রংপুর প্রতিনিধি: রংপুরের কাউনিয়ায় বিক্রির উদ্দেশ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ গবাদি পশু ও মাছের খাবার মজুত এবং ব্যবসায়ী লাইসেন্স না থাকার অপরাধে দুই ফিড ব্যবসায়ীকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ১২ বস্তা (২৪০ কেজি) মেয়াদোত্তীর্ণ মাছের খাবার জব্দ করা হয়।
২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের টেপামধুপুর ও ভায়ারহাট বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পাপিয়া সুলতানা। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এআরএম আল মামুন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, টেপামধুপুর ভায়ারহাট বাজারে ট্রেড লাইসেন্স না নিয়ে শ্রী সজল কুমার মিত্র নামে এক ব্যক্তি অবৈধভাবে ফিড স্টোরে মেয়াদোত্তীর্ণ গবাদি পশুপাখি ও মাছের খাদ্য বেচাবিক্রি করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ওই বাজারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাপিয়া সুলতানা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এসময় সজল কুমার মিত্রের দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ গবাদি পশুপাখি ও মাছের খাদ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুদ রাখার অপরাধে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক। জব্দ করা হয় দোকানে থাকা মেয়াদ উত্তীর্ণ ১২ বস্তা (২৪০ কেজি) মাছের খাবার। এর আগে টেপামধুপুর বাজারে ট্রেড লাইসেন্স না নিয়ে অবৈধভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে মাছের খাদ্য বেচাবিক্রির অপরাধে শফিকুল ইসলামকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক। পরে অর্থদণ্ড প্রাপ্ত দুই ব্যবসায়ী জরিমানা টাকা জমা দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাপিয়া সুলতানা জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ মাছ ও পশুখাদ্য বিক্রি জনস্বাস্থ্য, প্রাণিস্বাস্থ্য ও মৎস্য উৎপাদনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ভোক্তা ও খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য বিক্রির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের বৈধ কাগজপত্র সংরক্ষণ ও খাদ্যের মেয়াদ যাচাই করে বিক্রির জন্য অনুরোধ জানান তিনি।
এটিভি/ এইচকে
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available