নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অপহরণের পর শিশু হত্যার ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফেরদৌস আলী (২৯) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
২৬ ফেব্রুয়ারি বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টায় জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ তথ্য জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান। ফেরদৌস আলী কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানার মানিক মিয়ার ছেলে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান জানান, মুক্তিপনের জন্য মাত্র ৫০ হাজার টাকা না পেয়ে শিশু বাইজিদকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জবানবন্দীমুলক স্কীকারোক্তি দিয়েছে ফেরদৌস। মঙ্গলবার রাত নয়টার দিকে ফতুল্লা মডেল থানার দাপা ইদ্রাকপুর শৈলকুইড়াস্থ সাহাবুদ্দিন হাজীর ইট ভাটার ঝোপের ভিতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মো. বাইজিদ আকন ফতুল্লা থানার ফতুল্লা রেলস্টেশন এলাকার শাহানাজের বাড়ির ভাড়াটিয়া সাইফুল আকনের পুত্র। এ ঘটনায় পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ফেরদৌস আলীকে করিমগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে। পরে তার স্বীকারোক্তিমতে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শরীফুল ইসলাম জানান, নিহত শিশু ও ঘাতক একই ভাড়া বাড়িতে পাশাপাশি বসবাস করতো। সোমবার সন্ধ্যার দিকে চটপটি খাওয়ানোর কথা বলে শিশুটিকে নিয়ে ফেরদৌস বাসা থেকে বের হয়।পরে রাত ১২টার দিকে নিহত শিশুর বাবাকে ঘাতক ফেরদৌস ফোন করে জানায় যে ছেলেকে জীবিত পেতে হলে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। অন্যথায় হত্যা করা হবে। তারা টাকা দিতে চাইলেও পরবর্তীতে মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
মঙ্গলবার সকালে নিহতের বাবা বাদী হয়ে একটি নিখোঁজ জিডি করে।
তিনি আরও জানান, নিখোঁজ জিডির সূত্র ধরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় রাত সাতটার দিকে করিমগঞ্জ থানা পুলিশের সহায়তায় ঘাতক ফেরদৌসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তার স্বীকারোক্তিতে দাপাইদ্রাকপুরস্থ ইটভাটার ঝোপ থেকে নিহত শিশুর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধ করে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2025, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available