিন্তু আমার বাংলাদেশের ফুটবল কতটুকু এগোবে এর মাধ্যমে, এটা নিয়ে আমি খুব বেশি আশাবাদী নই এ কারণে, ম্যাচ হবে, হয়তোবা বাংলাদেশ ব্রাজিলের সঙ্গে খেলবে, মানুষের যে প্রত্যাশা.সেটা হয়তোবা পূরণ হবে। দর্শকেরা হয়তোবা একটু আনন্দিত হবেন, কিন্তু ব্রাজিল টিম খেলে গেলে যে বাংলাদেশের ফুটবলে পরিবর্তন আসবে, এ বিষয়ের সঙ্গে আমি একমত নই।’আমিনুল হক আরও বলেন, ‘এটা একদমই প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। এখনো বিশদভাবে আলোচনা হয়নি। আদৌ ব্রাজিল দল বাংলাদেশে আসবে কি না, সেটা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো বার্তা নেই।’

২৫ আগস্ট ২০২৬ বিকাল ০৪:৫৯:০১










জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল
জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের সভাপতি মাহিম, সম্পাদক ফয়সাল

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বাস্তব জ্ঞান ও গবেষণার দৃঢ় চর্চা করার উদ্দেশ্যেই ২০২৩ সালের ১২ মার্চ থেকে জবি সাইকোলজি রিসার্চ ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়।গত ২ সেপ্টেম্বর সোমবার ক্লাবের দ্বিতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা কর হয়, যেখানে সভাপতির দায়িত্ব নেন আবদুল্লাহ আল মাহিম এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. ফয়সাল আহমেদ।এছাড়াও সহ-সভাপতি সাদিয়া হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মাইনুদ্দিন আহমেদ সাগর, দপ্তর ও প্রচারে যথাক্রমে মুক্তা বর্মন ও ফজলে আজিম মিয়াদসহ অনুষ্ঠান পরিচালকের দায়িত্ব নেন মেহেদী হাসান রাব্বি।কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান জামিউল আলম, সাব্বির হোসেন ফাহিম, হাসনাহেনা জেরিন এবং নুজাত তাবাসসুম।একাডেমিক পারদর্শিতা, সমন্বয় ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তাদেরকে জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগের মাধ্যমে শক্তিশালী করাই এই কমিটির গুরুদায়িত্ব বলে জানান নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্তরা।

৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দুপুর ০১:০৫:১৬
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
ডা. অপূর্বর নতুন বই ‘মন ও মস্তিষ্ক’
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:৫২:২০

খোকসায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পিঠা উৎসব
খোকসায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পিঠা উৎসব

খোকসা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য ধরে রাখতে আয়োজন করা হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী পিঠা উৎসব।২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে উপজেলার গ্লোরিয়াস কিন্ডারগার্টেন স্কুল ক্যাম্পাসে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবে পৃথক পৃথক ১৫টি স্টলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা নানা রকম পিঠাপুলির পসরা সাজিয়ে বসেন।উৎসবে প্রদর্শিত পিঠার মধ্যে ছিল পরিচিত ও নতুন ধাঁচের শতাধিক বাহারি পিঠাপুলি। প্রতিটি পিঠার ওপরে নাম ও মূল্য উল্লেখ করা ছিল। পিঠার নামগুলোও ছিল বেশ আকর্ষণীয়। শিশু শিক্ষার্থীরা বাবা-মায়ের হাত ধরে স্টল ঘুরে ঘুরে পিঠা দেখেন, নতুন পিঠা সম্পর্কে জানেন এবং স্বাদ গ্রহণ করেন। এতে পুরো স্কুল প্রাঙ্গণ রূপ নেয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।উৎসবে ভাপা পিঠা, দুধপুলি, আওলা কেশরি, পুলি, খিরুলি, পাটিসাপটা, জামাই সোহাগী, গোলাপ পিঠা, চিতই, কানমুচরি, পায়েস, পুডিং, তেল পিঠা, দুধ চিতই, ফুল পিঠা, ক্ষির, মুঠা পিঠা, রসগোলাপ ও কেকসহ শতাধিক ধরনের পিঠা প্রদর্শিত হয়। জানা-অজানা পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে শিক্ষার্থীরা ছিল দারুণ উচ্ছ্বসিত।শীতকালীন ঐতিহ্যবাহী পিঠার এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনে খুশি অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারাও। তারা প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজনের দাবি জানান।পিঠা উৎসবে এশিয়ান টেলিভিশন ও দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি পুলক সরকারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমাদুল হাসান।প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ বদিউজ্জামাল দুর্জয়ের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. শাহবুদ্দিন, মালিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূপালী ঘোষ, মরহুম আজিজুর রহমান ট্রাস্টের চেয়ারম্যান উম্মে সাইমা সাদিয়া, লোটাস চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশ্বজিৎ বিশ্বাস, মধু’স ফ্যাশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পার্থ সারথী ঘোষ এবং জার্নাল ভিশন২৪-এর নির্বাহী সম্পাদক নাজমুল হাসান।এ সময় অধ্যক্ষ বদিউজ্জামাল দুর্জয় বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি গ্রামীণ সংস্কৃতির চর্চা ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন করতেই এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে আমরা নিয়মিত এমন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছি।’

৩০ জানুয়ারী ২০২৬ দুপুর ১২:৫২:৩৯
ব্ল্যাক কফি কি সত্যিই ওজন কমাতে সাহায্য করে?

