অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুনভাবে আধুনিক এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে উঠতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
২৩ অক্টোবর শুক্রবার লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নে লাইফ লাইন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের আয়োজিত নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। স্থানীয় তোতারখীল আয়েশা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ আয়োজন করা হয়।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুনভাবে আধুনিক বাংলাদেশ, স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে উঠতে যাচ্ছে। যা নির্বাচনের আগে তার পিতার কথা অনুযায়ী, তার মায়ের প্ল্যান অনুযায়ী আমরা জাতির সামনে তুলে ধরেছিলাম। সেই প্ল্যানগুলো নিয়েই আজকে আমরা মাঠে নেমেছি। সেভাবেই তারেক জিয়ার নেতৃত্বে কাজ করছি। তার হাতকে শক্তিশালী করার মধ্য দিয়ে আমাদের এই অগ্রযাত্রা এবং নতুনভাবে বাংলাদেশকে বিনির্মাণের পথে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।
এ্যানি বলেন, গত ১৭ বছর আমরা বঞ্চিত ছিলাম, উপেক্ষিত ছিলাম। দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়ন, দুঃশাসন আমাদেরকে গ্রাস করে দিয়েছে। তারেক রহমানের চিন্তা চেতনা তীক্ষ্ণ দৃষ্টি, দূরদর্শী চিন্তা থেকে আজকে এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে মাঠে নেমেছি, যেখানে টিম ওয়ার্কের মাধ্যমে আমাদের বাংলাদেশটাকে রক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশটাকে আমাদের ধরে রাখতে হবে। সেটার জন্য বৃক্ষরোপণ ও খাল খনন কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অত্যাচারিত, নিপীড়িত হয়েছেন, সবশেষ আমাদের থেকে বিদায় নিয়েছেন। তারেক রহমান নির্বাসিত জীবনে ছিলেন। বাংলাদেশে বসে কাজ করতে পারেননি। সাজাপ্রাপ্ত অবস্থায় বিদেশে বসে জুম মিটিং করে আমাদেরকে পরিকল্পনা দিয়েছেন, আমরা মাঠে কাজ করেছি। আবার জেলেও বন্দি হয়েছি, অত্যাচারিত-নির্যাতিত হয়েছি। আবার মাঠে কাজ করে বিগত ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলে স্বাভাবিক পরিবেশ পেয়েছি, আপনাদের মাধ্যমে। সেই আন্দোলনে আপনারা নেতৃত্ব দিয়েছেন। আপনারা ছিলেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, আজকে যারা বিরোধী দল, আন্দোলন সংগ্রামে তারাও কাজ করেছেন। করেন নাই, আমরা তা বলি না। তবে ২৮ অক্টোবর তো খুঁজে পাইনি। লক্ষ্মীপুরে এতো পদযাত্রা করলাম, মিছিল-মিটিং করলাম, কোথায় ছিলো আমার বিরোধী দল? ছিলো- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঠিকই ছিলো, কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু ছিলো, গুপ্ত অবস্থায় ছিলো এবং কার সঙ্গে কার আঁতাত ছিলো, ১৯৮৬ সালে সেটা প্রমাণ ছিলো না? ১৯৯৬ সালে সেটার প্রমাণ ছিলো না? ১৭২ দিন ১৭৩ দিন হরতাল করেছে, অবরোধ করেছে, তাদের সঙ্গী ছিলেন না? আমাদেরকে সচেতন হতে হবে, সজাগ থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আজকে লংমার্চ করেন, আজকে রোডমার্চ করেন। আজকে এক দফার আন্দোলন করার জন্য সচিবালয়ের সামনে চলে যান। সংসদের সামনে চলে যান। হুংকার দেন, আমাদেরকে হুংকার দিবেন না, আমরা মাঠ থেকে উঠে এসেছি। আমরা রাজপথ থেকে উঠে এসেছি।
লাইফ লাইন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সভাপতি শামস জেরিন জর্জির সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী সচিব মো. কামরুজ্জামান, লাইফ লাইন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের প্রতিষ্ঠাতা আহসান হাবিব, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা, চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রব ও চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেল্লাল হোসেন প্রমুখ।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available