নিজস্ব প্রতিবেদক: গুণবতীর ফারুক আওয়ামী ছাত্রলীগের সন্ত্রাস বাহিনীর চাঁদাবাজি ও হামলার শিকার হয়ে এখনো পর্যন্ত প্রবাসের মাটিতে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের বুধড়া গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ ফারুক। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী ছাত্রলীগের নির্যাতন নিপীড়ন চাঁদাবাজি নিজ বাড়িতে গিয়ে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার উপর হামলা করা হয়।
ছাত্রশিবিরের এক নিবেদিত প্রাণ নাম তার মোহাম্মদ ফারুক। বাড়ি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের বুধড়া গ্রামে। বর্তমানে থাকেন প্রবাসে। একসময় জামায়াত শিবিরের আদর্শকে ভালোবেসে বুকে লালন পালন করে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর প্রতিটি কর্মকাণ্ডে মিটিং এর স্লোগানে প্রতিটি জায়গাতে ছিল তার বিচরণ, তাইতো চার দলীয় ঐক্যজোট সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর তার উপরে নেমে আসে অনেক ঝর তুফান বিপদ যে বিপদের মোকাবিলা করতে পারেনি।
ফারুককে হতে হয়েছে আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের হাতে লাঞ্ছিত এবং হামলার শিকার। তাই ফারুক এশিয়ান টিভি অনলাইনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ২০০৮ নির্বাচনের আগে অস্ত্র আছে বলে ২০০ এর উপরে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বাড়িতে এসে আমার উপর হামলা করে পরে (অলি ভাই পুলিশ দিয়ে আমাকে রক্ষা করে), ২০০৮ নির্বাচনের দিন ভোট কালেকশন করতে যাই বিনা দোষে আওয়ামী লীগের হাতে মাইর খাইলাম।
২০০৮ নির্বাচনের পর রেল লাইনের উপর আমার বাবার উপর পাথর ছুড়ে মারছে। ২০০৯ সালে ১ বার চৌদ্দগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে হামলা, ২০১০ সালে ১ বার চৌদ্দগ্রাম পল্লি বিদু্ৎ অফিসের সামনে হামলা এবং মোবাইল নিয়ে যায়। ২০০৯ সালে গুণবতী ডিগ্রি কলেজের কাশেম প্রফেসর জানাজা দিতে গিয়ে আমার উপর হামলা হয়।
২০১০ সালে জনতা ব্যাংকের সামনে আমাকে মেরে জনতা ব্যাংক সংলগ্ন বর্তমান শ্রমিক ফাউন্ডেশনের আলম ভাইর দোকানের থেকে উঠে নিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করে। পরিকল্পিতভাবে আমাদের পুকুরে রাতে মাছ মারার ষড়যন্ত্র করে। ২০২৩ সালে কথা কাটাকাটি নিয়ে পরিকল্পিতভাবে তুষারের উপর হামলা তার মাথাও ফাটিয়ে দেয়। পরে মামলা করলে কুমিল্লা কোর্ট থেকে জোর করে মামলাও উঠানো হয়।
২০১৪ সালে মিথ্যা মামলা দিয়ে বাড়ি থেকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে গুনবতীতে রেলওয়ে ম্যাক্স এর অফিসে বেঁধে মারধর করা হয়। এরপর (২টা ভাঙা দেশি পিস্তল) অস্ত্র দিয়ে চালান করে দেয়। (২ বার রিমান্ড ৪ দিন করে)।
আল্লাহর রহমতে ১২ মাস কারাভোগের পর মুক্তি পেয়ে দেশ ছেড়ে চলে যাই প্রবাস জীবনে। স্বৈরাচার সরকারের ছাত্রলীগ কর্মীদের অত্যাচারে জুলুম নির্বিচারে মানুষকে ধরে ধরে কুপিয়ে জখম করেছিল। বিগত সময় তাই ফারুকের মত আর কেউ যেন না হয় লাঞ্ছিত না হয় বাড়িঘর ছাড়া এটাই হোক প্রত্যাশা।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2025, এশিয়ান অনলাইন টিভি | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available