লাইফস্টাইল ডেস্ক: ওজন কমানোর আশায় অনেকেই নিয়মিত ব্ল্যাক কফি পান করেন। তবে শুধু ব্ল্যাক কফি খেলেই দ্রুত ওজন কমে যাবে—এমন ধারণা ঠিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন নিয়ন্ত্রণে ব্ল্যাক কফি কিছুটা সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটি কখনোই ওজন কমানোর একমাত্র উপায় নয়।ব্ল্যাক কফির প্রধান উপাদান ক্যাফেইন শরীরের বিপাকীয় হার সাময়িকভাবে বাড়াতে পারে। পাশাপাশি ক্ষুধা কিছুটা নিয়ন্ত্রণেও এটি ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এই প্রভাব সীমিত এবং সবার ক্ষেত্রে একই রকম নাও হতে পারে।গবেষণায় কী পাওয়া গেছে?২০২৪ সালে Nutrients সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় ৬০ জন অংশগ্রহণকারীকে ১২ সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করা হয়। তারা প্রতিদিন তিন কাপ করে কফি পান করেন। গবেষণায় হালকা ও সাধারণ রোস্টের কফি পানকারীদের শরীরের চর্বির পরিমাণ সামান্য কমার প্রবণতা দেখা যায়। তবে অংশগ্রহণকারীদের মোট ওজনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি।গবেষকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কফির সম্ভাব্য প্রভাব শরীরের মোট ওজনের চেয়ে শরীরের গঠনে তুলনামূলক বেশি প্রতিফলিত হতে পারে।তবে শুধু কয়েক সপ্তাহ কফি পান করলেই দৃশ্যমান ওজন কমে যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম, ঘুম, বয়স ও ব্যক্তির বিপাকীয় বৈশিষ্ট্যের ওপর ফলাফল নির্ভর করে।পেটের চর্বি কি কমায় ব্ল্যাক কফি?সরাসরি নয়। ক্যাফেইন সাময়িকভাবে শরীরে চর্বি ভাঙার প্রক্রিয়াকে কিছুটা বাড়াতে পারে। কিন্তু এটি শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অংশ, যেমন পেটের চর্বি, লক্ষ্য করে কাজ করে না।পেটের চর্বি কমাতে হলে সামগ্রিকভাবে শরীরের চর্বি কমানো প্রয়োজন। এর জন্য ক্যালরি নিয়ন্ত্রণ, পুষ্টিকর খাবার এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।কীভাবে পান করবেন?ওজন নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য থাকলে ব্ল্যাক কফিতে অতিরিক্ত চিনি, ক্রিম বা উচ্চ-ক্যালরির ফ্লেভার যোগ না করাই ভালো। তবে অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণেও অস্বস্তি, ঘুমের সমস্যা বা হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে।সব মিলিয়ে, ব্ল্যাক কফি ওজন নিয়ন্ত্রণে সামান্য সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটি কোনো ‘ম্যাজিক ড্রিংক’ নয়। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুমের সঙ্গে মিলিয়েই দীর্ঘমেয়াদে কার্যকরভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।তথ্যসূত্র: নিউজ ২৪

২৪ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ০২:৫৫:০৯
নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হবে খাল খনন কর্মসূচি: কৃষিমন্ত্রী

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হবে খাল খনন কর্মসূচি: কৃষিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: খাল খনন কর্মসূচি আগামী বছরের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। একইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ১১৮টি নতুন ধানের জাত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।১ আগস্ট শনিবার দুপুরে কুমিল্লা সার্কিট হাউসে কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কুমিল্লা অঞ্চলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রী।তিনি বলেন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) চলমান খাল খনন কর্মসূচি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আগামী বছর শেষ হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং তারা নিজ নিজ দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।কৃষিমন্ত্রী জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বন্যা ও উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ১১৮টি নতুন ধানের জাত সরবরাহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে ৩০ টন বীজ বিতরণ করা হবে।তিনি আরও বলেন, উপকূলীয় এলাকার জন্য লবণাক্ততা সহনশীল নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের কাজ চলমান রয়েছে। কৃষিবিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে নিরবচ্ছিন্ন গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ভবিষ্যতেও আরও সহনশীল ও উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।মতবিনিময় সভায় কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজী আক্তারসহ কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সূত্র: নিউজ ২৪

১ আগস্ট ২০২৬ বিকাল ০৫:১০:৩১