• ঢাকা
  • |
  • শনিবার ৯ই কার্তিক ১৪৩৩ সন্ধ্যা ০৬:৫৬:৩৫ (24-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:

বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি

২৪ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:০৪:৪২

বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি
ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক: বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরিদর্শন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং অনুমোদন নবায়নের ফি নির্ধারণ করে বিদ্যুৎ বিধিমালা, ২০২০ সংশোধন করেছে সরকার।

নতুন নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, ৫০ মেগাওয়াট নয়, ৫০ কিলোওয়াট বা তদূর্ধ্ব ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রাহকের বৈদ্যুতিক স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি উপকেন্দ্রের ক্ষমতাভেদে ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে লিফট, এনার্জি মিটার, ট্রান্সফরমারের তেল পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান এবং বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফিও নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

‘উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই আস্থা অর্জন করবে বিএনপি’

গত ১৫ অক্টোবর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয়।

এতে বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮-এর ৫৯ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিদ্যুৎ বিধিমালা, ২০২০-এর তফসিল-১ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

নতুন তফসিল অনুযায়ী, ১০০ কেভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের বৈদ্যুতিক স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ২০ হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়ন ফি ১০ হাজার টাকা। ২০০ কেভিএ উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এ দুটি ফি যথাক্রমে ২৫ হাজার ও ১২ হাজার ৫০০ টাকা। ৫০০ কেভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি ৪০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে গুরুত্ব দিলেন ডোনার

এছাড়া এক মেগাভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার (এমভিএ) ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি ৬০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৩০ হাজার টাকা। ৫ এমভিএ উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এ ফি যথাক্রমে ১ লাখ ও ৫০ হাজার টাকা। ১০ এমভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৭০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে ফি আরও বেশি। ২০ এমভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি ২ লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি ১ লাখ টাকা। ৫০ এমভিএ উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এ দুটি ফি যথাক্রমে ৪ লাখ ও ২ লাখ টাকা। ১০০ এমভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি ৭ লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সর্বোচ্চ তালিকাভুক্ত ৫০০ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি ৩০ লাখ টাকা এবং অনুমোদন নবায়ন ফি ১৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বিদ্যুৎ সিস্টেমে লিংকেজ পরীক্ষার ফি ২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভবনের অভ্যন্তরীণ বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং ডায়াগ্রামসহ সেফটি প্ল্যান অনুমোদনের জন্য ৫০ কিলোওয়াটের কম বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকা এবং ৫০ কিলোওয়াট বা তদূর্ধ্ব ব্যবহারের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে।

আরও পড়ুন

বহুপাক্ষিকতা ও জাতিসংঘ সংস্কারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের ক্ষেত্রে ১১ হাজার ভোল্ট পর্যন্ত সরঞ্জামের জন্য পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি ৫০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৩৩ হাজার ভোল্ট বা তদূর্ধ্ব ক্ষমতার সরঞ্জামের ক্ষেত্রে এ ফি যথাক্রমে ৭৫ হাজার ও ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা।

ট্রান্সফরমারের তেল পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি ২০ হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়ন ফি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এনার্জি মিটার পরীক্ষার ক্ষেত্রে সিঙ্গেল ফেজ মিটারের জন্য দুই হাজার টাকা, থ্রি-ফেজ মিটারের জন্য পাঁচ হাজার টাকা এবং মেইন মিটার বা এইচটি মিটারের জন্য ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। বৈদ্যুতিক লিফটের আর্থিং পরীক্ষার ফি প্রতি ইলেকট্রোডে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর

লিফট পরিদর্শন ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্যাসেঞ্জার, ক্যাপসুল ও বেড লিফটের জন্য ৬ হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়নের জন্য ৩ হাজার টাকা দিতে হবে। অন্যদিকে কার্গো, গুডস, কার, ফায়ার ফাইটিং ও সার্ভিস লিফটের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি ১০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তফসিলে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির ফি উল্লেখ না থাকলে সমজাতীয় ক্যাটাগরির অব্যবহিত আগের ও পরের ক্যাটাগরির ফি-এর আনুপাতিক হারে পরিদর্শন ফি নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট পরিদর্শন কর্মকর্তা।

নির্ধারিত ফি কর-বহির্ভূত রাজস্ব হিসেবে ট্রেজারি চালান অথবা অনলাইনে এ চালানের মাধ্যমে সরকারের নির্ধারিত কোডে জমা দিতে হবে। যে ভবন বা স্থানে বিদ্যুৎ উৎপাদন, গ্রহণ বা ব্যবহার করা হয় বা হবে, সেই ভবন বা স্থানের দখলদারকে প্রযোজ্য ফি পরিশোধ করতে হবে। ফি জমা দেওয়ার পর চালানের মূল কপিসহ প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তরে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর নতুন বিনিয়োগ আনতে ভূমিকা রাখবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

এতে আরও বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিভাগের ২০১৪ সালের ২১ মে জারি করা ‘বৈদ্যুতিক স্থাপনা বা সরঞ্জামাদি পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিদ্যুৎ লাইসেন্স জারি আদেশ, ২০১৪’ রহিত করা হয়েছে। সূত্র: বাসস

এটিভি/এসটিও

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ






প্রবীণ সাংবাদিক শফিকুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন
প্রবীণ সাংবাদিক শফিকুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন
২৪ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:০৬:৪৪




নতুন সেতু পেরিয়ে চীন সফরে কিম জং উন
নতুন সেতু পেরিয়ে চীন সফরে কিম জং উন
২৪ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:২৬:২৫