জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জ জগন্নাথপুর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
১৬ এপ্রিল মঙ্গলবার গ্রেফতার আসামিদের সুনামগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলা ও পুলিশ মারফতে জানা গেছে, ১৪ এপ্রিল রোববার বিকেলে জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের হান্নান মিয়া ও চন্দন দাসের মাঝে পাওনা ১৩শ’ টাকা দেয়া-নেয়া নিয়ে বাক-বিতন্ডা হয়।
বাক-বিতন্ডার এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় সংঘর্ষে ও ভাংচুরের ঘটনায় করুনা দাস, অঞ্জন দাস, অমরী দাস, কাকলী দাস, সূর্য দাস, অসীম দাস, শিল্পী দাস, শিলু রানী দাস, লাভলী দাসসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।
এ ঘটনায় চন্দন দাস বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় হান্নান মিয়াকে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের বিরোদ্ধে মামলা দায়ের করেলে পুলিশ উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের হান্নান মিয়া (৫৫), কাদির মিয়া (২৫), আলী আহমদ (২২), খলিল মিয়া (৫০), নুরুল মিয়া (২৩), বদরুল মিয়া (২১), মারুফ আহমদ (২৪)কে গ্রেফতার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জগন্নাথপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুশংকর পাল বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মামলা দায়ের পর এজাহারনামীয় ৭ আসামিকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, হিন্দু পরিবারের উপর হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় সোমবার সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাস ও সহকারী পুলিশ সুপার (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ সার্কেল) সুভাশীষ ধর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2024, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available