শহীদ রব্বানীর পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন তারেক রহমান: রুমন
মাইনুল হক, নীলফামারী: আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক সাংবাদিক আতিকুর রহমান রুমন বলেছেন, নীলফামারীর রব্বানী যেদিন শহীদ হন, তার পরেরদিন থেকে তার পরিবারের দেখভালের দায়িত্ব পালন করে আসছেন তারেক রহমান। শহীদ রব্বানীকে আপনারা চিনেন। ২০১৪ সালের ১৮ জানুয়ারিতে নীলফামারী সদরের লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রব্বানীকে আসাদুজ্জামান নূরের গাড়ি বহরে হামলার মামলায় অবৈধভাবে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে গুম করে হত্যা করে তার লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছিলো।৩০ ডিসেম্বর বেলা ১২টার দিকে নীলফামারীর শহীদ গোলাম রব্বানীর পরিবারকে বাড়ি বুঝিয়ে দেওয়ার অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নেমে এশিয়ান টিভির সাংবাদিক মাইনুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।আতিকুর রহমান বলেন, রব্বানীর পরিবারের বাড়িটিও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিলো, শহীদ রব্বানীর তিনটি বাচ্চাকে নিয়ে কষ্ট করে বসবাস করে আসছে তার পরিবার, শহীদ গোলাম রব্বানীর পরিবারের কষ্টের ব্যাপারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমানের নির্দেশনায় ও তারেক রহমানের অর্থায়নে আমরা বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে শহীদ রব্বানীর পরিবারকে ছোট একটি বাড়ি দেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, শহীদ গোলাম রব্বানীর বাচ্চার পড়াশোনার খোঁজখবরও নিয়ে আসছেন তারেক রহমান। পাশাপাশি শহীদ গোলাম রব্বানীর বাচ্চার এসএসসি পরীক্ষায় পাশ করাতে মিষ্টি পাঠিয়েছিলেন তিনি।তিনি আরও বলেন, দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করেন তারেক রহমান। তিনি সুদূর প্রবাসে থেকেও দেশের মানুষের খোঁজখবর রাখেন সবসময়। অসহায় নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের সবসময় নির্দেশনা দেন। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে নিহত শহীদদের নামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সড়ক মহাসড়ক নামকরণ করা হবে। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে নিহত শহীদ ও আহত অসহায় পরিবারে একটি করে হলেও সরকারি ও বেসরকারি চাকরি দিয়ে সেইসব অসচ্ছল পরিবারকে সচ্ছলতা দিবে। তাঁর নির্দেশে আমরা সবসময় শহীদদের পাশে রয়েছি।উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে র্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হন বিএনপির এই নেতা গোলাম রব্বানী! তিনি নীলফামারীর সদর লক্ষীচাপ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।