• ঢাকা
  • |
  • শনিবার ২১শে চৈত্র ১৪৩১ রাত ০১:২৭:৫৭ (05-Apr-2025)
  • - ৩৩° সে:
এশিয়ান রেডিও
  • ঢাকা
  • |
  • শনিবার ২১শে চৈত্র ১৪৩১ রাত ০১:২৭:৫৭ (05-Apr-2025)
  • - ৩৩° সে:

নেছারাবাদে জেলি ভর্তি চিংড়ি মাছ বিক্রির অভিযোগ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে

মুহিদুল ইসলাম, পিরোজপুর: পিরোজপুরের নেছারাবাদে চিংড়ি মাছের মধ্যে ম্যাজিক বল ঢুকিয়ে মাছের ওজন বৃদ্ধি করে ক্রেতাদের সাথে ধারাবাহিক প্রতারণা করে যাচ্ছে মনিষা ফিশিং হাউজের মালিক উত্তম মন্ডল। উত্তমের এমন অসাধু কর্মকাণ্ডে স্থানীয় বিচার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে শাস্তি হলেও কিছুতেই থামছে না মাছ ব্যবসায়ী উত্তম মন্ডল। এ নিয়ে ক্রেতাদের মধ্য চরম ক্ষোভ বইছে। মনিষা ফিশিং হাউজের মালিক উত্তম মন্ডল মোকাম থেকে ওইসব মাছ সরবরাহ করে উপজেলার বিভিন্ন মাছ বাজারে ব্যবসায়ীদের কাছে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। ক্রেতারা এসব কিনে প্রতারিত হচ্ছেন।২৫ ডিসেম্বর বুধবার সকালে স্থানীয় কামাল নামে এক ক্রেতা উপজেলার জগন্নাথকাঠি মাছ বাজার থেকে খুচরা মাছ বিক্রেতা রনজিতের কাছ থেকে এক কেজি চিংড়ি মাছ কিনে বাড়িতে নেন। বাড়িতে গিয়ে মাছ কেটে মাছের মাথায় আঠালো জাতীয় জেলি দেখতে পান। এসময় আরো বেশ কয়েকটি মাছ কেটে একই অবস্থা দেখতে পেয়েছেন। তিনি মাছ নিয়ে বাজারে এসে বিক্রেতা রনজিতের কাছে গেলে তিনি বলেন, মনিষা ফিসিং হাউজ উত্তম মন্ডলের কাছ থেকে মাছ এনে বিক্রি করেছেন। পরে বাজারের বেশ কয়েকজন মিলে ওই মাছের আড়তে গিয়ে এর সত্যতা পেয়েছেন। উত্তম সেই মাছ খালে ফেলে দেন। এর পূর্বে হাফিজুর রহমান নামে এক লোক একই লোকের কাছ থেকে চিংড়ি মাছ কিনে মাছের মাথার ভিতরে একইভাবে তিনিও জেলি দেখতে পান। তারা সবাই তার বিচার চাচ্ছেন।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই বাজারের মনিষা ফিশিং হাউজের অধিকাংশ মাছেই ফরমালিন দেওয়া। পচা বার্মিজ রুই, চিংড়ি, কাতল সরবরাহ হয়ে থাকে ওই আড়তে। আড়তের এসব পচা, ভেজাল মাছ বাজারে বিক্রি হচ্ছে দেদারসে। ওই আড়ত থেকে মাছ কিনে ধোঁকায় পড়ছেন অধিকাংশ ক্রেতারা। আর এ কারণে বছরে দুই তিনবার জরিমানাও গুনে থাকেন ওই আড়তের মালিক উত্তম মন্ডলসহ আড়ত থেকে মাছ কেনা সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। ২০২০ সালের ২৮ জুলাই মনীষা ফিশিং হাউজ থেকে স্বপন নামে এক মাছ ব্যবসায়ী জেলি ভর্তি চিংড়ি মাছ কিনে এক ক্রেতার কাছে বিক্রি করেন। তখন মাছে ভেজাল পেয়ে তিনি প্রশাসনের কাছে গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় ওই আড়তের মালিক উত্তমকে ধরতে গেলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মনিষা ফিশিং হাউজের মালিক উত্তম মন্ডল বলেন, আমি মোকাম থেকে মাছ কিনে আনি। মাছের ভিতর ভেজাল থাকলে আমার কী করার আছে।নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান জানান, মনিষা ফিশিং হাউজের ব্যাপারে অনেক অভিযোগ শুনেছি। সুনির্দিষ্ট কিছু পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।