• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ৫ই কার্তিক ১৪৩৩ রাত ০৮:০৫:৪৪ (20-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:

সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর: সুইটির পরিবার জানে না মৃত্যুর খবর

২০ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:০০:০৯

সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর: সুইটির পরিবার জানে না মৃত্যুর খবর
সুইটি আক্তারের বাবা-মা। ছবি: সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট: সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া বাংলাদেশি নারী সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর প্রকাশের পরও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য পাননি তার পরিবারের সদস্যরা। মেয়ের মৃত্যুর খবর সত্য হলে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন বাবা-মা।

নিহত সুইটির বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নে। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) বহির্গমন ছাড়পত্র ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় পাওয়া গেছে।

সরকারি নথি অনুযায়ী, সুইটি আক্তারের জন্ম ২০০১ সালের ১১ আগস্ট। ২০২৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ‘এস রানা ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল’ নামের একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরবে যাওয়ার বহির্গমন ছাড়পত্র পান তিনি। দেশটিতে তার নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ছিল ‘আল মাজাল আল আরাবি গ্রুপ কোম্পানি’।

আরও পড়ুন

ইউপি নির্বাচনে দল যাকে মনোনয়ন দেবে তার পক্ষেই কাজ করতে হবে: আইনমন্ত্রী

গত ১৪ অক্টোবর সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলে একটি মসজিদে ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে দেশটির কর্তৃপক্ষ। তারা হলেন- সিতি আখতার ও নাজেরুল ইসলাম আবদুল বশির। বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে ওই নারীর নাম সুইটি আক্তার এবং যুবকের নাম নজরুল ইসলাম আবদুল বশির হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।

সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতারের পর তদন্ত শেষে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে উল্লেখ করে ২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও রাজকীয় আদেশের পর গত ১৪ অক্টোবর মক্কা অঞ্চলে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তবে ঠিক কী ধরনের কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাদের এ সাজা দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি সৌদি কর্তৃপক্ষ।

এদিকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশকে বিষয়টি জানায়নি বলে জানিয়েছে জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনসুলেট। এ ঘটনায় সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ও বিস্তারিত তথ্য চেয়ে কূটনৈতিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন

নাটোরে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪

গত ১৮ অক্টোবর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর তারা বিষয়টি জানতে পারেন। পরে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে বিচারপ্রক্রিয়া ও আদালতের রায় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।

এদিকে সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর প্রকাশের পর তার গ্রামের বাড়িতে খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়েছে। তবে পরিবারের সদস্যরা এখনো মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেননি।

মহেড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিভাষ সরকার নুপুর জানান, সুইটি আক্তারের মৃত্যুর বিষয়ে তিনি এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাননি। সুইটির বোনের স্বামী আবদুল বারেক আনসার বাহিনীর সদস্য হিসেবে পূজার দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাকে ডেকে এনে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সুইটি আক্তারের ছবি দেখানো হলে তিনি ওই নারীকে নিজের শ্যালিকা হিসেবে শনাক্ত করেন। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়টি তিনিও নিশ্চিত করতে পারেননি।

আরও পড়ুন

সেনাবাহিনীর এ্যাসল্ট কোর্স প্রতিযোগিতায় সেরা ৬৬ পদাতিক ডিভিশন

সুইটি আক্তারের বাবা ফজল ও মা জহুরা বেগম মেয়ের মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাননি বলে জানিয়েছেন। তাদের দাবি, মেয়ে মারা গিয়ে থাকলে সরকার যেন দ্রুত তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করে। এজন্য তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এটিভি/এসটিও

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ



সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে বিশেষ অধ্যাদেশ জারি
সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে বিশেষ অধ্যাদেশ জারি
২০ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৩৪:২৯






অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে ডিবির অভিযানে আটক ৮৪
অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে ডিবির অভিযানে আটক ৮৪
২০ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:১০:৫৩